নির্বাচনে পুলিশের ভূমিকা খুব ‘প্যাসিভ’ ছিল: ইডব্লিউএ

নির্বাচনে পুলিশের ভূমিকা খুব ‘প্যাসিভ’ ছিল: ইডব্লিউএ
নিজস্ব প্রতিবেদক

নির্বাচনে পুলিশের ভূমিকা খুব ‘প্যাসিভ’ ছিল বলে মনে করছে নির্বাচনী পর্যবেক্ষক সংস্থা ইলেকশন ওয়ার্কিং অ্যালায়েন্স (ইডব্লিউএ)।
সংস্থাটির মতে, বডিওর্ন ক্যামেরা এবং সিসিটিভির ব্যবস্থা থাকলেও সেগুলোর প্রকৃত ব্যবহার নিশ্চিতে নির্বাচনী প্রশাসনিক কাঠামোর কোনো দৃঢ় অঙ্গীকার ছিল না। সিসিটিভি বিভিন্ন কেন্দ্র বিক্ষিপ্তভাবে ছিল। যে উদ্দেশ্যে সিসিটিভির জন্য দাবি করা হয়েছিল, সেই উদ্দেশ্য অর্জনে কোনো আন্তরিক পদক্ষেপ ছিল না। নির্বাচনে সেনাবাহিনীর উপস্থিতি ও কার্যক্রমে ক্ষিপ্রতা থাকলেও পুলিশের ভূমিকা খুব ‘প্যাসিভ’ ছিল।
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন ইডব্লিউএর সভাপতি ড. মো. শরিফুল আলম।
তিনি বলেন, নির্বাচন পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ সুষ্ঠু নির্বাচন ব্যবস্থারই একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। কিন্তু আমরা এটি উপেক্ষিত হতে দেখেছি। সহিংস পরিস্থিতি বিদ্যমান থাকা সত্ত্বেও সরকার নির্জীব অবস্থান নিয়েছে বলে প্রতীয়মান হয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কোনো দৃঢ় পদক্ষেপ লক্ষ্য করা যায়নি। এটি শুধু হতাশাজনক নয়, বরং মানবাধিকারের লংঘন।
ড. মো. শরিফুল আলম বলেন, প্রশাসনিক নেতৃত্ব, নির্বাচন কমিশন নেতৃত্ব এবং সরকারের বিভিন্ন সংবেদনশীল অংশ যদি আন্তরিকভাবে সুষ্ঠু নির্বাচন না চায় তাহলে নির্বাচন আপাতত সুষ্ঠু হলেও সামগ্রিক প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্নের অবকাশ থাকবে।
ইডব্লিউএ সভাপতি বলেন, নির্বাচনের আগে জনপ্রশাসন সচিব বদলানো হয়েছে। বেছে বেছে বিভাগীয় কমিশনার বদলানো বা নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে এপিডি অনুবিভাগে দীর্ঘদিন পদায়ন না থাকা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সহকারী পদত্যাগ করেছেন। নির্বাচন কমিশন গঠনে রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত ব্যক্তিদেরকে নিয়োগ এবং কমিশন সচিব পদে রাজনৈতিক পছন্দের ভিত্তিতে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ, নির্বাচন কমিশনে কতিপয় কর্মকর্তাকে বিশেষ দায়িত্ব দেওয়া, আবার কাউকে কাউকে দায়িত্ব না দেওয়া বা নির্বাচনের পূর্ব মূহর্তে কমিশন থেকে বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাকে বদলি করা একটি বিশেষ ধরনের নির্বাচনী প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থার ইঙ্গিত দেয়। এ ব্যবস্থা আপাতত সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য কার্যক্রম পরিচালনা করলেও দীর্ঘ মেয়াদে একটি বিশেষ ‘বায়াস’ নিয়ে কাজ করেছে। এ অবস্থায় বাংলাদেশে সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন সত্যিকার অর্থে সম্ভব কি না– তা নিয়ে সুধীজন প্রশ্ন তুললে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না।
তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, মুখ্য সচিব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, নির্বাচন কমিশন সচিবের মতো সংবেদনশীল পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগদান অন্তর্বর্তী সরকারের একটি অবিমৃশ্যকারী পদক্ষেপ ছিল। এর ফলে নির্বাচন কমিশন, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়সহ অন্যান্য ক্ষেত্রে সুষ্পষ্টভাবে রাজনৈতিক পক্ষপাতদুষ্ট কর্মকর্তাদের পদায়ন হয়েছে এবং এসব কর্মকর্তা স্পষ্ট ‘বায়াস’ নিয়ে কাজ করেছেন। আমরা মনে করি এ বিষয়ে নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকে একটি স্বাধীন তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।
সংবাদ সম্মেলনে মানারাত ইউনিভার্সিটির গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের চেয়ারম্যান রফিকুজ্জামান রুমান বলেন, সারাদেশে সুষ্ঠু নির্বাচন হয়েছে এবং ভোটারদের উপস্থিতিও ছিল সন্তোষজনক। ভোট গ্রহণের ক্ষেত্রে কোনো সমস্যা দেখা যায়নি। তবে গণনার ক্ষেত্রে কিছু কিছু জায়গায় সময় লেগেছে।
সংবাদ সম্মেলনে ইডব্লিউএর সাধারণ সম্পাদক খন্দকার জাকারিয়াসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

নির্বাচনে পুলিশের ভূমিকা খুব ‘প্যাসিভ’ ছিল বলে মনে করছে নির্বাচনী পর্যবেক্ষক সংস্থা ইলেকশন ওয়ার্কিং অ্যালায়েন্স (ইডব্লিউএ)।
সংস্থাটির মতে, বডিওর্ন ক্যামেরা এবং সিসিটিভির ব্যবস্থা থাকলেও সেগুলোর প্রকৃত ব্যবহার নিশ্চিতে নির্বাচনী প্রশাসনিক কাঠামোর কোনো দৃঢ় অঙ্গীকার ছিল না। সিসিটিভি বিভিন্ন কেন্দ্র বিক্ষিপ্তভাবে ছিল। যে উদ্দেশ্যে সিসিটিভির জন্য দাবি করা হয়েছিল, সেই উদ্দেশ্য অর্জনে কোনো আন্তরিক পদক্ষেপ ছিল না। নির্বাচনে সেনাবাহিনীর উপস্থিতি ও কার্যক্রমে ক্ষিপ্রতা থাকলেও পুলিশের ভূমিকা খুব ‘প্যাসিভ’ ছিল।
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন ইডব্লিউএর সভাপতি ড. মো. শরিফুল আলম।
তিনি বলেন, নির্বাচন পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ সুষ্ঠু নির্বাচন ব্যবস্থারই একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। কিন্তু আমরা এটি উপেক্ষিত হতে দেখেছি। সহিংস পরিস্থিতি বিদ্যমান থাকা সত্ত্বেও সরকার নির্জীব অবস্থান নিয়েছে বলে প্রতীয়মান হয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কোনো দৃঢ় পদক্ষেপ লক্ষ্য করা যায়নি। এটি শুধু হতাশাজনক নয়, বরং মানবাধিকারের লংঘন।
ড. মো. শরিফুল আলম বলেন, প্রশাসনিক নেতৃত্ব, নির্বাচন কমিশন নেতৃত্ব এবং সরকারের বিভিন্ন সংবেদনশীল অংশ যদি আন্তরিকভাবে সুষ্ঠু নির্বাচন না চায় তাহলে নির্বাচন আপাতত সুষ্ঠু হলেও সামগ্রিক প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্নের অবকাশ থাকবে।
ইডব্লিউএ সভাপতি বলেন, নির্বাচনের আগে জনপ্রশাসন সচিব বদলানো হয়েছে। বেছে বেছে বিভাগীয় কমিশনার বদলানো বা নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে এপিডি অনুবিভাগে দীর্ঘদিন পদায়ন না থাকা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সহকারী পদত্যাগ করেছেন। নির্বাচন কমিশন গঠনে রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত ব্যক্তিদেরকে নিয়োগ এবং কমিশন সচিব পদে রাজনৈতিক পছন্দের