ঈদের ছুটিতে বেড়ানোর আকর্ষণীয় গন্তব্য হতে পারে সাতক্ষীরা

ঈদের ছুটিতে বেড়ানোর আকর্ষণীয় গন্তব্য হতে পারে সাতক্ষীরা
সাতক্ষীরা সংবাদদাতা

ঈদুল ফিতরের ছুটিতে ভ্রমণপিপাসুদের ডাকছে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সীমান্ত জেলা সাতক্ষীরা। প্রকৃতি, ইতিহাস ও ধর্মীয় ঐতিহ্যের সমন্বয়ে গড়ে ওঠা এ জনপদে রয়েছে সুন্দরবন, ইকো ট্যুরিজম স্পট এবং আধুনিক বিনোদন কেন্দ্র। ঈদের ছুটিতে পরিবার-পরিজন নিয়ে ভ্রমণের জন্য সাতক্ষীরা হতে পারে আকর্ষণীয় গন্তব্য।
সড়কপথে সুন্দরবন
জেলার অন্যতম প্রধান আকর্ষণ বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবন। সেখানে পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত রয়েছে কলাগাছিয়া ইকো ট্যুরিজম সেন্টার। জেলা শহর থেকে প্রায় ৭০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এ পর্যটন কেন্দ্রে সড়কপথে যাওয়া যায়।
নির্দিষ্ট ঘাট থেকে নদীপথে যেতে হয় কলাগাছিয়া স্পটে। কেন্দ্রটি সাধারণত সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত খোলা থাকে। এখানে রয়েছে উঁচু ওয়াচ টাওয়ার ও হাঁটার ট্রেইল। ঈদের ছুটিতে প্রকৃতিপ্রেমীদের জন্য এটি হতে পারে অনন্য গন্তব্য। ভ্রমণে সরকার নির্ধারিত ফি জনপ্রতি ৪৬ টাকা
রূপসী দেবহাটা ম্যানগ্রোভ পর্যটন কেন্দ্র
সাতক্ষীরা সদর থেকে প্রায় ২৬ কিলোমিটার দূরে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী ইছামতি নদীর তীরে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে গড়ে উঠেছে রূপসী দেবহাটা ম্যানগ্রোভ পর্যটন কেন্দ্র। নয়নাভিরাম প্রাকৃতিক পরিবেশ, নদীর তীর আর সবুজে ঘেরা এ কেন্দ্রটি ইতোমধ্যে দর্শনার্থীদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। প্রবেশ টিকিট মাত্র ২০ টাকা। এখানে যানবাহন রাখার সুব্যবস্থাও রয়েছে।

সাতক্ষীরা সদর থেকে প্রথমে সখিপুর বাজার, সেখান থেকে দেবহাটা সদর হয়ে কয়েক মিনিটের মধ্যেই পৌঁছানো যায় পর্যটন কেন্দ্রে। সড়কপথে বাস, মাইক্রোবাস কিংবা মোটরসাইকেলে সহজেই যাওয়া সম্ভব। এখানে এসে সীমান্তবর্তী ইছামতি নদীতে নৌকায় করে ঘোরার সুযোগও রয়েছে।
ঐতিহাসিক দর্শনীয় স্থান নলতা শরীফ
ঐতিহাসিক দর্শনীয় স্থান নলতা শরীফ কালীগঞ্জ উপজেলার নলতা মোবারকনগর গ্রামে অবস্থিত। সাতক্ষীরা সদর থেকে প্রায় ২৭ কিলোমিটার দূরে এই স্থানটি। জেলা থেকে সরাসরি নলতা বাজার হয়ে নলতা শরীফে পৌঁছানো যায়। বাজার থেকে নলতা শরীফ পর্যন্ত মাত্র কয়েক মিনিট সময় লাগে। এখানে বাস, মাইক্রোবাস, মোটরসাইকেল সব ধরনের যানবাহনে যাতায়াত করা যায়।

নলতা শরীফে জন্মগ্রহণ করেছিলেন অবিভক্ত বাংলার প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ ও সুফি সাধক খান বাহাদুর আহছানউল্লা (১৮৭৩–১৯৬৫)। তিনি ১৯৩৫ সালে এখানে কেন্দ্রীয় আহছানিয়া মিশন প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।

