সংখ্যালঘুদের জন্য সংরক্ষিত আসন পুনর্বহালের দাবি হিন্দু মহাজোটের

সংখ্যালঘুদের জন্য সংরক্ষিত আসন পুনর্বহালের দাবি হিন্দু মহাজোটের
নিজস্ব প্রতিবেদক

ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রকৃত প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি জোরদারের লক্ষ্যে জাতীয় সংসদসহ সব ক্ষেত্রে সংরক্ষিত আসন পুনর্বহালের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোট।
শুক্রবার (১৯ জুন) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান সংগঠনটির নেতারা।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনটির মহাসচিব অ্যাডভোকেট গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিক।
লিখিত বক্তব্যে বলা হয়েছে, সংখ্যালঘু সমস্যার স্থায়ী সমাধান, প্রকৃত প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি জোরদার এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি সমুন্নত রাখতে সংরক্ষিত আসন ও পৃথক নির্বাচন ব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা জরুরি। সংগঠনটির মতে, বর্তমান যৌথ নির্বাচন পদ্ধতিতে ধর্মীয় সংখ্যালঘুরা তাদের জনসংখ্যানুপাতিক রাজনৈতিক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে পারছেন না।
এতে বলা হয়েছে, বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর দেশে সংখ্যালঘু নির্যাতনের ঘটনা বেড়েছে। গত মার্চ মাস থেকে এ পর্যন্ত ৮১ জন খুন ও রহস্যজনক মৃত্যুর শিকার হয়েছেন বলে দাবি করা হয়। একই সময়ে খুনের উদ্দেশে ২২৭ জনকে আহত করা হয়েছে এবং এক হাজার ৫৩৭টি পরিবারকে দেশত্যাগের হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন নেতারা। এছাড়া ধর্ষণ, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, মন্দির ও প্রতিমা ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটছে বলে দাবি করা হয়।
লিখিত বক্তব্যে বলা হয়েছে, স্বাধীনতার আগে ও পরে বিভিন্ন সময়ে হিন্দু সম্প্রদায় রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে বঞ্চনার শিকার হয়েছে। সংবিধানে সংখ্যালঘুদের জন্য সংরক্ষিত আসন ও অর্থনৈতিক স্বার্থ সংরক্ষণের প্রস্তাব বাতিল হওয়ার বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়। একই সঙ্গে অতীতে সংঘটিত বিভিন্ন সাম্প্রদায়িক সহিংসতার ঘটনায় বিচার না হওয়ার অভিযোগ তোলা হয়।
এতে বলা হয়েছে, সরকারি হিসাব অনুযায়ী দেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জনসংখ্যা প্রায় ১২ শতাংশ হলেও জাতীয় সংসদে তাদের প্রতিনিধিত্ব সেই অনুপাতে নিশ্চিত হয়নি। ফলে যৌথ নির্বাচন ব্যবস্থার কারণে সংখ্যালঘুরা তাদের সাংবিধানিক ও রাজনৈতিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এ পরিস্থিতিতে চলমান সংসদ অধিবেশনেই জাতীয় সংসদসহ সব পর্যায়ে ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জন্য সংরক্ষিত আসন এবং পৃথক নির্বাচন ব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে একটি বিল উত্থাপনের দাবি জানানো হয়।
দাবি বাস্তবায়নে উদ্যোগ নেওয়া না হলে দেশব্যাপী আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোটের নেতারা।
এ সময় সভাপতি অ্যাডভোকেট দীনবন্ধু রায়, নির্বাহী সভাপতি অ্যাডভোকেট প্রদীপ কুমার পাল, প্রধান সমন্বয়কারী বিজয় কৃষ্ণ ভট্টাচার্যসহ কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রকৃত প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি জোরদারের লক্ষ্যে জাতীয় সংসদসহ সব ক্ষেত্রে সংরক্ষিত আসন পুনর্বহালের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোট।
শুক্রবার (১৯ জুন) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান সংগঠনটির নেতারা।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনটির মহাসচিব অ্যাডভোকেট গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিক।
লিখিত বক্তব্যে বলা হয়েছে, সংখ্যালঘু সমস্যার স্থায়ী সমাধান, প্রকৃত প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি জোরদার এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি সমুন্নত রাখতে সংরক্ষিত আসন ও পৃথক নির্বাচন ব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা জরুরি। সংগঠনটির মতে, বর্তমান যৌথ নির্বাচন পদ্ধতিতে ধর্মীয় সংখ্যালঘুরা তাদের জনসংখ্যানুপাতিক রাজনৈতিক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে পারছেন না।
এতে বলা হয়েছে, বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর দেশে সংখ্যালঘু নির্যাতনের ঘটনা বেড়েছে। গত মার্চ মাস থেকে এ পর্যন্ত ৮১ জন খুন ও রহস্যজনক মৃত্যুর শিকার হয়েছেন বলে দাবি করা হয়। একই সময়ে খুনের উদ্দেশে ২২৭ জনকে আহত করা হয়েছে এবং এক হাজার ৫৩৭টি পরিবারকে দেশত্যাগের হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন নেতারা। এছাড়া ধর্ষণ, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, মন্দির ও প্রতিমা ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটছে বলে দাবি করা হয়।
লিখিত বক্তব্যে বলা হয়েছে, স্বাধীনতার আগে ও পরে বিভিন্ন সময়ে হিন্দু সম্প্রদায় রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে বঞ্চনার শিকার হয়েছে। সংবিধানে সংখ্যালঘুদের জন্য সংরক্ষিত আসন ও অর্থনৈতিক স্বার্থ সংরক্ষণের প্রস্তাব বাতিল হওয়ার বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়। একই সঙ্গে অতীতে সংঘটিত বিভিন্ন সাম্প্রদায়িক সহিংসতার ঘটনায় বিচার না হওয়ার অভিযোগ তোলা হয়।
এতে বলা হয়েছে, সরকারি হিসাব অনুযায়ী দেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জনসংখ্যা প্রায় ১২ শতাংশ হলেও জাতীয় সংসদে তাদের প্রতিনিধিত্ব সেই অনুপাতে নিশ্চিত হয়নি। ফলে যৌথ নির্বাচন ব্যবস্থার কারণে সংখ্যালঘুরা তাদের সাংবিধানিক ও রাজনৈতিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এ পরিস্থিতিতে চলমান সংসদ অধিবেশনেই জাতীয় সংসদসহ সব পর্যায়ে ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জন্য সংরক্ষিত আসন এবং পৃথক নির্বাচন ব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে একটি বিল উত্থাপনের দাবি জানানো হয়।
দাবি বাস্তবায়নে উদ্যোগ নেওয়া না হলে দেশব্যাপী আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোটের নেতারা।
এ সময় সভাপতি অ্যাডভোকেট দীনবন্ধু রায়, নির্বাহী সভাপতি অ্যাডভোকেট প্রদীপ কুমার পাল, প্রধান সমন্বয়কারী বিজয় কৃষ্ণ ভট্টাচার্যসহ কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

