হজের খরচ কমাতে উদ্যোগ নেবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

হজের খরচ কমাতে উদ্যোগ নেবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক

হজের খরচ কমানোর পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। হজ পালনের ব্যয় কমাতে রাষ্ট্রীয় ও কূটনৈতিক উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বুধবার (১৭ জুন) বুধবার (১৭ জুন) বিকালে জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশন নেত্রকোণা-৫ আসনের সংসদ সদস্য মাছুম মোস্তফার এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগামীতে হজের খরচ কমানোর পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে। হজ পালনের ব্যয় কমাতে রাষ্ট্রীয় ও কূটনৈতিক উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। ২০২৫ সালে হজের সর্বনিম্ন প্যাকেজ ছিল ৪ লাখ ৭৮ হাজার ২৪২ টাকা। ২০২৬ সালে হজের খরচ ১১ হাজার ৭৫ টাকা কমানো হয়েছে, যার সুফল হজযাত্রীরা পেয়েছেন। বৈশ্বিক পরিস্থিতি ও সৌদি পর্বের ঘোষিত ব্যয় বিবেচনায় নিয়ে সরকার সাধারণ ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের জন্য ২০২৭ সালের প্যাকেজ মূল্য কমানো বা যৌক্তিকভাবে নির্ধারণের সর্বাত্মক চেষ্টা করবে।
তিনি বলেন, ঢাকা ওয়াসা প্রায় ৬৫-৭০ শতাংশ পানি ভূগর্ভস্থ উৎস থেকে এবং বাকী ৩০-৩৫ শতাংশ ভূ-উপরিস্থ উৎস যেমন- পদ্মা, মেঘনা এবং শীতলক্ষ্যা নদী থেকে সংগ্রহ করছে। চট্টগ্রাম ওয়াসার মাধ্যমে সরবরাহ করা পানির প্রায় ৯২ শতাংশ নদী ও জলাধারের মতো ভূ-উপরিস্থ থেকে সংগ্রহ করা হয় এবং বাকি ৮ শতাংশ পানি গভীর নলকূপ বা ভূগর্ভস্থ উৎস থেকে উত্তোলন করা হচ্ছে। রাজশাহী ওয়াসার ২ শতাংশ ভূ-উপরিস্থ এবং ভূগর্ভস্থ ৯৮ শতাংশ পানি সরবরাহ করা হয়। খুলনা ও বরিশাল বিভাগীয় শহরে নদীর পানিতে লবণাক্ততা বড় সমস্যা বিধায় ভূ-উপরিস্থ পানির নিরাপদ ব্যবহার নিশ্চিত করতে বড় ধরনের ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট এবং বিকল্প জলাধার তৈরির কাজ চলমান রয়েছে। সিলেট ও ময়মনসিংহে তুলনামূলকভাবে পাহাড় ও নদীবেষ্টিত হওয়ায় এই এলাকাগুলোতে ভূ-উপরিস্থ পানির প্রাপ্যতা বেশি হলেও পানি দূষণ রোধ করে সুপেয় পানি সরবরাহের জন্য প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। ২০৩০ সালের মধ্যে বিভাগীয় শহরে ভূগর্ভস্থ পানির পরিবর্তে ভূ-উপরিস্থ পানির সরবরাহ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে।
তারেক রহমান বলেন, সরকার দেশব্যাপী ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন/পুনঃখননের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এর ফলে ভূগর্ভস্থ পানির ওপর চাপ কমবে, জলাবদ্ধতা নিরসন হবে, সেচ সুবিধা নিশ্চিত হবে এবং গ্রামীণ কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা সুরক্ষিত হবে।
তিনি বলেন, ভৌগোলিক অবস্থান, ঘনবসতি, বিস্তৃত নদ-নদী ব্যবস্থা এবং উপকূলীয় বৈশিষ্ট্যের বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম দুর্যোগপ্রবণ দেশ। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে জলোচ্ছ্বাস, বন্যা, আকস্মিক বন্যা, নদীভাঙন, খরা, অতিবৃষ্টি, বজ্রপাত, তাপ ও লবণাক্ততার মতো দুর্যোগের প্রকোপ ও তীব্রতা বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা মানুষের জীবন-জীবিকা, কৃষি, অবকাঠামো, পরিবেশ ও অর্থনীতির ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের নির্বাচনি ইশতেহারে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তনজনিত নেতিবাচক প্রভাব মোকাবিলা পানি সম্পদ খাতে বহুমুখী কর্মপরিকল্পনা ও কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। তন্মধ্যে- পদ্মা ব্যারেজ বাস্তবায়ন; তিস্তা মহাপরিকল্পনা; নদীভাঙন রোধ; বন্যায় সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ; এবং কৃষিজমিতে লবণাক্ততা হ্রাসকরণ অন্যতম।