ভিত্তিতে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ, নির্বাচন কমিশনে কতিপয় কর্মকর্তাকে বিশেষ দায়িত্ব দেওয়া, আবার কাউকে কাউকে দায়িত্ব না দেওয়া বা নির্বাচনের পূর্ব মূহর্তে কমিশন থেকে বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাকে বদলি করা একটি বিশেষ ধরনের নির্বাচনী প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থার ইঙ্গিত দেয়। এ ব্যবস্থা আপাতত সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য কার্যক্রম পরিচালনা করলেও দীর্ঘ মেয়াদে একটি বিশেষ ‘বায়াস’ নিয়ে কাজ করেছে। এ অবস্থায় বাংলাদেশে সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন সত্যিকার অর্থে সম্ভব কি না– তা নিয়ে সুধীজন প্রশ্ন তুললে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না।
তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, মুখ্য সচিব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, নির্বাচন কমিশন সচিবের মতো সংবেদনশীল পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগদান অন্তর্বর্তী সরকারের একটি অবিমৃশ্যকারী পদক্ষেপ ছিল। এর ফলে নির্বাচন কমিশন, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়সহ অন্যান্য ক্ষেত্রে সুষ্পষ্টভাবে রাজনৈতিক পক্ষপাতদুষ্ট কর্মকর্তাদের পদায়ন হয়েছে এবং এসব কর্মকর্তা স্পষ্ট ‘বায়াস’ নিয়ে কাজ করেছেন। আমরা মনে করি এ বিষয়ে নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকে একটি স্বাধীন তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।
সংবাদ সম্মেলনে মানারাত ইউনিভার্সিটির গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের চেয়ারম্যান রফিকুজ্জামান রুমান বলেন, সারাদেশে সুষ্ঠু নির্বাচন হয়েছে এবং ভোটারদের উপস্থিতিও ছিল সন্তোষজনক। ভোট গ্রহণের ক্ষেত্রে কোনো সমস্যা দেখা যায়নি। তবে গণনার ক্ষেত্রে কিছু কিছু জায়গায় সময় লেগেছে।
সংবাদ সম্মেলনে ইডব্লিউএর সাধারণ সম্পাদক খন্দকার জাকারিয়াসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

নির্বাচনে পুলিশের ভূমিকা খুব ‘প্যাসিভ’ ছিল: ইডব্লিউএ
নিজস্ব প্রতিবেদক

নির্বাচনে পুলিশের ভূমিকা খুব ‘প্যাসিভ’ ছিল বলে মনে করছে নির্বাচনী পর্যবেক্ষক সংস্থা ইলেকশন ওয়ার্কিং অ্যালায়েন্স (ইডব্লিউএ)।
সংস্থাটির মতে, বডিওর্ন ক্যামেরা এবং সিসিটিভির ব্যবস্থা থাকলেও সেগুলোর প্রকৃত ব্যবহার নিশ্চিতে নির্বাচনী প্রশাসনিক কাঠামোর কোনো দৃঢ় অঙ্গীকার ছিল না। সিসিটিভি বিভিন্ন কেন্দ্র বিক্ষিপ্তভাবে ছিল। যে উদ্দেশ্যে সিসিটিভির জন্য দাবি করা হয়েছিল, সেই উদ্দেশ্য অর্জনে কোনো আন্তরিক পদক্ষেপ ছিল না। নির্বাচনে সেনাবাহিনীর উপস্থিতি ও কার্যক্রমে ক্ষিপ্রতা থাকলেও পুলিশের ভূমিকা খুব ‘প্যাসিভ’ ছিল।
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন ইডব্লিউএর সভাপতি ড. মো. শরিফুল আলম।
