‘সংসদ ভবন থেকেই লোডশেডিং শুরু হোক’

‘সংসদ ভবন থেকেই লোডশেডিং শুরু হোক’
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশে চলমান বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় সরকার ঘোষিত লোডশেডিং কার্যক্রম জাতীয় সংসদ ভবন এলাকা থেকেই শুরু করার প্রস্তাব দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে এ প্রস্তাব দেন তিনি।
জামায়াতে ইসলামীর আমির বলেন, মাননীয় স্পিকার, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী রাজধানীতে লোডশেডিংয়ের যে প্রস্তাব এনেছেন, সংসদ যেন এর বাইরে না থাকে। আমি বলব মেহেরবানি করে এটি যেন সংসদ ভবন থেকে শুরু হয়।
বিরোধীদলীয় নেতার এই প্রস্তাবের পর স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, সংসদ অধিবেশন তো চালু রাখতে হবে, সংসদ বন্ধ করা যাবে না।
এর জবাবে বিরোধীদলীয় নেতা পুনরায় মাইক নিয়ে ব্যাখ্যা দেন।
তিনি বলেন, মাননীয় স্পিকার, আমি সংসদ ভবনের কথা বলেছি, সংসদ অধিবেশন চলাকালীন সময়ের কথা বলিনি। অধিবেশনের বাইরেও সংসদ ভবনের অনেক কার্যক্রম থাকে, আমি সেই সময়ের কথা বুঝিয়েছি।
এর আগে, দেশের কৃষি খাতে সেচ ব্যবস্থা নির্বিঘ্ন রাখতে, শহর ও গ্রামের বৈষম্য দূর করতে পরীক্ষামূলকভাবে রাজধানী ঢাকায় লোডশেডিং করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার শপথের মর্যাদা এবং পবিত্র সংসদের স্বচ্ছতা বজায় রাখতে বদ্ধপরিকর। বিদ্যুৎ সমস্যা একদিনের নয়, বরং এটি বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের পুঞ্জীভূত অব্যবস্থাপনার ফল। বর্তমানে কাগজে-কলমে উৎপাদন ক্ষমতা অনেক বেশি থাকলেও বাস্তবতার সঙ্গে তার গরমিল রয়েছে।
তিনি বলেন, গতকাল দেশে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল প্রায় ১৬ হাজার মেগাওয়াট। এর বিপরীতে উৎপাদন সম্ভব হয়েছে ১৪ হাজার ১২৬ দশমিক ৩৫ মেগাওয়াট। ফলে দেশজুড়ে ২ হাজার ৮৬ মেগাওয়াট লোডশেডিং করতে বাধ্য হয়েছে সরকার।
অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, বর্তমানে ফসল কাটার মৌসুম চলায় কৃষকদের সেচ কাজের সুবিধার্থে প্রধানমন্ত্রী নিরবচ্ছিন্ন ডিজেল ও বিদ্যুৎ সরবরাহের নির্দেশনা দিয়েছেন। সেই নির্দেশনা বাস্তবায়ন এবং শহর ও গ্রামের বৈষম্য দূর করতে রাজধানী ঢাকাতে প্রাথমিকভাবে পরীক্ষামূলকভাবে ১১০ মেগাওয়াট লোডশেডিং করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

