সংসদে বঙ্গবন্ধুকে শ্রদ্ধা জানালেন জামায়াত এমপি

সংসদে বঙ্গবন্ধুকে শ্রদ্ধা জানালেন জামায়াত এমপি
নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতীয় সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন গাইবান্ধা-৫ আসনের বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মো.আব্দুল ওয়ারেছ। এ সময় স্বাধীনতার ঘোষক হিসেবে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানসহ জাতীয় নেতাদের প্রতিও শ্রদ্ধা জানান তিনি।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ২০তম দিনে সংসদ অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে এ শ্রদ্ধা জানান তিনি।
জামায়াত এমপি বলেন, প্রথমেই শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি স্বাধীনতার অন্যতম নায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে ও আরেকজন নেতা স্বাধীন বাংলাদেশের অগ্রদূত, যিনি ১৯৭০ সালে জাতীয় নির্বাচনে বয়কট করে ঘোষণা দিয়েছিলেন 'ব্যালট বাক্সে লাথি মারো, পূর্ব পাকিস্তান স্বাধীন করো', সেই জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করছি। একইসঙ্গে জুলাই আন্দোলনে শহীদ আবু সাঈদসহ সব বীর যোদ্ধাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি।
তিনি বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যে সংবিধানের ব্যাখ্যা দিচ্ছেন সে সংবিধানে মহা অসত্য রয়েছে। সেই সংবিধানে এখনো স্বাধীনতার ঘোষক হিসেবে শেখ মুজিবকে রাখা হয়েছে। আমি এর নিন্দা ও তীব্র আপত্তি জানাই। স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে কেন এখন পর্যন্ত সংসদে লিপিবদ্ধ করা হলো না? কাজেই দাবি করছি, এ মেয়াদের মধ্যেই শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে স্বাধীনতার ঘোষক হিসেবে সংসদে লিপিবদ্ধ করা হোক।
আব্দুল ওয়ারেছ বলেন, ফুলছড়ি থেকে বাহাদরাবাদ পর্যন্ত দ্বিতীয় যমুনা সেতু সেতু নির্মিত হলে প্রধানমন্ত্রীর উত্তরবঙ্গের সমতা ও শিল্পায়নের লক্ষ্য ত্বরান্বিত হবে। কৃষিপণ্য পরিবহন সহজ হবে এবং বোনারপাড়া রেলওয়ে জংশন ও হাসপাতাল পূর্ণোদ্যমে চালু হবে।

জাতীয় সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন গাইবান্ধা-৫ আসনের বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মো.আব্দুল ওয়ারেছ। এ সময় স্বাধীনতার ঘোষক হিসেবে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানসহ জাতীয় নেতাদের প্রতিও শ্রদ্ধা জানান তিনি।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ২০তম দিনে সংসদ অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে এ শ্রদ্ধা জানান তিনি।
জামায়াত এমপি বলেন, প্রথমেই শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি স্বাধীনতার অন্যতম নায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে ও আরেকজন নেতা স্বাধীন বাংলাদেশের অগ্রদূত, যিনি ১৯৭০ সালে জাতীয় নির্বাচনে বয়কট করে ঘোষণা দিয়েছিলেন 'ব্যালট বাক্সে লাথি মারো, পূর্ব পাকিস্তান স্বাধীন করো', সেই জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করছি। একইসঙ্গে জুলাই আন্দোলনে শহীদ আবু সাঈদসহ সব বীর যোদ্ধাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি।
তিনি বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যে সংবিধানের ব্যাখ্যা দিচ্ছেন সে সংবিধানে মহা অসত্য রয়েছে। সেই সংবিধানে এখনো স্বাধীনতার ঘোষক হিসেবে শেখ মুজিবকে রাখা হয়েছে। আমি এর নিন্দা ও তীব্র আপত্তি জানাই। স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে কেন এখন পর্যন্ত সংসদে লিপিবদ্ধ করা হলো না? কাজেই দাবি করছি, এ মেয়াদের মধ্যেই শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে স্বাধীনতার ঘোষক হিসেবে সংসদে লিপিবদ্ধ করা হোক।
আব্দুল ওয়ারেছ বলেন, ফুলছড়ি থেকে বাহাদরাবাদ পর্যন্ত দ্বিতীয় যমুনা সেতু সেতু নির্মিত হলে প্রধানমন্ত্রীর উত্তরবঙ্গের সমতা ও শিল্পায়নের লক্ষ্য ত্বরান্বিত হবে। কৃষিপণ্য পরিবহন সহজ হবে এবং বোনারপাড়া রেলওয়ে জংশন ও হাসপাতাল পূর্ণোদ্যমে চালু হবে।

সংসদে বঙ্গবন্ধুকে শ্রদ্ধা জানালেন জামায়াত এমপি
নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতীয় সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন গাইবান্ধা-৫ আসনের বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মো.আব্দুল ওয়ারেছ। এ সময় স্বাধীনতার ঘোষক হিসেবে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানসহ জাতীয় নেতাদের প্রতিও শ্রদ্ধা জানান তিনি।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ২০তম দিনে সংসদ অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে এ শ্রদ্ধা জানান তিনি।
জামায়াত এমপি বলেন, প্রথমেই শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি স্বাধীনতার অন্যতম নায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে ও আরেকজন নেতা স্বাধীন বাংলাদেশের অগ্রদূত, যিনি ১৯৭০ সালে জাতীয় নির্বাচনে বয়কট করে ঘোষণা দিয়েছিলেন 'ব্যালট বাক্সে লাথি মারো, পূর্ব পাকিস্তান স্বাধীন করো', সেই জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করছি। একইসঙ্গে জুলাই আন্দোলনে শহীদ আবু সাঈদসহ সব বীর যোদ্ধাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি।
তিনি বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যে সংবিধানের ব্যাখ্যা দিচ্ছেন সে সংবিধানে মহা অসত্য রয়েছে। সেই সংবিধানে এখনো স্বাধীনতার ঘোষক হিসেবে শেখ মুজিবকে রাখা হয়েছে। আমি এর নিন্দা ও তীব্র আপত্তি জানাই। স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে কেন এখন পর্যন্ত সংসদে লিপিবদ্ধ করা হলো না? কাজেই দাবি করছি, এ মেয়াদের মধ্যেই শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে স্বাধীনতার ঘোষক হিসেবে সংসদে লিপিবদ্ধ করা হোক।
আব্দুল ওয়ারেছ বলেন, ফুলছড়ি থেকে বাহাদরাবাদ পর্যন্ত দ্বিতীয় যমুনা সেতু সেতু নির্মিত হলে প্রধানমন্ত্রীর উত্তরবঙ্গের সমতা ও শিল্পায়নের লক্ষ্য ত্বরান্বিত হবে। কৃষিপণ্য পরিবহন সহজ হবে এবং বোনারপাড়া রেলওয়ে জংশন ও হাসপাতাল পূর্ণোদ্যমে চালু হবে।




