৪ সাংবাদিকের মুক্তির দাবি সিপিজের

৪ সাংবাদিকের মুক্তির দাবি সিপিজের
সিটিজেন ডেস্ক

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় আটক ও কারাবন্দি ৪ সাংবাদিকের মুক্তির দাবি জানিয়েছে কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্টস (সিপিজে)। সেইসঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে করা মামলা প্রত্যাহারেরও দাবি জানিয়েছে সংস্থাটি। এ সময় তাদের চিকিৎসা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) সাংবাদিকদের অধিকার রক্ষায় কাজ করা আন্তর্জাতিক সংগঠনটি এ দাবি জানিয়ে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানকে চিঠি দিয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, মোজাম্মেল হক বাবু, শ্যামল দত্ত, ফারজানা রূপা এবং শাকিল আহমেদ– এই চার সাংবাদিককে হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার করে ১৮ মাসের বেশি সময় কারাগারে রাখা হয়েছে। সিপিজের নথিপত্র, স্বজনদের বক্তব্য এবং আন্তর্জাতিক আইন বিশেষজ্ঞদের পর্যালোচনা বলছে, তাদের বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত কোনো বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি। কোনো অভিযোগপত্রও (চার্জশিট) দেওয়া হয়নি।
চিঠিতে বলা হয়, আটক রাখার ধরন দেখে মনে হয় সাংবাদিকতা এবং রাজনৈতিক অবস্থানের কারণেই তাদের এসব মামলায় জড়ানো হয়েছে।
কারাবন্দি সাংবাদিকদের পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ জানিয়ে চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর গ্রেপ্তার হন শ্যামল দত্ত। এর কয়েক দিনের মধ্যেই তিনি স্ট্রোক করেন। তবে তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি পরিবারকে জানানো হয়নি। তার হৃদরোগ এবং প্রচণ্ড স্লিপ অ্যাপনিয়ার (ঘুমের মধ্যে শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা) ইতিহাস রয়েছে, যা কারা হেফাজতে আমলে নেওয়া হয়নি।
একই দিনে মোজাম্মেল বাবুকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। ২০২৩ সালের শেষের দিকে তার প্রোস্টেট ক্যান্সার ধরা পড়ে। এজন্য তার অস্ত্রোপচার করা হয়। তবে পরবর্তী প্রয়োজনীয় চিকিৎসা তিনি পাচ্ছেন না। এর ফলে আবারও ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন তিনি।
অন্যদিকে ফারজানা রূপাকে ২০২৪ সালের নভেম্বরে দুই সপ্তাহের জন্য মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের জন্য সংরক্ষিত কনডেম সেলে রাখা হয়েছিল।
সিপিজে স্মরণ করিয়ে দিয়েছে, বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদ এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার চুক্তি অনুযায়ী মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হয়েছে।
বর্তমান সরকারের আইন মন্ত্রণালয় ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সমন্বয় করে অবিলম্বে চার সাংবাদিকের প্রয়োজনীয় চিকিৎসার ব্যবস্থা করবে বলে আশা প্রকাশ করেছে সিপিজে। সেইসঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রত্যাহারের বিষয়টি বিবেচনা করবে।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় আটক ও কারাবন্দি ৪ সাংবাদিকের মুক্তির দাবি জানিয়েছে কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্টস (সিপিজে)। সেইসঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে করা মামলা প্রত্যাহারেরও দাবি জানিয়েছে সংস্থাটি। এ সময় তাদের চিকিৎসা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) সাংবাদিকদের অধিকার রক্ষায় কাজ করা আন্তর্জাতিক সংগঠনটি এ দাবি জানিয়ে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানকে চিঠি দিয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, মোজাম্মেল হক বাবু, শ্যামল দত্ত, ফারজানা রূপা এবং শাকিল আহমেদ– এই চার সাংবাদিককে হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার করে ১৮ মাসের বেশি সময় কারাগারে রাখা হয়েছে। সিপিজের নথিপত্র, স্বজনদের বক্তব্য এবং আন্তর্জাতিক আইন বিশেষজ্ঞদের পর্যালোচনা বলছে, তাদের বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত কোনো বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি। কোনো অভিযোগপত্রও (চার্জশিট) দেওয়া হয়নি।
চিঠিতে বলা হয়, আটক রাখার ধরন দেখে মনে হয় সাংবাদিকতা এবং রাজনৈতিক অবস্থানের কারণেই তাদের এসব মামলায় জড়ানো হয়েছে।
কারাবন্দি সাংবাদিকদের পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ জানিয়ে চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর গ্রেপ্তার হন শ্যামল দত্ত। এর কয়েক দিনের মধ্যেই তিনি স্ট্রোক করেন। তবে তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি পরিবারকে জানানো হয়নি। তার হৃদরোগ এবং প্রচণ্ড স্লিপ অ্যাপনিয়ার (ঘুমের মধ্যে শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা) ইতিহাস রয়েছে, যা কারা হেফাজতে আমলে নেওয়া হয়নি।
একই দিনে মোজাম্মেল বাবুকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। ২০২৩ সালের শেষের দিকে তার প্রোস্টেট ক্যান্সার ধরা পড়ে। এজন্য তার অস্ত্রোপচার করা হয়। তবে পরবর্তী প্রয়োজনীয় চিকিৎসা তিনি পাচ্ছেন না। এর ফলে আবারও ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন তিনি।
অন্যদিকে ফারজানা রূপাকে ২০২৪ সালের নভেম্বরে দুই সপ্তাহের জন্য মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের জন্য সংরক্ষিত কনডেম সেলে রাখা হয়েছিল।
সিপিজে স্মরণ করিয়ে দিয়েছে, বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদ এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার চুক্তি অনুযায়ী মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হয়েছে।
বর্তমান সরকারের আইন মন্ত্রণালয় ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সমন্বয় করে অবিলম্বে চার সাংবাদিকের প্রয়োজনীয় চিকিৎসার ব্যবস্থা করবে বলে আশা প্রকাশ করেছে সিপিজে। সেইসঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রত্যাহারের বিষয়টি বিবেচনা করবে।