ঈদুল ফিতরের ছুটিতে ভ্রমণপিপাসুদের ডাকছে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সীমান্ত জেলা সাতক্ষীরা। প্রকৃতি, ইতিহাস ও ধর্মীয় ঐতিহ্যের সমন্বয়ে গড়ে ওঠা এ জনপদে রয়েছে সুন্দরবন, ইকো ট্যুরিজম স্পট এবং আধুনিক বিনোদন কেন্দ্র। ঈদের ছুটিতে পরিবার-পরিজন নিয়ে ভ্রমণের জন্য সাতক্ষীরা হতে পারে আকর্ষণীয় গন্তব্য।
সড়কপথে সুন্দরবন
জেলার অন্যতম প্রধান আকর্ষণ বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবন। সেখানে পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত রয়েছে কলাগাছিয়া ইকো ট্যুরিজম সেন্টার। জেলা শহর থেকে প্রায় ৭০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এ পর্যটন কেন্দ্রে সড়কপথে যাওয়া যায়।
নির্দিষ্ট ঘাট থেকে নদীপথে যেতে হয় কলাগাছিয়া স্পটে। কেন্দ্রটি সাধারণত সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত খোলা থাকে। এখানে রয়েছে উঁচু ওয়াচ টাওয়ার ও হাঁটার ট্রেইল। ঈদের ছুটিতে প্রকৃতিপ্রেমীদের জন্য এটি হতে পারে অনন্য গন্তব্য। ভ্রমণে সরকার নির্ধারিত ফি জনপ্রতি ৪৬ টাকা
রূপসী দেবহাটা ম্যানগ্রোভ পর্যটন কেন্দ্র
সাতক্ষীরা সদর থেকে প্রায় ২৬ কিলোমিটার দূরে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী ইছামতি নদীর তীরে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে গড়ে উঠেছে রূপসী দেবহাটা ম্যানগ্রোভ পর্যটন কেন্দ্র। নয়নাভিরাম প্রাকৃতিক পরিবেশ, নদীর তীর আর সবুজে ঘেরা এ কেন্দ্রটি ইতোমধ্যে দর্শনার্থীদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। প্রবেশ টিকিট মাত্র ২০ টাকা। এখানে যানবাহন রাখার সুব্যবস্থাও রয়েছে।

সাতক্ষীরা সদর থেকে প্রথমে সখিপুর বাজার, সেখান থেকে দেবহাটা সদর হয়ে কয়েক মিনিটের মধ্যেই পৌঁছানো যায় পর্যটন কেন্দ্রে। সড়কপথে বাস, মাইক্রোবাস কিংবা মোটরসাইকেলে সহজেই যাওয়া সম্ভব। এখানে এসে সীমান্তবর্তী ইছামতি নদীতে নৌকায় করে ঘোরার সুযোগও রয়েছে।
ঐতিহাসিক দর্শনীয় স্থান নলতা শরীফ
ঐতিহাসিক দর্শনীয় স্থান নলতা শরীফ কালীগঞ্জ উপজেলার নলতা মোবারকনগর গ্রামে অবস্থিত। সাতক্ষীরা সদর থেকে প্রায় ২৭ কিলোমিটার দূরে এই স্থানটি। জেলা থেকে সরাসরি নলতা বাজার হয়ে নলতা শরীফে পৌঁছানো যায়। বাজার থেকে নলতা শরীফ পর্যন্ত মাত্র কয়েক মিনিট সময় লাগে। এখানে বাস, মাইক্রোবাস, মোটরসাইকেল সব ধরনের যানবাহনে যাতায়াত করা যায়।

নলতা শরীফে জন্মগ্রহণ করেছিলেন অবিভক্ত বাংলার প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ ও সুফি সাধক খান বাহাদুর আহছানউল্লা (১৮৭৩–১৯৬৫)। তিনি ১৯৩৫ সালে এখানে কেন্দ্রীয় আহছানিয়া মিশন প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।

