শিরোনাম

শিক্ষার মান: মুখস্থ নির্ভরতা বনাম সৃজনশীলতা

সুমাইয়া আক্তার
শিক্ষার মান: মুখস্থ নির্ভরতা বনাম সৃজনশীলতা

সকালের ক্লাসে শিক্ষক একটি প্রশ্ন করলেন—‘কেন আকাশ নীল?’ শ্রেণিকক্ষে বেশির ভাগ শিক্ষার্থী চুপ। কিন্তু পরীক্ষায় একই প্রশ্ন এলে তারা নির্ভুলভাবে লিখে দেবে বইয়ের সংজ্ঞা। এই বৈপরীত্যই আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার একটি বড় সংকেত: আমরা শিখছি, কিন্তু বুঝে নয়— মুখস্থ করে। বাংলাদেশের শিক্ষা বাস্তবতায় মুখস্থ নির্ভরতা ও সৃজনশীলতার এই টানাপোড়েন আজ শিক্ষার মান নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তুলছে।

শিক্ষা একটি জাতির মেরুদণ্ড। একটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, সামাজিক অগ্রগতি ও সাংস্কৃতিক বিকাশ অনেকাংশে নির্ভর করে সেই দেশের শিক্ষাব্যবস্থার মানের ওপর। কিন্তু যখন শিক্ষা কেবল পরীক্ষায় ভালো নম্বর পাওয়ার প্রতিযোগিতায় সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ে, তখন জ্ঞানের প্রকৃত উদ্দেশ্য ব্যাহত হয়। বর্তমানে বাংলাদেশের অধিকাংশ শিক্ষার্থী পরীক্ষামুখী শিক্ষাব্যবস্থার মধ্যে বেড়ে উঠছে, যেখানে বোঝার চেয়ে মুখস্থ করার প্রবণতা বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে।

মুখস্থনির্ভর শিক্ষার শিকড় গভীরে প্রোথিত। দীর্ঘদিন ধরে পরীক্ষাভিত্তিক মূল্যায়ন পদ্ধতি শিক্ষার্থীদের শেখার লক্ষ্যকে সীমিত করে ফেলেছে। প্রাথমিক থেকে উচ্চমাধ্যমিক পর্যন্ত অধিকাংশ ক্ষেত্রে নম্বরই হয়ে উঠেছে সাফল্যের প্রধান মানদণ্ড। ভালো ফলাফলের চাপ, অভিভাবকের উচ্চ প্রত্যাশা এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিযোগিতা— সব মিলিয়ে ‘যা পরীক্ষায় আসবে’ সেটিই হয়ে ওঠে শিক্ষার কেন্দ্র। এর ফলে পাঠ্যবইয়ের বাইরে চিন্তা, প্রশ্ন করা বা নতুনভাবে ব্যাখ্যা করার প্রবণতা কমে যায়।

একসময় শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য ছিল জ্ঞান অর্জন, যুক্তিবোধ গঠন এবং নৈতিক মূল্যবোধ তৈরি করা। কিন্তু ধীরে ধীরে শিক্ষা অনেকাংশে সার্টিফিকেট অর্জনের মাধ্যম হয়ে দাঁড়িয়েছে। কোচিং সেন্টার, নোটবই এবং গাইডবুক সংস্কৃতি শিক্ষার্থীদের এমন একটি অভ্যাসে অভ্যস্ত করেছে, যেখানে তারা উত্তর বুঝে শেখার চেয়ে নির্দিষ্ট প্রশ্নের উত্তর মুখস্থ করতে বেশি আগ্রহী। এতে তাদের কল্পনাশক্তি, বিশ্লেষণ ক্ষমতা এবং সৃজনশীলতা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

বিশ্বের উন্নত দেশগুলোতে শিক্ষার্থীদের প্রশ্ন করতে, গবেষণা করতে এবং বাস্তব সমস্যার সমাধান খুঁজতে উৎসাহ দেওয়া হয়। কিন্তু আমাদের দেশে এখনও “ভুল করলে বকা খেতে হবে” এই মানসিকতা শিক্ষার্থীদের মধ্যে কাজ করে। ফলে তারা স্বাধীনভাবে মত প্রকাশ করতে ভয় পায়। এই পরিস্থিতি শিক্ষার মান উন্নয়নের পথে একটি বড় বাধা।