সংখ্যালঘুদের জন্য সংরক্ষিত আসন পুনর্বহালের দাবি হিন্দু মহাজোটের
নিজস্ব প্রতিবেদক

ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রকৃত প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি জোরদারের লক্ষ্যে জাতীয় সংসদসহ সব ক্ষেত্রে সংরক্ষিত আসন পুনর্বহালের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোট।
শুক্রবার (১৯ জুন) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান সংগঠনটির নেতারা।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনটির মহাসচিব অ্যাডভোকেট গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিক।
লিখিত বক্তব্যে বলা হয়েছে, সংখ্যালঘু সমস্যার স্থায়ী সমাধান, প্রকৃত প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি জোরদার এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি সমুন্নত রাখতে সংরক্ষিত আসন ও পৃথক নির্বাচন ব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা জরুরি। সংগঠনটির মতে, বর্তমান যৌথ নির্বাচন পদ্ধতিতে ধর্মীয় সংখ্যালঘুরা তাদের জনসংখ্যানুপাতিক রাজনৈতিক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে পারছেন না।
এতে বলা হয়েছে, বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর দেশে সংখ্যালঘু নির্যাতনের ঘটনা বেড়েছে। গত মার্চ মাস থেকে এ পর্যন্ত ৮১ জন খুন ও রহস্যজনক মৃত্যুর শিকার হয়েছেন বলে দাবি করা হয়। একই সময়ে খুনের উদ্দেশে ২২৭ জনকে আহত করা হয়েছে এবং এক হাজার ৫৩৭টি পরিবারকে দেশত্যাগের হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন নেতারা। এছাড়া ধর্ষণ, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, মন্দির ও প্রতিমা ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটছে বলে দাবি করা হয়।
লিখিত বক্তব্যে বলা হয়েছে, স্বাধীনতার আগে ও পরে বিভিন্ন সময়ে হিন্দু সম্প্রদায় রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে বঞ্চনার শিকার হয়েছে। সংবিধানে সংখ্যালঘুদের জন্য সংরক্ষিত আসন ও অর্থনৈতিক স্বার্থ সংরক্ষণের প্রস্তাব বাতিল হওয়ার বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়। একই সঙ্গে অতীতে সংঘটিত বিভিন্ন সাম্প্রদায়িক সহিংসতার ঘটনায় বিচার না হওয়ার অভিযোগ তোলা হয়।
এতে বলা হয়েছে, সরকারি হিসাব অনুযায়ী দেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জনসংখ্যা প্রায় ১২ শতাংশ হলেও জাতীয় সংসদে তাদের প্রতিনিধিত্ব সেই অনুপাতে নিশ্চিত হয়নি। ফলে যৌথ নির্বাচন ব্যবস্থার কারণে সংখ্যালঘুরা তাদের সাংবিধানিক ও রাজনৈতিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এ পরিস্থিতিতে চলমান সংসদ অধিবেশনেই জাতীয় সংসদসহ সব পর্যায়ে ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জন্য সংরক্ষিত আসন এবং পৃথক নির্বাচন ব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে একটি বিল উত্থাপনের দাবি জানানো হয়।
দাবি বাস্তবায়নে উদ্যোগ নেওয়া না হলে দেশব্যাপী আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোটের নেতারা।
এ সময় সভাপতি অ্যাডভোকেট দীনবন্ধু রায়, নির্বাহী সভাপতি অ্যাডভোকেট প্রদীপ কুমার পাল, প্রধান সমন্বয়কারী বিজয় কৃষ্ণ ভট্টাচার্যসহ কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

হজের খরচ কমাতে উদ্যোগ নেবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী


