মঙ্গলবার ফ্যামিলি কার্ড উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

মঙ্গলবার ফ্যামিলি কার্ড উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
বিশেষ প্রতিনিধি

ফ্যামিলি কার্ড উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকাল ১০টায় বনানী টি অ্যান্ড টি খেলার মাঠে (কড়াইল বস্তি সংলগ্ন) তিনি ফ্যামিলি কার্ডের উদ্বোধন করবেন।
সোমবার (৯ মার্চ) অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, পাইলটিং কর্মসূচিতে প্রথম পর্যায়ে দেশের ১৩টি জেলার ১৩ সিটি কর্পোরেশন বা ইউনিয়নের ১৫টি ওয়ার্ডে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। প্রতিটি ওয়ার্ডের প্রতিটি খানার তথ্য সংগ্রহ, যাচাই-বাছাই ও তালিকা চূড়ান্ত করার লক্ষ্যে ওয়ার্ড, ইউনিয়ন, উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধি সমন্বয়ে কমিটি গঠন করা হয়।
আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ওয়ার্ড কমিটি সরেজমিনে প্রতিটি বাড়ি বাড়ি গিয়ে পরিবারের আর্থ-সামাজিক অবস্থা, সদস্য সংখ্যা, শিক্ষা, বাসস্থান, পরিবারে ব্যবহৃত আসবাবপত্র ও গৃহস্থালী সামগ্রী (টিভি, ফ্রিজ, কম্পিউটার, মোবাইল ইত্যাদি), রেমিট্যান্স প্রবাহ ইত্যাদি তথ্য সংগ্রহ করেছে এবং সংগৃহীত তথ্য ইউনিয়ন কমিটি যাচাই-বাছাই করছে। ইউনিয়ন কমিটি যাচাই-বাছাই তালিকা উপজেলা কমিটির কাছে পাঠায়। তারা যাচাই-বাছাইয়ের পর উপকারভোগীর তালিকা চূড়ান্ত হচ্ছে। পাইলটিং পর্যায়ে সারাদেশে মোট ৬৭ হাজার ৮৫৪টি নারী প্রধান পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, নারীর ক্ষমতায়ন, নারীর অধিকার, মর্যাদা ও অর্থনৈতিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করার মাধ্যমে জাতীয় উন্নয়ন ও সামাজিক ন্যায় অর্জনের বিষয়টি সরকারের অন্যতম অঙ্গীকার। এরই অংশ হিসেবে পরিবারের নারী প্রধানের নামে 'ফ্যামিলি কার্ড' প্রদানের যুগান্তকারী কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

ফ্যামিলি কার্ড উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকাল ১০টায় বনানী টি অ্যান্ড টি খেলার মাঠে (কড়াইল বস্তি সংলগ্ন) তিনি ফ্যামিলি কার্ডের উদ্বোধন করবেন।
সোমবার (৯ মার্চ) অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, পাইলটিং কর্মসূচিতে প্রথম পর্যায়ে দেশের ১৩টি জেলার ১৩ সিটি কর্পোরেশন বা ইউনিয়নের ১৫টি ওয়ার্ডে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। প্রতিটি ওয়ার্ডের প্রতিটি খানার তথ্য সংগ্রহ, যাচাই-বাছাই ও তালিকা চূড়ান্ত করার লক্ষ্যে ওয়ার্ড, ইউনিয়ন, উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধি সমন্বয়ে কমিটি গঠন করা হয়।
আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ওয়ার্ড কমিটি সরেজমিনে প্রতিটি বাড়ি বাড়ি গিয়ে পরিবারের আর্থ-সামাজিক অবস্থা, সদস্য সংখ্যা, শিক্ষা, বাসস্থান, পরিবারে ব্যবহৃত আসবাবপত্র ও গৃহস্থালী সামগ্রী (টিভি, ফ্রিজ, কম্পিউটার, মোবাইল ইত্যাদি), রেমিট্যান্স প্রবাহ ইত্যাদি তথ্য সংগ্রহ করেছে এবং সংগৃহীত তথ্য ইউনিয়ন কমিটি যাচাই-বাছাই করছে। ইউনিয়ন কমিটি যাচাই-বাছাই তালিকা উপজেলা কমিটির কাছে পাঠায়। তারা যাচাই-বাছাইয়ের পর উপকারভোগীর তালিকা চূড়ান্ত হচ্ছে। পাইলটিং পর্যায়ে সারাদেশে মোট ৬৭ হাজার ৮৫৪টি নারী প্রধান পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, নারীর ক্ষমতায়ন, নারীর অধিকার, মর্যাদা ও অর্থনৈতিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করার মাধ্যমে জাতীয় উন্নয়ন ও সামাজিক ন্যায় অর্জনের বিষয়টি সরকারের অন্যতম অঙ্গীকার। এরই অংশ হিসেবে পরিবারের নারী প্রধানের নামে 'ফ্যামিলি কার্ড' প্রদানের যুগান্তকারী কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

মঙ্গলবার ফ্যামিলি কার্ড উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
বিশেষ প্রতিনিধি

ফ্যামিলি কার্ড উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকাল ১০টায় বনানী টি অ্যান্ড টি খেলার মাঠে (কড়াইল বস্তি সংলগ্ন) তিনি ফ্যামিলি কার্ডের উদ্বোধন করবেন।
সোমবার (৯ মার্চ) অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, পাইলটিং কর্মসূচিতে প্রথম পর্যায়ে দেশের ১৩টি জেলার ১৩ সিটি কর্পোরেশন বা ইউনিয়নের ১৫টি ওয়ার্ডে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। প্রতিটি ওয়ার্ডের প্রতিটি খানার তথ্য সংগ্রহ, যাচাই-বাছাই ও তালিকা চূড়ান্ত করার লক্ষ্যে ওয়ার্ড, ইউনিয়ন, উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধি সমন্বয়ে কমিটি গঠন করা হয়।
আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ওয়ার্ড কমিটি সরেজমিনে প্রতিটি বাড়ি বাড়ি গিয়ে পরিবারের আর্থ-সামাজিক অবস্থা, সদস্য সংখ্যা, শিক্ষা, বাসস্থান, পরিবারে ব্যবহৃত আসবাবপত্র ও গৃহস্থালী সামগ্রী (টিভি, ফ্রিজ, কম্পিউটার, মোবাইল ইত্যাদি), রেমিট্যান্স প্রবাহ ইত্যাদি তথ্য সংগ্রহ করেছে এবং সংগৃহীত তথ্য ইউনিয়ন কমিটি যাচাই-বাছাই করছে। ইউনিয়ন কমিটি যাচাই-বাছাই তালিকা উপজেলা কমিটির কাছে পাঠায়। তারা যাচাই-বাছাইয়ের পর উপকারভোগীর তালিকা চূড়ান্ত হচ্ছে। পাইলটিং পর্যায়ে সারাদেশে মোট ৬৭ হাজার ৮৫৪টি নারী প্রধান পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, নারীর ক্ষমতায়ন, নারীর অধিকার, মর্যাদা ও অর্থনৈতিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করার মাধ্যমে জাতীয় উন্নয়ন ও সামাজিক ন্যায় অর্জনের বিষয়টি সরকারের অন্যতম অঙ্গীকার। এরই অংশ হিসেবে পরিবারের নারী প্রধানের নামে 'ফ্যামিলি কার্ড' প্রদানের যুগান্তকারী কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।