এই প্রেক্ষাপটে সৃজনশীল প্রশ্নপদ্ধতি চালু করা হয়, যার মূল লক্ষ্য ছিল মুখস্থ নির্ভরতা কমানো এবং শিক্ষার্থীদের বিশ্লেষণধর্মী চিন্তা বাড়ানো। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, এই উদ্যোগ পুরোপুরি সফল হয়নি। বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ২০২২ সালের একটি সমীক্ষা অনুযায়ী মাধ্যমিক পর্যায়ের প্রায় ৪১% শিক্ষক সৃজনশীল পদ্ধতিতে প্রশ্নপত্র তৈরি করতে পুরোপুরি দক্ষ নন। ফলে অনেক ক্ষেত্রে প্রশ্ন তৈরি ও মূল্যায়নে কাঙ্ক্ষিত মান বজায় রাখা যাচ্ছে না।

একই সঙ্গে গাইডবই সংস্কৃতিও নতুন রূপে ফিরে এসেছে। সৃজনশীল প্রশ্ন চালুর মূল উদ্দেশ্য ছিল গাইডবুক নির্ভরতা কমানো, কিন্তু বাস্তবে শিক্ষার্থীরা এখন সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তরও গাইডবই থেকে মুখস্থ করছে। এতে করে পদ্ধতির আসল উদ্দেশ্য— অর্থাৎ চিন্তা ও বিশ্লেষণ ক্ষমতা বৃদ্ধি— ব্যাহত হচ্ছে। ফলে পরীক্ষায় ভালো নম্বর পাওয়া গেলেও প্রকৃত শেখা হচ্ছে সীমিত।

বাংলাদেশ শিক্ষা তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরোর বিভিন্ন প্রতিবেদনে দেখা যায়, অনেক শিক্ষার্থী পরীক্ষায় ভালো ফল করলেও বাস্তব জীবনের সমস্যা সমাধানে দুর্বলতা প্রকাশ করে। বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়েও একই সমস্যা দেখা যায়। অনেক শিক্ষার্থী তত্ত্ব জানলেও গবেষণা, উপস্থাপনা বা বিশ্লেষণধর্মী কাজে পিছিয়ে থাকে।

শুধু বাংলাদেশ নয়, আন্তর্জাতিকভাবেও মুখস্থ নির্ভর শিক্ষা নিয়ে সমালোচনা রয়েছে। বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরাম (World Economic Forum) বারবার উল্লেখ করেছে যে, ভবিষ্যতের কর্মক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দক্ষতা হবে ক্রিটিক্যাল থিংকিং, ক্রিয়েটিভিটি এবং কমিউনিকেশন। অথচ মুখস্থ নির্ভর শিক্ষা এই দক্ষতাগুলো গড়ে তুলতে ব্যর্থ।

করোনাকালীন অনলাইন শিক্ষাব্যবস্থা এই দুর্বলতাকে আরও স্পষ্ট করে দেয়। অনেক শিক্ষার্থী অনলাইনে ক্লাস করলেও স্বতন্ত্রভাবে শেখার দক্ষতা না থাকায় কার্যকরভাবে শিক্ষা গ্রহণ করতে পারেনি। এতে বোঝা যায়, শুধু তথ্য মুখস্থ করা নয়, বরং শেখার কৌশল শেখানোও জরুরি।

অবশ্য মুখস্থ শিক্ষার কিছু তাৎক্ষণিক সুবিধা রয়েছে। এটি দ্রুত তথ্য মনে রাখতে সাহায্য করে এবং পরীক্ষায় নির্ভুল উত্তর দিতে সহায়ক। বিশেষ করে গণিতের সূত্র, ভাষার ব্যাকরণ বা কিছু মৌলিক তথ্য মুখস্থ রাখা প্রয়োজন। চিকিৎসাবিজ্ঞান, আইন কিংবা বিজ্ঞানের অনেক ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট তথ্য মনে রাখা গুরুত্বপূর্ণ।

কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে এর সীমাবদ্ধতা স্পষ্ট। মুখস্থনির্ভরতা শিক্ষার্থীর বিশ্লেষণ ক্ষমতা, সমস্যা সমাধানের দক্ষতা এবং সৃজনশীল চিন্তাকে বাধাগ্রস্ত করে। বাস্তব জীবনে যেখানে নতুন পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হয়, সেখানে শুধু মুখস্থ জ্ঞান যথেষ্ট নয়। কর্মক্ষেত্রেও এখন প্রয়োজন উদ্ভাবনী চিন্তা, যোগাযোগ দক্ষতা এবং দলগত কাজের সক্ষমতা।