ঈদের ছুটিতে বেড়ানোর আকর্ষণীয় গন্তব্য হতে পারে সাতক্ষীরা
সাতক্ষীরা সংবাদদাতা

ঈদুল ফিতরের ছুটিতে ভ্রমণপিপাসুদের ডাকছে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সীমান্ত জেলা সাতক্ষীরা। প্রকৃতি, ইতিহাস ও ধর্মীয় ঐতিহ্যের সমন্বয়ে গড়ে ওঠা এ জনপদে রয়েছে সুন্দরবন, ইকো ট্যুরিজম স্পট এবং আধুনিক বিনোদন কেন্দ্র। ঈদের ছুটিতে পরিবার-পরিজন নিয়ে ভ্রমণের জন্য সাতক্ষীরা হতে পারে আকর্ষণীয় গন্তব্য।
সড়কপথে সুন্দরবন
জেলার অন্যতম প্রধান আকর্ষণ বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবন। সেখানে পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত রয়েছে কলাগাছিয়া ইকো ট্যুরিজম সেন্টার। জেলা শহর থেকে প্রায় ৭০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এ পর্যটন কেন্দ্রে সড়কপথে যাওয়া যায়।
নির্দিষ্ট ঘাট থেকে নদীপথে যেতে হয় কলাগাছিয়া স্পটে। কেন্দ্রটি সাধারণত সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত খোলা থাকে। এখানে রয়েছে উঁচু ওয়াচ টাওয়ার ও হাঁটার ট্রেইল। ঈদের ছুটিতে প্রকৃতিপ্রেমীদের জন্য এটি হতে পারে অনন্য গন্তব্য। ভ্রমণে সরকার নির্ধারিত ফি জনপ্রতি ৪৬ টাকা
রূপসী দেবহাটা ম্যানগ্রোভ পর্যটন কেন্দ্র
সাতক্ষীরা সদর থেকে প্রায় ২৬ কিলোমিটার দূরে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী ইছামতি নদীর তীরে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে গড়ে উঠেছে রূপসী দেবহাটা ম্যানগ্রোভ পর্যটন কেন্দ্র। নয়নাভিরাম প্রাকৃতিক পরিবেশ, নদীর তীর আর সবুজে ঘেরা এ কেন্দ্রটি ইতোমধ্যে দর্শনার্থীদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। প্রবেশ টিকিট মাত্র ২০ টাকা। এখানে যানবাহন রাখার সুব্যবস্থাও রয়েছে।

সাতক্ষীরা সদর থেকে প্রথমে সখিপুর বাজার, সেখান থেকে দেবহাটা সদর হয়ে কয়েক মিনিটের মধ্যেই পৌঁছানো যায় পর্যটন কেন্দ্রে। সড়কপথে বাস, মাইক্রোবাস কিংবা মোটরসাইকেলে সহজেই যাওয়া সম্ভব। এখানে এসে সীমান্তবর্তী ইছামতি নদীতে নৌকায় করে ঘোরার সুযোগও রয়েছে।
ঐতিহাসিক দর্শনীয় স্থান নলতা শরীফ
ঐতিহাসিক দর্শনীয় স্থান নলতা শরীফ কালীগঞ্জ উপজেলার নলতা মোবারকনগর গ্রামে অবস্থিত। সাতক্ষীরা সদর থেকে প্রায় ২৭ কিলোমিটার দূরে এই স্থানটি। জেলা থেকে সরাসরি নলতা বাজার হয়ে নলতা শরীফে পৌঁছানো যায়। বাজার থেকে নলতা শরীফ পর্যন্ত মাত্র কয়েক মিনিট সময় লাগে। এখানে বাস, মাইক্রোবাস, মোটরসাইকেল সব ধরনের যানবাহনে যাতায়াত করা যায়।

নলতা শরীফে জন্মগ্রহণ করেছিলেন অবিভক্ত বাংলার প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ ও সুফি সাধক খান বাহাদুর আহছানউল্লা (১৮৭৩–১৯৬৫)। তিনি ১৯৩৫ সালে এখানে কেন্দ্রীয় আহছানিয়া মিশন প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।




