ছুটির দিনেও জমে উঠেনি অমর একুশে বইমেলা

ছুটির দিনেও জমে উঠেনি অমর একুশে বইমেলা
নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রতি বছর অমর একুশে বইমেলা ঘিরে পাঠক, লেখক ও প্রকাশকদের মিলনমেলায় মুখর থাকে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণ ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যান। তবে এবারের চিত্র ভিন্ন। ছুটির দিনেও জমে ওঠেনি বইমেলা। উপস্থিতি ও বিক্রি– দুটিই প্রত্যাশার চেয়ে কম বলে জানিয়েছেন প্রকাশকেরা।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সরেজমিনে দেখা যায়, অন্যান্য বছরের মতো উপচে পড়া ভিড় নেই। বইয়ের স্টলগুলোতে পাঠকদের উপস্থিতি ছিল তুলনামূলক কম, দর্শনার্থীর সংখ্যাও ছিল সীমিত। মেলায় প্রবেশমুখে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি চোখে পড়ে।

প্রকাশক ও স্টলকর্মীদের মতে, পবিত্র রমজান মাস চলায় এবারের মেলায় উপস্থিতি কম। পাশাপাশি মেলার প্রস্তুতিও পুরোপুরি শেষ হয়নি বলে জানান তারা। বেশ কয়েকটি স্টলের সামনে এখনো কাঠের খুঁটি, রং ও বিভিন্ন নির্মাণসামগ্রীর অবশিষ্টাংশ পড়ে থাকতে দেখা গেছে। ধুলাবালির কারণে পরিবেশ নিয়েও অভিযোগ রয়েছে।
অন্য প্রকাশের পরিচালক সিরাজুল কবির চৌধুরী সিটিজেন জার্নালকে বলেন, পরিবেশের যে অবস্থা, সেটা বড় একটা সমস্যা। আমার স্টলসহ বিভিন্ন স্টলের সামনে ময়লা-আবর্জনা, মাটি-ইট পড়ে আছে। এগুলো কোথায় ফেলতে হবে, সে বিষয়ে কোনো নির্দেশনা নেই। ধুলাবালি অনেক, কিন্তু এখনো পানি ছিটানোর ব্যবস্থা পাইনি।

স্টল বরাদ্দে সমতা না থাকার অভিযোগও করেন তিনি। তার ভাষ্য, কিছু স্টলের সামনে পর্যাপ্ত খোলা জায়গা ও হাঁটার সুন্দর পথ রয়েছে। কিন্তু আমাদের এখানে তেমনটা নেই। আমরা তো সমান সুবিধা পেতে চাই।
মেলা নিয়ে জটিলতা ছিল বলে উল্লেখ করে কথা প্রকাশের ইনচার্জ ইউনুস আলী সিটিজেন জার্নালকে বলেন, শুরু থেকেই এবারের মেলা নিয়ে কিছু জটিলতা ছিল। অনেক প্রকাশক ভেবেছিলেন ঈদের পর মেলা হবে। একাধিকবার তারিখ পরিবর্তনের কারণে প্রকাশকদের মধ্যে দ্বিধা তৈরি হয়, যা প্রস্তুতিতে প্রভাব ফেলেছে।
তবে তাদের ৯০ শতাংশ প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলে জানান কথা প্রকাশের ইনচার্জ। দর্শনার্থী কম থাকার বিষয়ে তিনি বলেন, রমজান মাসে মেলা হওয়ায় ভিড় কম, তবে সামনে পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলে আশা করছেন।

অয়ন প্রকাশনের ইনচার্জ তাহমিনা মমতাজ বলেন, স্টলের নম্বর ও মাপ নির্ধারণে দেরি হওয়ায় প্রস্তুতিতে সময় লেগেছে। প্রথমে আমাদের প্যাভিলিয়ন দেওয়া হয়েছিল, পরে সেটি ভেঙে স্টল করা হয়েছে। মাত্র তিন দিন ধরে কাজ শুরু করেছি। দ্রুত কাজ শেষ করে সব বই স্টলে তুলতে পারব বলে আশা করছি।
সব মিলিয়ে ছুটির দিনেও প্রত্যাশিত প্রাণচাঞ্চল্য দেখা যায়নি বইমেলায়। প্রকাশকেরা আশা করছেন, মেলার শেষভাগে পাঠকসমাগম বাড়বে এবং বিক্রিও চাঙা হবে।

প্রতি বছর অমর একুশে বইমেলা ঘিরে পাঠক, লেখক ও প্রকাশকদের মিলনমেলায় মুখর থাকে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণ ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যান। তবে এবারের চিত্র ভিন্ন। ছুটির দিনেও জমে ওঠেনি বইমেলা। উপস্থিতি ও বিক্রি– দুটিই প্রত্যাশার চেয়ে কম বলে জানিয়েছেন প্রকাশকেরা।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সরেজমিনে দেখা যায়, অন্যান্য বছরের মতো উপচে পড়া ভিড় নেই। বইয়ের স্টলগুলোতে পাঠকদের উপস্থিতি ছিল তুলনামূলক কম, দর্শনার্থীর সংখ্যাও ছিল সীমিত। মেলায় প্রবেশমুখে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি চোখে পড়ে।