তিনি বলেন, গত ১৩ মে ৩৪,৩৪৭ (চৌত্রিশ হাজার তিন শত সাতচল্লিশ) কোটি টাকা ব্যয়ে 'পদ্মা ব্যারেজ' প্রকল্প ১ম পর্যায়ে বাস্তবায়নের জন্য অনুমোদিত হয়েছে। এ প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে শুষ্ক মৌসুমে পদ্মা নদীতে পানি সংরক্ষণপূর্বক পানির প্রবাহ বৃদ্ধি করে পদ্মানির্ভর এলাকায় নদী সিস্টেমকে পুনরুজ্জীবিত করা হবে। এছাড়া, দক্ষিণাঞ্চলের লবণাক্ততার অনুপ্রবেশ হ্রাস, সুন্দরবন ইকোসিস্টেমের ভারসাম্য পুনরুদ্ধার, নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন ও জলাবদ্ধতা হ্রাস, সেচ সুবিধা বৃদ্ধি এবং পানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভবপর হবে। এ প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে ১১৩ মেগাওয়াট জলবিদ্যুৎ উৎপাদন করা যাবে এবং দেশের জিডিপিতে শতকরা ০.৪৫ (শূন্য দশমিক পঁয়তাল্লিশ) ভাগ অতিরিক্ত প্রবৃদ্ধি অর্জিত হবে।

হজের খরচ কমানোর পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। হজ পালনের ব্যয় কমাতে রাষ্ট্রীয় ও কূটনৈতিক উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বুধবার (১৭ জুন) বুধবার (১৭ জুন) বিকালে জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশন নেত্রকোণা-৫ আসনের সংসদ সদস্য মাছুম মোস্তফার এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগামীতে হজের খরচ কমানোর পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে। হজ পালনের ব্যয় কমাতে রাষ্ট্রীয় ও কূটনৈতিক উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। ২০২৫ সালে হজের সর্বনিম্ন প্যাকেজ ছিল ৪ লাখ ৭৮ হাজার ২৪২ টাকা। ২০২৬ সালে হজের খরচ ১১ হাজার ৭৫ টাকা কমানো হয়েছে, যার সুফল হজযাত্রীরা পেয়েছেন। বৈশ্বিক পরিস্থিতি ও সৌদি পর্বের ঘোষিত ব্যয় বিবেচনায় নিয়ে সরকার সাধারণ ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের জন্য ২০২৭ সালের প্যাকেজ মূল্য কমানো বা যৌক্তিকভাবে নির্ধারণের সর্বাত্মক চেষ্টা করবে।
তিনি বলেন, ঢাকা ওয়াসা প্রায় ৬৫-৭০ শতাংশ পানি ভূগর্ভস্থ উৎস থেকে এবং বাকী ৩০-৩৫ শতাংশ ভূ-উপরিস্থ উৎস যেমন- পদ্মা, মেঘনা এবং শীতলক্ষ্যা নদী থেকে সংগ্রহ করছে। চট্টগ্রাম ওয়াসার মাধ্যমে সরবরাহ করা পানির প্রায় ৯২ শতাংশ নদী ও জলাধারের মতো ভূ-উপরিস্থ থেকে সংগ্রহ করা হয় এবং বাকি ৮ শতাংশ পানি গভীর নলকূপ বা ভূগর্ভস্থ উৎস থেকে উত্তোলন করা হচ্ছে। রাজশাহী ওয়াসার ২ শতাংশ ভূ-উপরিস্থ এবং ভূগর্ভস্থ ৯৮ শতাংশ পানি সরবরাহ করা হয়। খুলনা ও বরিশাল বিভাগীয় শহরে নদীর পানিতে লবণাক্ততা বড় সমস্যা বিধায় ভূ-উপরিস্থ পানির নিরাপদ ব্যবহার নিশ্চিত করতে বড় ধরনের ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট এবং বিকল্প জলাধার তৈরির কাজ চলমান রয়েছে। সিলেট ও ময়মনসিংহে তুলনামূলকভাবে পাহাড় ও নদীবেষ্টিত হওয়ায় এই এলাকাগুলোতে ভূ-উপরিস্থ পানির প্রাপ্যতা বেশি হলেও পানি দূষণ রোধ করে সুপেয় পানি সরবরাহের জন্য প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। ২০৩০ সালের মধ্যে বিভাগীয় শহরে ভূগর্ভস্থ পানির পরিবর্তে ভূ-উপরিস্থ পানির সরবরাহ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে।
