প্রশ্নবিদ্ধ রিটার্নিং অফিসারদের অব্যাহতির দাবি

প্রশ্নবিদ্ধ রিটার্নিং অফিসারদের অব্যাহতির দাবি
নিজস্ব প্রতিবেদক

নির্বাচনের সঙ্গে যুক্ত যেসব রিটার্নিং ও সহকারী রিটার্নিং অফিসারের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, তাদেরকে অনতিবিলম্বে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়ার দাবি জানিয়েছে অবসরপ্রাপ্ত বিসিএস অফিসার্স ফোরাম।
সোমবার (৫ জানুয়ারি) জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির এ দাবি তুলেন। সংগঠনটির সদস্যসচিব ও সাবেক সচিব অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শরিফুল আলম লিখিত বক্তব্যে বলেন, নির্বাচন সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করতে হলে প্রশাসনের সকল পর্যায়ে কঠোরভাবে নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে হবে। সম্প্রতি প্রার্থিতা বাছাই নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে, তা উদ্বেগজনক বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
ড. শরিফুল আলম বলেন, প্রার্থিতা বাছাই নির্বাচন প্রক্রিয়ার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। এই পর্যায়ে যদি নিরপেক্ষতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়, তবে পরবর্তী ধাপগুলোতেও নির্বাচন গ্রহণযোগ্যতা হারাবে। অতীতে বিভিন্ন নির্বাচনে প্রশাসনের নিরপেক্ষতা হারানোর কারণে প্রভাবশালী দল ও প্রার্থীরা সুবিধা নিয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে ফোরামের পক্ষ থেকে আরও যে দাবিগুলো জানানো হয় তার মধ্যে রয়েছে– নির্বাচনী আইন প্রয়োগে নির্বাচন কমিশনকে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ ও কঠোর হতে হবে; ভোট কারচুপি ও অনিয়ম রোধে প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপন; নির্বাচন সংশ্লিষ্ট যে কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে তদন্ত চলাকালে তাকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে রাখা; অভিযোগ প্রমাণিত হলে প্রয়োজন অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া; নির্বাচন কমিশন ও জেলা প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে ‘অভিযোগ বার্তা’ চালু করা এবং নিয়মিত ব্রিফিংয়ের ব্যবস্থা; সরকারের উপদেষ্টা ও চুক্তিভিত্তিক শীর্ষ কর্মকর্তাদের ঘোষণা দিতে হবে যে তারা পরবর্তী সরকারের অংশ হবেন না; এবং নির্বাচন শেষ হওয়ার এক সপ্তাহের মধ্যে জেলা প্রশাসক, ইউএনও, পুলিশ সুপার ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের লটারির মাধ্যমে বদলি করা।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন ফোরামের সভাপতি ও সাবেক সচিব মোহাম্মদ আব্দুল কাইয়ুম, সাবেক সচিব মোতাহার হোসেন, রেজাউল করিম এবং সাবেক অতিরিক্ত সচিব আবদুল কাইয়ুম।