দেশে চলমান বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় সরকার ঘোষিত লোডশেডিং কার্যক্রম জাতীয় সংসদ ভবন এলাকা থেকেই শুরু করার প্রস্তাব দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে এ প্রস্তাব দেন তিনি।
জামায়াতে ইসলামীর আমির বলেন, মাননীয় স্পিকার, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী রাজধানীতে লোডশেডিংয়ের যে প্রস্তাব এনেছেন, সংসদ যেন এর বাইরে না থাকে। আমি বলব মেহেরবানি করে এটি যেন সংসদ ভবন থেকে শুরু হয়।
বিরোধীদলীয় নেতার এই প্রস্তাবের পর স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, সংসদ অধিবেশন তো চালু রাখতে হবে, সংসদ বন্ধ করা যাবে না।
এর জবাবে বিরোধীদলীয় নেতা পুনরায় মাইক নিয়ে ব্যাখ্যা দেন।
তিনি বলেন, মাননীয় স্পিকার, আমি সংসদ ভবনের কথা বলেছি, সংসদ অধিবেশন চলাকালীন সময়ের কথা বলিনি। অধিবেশনের বাইরেও সংসদ ভবনের অনেক কার্যক্রম থাকে, আমি সেই সময়ের কথা বুঝিয়েছি।
এর আগে, দেশের কৃষি খাতে সেচ ব্যবস্থা নির্বিঘ্ন রাখতে, শহর ও গ্রামের বৈষম্য দূর করতে পরীক্ষামূলকভাবে রাজধানী ঢাকায় লোডশেডিং করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার শপথের মর্যাদা এবং পবিত্র সংসদের স্বচ্ছতা বজায় রাখতে বদ্ধপরিকর। বিদ্যুৎ সমস্যা একদিনের নয়, বরং এটি বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের পুঞ্জীভূত অব্যবস্থাপনার ফল। বর্তমানে কাগজে-কলমে উৎপাদন ক্ষমতা অনেক বেশি থাকলেও বাস্তবতার সঙ্গে তার গরমিল রয়েছে।
তিনি বলেন, গতকাল দেশে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল প্রায় ১৬ হাজার মেগাওয়াট। এর বিপরীতে উৎপাদন সম্ভব হয়েছে ১৪ হাজার ১২৬ দশমিক ৩৫ মেগাওয়াট। ফলে দেশজুড়ে ২ হাজার ৮৬ মেগাওয়াট লোডশেডিং করতে বাধ্য হয়েছে সরকার।
অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, বর্তমানে ফসল কাটার মৌসুম চলায় কৃষকদের সেচ কাজের সুবিধার্থে প্রধানমন্ত্রী নিরবচ্ছিন্ন ডিজেল ও বিদ্যুৎ সরবরাহের নির্দেশনা দিয়েছেন। সেই নির্দেশনা বাস্তবায়ন এবং শহর ও গ্রামের বৈষম্য দূর করতে রাজধানী ঢাকাতে প্রাথমিকভাবে পরীক্ষামূলকভাবে ১১০ মেগাওয়াট লোডশেডিং করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

‘সংসদ ভবন থেকেই লোডশেডিং শুরু হোক’
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশে চলমান বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় সরকার ঘোষিত লোডশেডিং কার্যক্রম জাতীয় সংসদ ভবন এলাকা থেকেই শুরু করার প্রস্তাব দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে এ প্রস্তাব দেন তিনি।
জামায়াতে ইসলামীর আমির বলেন, মাননীয় স্পিকার, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী রাজধানীতে লোডশেডিংয়ের যে প্রস্তাব এনেছেন, সংসদ যেন এর বাইরে না থাকে। আমি বলব মেহেরবানি করে এটি যেন সংসদ ভবন থেকে শুরু হয়।
বিরোধীদলীয় নেতার এই প্রস্তাবের পর স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, সংসদ অধিবেশন তো চালু রাখতে হবে, সংসদ বন্ধ করা যাবে না।
এর জবাবে বিরোধীদলীয় নেতা পুনরায় মাইক নিয়ে ব্যাখ্যা দেন।
তিনি বলেন, মাননীয় স্পিকার, আমি সংসদ ভবনের কথা বলেছি, সংসদ অধিবেশন চলাকালীন সময়ের কথা বলিনি। অধিবেশনের বাইরেও সংসদ ভবনের অনেক কার্যক্রম থাকে, আমি সেই সময়ের কথা বুঝিয়েছি।
এর আগে, দেশের কৃষি খাতে সেচ ব্যবস্থা নির্বিঘ্ন রাখতে, শহর ও গ্রামের বৈষম্য দূর করতে পরীক্ষামূলকভাবে রাজধানী ঢাকায় লোডশেডিং করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার শপথের মর্যাদা এবং পবিত্র সংসদের স্বচ্ছতা বজায় রাখতে বদ্ধপরিকর। বিদ্যুৎ সমস্যা একদিনের নয়, বরং এটি বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের পুঞ্জীভূত অব্যবস্থাপনার ফল। বর্তমানে কাগজে-কলমে উৎপাদন ক্ষমতা অনেক বেশি থাকলেও বাস্তবতার সঙ্গে তার গরমিল রয়েছে।
তিনি বলেন, গতকাল দেশে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল প্রায় ১৬ হাজার মেগাওয়াট। এর বিপরীতে উৎপাদন সম্ভব হয়েছে ১৪ হাজার ১২৬ দশমিক ৩৫ মেগাওয়াট। ফলে দেশজুড়ে ২ হাজার ৮৬ মেগাওয়াট লোডশেডিং করতে বাধ্য হয়েছে সরকার।
অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, বর্তমানে ফসল কাটার মৌসুম চলায় কৃষকদের সেচ কাজের সুবিধার্থে প্রধানমন্ত্রী নিরবচ্ছিন্ন ডিজেল ও বিদ্যুৎ সরবরাহের নির্দেশনা দিয়েছেন। সেই নির্দেশনা বাস্তবায়ন এবং শহর ও গ্রামের বৈষম্য দূর করতে রাজধানী ঢাকাতে প্রাথমিকভাবে পরীক্ষামূলকভাবে ১১০ মেগাওয়াট লোডশেডিং করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।




