তীব্র গরমে বরফের জ্যাকেটে স্বস্তি খুঁজছেন ফুটবলাররা

তীব্র গরমে বরফের জ্যাকেটে স্বস্তি খুঁজছেন ফুটবলাররা
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর তীব্র গরম আর ভ্যাপসা আর্দ্রতা এবারের ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের মাঠে খেলোয়াড়দের জন্য সবচেয়ে বড় প্রতিপক্ষ হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রতিকূল এ আবহাওয়ায় নিজেদের সেরাটা উজাড় করে দিতে ফুটবলাররা এখন বেছে নিয়েছেন এক অভিনব প্রযুক্তি। বিশেষ ধরনের ‘আইস ভেস্ট’ বা বরফ শীতল জ্যাকেটে নিজেদের শরীর বাাঁচানোর চেষ্টা করছেন তারা। মাঠের পারফরম্যান্স ধরে রাখতে ফুটবলারদের এ নতুন লড়াই বিশ্বজুড়ে বেশ সাড়া ফেলেছে।
বাইরে থেকে দেখতে সাধারণ পোশাকের মতো মনে হলেও এ ভেস্টের ভেতরে রয়েছে বিশেষ কুলিং প্যাক, যা শরীরে এক ধরনের শীতল অনুভূতি তৈরি করে। ফলে ম্যাচ শুরুর আগে, মধ্যবর্তী বিরতিতে কিংবা কঠোর অনুশীলন শেষে ফুটবলারদের শরীরের তাপমাত্রা দ্রুত স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে ক্রীড়া বিজ্ঞানীরা এ জ্যাকেট ব্যবহারের পরামর্শ দিচ্ছেন।
ক্রীড়া বিজ্ঞানীদের মতে, অতিরিক্ত গরমে ফুটবলারদের হৃদস্পন্দন দ্রুত বেড়ে যায়। এর ফলে শরীর দ্রুত ক্লান্ত হয়ে পড়ে এবং পানিশূন্যতার তীব্র ঝুঁকি তৈরি হয়। এর সরাসরি প্রভাব পড়ে ম্যাচের শেষ দিকের খেলায়। এ আইস ভেস্ট মূলত শরীরের ভেতরের তাপমাত্রা বা কোর টেম্পারেচার নিয়ন্ত্রণে রেখে খেলোয়াড়দের সেই ক্লান্তি ও ঝুঁকি থেকে রক্ষা করছে।
যদিও অলিম্পিকসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ক্রীড়া আসরে এ কুলিং ভেস্টের ব্যবহার বেশ পুরোনো, তবে এবারের বিশ্বকাপের চরম আবহাওয়ার কারণে প্রযুক্তিটি নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে। মাঠের মহাযুদ্ধে জয়ের জন্য শুধু রণকৌশলই যথেষ্ট নয়, খেলোয়াড়দের শারীরিক সক্ষমতা ধরে রাখাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। তাই বিশ্বজয়ের এ মঞ্চে ট্রফি ছোঁয়ার লড়াইয়ে প্রতিটি ক্ষুদ্র সুবিধাকে কাজে লাগাতে বল আর বুটের পাশাপাশি দলগুলোর অন্যতম ভরসা হয়ে উঠেছে এ বরফ শীতল জ্যাকেট।

যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর তীব্র গরম আর ভ্যাপসা আর্দ্রতা এবারের ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের মাঠে খেলোয়াড়দের জন্য সবচেয়ে বড় প্রতিপক্ষ হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রতিকূল এ আবহাওয়ায় নিজেদের সেরাটা উজাড় করে দিতে ফুটবলাররা এখন বেছে নিয়েছেন এক অভিনব প্রযুক্তি। বিশেষ ধরনের ‘আইস ভেস্ট’ বা বরফ শীতল জ্যাকেটে নিজেদের শরীর বাাঁচানোর চেষ্টা করছেন তারা। মাঠের পারফরম্যান্স ধরে রাখতে ফুটবলারদের এ নতুন লড়াই বিশ্বজুড়ে বেশ সাড়া ফেলেছে।
বাইরে থেকে দেখতে সাধারণ পোশাকের মতো মনে হলেও এ ভেস্টের ভেতরে রয়েছে বিশেষ কুলিং প্যাক, যা শরীরে এক ধরনের শীতল অনুভূতি তৈরি করে। ফলে ম্যাচ শুরুর আগে, মধ্যবর্তী বিরতিতে কিংবা কঠোর অনুশীলন শেষে ফুটবলারদের শরীরের তাপমাত্রা দ্রুত স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে ক্রীড়া বিজ্ঞানীরা এ জ্যাকেট ব্যবহারের পরামর্শ দিচ্ছেন।
ক্রীড়া বিজ্ঞানীদের মতে, অতিরিক্ত গরমে ফুটবলারদের হৃদস্পন্দন দ্রুত বেড়ে যায়। এর ফলে শরীর দ্রুত ক্লান্ত হয়ে পড়ে এবং পানিশূন্যতার তীব্র ঝুঁকি তৈরি হয়। এর সরাসরি প্রভাব পড়ে ম্যাচের শেষ দিকের খেলায়। এ আইস ভেস্ট মূলত শরীরের ভেতরের তাপমাত্রা বা কোর টেম্পারেচার নিয়ন্ত্রণে রেখে খেলোয়াড়দের সেই ক্লান্তি ও ঝুঁকি থেকে রক্ষা করছে।
যদিও অলিম্পিকসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ক্রীড়া আসরে এ কুলিং ভেস্টের ব্যবহার বেশ পুরোনো, তবে এবারের বিশ্বকাপের চরম আবহাওয়ার কারণে প্রযুক্তিটি নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে। মাঠের মহাযুদ্ধে জয়ের জন্য শুধু রণকৌশলই যথেষ্ট নয়, খেলোয়াড়দের শারীরিক সক্ষমতা ধরে রাখাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। তাই বিশ্বজয়ের এ মঞ্চে ট্রফি ছোঁয়ার লড়াইয়ে প্রতিটি ক্ষুদ্র সুবিধাকে কাজে লাগাতে বল আর বুটের পাশাপাশি দলগুলোর অন্যতম ভরসা হয়ে উঠেছে এ বরফ শীতল জ্যাকেট।

তীব্র গরমে বরফের জ্যাকেটে স্বস্তি খুঁজছেন ফুটবলাররা
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর তীব্র গরম আর ভ্যাপসা আর্দ্রতা এবারের ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের মাঠে খেলোয়াড়দের জন্য সবচেয়ে বড় প্রতিপক্ষ হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রতিকূল এ আবহাওয়ায় নিজেদের সেরাটা উজাড় করে দিতে ফুটবলাররা এখন বেছে নিয়েছেন এক অভিনব প্রযুক্তি। বিশেষ ধরনের ‘আইস ভেস্ট’ বা বরফ শীতল জ্যাকেটে নিজেদের শরীর বাাঁচানোর চেষ্টা করছেন তারা। মাঠের পারফরম্যান্স ধরে রাখতে ফুটবলারদের এ নতুন লড়াই বিশ্বজুড়ে বেশ সাড়া ফেলেছে।
বাইরে থেকে দেখতে সাধারণ পোশাকের মতো মনে হলেও এ ভেস্টের ভেতরে রয়েছে বিশেষ কুলিং প্যাক, যা শরীরে এক ধরনের শীতল অনুভূতি তৈরি করে। ফলে ম্যাচ শুরুর আগে, মধ্যবর্তী বিরতিতে কিংবা কঠোর অনুশীলন শেষে ফুটবলারদের শরীরের তাপমাত্রা দ্রুত স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে ক্রীড়া বিজ্ঞানীরা এ জ্যাকেট ব্যবহারের পরামর্শ দিচ্ছেন।
ক্রীড়া বিজ্ঞানীদের মতে, অতিরিক্ত গরমে ফুটবলারদের হৃদস্পন্দন দ্রুত বেড়ে যায়। এর ফলে শরীর দ্রুত ক্লান্ত হয়ে পড়ে এবং পানিশূন্যতার তীব্র ঝুঁকি তৈরি হয়। এর সরাসরি প্রভাব পড়ে ম্যাচের শেষ দিকের খেলায়। এ আইস ভেস্ট মূলত শরীরের ভেতরের তাপমাত্রা বা কোর টেম্পারেচার নিয়ন্ত্রণে রেখে খেলোয়াড়দের সেই ক্লান্তি ও ঝুঁকি থেকে রক্ষা করছে।
যদিও অলিম্পিকসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ক্রীড়া আসরে এ কুলিং ভেস্টের ব্যবহার বেশ পুরোনো, তবে এবারের বিশ্বকাপের চরম আবহাওয়ার কারণে প্রযুক্তিটি নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে। মাঠের মহাযুদ্ধে জয়ের জন্য শুধু রণকৌশলই যথেষ্ট নয়, খেলোয়াড়দের শারীরিক সক্ষমতা ধরে রাখাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। তাই বিশ্বজয়ের এ মঞ্চে ট্রফি ছোঁয়ার লড়াইয়ে প্রতিটি ক্ষুদ্র সুবিধাকে কাজে লাগাতে বল আর বুটের পাশাপাশি দলগুলোর অন্যতম ভরসা হয়ে উঠেছে এ বরফ শীতল জ্যাকেট।

হাইতি ম্যাচের আগে একাদশ নিয়ে সতর্ক আনচেলত্তি