তিনি বলেন, নির্বাচন পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ সুষ্ঠু নির্বাচন ব্যবস্থারই একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। কিন্তু আমরা এটি উপেক্ষিত হতে দেখেছি। সহিংস পরিস্থিতি বিদ্যমান থাকা সত্ত্বেও সরকার নির্জীব অবস্থান নিয়েছে বলে প্রতীয়মান হয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কোনো দৃঢ় পদক্ষেপ লক্ষ্য করা যায়নি। এটি শুধু হতাশাজনক নয়, বরং মানবাধিকারের লংঘন।
ড. মো. শরিফুল আলম বলেন, প্রশাসনিক নেতৃত্ব, নির্বাচন কমিশন নেতৃত্ব এবং সরকারের বিভিন্ন সংবেদনশীল অংশ যদি আন্তরিকভাবে সুষ্ঠু নির্বাচন না চায় তাহলে নির্বাচন আপাতত সুষ্ঠু হলেও সামগ্রিক প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্নের অবকাশ থাকবে।
ইডব্লিউএ সভাপতি বলেন, নির্বাচনের আগে জনপ্রশাসন সচিব বদলানো হয়েছে। বেছে বেছে বিভাগীয় কমিশনার বদলানো বা নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে এপিডি অনুবিভাগে দীর্ঘদিন পদায়ন না থাকা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সহকারী পদত্যাগ করেছেন। নির্বাচন কমিশন গঠনে রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত ব্যক্তিদেরকে নিয়োগ এবং কমিশন সচিব পদে রাজনৈতিক পছন্দের ভিত্তিতে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ, নির্বাচন কমিশনে কতিপয় কর্মকর্তাকে বিশেষ দায়িত্ব দেওয়া, আবার কাউকে কাউকে দায়িত্ব না দেওয়া বা নির্বাচনের পূর্ব মূহর্তে কমিশন থেকে বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাকে বদলি করা একটি বিশেষ ধরনের নির্বাচনী প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থার ইঙ্গিত দেয়। এ ব্যবস্থা আপাতত সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য কার্যক্রম পরিচালনা করলেও দীর্ঘ মেয়াদে একটি বিশেষ ‘বায়াস’ নিয়ে কাজ করেছে। এ অবস্থায় বাংলাদেশে সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন সত্যিকার অর্থে সম্ভব কি না– তা নিয়ে সুধীজন প্রশ্ন তুললে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না।
তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, মুখ্য সচিব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, নির্বাচন কমিশন সচিবের মতো সংবেদনশীল পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগদান অন্তর্বর্তী সরকারের একটি অবিমৃশ্যকারী পদক্ষেপ ছিল। এর ফলে নির্বাচন কমিশন, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়সহ অন্যান্য ক্ষেত্রে সুষ্পষ্টভাবে রাজনৈতিক পক্ষপাতদুষ্ট কর্মকর্তাদের পদায়ন হয়েছে এবং এসব কর্মকর্তা স্পষ্ট ‘বায়াস’ নিয়ে কাজ করেছেন। আমরা মনে করি এ বিষয়ে নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকে একটি স্বাধীন তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।
সংবাদ সম্মেলনে মানারাত ইউনিভার্সিটির গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের চেয়ারম্যান রফিকুজ্জামান রুমান বলেন, সারাদেশে সুষ্ঠু নির্বাচন হয়েছে এবং ভোটারদের উপস্থিতিও ছিল সন্তোষজনক। ভোট গ্রহণের ক্ষেত্রে কোনো সমস্যা দেখা যায়নি। তবে গণনার ক্ষেত্রে কিছু কিছু জায়গায় সময় লেগেছে।
সংবাদ সম্মেলনে ইডব্লিউএর সাধারণ সম্পাদক খন্দকার জাকারিয়াসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।




