‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন তারেক রহমান

‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন তারেক রহমান
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের নারীপ্রধান পরিবারগুলোর জন্য বিশেষ ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকাল ১০টা ৪০ মিনিটের দিকে রাজধানীর বনানীর কড়াইল বস্তিসংলগ্ন টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।
‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির আওতায় সরকার উপকারভোগী পরিবারগুলোকে মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে ভাতা দেবে। উপকারভোগীর পছন্দ অনুযায়ী মোবাইল ওয়ালেট বা ব্যাংক হিসাবে এ ভাতা দেওয়া হবে। এতে তারা ঘরে বসেই অর্থ সহায়তা পাবেন।
সরকার জানায়, পরীক্ষামূলক প্রকল্পের আওতায় দেশের ১৩টি জেলার ১৩টি সিটি করপোরেশন ও ইউনিয়নের ১৫টি ওয়ার্ডে এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এর আগে জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে কমিটি গঠন করা হয়।
পরীক্ষামূলক পর্যায়ে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আগামী জুন পর্যন্ত চার মাসের জন্য ৩৮ কোটি ৭ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এ পর্যায়ে ৬৭ হাজার ৮৫৪টি নারীপ্রধান পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। পরে সফটওয়্যারের মাধ্যমে দারিদ্র্য সূচক নির্ধারণ করে পরিবারগুলোকে হতদরিদ্র, দরিদ্র, নিম্নমধ্যবিত্ত, মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত শ্রেণিতে ভাগ করা হয়।
সরকারি তথ্যে বলা হয়েছে, হতদরিদ্র, দরিদ্র ও নিম্নমধ্যবিত্ত হিসেবে চিহ্নিত ৫১ হাজার ৮০৫টি পরিবারের তথ্য যাচাইয়ের পর ৪৭ হাজার ৭৭৭টি সঠিক পাওয়া গেছে। একই ব্যক্তি একাধিক ভাতা নিচ্ছেন, সরকারি চাকরিতে আছেন বা পেনশনভোগী– এমন বিষয় বিবেচনায় নিয়ে চূড়ান্তভাবে ৩৭ হাজার ৫৬৭টি নারীপ্রধান পরিবারকে ভাতা দেওয়ার জন্য নির্বাচন করা হয়েছে।
সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ফ্যামিলি কার্ডের জন্য নির্বাচিত নারী গৃহপ্রধান অন্য কোনো সরকারি ভাতা বা সহায়তা পেলে তা বাতিল হিসেবে গণ্য হবে। তবে পরিবারের অন্য সদস্যরা চলমান ভাতা গ্রহণ করতে পারবেন।
এ ছাড়া কোনো পরিবারের সদস্য সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত বা রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান থেকে বেতন-ভাতা, অনুদান বা পেনশন পেলে কিংবা নারী পরিবারপ্রধান এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক বা কর্মচারী হলে ওই পরিবার ভাতার জন্য যোগ্য বিবেচিত হবে না।
একইভাবে কোনো পরিবারের নামে বাণিজ্যিক লাইসেন্স বা বড় ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান থাকলে, বিলাসবহুল সম্পদ যেমন গাড়ি বা শীতাতপনিয়ন্ত্রিত যন্ত্র (এসি) থাকলে অথবা ৫ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র থাকলেও সেই পরিবার এ ভাতা পাবে না।
সরকার বলছে, ভাতাভোগী নির্বাচনে কোনো রাজনৈতিক দল বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে না। পরীক্ষামূলক প্রকল্প শেষ হওয়ার পর হতদরিদ্র পুরুষপ্রধান পরিবারকেও ভাতার আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।
সমাজকল্যাণমন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেনের বরাতে বিএনপির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে বলা হয়েছে, ২০৩০ সালের মধ্যে ফ্যামিলি কার্ডকে বাংলাদেশের প্রত্যেক নাগরিকের জন্য একটি ‘সর্বজনীন সোশ্যাল আইডি কার্ড’ হিসেবে রূপান্তর করা হবে।
এ ছাড়া ফ্যামিলি কার্ডসংক্রান্ত সেবা ও অভিযোগ গ্রহণের জন্য শিগগিরই একটি হটলাইন চালু করা হবে। পূর্ণাঙ্গ হটলাইন চালু হওয়ার আগ পর্যন্ত সমাজসেবা অধিদপ্তরের বিদ্যমান ‘চাইল্ড হেল্পলাইন ১০৯৮’-এ কল করে এ কর্মসূচি-সংক্রান্ত যেকোনো অনিয়ম বা সমস্যার অভিযোগ জানানো যাবে।