নির্বাচনের সঙ্গে যুক্ত যেসব রিটার্নিং ও সহকারী রিটার্নিং অফিসারের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, তাদেরকে অনতিবিলম্বে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়ার দাবি জানিয়েছে অবসরপ্রাপ্ত বিসিএস অফিসার্স ফোরাম।
সোমবার (৫ জানুয়ারি) জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির এ দাবি তুলেন। সংগঠনটির সদস্যসচিব ও সাবেক সচিব অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শরিফুল আলম লিখিত বক্তব্যে বলেন, নির্বাচন সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করতে হলে প্রশাসনের সকল পর্যায়ে কঠোরভাবে নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে হবে। সম্প্রতি প্রার্থিতা বাছাই নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে, তা উদ্বেগজনক বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
ড. শরিফুল আলম বলেন, প্রার্থিতা বাছাই নির্বাচন প্রক্রিয়ার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। এই পর্যায়ে যদি নিরপেক্ষতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়, তবে পরবর্তী ধাপগুলোতেও নির্বাচন গ্রহণযোগ্যতা হারাবে। অতীতে বিভিন্ন নির্বাচনে প্রশাসনের নিরপেক্ষতা হারানোর কারণে প্রভাবশালী দল ও প্রার্থীরা সুবিধা নিয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে ফোরামের পক্ষ থেকে আরও যে দাবিগুলো জানানো হয় তার মধ্যে রয়েছে– নির্বাচনী আইন প্রয়োগে নির্বাচন কমিশনকে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ ও কঠোর হতে হবে; ভোট কারচুপি ও অনিয়ম রোধে প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপন; নির্বাচন সংশ্লিষ্ট যে কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে তদন্ত চলাকালে তাকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে রাখা; অভিযোগ প্রমাণিত হলে প্রয়োজন অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া; নির্বাচন কমিশন ও জেলা প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে ‘অভিযোগ বার্তা’ চালু করা এবং নিয়মিত ব্রিফিংয়ের ব্যবস্থা; সরকারের উপদেষ্টা ও চুক্তিভিত্তিক শীর্ষ কর্মকর্তাদের ঘোষণা দিতে হবে যে তারা পরবর্তী সরকারের অংশ হবেন না; এবং নির্বাচন শেষ হওয়ার এক সপ্তাহের মধ্যে জেলা প্রশাসক, ইউএনও, পুলিশ সুপার ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের লটারির মাধ্যমে বদলি করা।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন ফোরামের সভাপতি ও সাবেক সচিব মোহাম্মদ আব্দুল কাইয়ুম, সাবেক সচিব মোতাহার হোসেন, রেজাউল করিম এবং সাবেক অতিরিক্ত সচিব আবদুল কাইয়ুম।

প্রশ্নবিদ্ধ রিটার্নিং অফিসারদের অব্যাহতির দাবি
নিজস্ব প্রতিবেদক

নির্বাচনের সঙ্গে যুক্ত যেসব রিটার্নিং ও সহকারী রিটার্নিং অফিসারের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, তাদেরকে অনতিবিলম্বে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়ার দাবি জানিয়েছে অবসরপ্রাপ্ত বিসিএস অফিসার্স ফোরাম।
সোমবার (৫ জানুয়ারি) জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির এ দাবি তুলেন। সংগঠনটির সদস্যসচিব ও সাবেক সচিব অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শরিফুল আলম লিখিত বক্তব্যে বলেন, নির্বাচন সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করতে হলে প্রশাসনের সকল পর্যায়ে কঠোরভাবে নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে হবে। সম্প্রতি প্রার্থিতা বাছাই নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে, তা উদ্বেগজনক বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
ড. শরিফুল আলম বলেন, প্রার্থিতা বাছাই নির্বাচন প্রক্রিয়ার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। এই পর্যায়ে যদি নিরপেক্ষতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়, তবে পরবর্তী ধাপগুলোতেও নির্বাচন গ্রহণযোগ্যতা হারাবে। অতীতে বিভিন্ন নির্বাচনে প্রশাসনের নিরপেক্ষতা হারানোর কারণে প্রভাবশালী দল ও প্রার্থীরা সুবিধা নিয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে ফোরামের পক্ষ থেকে আরও যে দাবিগুলো জানানো হয় তার মধ্যে রয়েছে– নির্বাচনী আইন প্রয়োগে নির্বাচন কমিশনকে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ ও কঠোর হতে হবে; ভোট কারচুপি ও অনিয়ম রোধে প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপন; নির্বাচন সংশ্লিষ্ট যে কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে তদন্ত চলাকালে তাকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে রাখা; অভিযোগ প্রমাণিত হলে প্রয়োজন অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া; নির্বাচন কমিশন ও জেলা প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে ‘অভিযোগ বার্তা’ চালু করা এবং নিয়মিত ব্রিফিংয়ের ব্যবস্থা; সরকারের উপদেষ্টা ও চুক্তিভিত্তিক শীর্ষ কর্মকর্তাদের ঘোষণা দিতে হবে যে তারা পরবর্তী সরকারের অংশ হবেন না; এবং নির্বাচন শেষ হওয়ার এক সপ্তাহের মধ্যে জেলা প্রশাসক, ইউএনও, পুলিশ সুপার ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের লটারির মাধ্যমে বদলি করা।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন ফোরামের সভাপতি ও সাবেক সচিব মোহাম্মদ আব্দুল কাইয়ুম, সাবেক সচিব মোতাহার হোসেন, রেজাউল করিম এবং সাবেক অতিরিক্ত সচিব আবদুল কাইয়ুম।