অন্যদিকে, সৃজনশীল শিক্ষা শিক্ষার্থীদের শেখার ধরনকে পরিবর্তন করে। এটি প্রশ্ন করা, বিশ্লেষণ করা এবং নতুন ধারণা তৈরি করার ক্ষমতা গড়ে তোলে। উদাহরণস্বরূপ, বিজ্ঞান শিক্ষায় হাতে-কলমে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শিক্ষার্থীদের ধারণা স্পষ্ট করে। সাহিত্য বা সামাজিক বিজ্ঞানে আলোচনা, বিতর্ক এবং প্রজেক্টভিত্তিক কাজ তাদের দৃষ্টিভঙ্গি প্রসারিত করে। এই পদ্ধতিতে শেখা হয় গভীর ও দীর্ঘস্থায়ী।

মুখস্থ শিক্ষা শিক্ষার্থীকে পরীক্ষায় সফল করতে পারে, কিন্তু সৃজনশীল শিক্ষা তাকে জীবনে সফল হতে সাহায্য করে। একজন শিক্ষার্থী যদি কেবল উত্তর মুখস্থ করে, তবে সে নতুন প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে পারবে না। কিন্তু সৃজনশীলভাবে শেখা শিক্ষার্থী যেকোনো নতুন পরিস্থিতিতে নিজের জ্ঞান প্রয়োগ করতে সক্ষম হবে।

ফিনল্যান্ড, সিঙ্গাপুর কিংবা জাপানের মতো দেশগুলোতে শিক্ষার্থীদের শুধু বইভিত্তিক জ্ঞান নয়, বরং বাস্তবমুখী দক্ষতা শেখানো হয়। দলগত কাজ, প্রজেক্ট, গবেষণা এবং ব্যবহারিক শিক্ষা সেখানে গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই কারণেই তাদের শিক্ষাব্যবস্থা বিশ্বে প্রশংসিত।

বাংলাদেশে শিক্ষার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে শিক্ষানীতি-২০১০ এবং সাম্প্রতিক নতুন শিক্ষাক্রমের আলোকে মুখস্থ নির্ভরতা কমিয়ে দক্ষতাভিত্তিক ও সৃজনশীল শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের বাস্তব জীবনের সমস্যা সমাধানের সক্ষমতা গড়ে তোলার চেষ্টা চলছে। তবে বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বেশ কিছু চ্যালেঞ্জ এখনো রয়ে গেছে।

সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জগুলোর মধ্যে রয়েছে শিক্ষকদের পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণের অভাব, শ্রেণিকক্ষে অতিরিক্ত শিক্ষার্থী এবং পরীক্ষার ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা। অনেক শিক্ষক নতুন পদ্ধতিতে অভ্যস্ত নন, ফলে তারা প্রচলিত পদ্ধতিতেই পাঠদান চালিয়ে যান। একই সঙ্গে মূল্যায়ন পদ্ধতিতেও অসামঞ্জস্য দেখা যায়— সৃজনশীল প্রশ্ন থাকলেও অনেক ক্ষেত্রে গাইডবুক নির্ভর উত্তর দিয়েই ভালো নম্বর পাওয়া যাচ্ছে। এটি পুরো ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে।

শিক্ষার্থীদের মানসিকতাও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তারা ছোটবেলা থেকেই শিখে আসে— ভালো নম্বরই সফলতার একমাত্র মাপকাঠি। ফলে তারা নিরাপদ পথ হিসেবে মুখস্থকেই বেছে নেয়। অভিভাবকেরাও অনেক সময় পরীক্ষার ফলাফলকে অগ্রাধিকার দেন, যার কারণে সৃজনশীল চর্চা উপেক্ষিত থাকে। এই মানসিকতা পরিবর্তন না হলে কাঠামোগত সংস্কার পুরোপুরি কার্যকর হবে না।

মুখস্থ নির্ভরতার আরেকটি নেতিবাচক প্রভাব হলো আত্মবিশ্বাসের অভাব। অনেক শিক্ষার্থী পরীক্ষার বাইরে নিজের মত প্রকাশ করতে ভয় পায়। তারা নতুন কিছু তৈরি করার চেয়ে “ভুল না করার” দিকে বেশি মনোযোগ দেয়। ফলে উদ্ভাবনী চিন্তা বাধাগ্রস্ত হয়।

