দেনমোহরের পরিমাণ মনে না থাকলে কী করবেন?

দেনমোহরের পরিমাণ মনে না থাকলে কী করবেন?
ধর্ম ডেস্ক

বিয়েতে স্বামীর পক্ষ থেকে স্ত্রীকে দেনমোহর দেওয়া আবশ্যক। দেনমোহর স্ত্রীর অধিকার। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ ইরশাদ করেছেন, মুমিন সচ্চরিত্রা নারী এবং তোমাদের আগে যাদেরকে কিতাব দেওয়া হয়েছে, তাদের সচ্চরিত্রা নারীদের সঙ্গে তোমাদের বিবাহ বৈধ।
যখন তোমরা তাদেরকে মোহর দেবে, বিবাহকারী হিসেবে, প্রকাশ্য ব্যভিচারকারী বা গোপনপত্নী গ্রহণকারী হিসেবে নয়। (সুরা মায়েদা. আয়াত : ৫)
স্ত্রী তার ন্যায্য অধিকার যেন সঠিকভাবে পায় এবং তার প্রতি যেন কোনো অবমূল্যায়ন না হয় সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে।
রাসুল (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি কোনো নারীকে বিয়ে করলো এবং তার মোহর বাকি রাখলো এরপর সে ইচ্ছা করলো মোহর আংশিক বা একেবারেই আদায় করবে না তাহলে সে ব্যভিচারী হয়ে যাবে এবং আল্লাহর সঙ্গে ব্যভিচারী হিসেবে সাক্ষাৎ করবে। (কানজুল উম্মাল)
নবী করিম (সা.) বলেছেন, ‘সর্বোত্তম মোহরানা হচ্ছে- সহজসাধ্য মোহরানা’। (বাইহাকি, হাদিস, ১৪৭২১)
এক হাদিসে আম্মাজান আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সা.) বলেছেন, ‘কনের বরকতের আলামত হচ্ছে, বিয়ের প্রস্তাবনা সহজ হওয়া, মোহরানা সহজসাধ্য হওয়া এবং গর্ভ ধারণ সহজ হওয়া।’ (মুসনাদে আহমাদ, হাদিস, ২৩৯৫৭)
মোহরের শরীয়া বিধান হলো, সর্বনিম্ন ১০ দিরহাম। ১০ দিরহামের কমে দেনমোহর নির্ধারণ করা যাবে না। সবচেয়ে উত্তম হলো মোহরে ফাতেমী প্রদান করা।
দেনমোহরের পরিমাণ মনে না থাকলে করণীয়
বিয়ের সময় যদি মোহরানা নির্দিষ্ট করে ধার্য করা না হয় বা কত ধার্য করা হয়েছিল তা যদি মনে না থাকে তাহলে শরীয়তের দৃষ্টিকোণ থেকে ‘মোহরে মিসল’ প্রদান করতে হবে। মোহরে মিসল বলা হয়, স্ত্রীর আপন বোন, ফুফু, চাচাতো বোনদের যে হারে মোহরানা ধার্য করা হয় সেই পরিমাণে মোহর নির্ধারণ করা।
সূত্র : ফতোয়ায়ে শামী, ফতোয়ায়ে দারুল উলুম দেওবন্দ