তারেক রহমান বলেন, সরকার দেশব্যাপী ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন/পুনঃখননের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এর ফলে ভূগর্ভস্থ পানির ওপর চাপ কমবে, জলাবদ্ধতা নিরসন হবে, সেচ সুবিধা নিশ্চিত হবে এবং গ্রামীণ কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা সুরক্ষিত হবে।
তিনি বলেন, ভৌগোলিক অবস্থান, ঘনবসতি, বিস্তৃত নদ-নদী ব্যবস্থা এবং উপকূলীয় বৈশিষ্ট্যের বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম দুর্যোগপ্রবণ দেশ। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে জলোচ্ছ্বাস, বন্যা, আকস্মিক বন্যা, নদীভাঙন, খরা, অতিবৃষ্টি, বজ্রপাত, তাপ ও লবণাক্ততার মতো দুর্যোগের প্রকোপ ও তীব্রতা বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা মানুষের জীবন-জীবিকা, কৃষি, অবকাঠামো, পরিবেশ ও অর্থনীতির ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের নির্বাচনি ইশতেহারে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তনজনিত নেতিবাচক প্রভাব মোকাবিলা পানি সম্পদ খাতে বহুমুখী কর্মপরিকল্পনা ও কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। তন্মধ্যে- পদ্মা ব্যারেজ বাস্তবায়ন; তিস্তা মহাপরিকল্পনা; নদীভাঙন রোধ; বন্যায় সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ; এবং কৃষিজমিতে লবণাক্ততা হ্রাসকরণ অন্যতম।
তিনি বলেন, গত ১৩ মে ৩৪,৩৪৭ (চৌত্রিশ হাজার তিন শত সাতচল্লিশ) কোটি টাকা ব্যয়ে 'পদ্মা ব্যারেজ' প্রকল্প ১ম পর্যায়ে বাস্তবায়নের জন্য অনুমোদিত হয়েছে। এ প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে শুষ্ক মৌসুমে পদ্মা নদীতে পানি সংরক্ষণপূর্বক পানির প্রবাহ বৃদ্ধি করে পদ্মানির্ভর এলাকায় নদী সিস্টেমকে পুনরুজ্জীবিত করা হবে। এছাড়া, দক্ষিণাঞ্চলের লবণাক্ততার অনুপ্রবেশ হ্রাস, সুন্দরবন ইকোসিস্টেমের ভারসাম্য পুনরুদ্ধার, নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন ও জলাবদ্ধতা হ্রাস, সেচ সুবিধা বৃদ্ধি এবং পানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভবপর হবে। এ প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে ১১৩ মেগাওয়াট জলবিদ্যুৎ উৎপাদন করা যাবে এবং দেশের জিডিপিতে শতকরা ০.৪৫ (শূন্য দশমিক পঁয়তাল্লিশ) ভাগ অতিরিক্ত প্রবৃদ্ধি অর্জিত হবে।

হজের খরচ কমাতে উদ্যোগ নেবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক

হজের খরচ কমানোর পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। হজ পালনের ব্যয় কমাতে রাষ্ট্রীয় ও কূটনৈতিক উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বুধবার (১৭ জুন) বুধবার (১৭ জুন) বিকালে জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশন নেত্রকোণা-৫ আসনের সংসদ সদস্য মাছুম মোস্তফার এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগামীতে হজের খরচ কমানোর পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে। হজ পালনের ব্যয় কমাতে রাষ্ট্রীয় ও কূটনৈতিক উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। ২০২৫ সালে হজের সর্বনিম্ন প্যাকেজ ছিল ৪ লাখ ৭৮ হাজার ২৪২ টাকা। ২০২৬ সালে হজের খরচ ১১ হাজার ৭৫ টাকা কমানো হয়েছে, যার সুফল হজযাত্রীরা পেয়েছেন। বৈশ্বিক পরিস্থিতি ও সৌদি পর্বের ঘোষিত ব্যয় বিবেচনায় নিয়ে সরকার সাধারণ ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের জন্য ২০২৭ সালের প্যাকেজ মূল্য কমানো বা যৌক্তিকভাবে নির্ধারণের সর্বাত্মক চেষ্টা করবে।
তিনি বলেন, ঢাকা ওয়াসা প্রায় ৬৫-৭০ শতাংশ পানি ভূগর্ভস্থ উৎস থেকে এবং বাকী ৩০-৩৫ শতাংশ ভূ-উপরিস্থ উৎস যেমন- পদ্মা, মেঘনা এবং শীতলক্ষ্যা নদী থেকে সংগ্রহ করছে। চট্টগ্রাম ওয়াসার মাধ্যমে সরবরাহ করা পানির প্রায় ৯২ শতাংশ নদী ও জলাধারের মতো ভূ-উপরিস্থ থেকে সংগ্রহ করা হয় এবং বাকি ৮ শতাংশ পানি গভীর নলকূপ বা ভূগর্ভস্থ উৎস থেকে উত্তোলন করা হচ্ছে। রাজশাহী ওয়াসার ২ শতাংশ ভূ-উপরিস্থ এবং ভূগর্ভস্থ ৯৮ শতাংশ পানি সরবরাহ করা হয়। খুলনা ও বরিশাল বিভাগীয় শহরে নদীর পানিতে লবণাক্ততা বড় সমস্যা বিধায় ভূ-উপরিস্থ পানির নিরাপদ ব্যবহার নিশ্চিত করতে বড় ধরনের ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট এবং বিকল্প জলাধার তৈরির কাজ চলমান রয়েছে। সিলেট ও ময়মনসিংহে তুলনামূলকভাবে পাহাড় ও নদীবেষ্টিত হওয়ায় এই এলাকাগুলোতে ভূ-উপরিস্থ পানির প্রাপ্যতা বেশি হলেও পানি দূষণ রোধ করে সুপেয় পানি সরবরাহের জন্য প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। ২০৩০ সালের মধ্যে বিভাগীয় শহরে ভূগর্ভস্থ পানির পরিবর্তে ভূ-উপরিস্থ পানির সরবরাহ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে।
তারেক রহমান বলেন, সরকার দেশব্যাপী ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন/পুনঃখননের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এর ফলে ভূগর্ভস্থ পানির ওপর চাপ কমবে, জলাবদ্ধতা নিরসন হবে, সেচ সুবিধা নিশ্চিত হবে এবং গ্রামীণ কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা সুরক্ষিত হবে।
তিনি বলেন, ভৌগোলিক অবস্থান, ঘনবসতি, বিস্তৃত নদ-নদী ব্যবস্থা এবং উপকূলীয় বৈশিষ্ট্যের বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম দুর্যোগপ্রবণ দেশ। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে জলোচ্ছ্বাস, বন্যা, আকস্মিক বন্যা, নদীভাঙন, খরা, অতিবৃষ্টি, বজ্রপাত, তাপ ও লবণাক্ততার মতো দুর্যোগের প্রকোপ ও তীব্রতা বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা মানুষের জীবন-জীবিকা, কৃষি, অবকাঠামো, পরিবেশ ও অর্থনীতির ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের নির্বাচনি ইশতেহারে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তনজনিত নেতিবাচক প্রভাব মোকাবিলা পানি সম্পদ খাতে বহুমুখী কর্মপরিকল্পনা ও কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। তন্মধ্যে- পদ্মা ব্যারেজ বাস্তবায়ন; তিস্তা মহাপরিকল্পনা; নদীভাঙন রোধ; বন্যায় সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ; এবং কৃষিজমিতে লবণাক্ততা হ্রাসকরণ অন্যতম।
তিনি বলেন, গত ১৩ মে ৩৪,৩৪৭ (চৌত্রিশ হাজার তিন শত সাতচল্লিশ) কোটি টাকা ব্যয়ে 'পদ্মা ব্যারেজ' প্রকল্প ১ম পর্যায়ে বাস্তবায়নের জন্য অনুমোদিত হয়েছে। এ প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে শুষ্ক মৌসুমে পদ্মা নদীতে পানি সংরক্ষণপূর্বক পানির প্রবাহ বৃদ্ধি করে পদ্মানির্ভর এলাকায় নদী সিস্টেমকে পুনরুজ্জীবিত করা হবে। এছাড়া, দক্ষিণাঞ্চলের লবণাক্ততার অনুপ্রবেশ হ্রাস, সুন্দরবন ইকোসিস্টেমের ভারসাম্য পুনরুদ্ধার, নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন ও জলাবদ্ধতা হ্রাস, সেচ সুবিধা বৃদ্ধি এবং পানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভবপর হবে। এ প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে ১১৩ মেগাওয়াট জলবিদ্যুৎ উৎপাদন করা যাবে এবং দেশের জিডিপিতে শতকরা ০.৪৫ (শূন্য দশমিক পঁয়তাল্লিশ) ভাগ অতিরিক্ত প্রবৃদ্ধি অর্জিত হবে।

কৃষিখাত হবে জাতীয় সমৃদ্ধির প্রধান চালিকাশক্তি: প্রধানমন্ত্রী