অন্যদিকে, সৃজনশীল শিক্ষা আত্মবিশ্বাস বাড়ায়। এটি শিক্ষার্থীদের কৌতূহলী করে তোলে এবং শেখাকে আনন্দময় করে। যারা সৃজনশীল পরিবেশে শেখে, তারা সাধারণত নেতৃত্ব, যোগাযোগ এবং সমস্যা সমাধানে বেশি দক্ষ হয়।

প্রযুক্তি এই পরিবর্তনের একটি গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক হতে পারে। ডিজিটাল লার্নিং প্ল্যাটফর্ম, ইন্টারেক্টিভ কনটেন্ট এবং ভার্চুয়াল ল্যাব ব্যবহারের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের শেখাকে আরও আকর্ষণীয় ও অংশগ্রহণমূলক করা সম্ভব। তবে প্রযুক্তির ব্যবহার হতে হবে পরিকল্পিত, যাতে তা সৃজনশীলতা বাড়ায়, বিভ্রান্তি নয়।

শিক্ষার মান উন্নয়নের জন্য সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। মূল্যায়ন পদ্ধতিতে এমন পরিবর্তন আনতে হবে, যা বিশ্লেষণ ও সৃজনশীলতা যাচাই করে। শুধু লিখিত পরীক্ষার ওপর নির্ভর না করে প্রজেক্ট, উপস্থাপনা, গবেষণা এবং ব্যবহারিক কাজের মূল্যায়ন বাড়াতে হবে।

শিক্ষকদের নিয়মিত প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করতে হবে। একজন দক্ষ শিক্ষকই শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলভাবে চিন্তা করতে উদ্বুদ্ধ করতে পারেন। শ্রেণিকক্ষকে আরও কার্যকর ও অংশগ্রহণমূলক করতে হবে, যাতে শিক্ষার্থীরা প্রশ্ন করতে এবং মত প্রকাশ করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে।

অভিভাবকদের মানসিকতাও পরিবর্তন জরুরি। তাদের বুঝতে হবে যে, শুধুমাত্র জিপিএ বা নম্বরই জীবনের সাফল্য নির্ধারণ করে না। শিশুর কল্পনাশক্তি, নৈতিকতা, যোগাযোগ দক্ষতা এবং বাস্তব জ্ঞানও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

শিক্ষার্থীদের বইয়ের বাইরে পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। সাহিত্য, বিজ্ঞানভিত্তিক বই, সংবাদপত্র এবং গবেষণাধর্মী লেখালেখি তাদের চিন্তার পরিধি বাড়াবে। পাশাপাশি সাংস্কৃতিক কার্যক্রম, বিজ্ঞান মেলা, বিতর্ক প্রতিযোগিতা এবং ক্লাব কার্যক্রমে অংশগ্রহণও সৃজনশীলতা বিকাশে সহায়ক হতে পারে।

সরকারের পাশাপাশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, শিক্ষক, অভিভাবক এবং শিক্ষার্থীদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা ছাড়া এই পরিবর্তন সম্ভব নয়। শিক্ষাব্যবস্থাকে এমনভাবে গড়ে তুলতে হবে, যেখানে শেখা হবে আনন্দময়, বাস্তবমুখী এবং মান উন্নয়ন।

সবশেষে বলা যায়, মুখস্থ নির্ভরতা থেকে সৃজনশীল শিক্ষার দিকে যাত্রা একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া। এটি শুধু নীতিমালার পরিবর্তনের মাধ্যমে সম্ভব নয়; বরং মানসিকতা, পদ্ধতি এবং প্রয়োগের সমন্বিত পরিবর্তন প্রয়োজন। একটি জাতির অগ্রগতি নির্ভর করে তার মানুষের চিন্তার মানের ওপর।

যদি আমরা এমন একটি প্রজন্ম গড়ে তুলতে চাই, যারা শুধু পরীক্ষায় ভালো ফল করবে না, বরং নতুন ধারণা তৈরি করবে, সমস্যা সমাধান করবে এবং বিশ্ব প্রতিযোগিতায় টিকে থাকবে—তাহলে সৃজনশীল শিক্ষার বিকল্প নেই। তাই মুখস্থ বিদ্যার সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে সৃজনশীলতাকে প্রাধান্য দিয়ে শিক্ষার মান উন্নয়ন করা এখন সময়ের অপরিহার্য দাবি।

লেখক: শিক্ষার্থী, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ,

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর।

/এফআর/