জিপিএ-৩ পেলেই ৫০০ টাকা প্রণোদনা: শিক্ষামন্ত্রী

জিপিএ-৩ পেলেই ৫০০ টাকা প্রণোদনা: শিক্ষামন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৩ অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের ৫০০ টাকা করে প্রণোদনা দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
শুক্রবার (১৯ জুন) রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে রোটারি বাংলাদেশ আয়োজিত লিডার্স ট্রেনিং সেমিনারে এ তথ্য জানান তিনি।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষার্থীদের এমনভাবে প্রস্তুত করতে হবে, যাতে তারা কেবল দেশের গণ্ডিতেই সীমাবদ্ধ না থেকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও নেতৃত্ব দেওয়ার যোগ্যতা অর্জন করতে পারে। এ লক্ষ্যে সরকার শিক্ষা খাতে ব্যাপক সংস্কার কার্যক্রম পরিচালনা করছে। শুধু উচ্চশিক্ষার সুযোগ বাড়িয়ে বিপুলসংখ্যক সনদধারী বেকার তৈরি করা সরকারের উদ্দেশ্য নয়; বরং শিক্ষার্থীদের দক্ষ ও কর্মক্ষম মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তোলাই প্রধান লক্ষ্য।
তিনি বলেন, কর্মসংস্থানমুখী শিক্ষা নিশ্চিত করতে সরকার কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার সম্প্রসারণে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতামতের আলোকে ভবিষ্যতে ষষ্ঠ শ্রেণি থেকেই শিক্ষার্থীদের জন্য কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা রয়েছে। এর মাধ্যমে তারা ছোটবেলা থেকেই বাস্তবমুখী জ্ঞান ও প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জনের সুযোগ পাবে।
এহছানুল হক মিলন বলেন, এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৩ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের জন্য ৫০০ টাকা করে প্রণোদনা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে এই সুবিধা পেতে প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে কমপক্ষে তিনজন নিরক্ষর ব্যক্তিকে সাক্ষরজ্ঞান প্রদান করতে হবে।
তিনি বলেন, সরকারের লক্ষ্য কেবল সনদপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী তৈরি করা নয়; বরং দক্ষতা, মানবিক মূল্যবোধ ও সামাজিক দায়িত্ববোধসম্পন্ন এমন নাগরিক গড়ে তোলা। যারা দেশের উন্নয়ন ত্বরান্বিত করার পাশাপাশি বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায়ও সফল অবদান রাখতে সক্ষম হবে।

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৩ অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের ৫০০ টাকা করে প্রণোদনা দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
শুক্রবার (১৯ জুন) রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে রোটারি বাংলাদেশ আয়োজিত লিডার্স ট্রেনিং সেমিনারে এ তথ্য জানান তিনি।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষার্থীদের এমনভাবে প্রস্তুত করতে হবে, যাতে তারা কেবল দেশের গণ্ডিতেই সীমাবদ্ধ না থেকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও নেতৃত্ব দেওয়ার যোগ্যতা অর্জন করতে পারে। এ লক্ষ্যে সরকার শিক্ষা খাতে ব্যাপক সংস্কার কার্যক্রম পরিচালনা করছে। শুধু উচ্চশিক্ষার সুযোগ বাড়িয়ে বিপুলসংখ্যক সনদধারী বেকার তৈরি করা সরকারের উদ্দেশ্য নয়; বরং শিক্ষার্থীদের দক্ষ ও কর্মক্ষম মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তোলাই প্রধান লক্ষ্য।
তিনি বলেন, কর্মসংস্থানমুখী শিক্ষা নিশ্চিত করতে সরকার কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার সম্প্রসারণে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতামতের আলোকে ভবিষ্যতে ষষ্ঠ শ্রেণি থেকেই শিক্ষার্থীদের জন্য কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা রয়েছে। এর মাধ্যমে তারা ছোটবেলা থেকেই বাস্তবমুখী জ্ঞান ও প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জনের সুযোগ পাবে।
এহছানুল হক মিলন বলেন, এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৩ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের জন্য ৫০০ টাকা করে প্রণোদনা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে এই সুবিধা পেতে প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে কমপক্ষে তিনজন নিরক্ষর ব্যক্তিকে সাক্ষরজ্ঞান প্রদান করতে হবে।
তিনি বলেন, সরকারের লক্ষ্য কেবল সনদপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী তৈরি করা নয়; বরং দক্ষতা, মানবিক মূল্যবোধ ও সামাজিক দায়িত্ববোধসম্পন্ন এমন নাগরিক গড়ে তোলা। যারা দেশের উন্নয়ন ত্বরান্বিত করার পাশাপাশি বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায়ও সফল অবদান রাখতে সক্ষম হবে।

জিপিএ-৩ পেলেই ৫০০ টাকা প্রণোদনা: শিক্ষামন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৩ অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের ৫০০ টাকা করে প্রণোদনা দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
শুক্রবার (১৯ জুন) রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে রোটারি বাংলাদেশ আয়োজিত লিডার্স ট্রেনিং সেমিনারে এ তথ্য জানান তিনি।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষার্থীদের এমনভাবে প্রস্তুত করতে হবে, যাতে তারা কেবল দেশের গণ্ডিতেই সীমাবদ্ধ না থেকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও নেতৃত্ব দেওয়ার যোগ্যতা অর্জন করতে পারে। এ লক্ষ্যে সরকার শিক্ষা খাতে ব্যাপক সংস্কার কার্যক্রম পরিচালনা করছে। শুধু উচ্চশিক্ষার সুযোগ বাড়িয়ে বিপুলসংখ্যক সনদধারী বেকার তৈরি করা সরকারের উদ্দেশ্য নয়; বরং শিক্ষার্থীদের দক্ষ ও কর্মক্ষম মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তোলাই প্রধান লক্ষ্য।
তিনি বলেন, কর্মসংস্থানমুখী শিক্ষা নিশ্চিত করতে সরকার কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার সম্প্রসারণে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতামতের আলোকে ভবিষ্যতে ষষ্ঠ শ্রেণি থেকেই শিক্ষার্থীদের জন্য কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা রয়েছে। এর মাধ্যমে তারা ছোটবেলা থেকেই বাস্তবমুখী জ্ঞান ও প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জনের সুযোগ পাবে।
এহছানুল হক মিলন বলেন, এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৩ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের জন্য ৫০০ টাকা করে প্রণোদনা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে এই সুবিধা পেতে প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে কমপক্ষে তিনজন নিরক্ষর ব্যক্তিকে সাক্ষরজ্ঞান প্রদান করতে হবে।
তিনি বলেন, সরকারের লক্ষ্য কেবল সনদপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী তৈরি করা নয়; বরং দক্ষতা, মানবিক মূল্যবোধ ও সামাজিক দায়িত্ববোধসম্পন্ন এমন নাগরিক গড়ে তোলা। যারা দেশের উন্নয়ন ত্বরান্বিত করার পাশাপাশি বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায়ও সফল অবদান রাখতে সক্ষম হবে।

এইচএসসিতে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষার সিদ্ধান্ত