দেশের নারীপ্রধান পরিবারগুলোর জন্য বিশেষ ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকাল ১০টা ৪০ মিনিটের দিকে রাজধানীর বনানীর কড়াইল বস্তিসংলগ্ন টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।
‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির আওতায় সরকার উপকারভোগী পরিবারগুলোকে মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে ভাতা দেবে। উপকারভোগীর পছন্দ অনুযায়ী মোবাইল ওয়ালেট বা ব্যাংক হিসাবে এ ভাতা দেওয়া হবে। এতে তারা ঘরে বসেই অর্থ সহায়তা পাবেন।
সরকার জানায়, পরীক্ষামূলক প্রকল্পের আওতায় দেশের ১৩টি জেলার ১৩টি সিটি করপোরেশন ও ইউনিয়নের ১৫টি ওয়ার্ডে এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এর আগে জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে কমিটি গঠন করা হয়।
পরীক্ষামূলক পর্যায়ে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আগামী জুন পর্যন্ত চার মাসের জন্য ৩৮ কোটি ৭ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এ পর্যায়ে ৬৭ হাজার ৮৫৪টি নারীপ্রধান পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। পরে সফটওয়্যারের মাধ্যমে দারিদ্র্য সূচক নির্ধারণ করে পরিবারগুলোকে হতদরিদ্র, দরিদ্র, নিম্নমধ্যবিত্ত, মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত শ্রেণিতে ভাগ করা হয়।
সরকারি তথ্যে বলা হয়েছে, হতদরিদ্র, দরিদ্র ও নিম্নমধ্যবিত্ত হিসেবে চিহ্নিত ৫১ হাজার ৮০৫টি পরিবারের তথ্য যাচাইয়ের পর ৪৭ হাজার ৭৭৭টি সঠিক পাওয়া গেছে। একই ব্যক্তি একাধিক ভাতা নিচ্ছেন, সরকারি চাকরিতে আছেন বা পেনশনভোগী– এমন বিষয় বিবেচনায় নিয়ে চূড়ান্তভাবে ৩৭ হাজার ৫৬৭টি নারীপ্রধান পরিবারকে ভাতা দেওয়ার জন্য নির্বাচন করা হয়েছে।
সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ফ্যামিলি কার্ডের জন্য নির্বাচিত নারী গৃহপ্রধান অন্য কোনো সরকারি ভাতা বা সহায়তা পেলে তা বাতিল হিসেবে গণ্য হবে। তবে পরিবারের অন্য সদস্যরা চলমান ভাতা গ্রহণ করতে পারবেন।
এ ছাড়া কোনো পরিবারের সদস্য সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত বা রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান থেকে বেতন-ভাতা, অনুদান বা পেনশন পেলে কিংবা নারী পরিবারপ্রধান এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক বা কর্মচারী হলে ওই পরিবার ভাতার জন্য যোগ্য বিবেচিত হবে না।
একইভাবে কোনো পরিবারের নামে বাণিজ্যিক লাইসেন্স বা বড় ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান থাকলে, বিলাসবহুল সম্পদ যেমন গাড়ি বা শীতাতপনিয়ন্ত্রিত যন্ত্র (এসি) থাকলে অথবা ৫ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র থাকলেও সেই পরিবার এ ভাতা পাবে না।
সরকার বলছে, ভাতাভোগী নির্বাচনে কোনো রাজনৈতিক দল বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে না। পরীক্ষামূলক প্রকল্প শেষ হওয়ার পর হতদরিদ্র পুরুষপ্রধান পরিবারকেও ভাতার আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।
সমাজকল্যাণমন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেনের বরাতে বিএনপির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে বলা হয়েছে, ২০৩০ সালের মধ্যে ফ্যামিলি কার্ডকে বাংলাদেশের প্রত্যেক নাগরিকের জন্য একটি ‘সর্বজনীন সোশ্যাল আইডি কার্ড’ হিসেবে রূপান্তর করা হবে।
এ ছাড়া ফ্যামিলি কার্ডসংক্রান্ত সেবা ও অভিযোগ গ্রহণের জন্য শিগগিরই একটি হটলাইন চালু করা হবে। পূর্ণাঙ্গ হটলাইন চালু হওয়ার আগ পর্যন্ত সমাজসেবা অধিদপ্তরের বিদ্যমান ‘চাইল্ড হেল্পলাইন ১০৯৮’-এ কল করে এ কর্মসূচি-সংক্রান্ত যেকোনো অনিয়ম বা সমস্যার অভিযোগ জানানো যাবে।

‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন তারেক রহমান
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের নারীপ্রধান পরিবারগুলোর জন্য বিশেষ ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকাল ১০টা ৪০ মিনিটের দিকে রাজধানীর বনানীর কড়াইল বস্তিসংলগ্ন টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।
‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির আওতায় সরকার উপকারভোগী পরিবারগুলোকে মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে ভাতা দেবে। উপকারভোগীর পছন্দ অনুযায়ী মোবাইল ওয়ালেট বা ব্যাংক হিসাবে এ ভাতা দেওয়া হবে। এতে তারা ঘরে বসেই অর্থ সহায়তা পাবেন।
সরকার জানায়, পরীক্ষামূলক প্রকল্পের আওতায় দেশের ১৩টি জেলার ১৩টি সিটি করপোরেশন ও ইউনিয়নের ১৫টি ওয়ার্ডে এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এর আগে জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে কমিটি গঠন করা হয়।
পরীক্ষামূলক পর্যায়ে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আগামী জুন পর্যন্ত চার মাসের জন্য ৩৮ কোটি ৭ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এ পর্যায়ে ৬৭ হাজার ৮৫৪টি নারীপ্রধান পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। পরে সফটওয়্যারের মাধ্যমে দারিদ্র্য সূচক নির্ধারণ করে পরিবারগুলোকে হতদরিদ্র, দরিদ্র, নিম্নমধ্যবিত্ত, মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত শ্রেণিতে ভাগ করা হয়।
সরকারি তথ্যে বলা হয়েছে, হতদরিদ্র, দরিদ্র ও নিম্নমধ্যবিত্ত হিসেবে চিহ্নিত ৫১ হাজার ৮০৫টি পরিবারের তথ্য যাচাইয়ের পর ৪৭ হাজার ৭৭৭টি সঠিক পাওয়া গেছে। একই ব্যক্তি একাধিক ভাতা নিচ্ছেন, সরকারি চাকরিতে আছেন বা পেনশনভোগী– এমন বিষয় বিবেচনায় নিয়ে চূড়ান্তভাবে ৩৭ হাজার ৫৬৭টি নারীপ্রধান পরিবারকে ভাতা দেওয়ার জন্য নির্বাচন করা হয়েছে।
সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ফ্যামিলি কার্ডের জন্য নির্বাচিত নারী গৃহপ্রধান অন্য কোনো সরকারি ভাতা বা সহায়তা পেলে তা বাতিল হিসেবে গণ্য হবে। তবে পরিবারের অন্য সদস্যরা চলমান ভাতা গ্রহণ করতে পারবেন।
এ ছাড়া কোনো পরিবারের সদস্য সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত বা রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান থেকে বেতন-ভাতা, অনুদান বা পেনশন পেলে কিংবা নারী পরিবারপ্রধান এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক বা কর্মচারী হলে ওই পরিবার ভাতার জন্য যোগ্য বিবেচিত হবে না।
একইভাবে কোনো পরিবারের নামে বাণিজ্যিক লাইসেন্স বা বড় ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান থাকলে, বিলাসবহুল সম্পদ যেমন গাড়ি বা শীতাতপনিয়ন্ত্রিত যন্ত্র (এসি) থাকলে অথবা ৫ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র থাকলেও সেই পরিবার এ ভাতা পাবে না।
সরকার বলছে, ভাতাভোগী নির্বাচনে কোনো রাজনৈতিক দল বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে না। পরীক্ষামূলক প্রকল্প শেষ হওয়ার পর হতদরিদ্র পুরুষপ্রধান পরিবারকেও ভাতার আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।
সমাজকল্যাণমন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেনের বরাতে বিএনপির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে বলা হয়েছে, ২০৩০ সালের মধ্যে ফ্যামিলি কার্ডকে বাংলাদেশের প্রত্যেক নাগরিকের জন্য একটি ‘সর্বজনীন সোশ্যাল আইডি কার্ড’ হিসেবে রূপান্তর করা হবে।
এ ছাড়া ফ্যামিলি কার্ডসংক্রান্ত সেবা ও অভিযোগ গ্রহণের জন্য শিগগিরই একটি হটলাইন চালু করা হবে। পূর্ণাঙ্গ হটলাইন চালু হওয়ার আগ পর্যন্ত সমাজসেবা অধিদপ্তরের বিদ্যমান ‘চাইল্ড হেল্পলাইন ১০৯৮’-এ কল করে এ কর্মসূচি-সংক্রান্ত যেকোনো অনিয়ম বা সমস্যার অভিযোগ জানানো যাবে।