৪ সাংবাদিকের মুক্তির দাবি সিপিজের
সিটিজেন ডেস্ক

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় আটক ও কারাবন্দি ৪ সাংবাদিকের মুক্তির দাবি জানিয়েছে কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্টস (সিপিজে)। সেইসঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে করা মামলা প্রত্যাহারেরও দাবি জানিয়েছে সংস্থাটি। এ সময় তাদের চিকিৎসা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) সাংবাদিকদের অধিকার রক্ষায় কাজ করা আন্তর্জাতিক সংগঠনটি এ দাবি জানিয়ে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানকে চিঠি দিয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, মোজাম্মেল হক বাবু, শ্যামল দত্ত, ফারজানা রূপা এবং শাকিল আহমেদ– এই চার সাংবাদিককে হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার করে ১৮ মাসের বেশি সময় কারাগারে রাখা হয়েছে। সিপিজের নথিপত্র, স্বজনদের বক্তব্য এবং আন্তর্জাতিক আইন বিশেষজ্ঞদের পর্যালোচনা বলছে, তাদের বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত কোনো বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি। কোনো অভিযোগপত্রও (চার্জশিট) দেওয়া হয়নি।
চিঠিতে বলা হয়, আটক রাখার ধরন দেখে মনে হয় সাংবাদিকতা এবং রাজনৈতিক অবস্থানের কারণেই তাদের এসব মামলায় জড়ানো হয়েছে।
কারাবন্দি সাংবাদিকদের পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ জানিয়ে চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর গ্রেপ্তার হন শ্যামল দত্ত। এর কয়েক দিনের মধ্যেই তিনি স্ট্রোক করেন। তবে তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি পরিবারকে জানানো হয়নি। তার হৃদরোগ এবং প্রচণ্ড স্লিপ অ্যাপনিয়ার (ঘুমের মধ্যে শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা) ইতিহাস রয়েছে, যা কারা হেফাজতে আমলে নেওয়া হয়নি।
একই দিনে মোজাম্মেল বাবুকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। ২০২৩ সালের শেষের দিকে তার প্রোস্টেট ক্যান্সার ধরা পড়ে। এজন্য তার অস্ত্রোপচার করা হয়। তবে পরবর্তী প্রয়োজনীয় চিকিৎসা তিনি পাচ্ছেন না। এর ফলে আবারও ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন তিনি।
অন্যদিকে ফারজানা রূপাকে ২০২৪ সালের নভেম্বরে দুই সপ্তাহের জন্য মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের জন্য সংরক্ষিত কনডেম সেলে রাখা হয়েছিল।
সিপিজে স্মরণ করিয়ে দিয়েছে, বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদ এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার চুক্তি অনুযায়ী মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হয়েছে।
বর্তমান সরকারের আইন মন্ত্রণালয় ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সমন্বয় করে অবিলম্বে চার সাংবাদিকের প্রয়োজনীয় চিকিৎসার ব্যবস্থা করবে বলে আশা প্রকাশ করেছে সিপিজে। সেইসঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রত্যাহারের বিষয়টি বিবেচনা করবে।

গ্রেপ্তারকৃত সাংবাদিকদের জামিনে প্রধানমন্ত্রীর সহযোগিতা চাইলো নোয়াব


