শহীদ মিনারে জামায়াত আমিরকে দেখে ‘রাজাকার’ স্লোগান

শহীদ মিনারে জামায়াত আমিরকে দেখে ‘রাজাকার’ স্লোগান
নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রথমবারের মতো মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সেখানে স্লোগান ও পাল্টা স্লোগানকে কেন্দ্র করে কিছু সময়ের জন্য উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
শুক্রবার দিবাগত রাত ১২টা ২২ মিনিটে শহীদ মিনারের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন ডা. শফিকুর রহমান। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন বিরোধীদলীয় হুইপ ও এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, দলটির সদস্যসচিব আখতার হোসেন এবং ১১ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতারা।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় একদল যুবক তাকে উদ্দেশ করে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। এর মধ্যে ছিল ‘রাজাকার, রাজাকার’, ‘একাত্তরের দালালেরা, হুঁশিয়ার সাবধান’ এবং ‘একাত্তরের রাজাকার এই মুহূর্তে বাংলা ছাড়’– এ ধরনের স্লোগান।
তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় সেখানে উপস্থিত জামায়াতের নেতা-কর্মীরাও পাল্টা স্লোগান দেন। তারা ‘ভাষাসৈনিক গোলাম আযম, লও লও লও সালাম’ এমন স্লোগান দিতে শুরু করলে পরিস্থিতি কিছুটা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
এ সময় পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন জোটের সংসদ সদস্যরাও। হট্টগোল শুরু হলে এনসিপির নেতারা দ্রুত আমিরের গাড়ির কাছে ফিরে যান। পরে পুলিশ ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্যরা এগিয়ে এসে নিরাপত্তা নিশ্চিত করলে ডা. শফিকুর রহমান ও জোটের নেতারা শহীদ মিনার এলাকা ত্যাগ করেন।

প্রথমবারের মতো মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সেখানে স্লোগান ও পাল্টা স্লোগানকে কেন্দ্র করে কিছু সময়ের জন্য উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
শুক্রবার দিবাগত রাত ১২টা ২২ মিনিটে শহীদ মিনারের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন ডা. শফিকুর রহমান। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন বিরোধীদলীয় হুইপ ও এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, দলটির সদস্যসচিব আখতার হোসেন এবং ১১ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতারা।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় একদল যুবক তাকে উদ্দেশ করে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। এর মধ্যে ছিল ‘রাজাকার, রাজাকার’, ‘একাত্তরের দালালেরা, হুঁশিয়ার সাবধান’ এবং ‘একাত্তরের রাজাকার এই মুহূর্তে বাংলা ছাড়’– এ ধরনের স্লোগান।
তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় সেখানে উপস্থিত জামায়াতের নেতা-কর্মীরাও পাল্টা স্লোগান দেন। তারা ‘ভাষাসৈনিক গোলাম আযম, লও লও লও সালাম’ এমন স্লোগান দিতে শুরু করলে পরিস্থিতি কিছুটা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
এ সময় পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন জোটের সংসদ সদস্যরাও। হট্টগোল শুরু হলে এনসিপির নেতারা দ্রুত আমিরের গাড়ির কাছে ফিরে যান। পরে পুলিশ ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্যরা এগিয়ে এসে নিরাপত্তা নিশ্চিত করলে ডা. শফিকুর রহমান ও জোটের নেতারা শহীদ মিনার এলাকা ত্যাগ করেন।

শহীদ মিনারে জামায়াত আমিরকে দেখে ‘রাজাকার’ স্লোগান
নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রথমবারের মতো মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সেখানে স্লোগান ও পাল্টা স্লোগানকে কেন্দ্র করে কিছু সময়ের জন্য উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
শুক্রবার দিবাগত রাত ১২টা ২২ মিনিটে শহীদ মিনারের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন ডা. শফিকুর রহমান। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন বিরোধীদলীয় হুইপ ও এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, দলটির সদস্যসচিব আখতার হোসেন এবং ১১ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতারা।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় একদল যুবক তাকে উদ্দেশ করে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। এর মধ্যে ছিল ‘রাজাকার, রাজাকার’, ‘একাত্তরের দালালেরা, হুঁশিয়ার সাবধান’ এবং ‘একাত্তরের রাজাকার এই মুহূর্তে বাংলা ছাড়’– এ ধরনের স্লোগান।
তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় সেখানে উপস্থিত জামায়াতের নেতা-কর্মীরাও পাল্টা স্লোগান দেন। তারা ‘ভাষাসৈনিক গোলাম আযম, লও লও লও সালাম’ এমন স্লোগান দিতে শুরু করলে পরিস্থিতি কিছুটা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
এ সময় পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন জোটের সংসদ সদস্যরাও। হট্টগোল শুরু হলে এনসিপির নেতারা দ্রুত আমিরের গাড়ির কাছে ফিরে যান। পরে পুলিশ ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্যরা এগিয়ে এসে নিরাপত্তা নিশ্চিত করলে ডা. শফিকুর রহমান ও জোটের নেতারা শহীদ মিনার এলাকা ত্যাগ করেন।