বিয়েতে স্বামীর পক্ষ থেকে স্ত্রীকে দেনমোহর দেওয়া আবশ্যক। দেনমোহর স্ত্রীর অধিকার। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ ইরশাদ করেছেন, মুমিন সচ্চরিত্রা নারী এবং তোমাদের আগে যাদেরকে কিতাব দেওয়া হয়েছে, তাদের সচ্চরিত্রা নারীদের সঙ্গে তোমাদের বিবাহ বৈধ।
যখন তোমরা তাদেরকে মোহর দেবে, বিবাহকারী হিসেবে, প্রকাশ্য ব্যভিচারকারী বা গোপনপত্নী গ্রহণকারী হিসেবে নয়। (সুরা মায়েদা. আয়াত : ৫)
স্ত্রী তার ন্যায্য অধিকার যেন সঠিকভাবে পায় এবং তার প্রতি যেন কোনো অবমূল্যায়ন না হয় সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে।
রাসুল (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি কোনো নারীকে বিয়ে করলো এবং তার মোহর বাকি রাখলো এরপর সে ইচ্ছা করলো মোহর আংশিক বা একেবারেই আদায় করবে না তাহলে সে ব্যভিচারী হয়ে যাবে এবং আল্লাহর সঙ্গে ব্যভিচারী হিসেবে সাক্ষাৎ করবে। (কানজুল উম্মাল)
নবী করিম (সা.) বলেছেন, ‘সর্বোত্তম মোহরানা হচ্ছে- সহজসাধ্য মোহরানা’। (বাইহাকি, হাদিস, ১৪৭২১)
এক হাদিসে আম্মাজান আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সা.) বলেছেন, ‘কনের বরকতের আলামত হচ্ছে, বিয়ের প্রস্তাবনা সহজ হওয়া, মোহরানা সহজসাধ্য হওয়া এবং গর্ভ ধারণ সহজ হওয়া।’ (মুসনাদে আহমাদ, হাদিস, ২৩৯৫৭)
মোহরের শরীয়া বিধান হলো, সর্বনিম্ন ১০ দিরহাম। ১০ দিরহামের কমে দেনমোহর নির্ধারণ করা যাবে না। সবচেয়ে উত্তম হলো মোহরে ফাতেমী প্রদান করা।
দেনমোহরের পরিমাণ মনে না থাকলে করণীয়
বিয়ের সময় যদি মোহরানা নির্দিষ্ট করে ধার্য করা না হয় বা কত ধার্য করা হয়েছিল তা যদি মনে না থাকে তাহলে শরীয়তের দৃষ্টিকোণ থেকে ‘মোহরে মিসল’ প্রদান করতে হবে। মোহরে মিসল বলা হয়, স্ত্রীর আপন বোন, ফুফু, চাচাতো বোনদের যে হারে মোহরানা ধার্য করা হয় সেই পরিমাণে মোহর নির্ধারণ করা।
সূত্র : ফতোয়ায়ে শামী, ফতোয়ায়ে দারুল উলুম দেওবন্দ

দেনমোহরের পরিমাণ মনে না থাকলে কী করবেন?
ধর্ম ডেস্ক

বিয়েতে স্বামীর পক্ষ থেকে স্ত্রীকে দেনমোহর দেওয়া আবশ্যক। দেনমোহর স্ত্রীর অধিকার। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ ইরশাদ করেছেন, মুমিন সচ্চরিত্রা নারী এবং তোমাদের আগে যাদেরকে কিতাব দেওয়া হয়েছে, তাদের সচ্চরিত্রা নারীদের সঙ্গে তোমাদের বিবাহ বৈধ।
যখন তোমরা তাদেরকে মোহর দেবে, বিবাহকারী হিসেবে, প্রকাশ্য ব্যভিচারকারী বা গোপনপত্নী গ্রহণকারী হিসেবে নয়। (সুরা মায়েদা. আয়াত : ৫)
স্ত্রী তার ন্যায্য অধিকার যেন সঠিকভাবে পায় এবং তার প্রতি যেন কোনো অবমূল্যায়ন না হয় সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে।
রাসুল (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি কোনো নারীকে বিয়ে করলো এবং তার মোহর বাকি রাখলো এরপর সে ইচ্ছা করলো মোহর আংশিক বা একেবারেই আদায় করবে না তাহলে সে ব্যভিচারী হয়ে যাবে এবং আল্লাহর সঙ্গে ব্যভিচারী হিসেবে সাক্ষাৎ করবে। (কানজুল উম্মাল)
নবী করিম (সা.) বলেছেন, ‘সর্বোত্তম মোহরানা হচ্ছে- সহজসাধ্য মোহরানা’। (বাইহাকি, হাদিস, ১৪৭২১)
এক হাদিসে আম্মাজান আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সা.) বলেছেন, ‘কনের বরকতের আলামত হচ্ছে, বিয়ের প্রস্তাবনা সহজ হওয়া, মোহরানা সহজসাধ্য হওয়া এবং গর্ভ ধারণ সহজ হওয়া।’ (মুসনাদে আহমাদ, হাদিস, ২৩৯৫৭)
মোহরের শরীয়া বিধান হলো, সর্বনিম্ন ১০ দিরহাম। ১০ দিরহামের কমে দেনমোহর নির্ধারণ করা যাবে না। সবচেয়ে উত্তম হলো মোহরে ফাতেমী প্রদান করা।
দেনমোহরের পরিমাণ মনে না থাকলে করণীয়
বিয়ের সময় যদি মোহরানা নির্দিষ্ট করে ধার্য করা না হয় বা কত ধার্য করা হয়েছিল তা যদি মনে না থাকে তাহলে শরীয়তের দৃষ্টিকোণ থেকে ‘মোহরে মিসল’ প্রদান করতে হবে। মোহরে মিসল বলা হয়, স্ত্রীর আপন বোন, ফুফু, চাচাতো বোনদের যে হারে মোহরানা ধার্য করা হয় সেই পরিমাণে মোহর নির্ধারণ করা।
সূত্র : ফতোয়ায়ে শামী, ফতোয়ায়ে দারুল উলুম দেওবন্দ








-CznNewsLab-37ecd8-480x270.webp)