প্রকাশক ও স্টলকর্মীদের মতে, পবিত্র রমজান মাস চলায় এবারের মেলায় উপস্থিতি কম। পাশাপাশি মেলার প্রস্তুতিও পুরোপুরি শেষ হয়নি বলে জানান তারা। বেশ কয়েকটি স্টলের সামনে এখনো কাঠের খুঁটি, রং ও বিভিন্ন নির্মাণসামগ্রীর অবশিষ্টাংশ পড়ে থাকতে দেখা গেছে। ধুলাবালির কারণে পরিবেশ নিয়েও অভিযোগ রয়েছে।
অন্য প্রকাশের পরিচালক সিরাজুল কবির চৌধুরী সিটিজেন জার্নালকে বলেন, পরিবেশের যে অবস্থা, সেটা বড় একটা সমস্যা। আমার স্টলসহ বিভিন্ন স্টলের সামনে ময়লা-আবর্জনা, মাটি-ইট পড়ে আছে। এগুলো কোথায় ফেলতে হবে, সে বিষয়ে কোনো নির্দেশনা নেই। ধুলাবালি অনেক, কিন্তু এখনো পানি ছিটানোর ব্যবস্থা পাইনি।

স্টল বরাদ্দে সমতা না থাকার অভিযোগও করেন তিনি। তার ভাষ্য, কিছু স্টলের সামনে পর্যাপ্ত খোলা জায়গা ও হাঁটার সুন্দর পথ রয়েছে। কিন্তু আমাদের এখানে তেমনটা নেই। আমরা তো সমান সুবিধা পেতে চাই।
মেলা নিয়ে জটিলতা ছিল বলে উল্লেখ করে কথা প্রকাশের ইনচার্জ ইউনুস আলী সিটিজেন জার্নালকে বলেন, শুরু থেকেই এবারের মেলা নিয়ে কিছু জটিলতা ছিল। অনেক প্রকাশক ভেবেছিলেন ঈদের পর মেলা হবে। একাধিকবার তারিখ পরিবর্তনের কারণে প্রকাশকদের মধ্যে দ্বিধা তৈরি হয়, যা প্রস্তুতিতে প্রভাব ফেলেছে।
তবে তাদের ৯০ শতাংশ প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলে জানান কথা প্রকাশের ইনচার্জ। দর্শনার্থী কম থাকার বিষয়ে তিনি বলেন, রমজান মাসে মেলা হওয়ায় ভিড় কম, তবে সামনে পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলে আশা করছেন।

অয়ন প্রকাশনের ইনচার্জ তাহমিনা মমতাজ বলেন, স্টলের নম্বর ও মাপ নির্ধারণে দেরি হওয়ায় প্রস্তুতিতে সময় লেগেছে। প্রথমে আমাদের প্যাভিলিয়ন দেওয়া হয়েছিল, পরে সেটি ভেঙে স্টল করা হয়েছে। মাত্র তিন দিন ধরে কাজ শুরু করেছি। দ্রুত কাজ শেষ করে সব বই স্টলে তুলতে পারব বলে আশা করছি।
সব মিলিয়ে ছুটির দিনেও প্রত্যাশিত প্রাণচাঞ্চল্য দেখা যায়নি বইমেলায়। প্রকাশকেরা আশা করছেন, মেলার শেষভাগে পাঠকসমাগম বাড়বে এবং বিক্রিও চাঙা হবে।

ছুটির দিনেও জমে উঠেনি অমর একুশে বইমেলা
নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রতি বছর অমর একুশে বইমেলা ঘিরে পাঠক, লেখক ও প্রকাশকদের মিলনমেলায় মুখর থাকে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণ ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যান। তবে এবারের চিত্র ভিন্ন। ছুটির দিনেও জমে ওঠেনি বইমেলা। উপস্থিতি ও বিক্রি– দুটিই প্রত্যাশার চেয়ে কম বলে জানিয়েছেন প্রকাশকেরা।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সরেজমিনে দেখা যায়, অন্যান্য বছরের মতো উপচে পড়া ভিড় নেই। বইয়ের স্টলগুলোতে পাঠকদের উপস্থিতি ছিল তুলনামূলক কম, দর্শনার্থীর সংখ্যাও ছিল সীমিত। মেলায় প্রবেশমুখে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি চোখে পড়ে।

প্রকাশক ও স্টলকর্মীদের মতে, পবিত্র রমজান মাস চলায় এবারের মেলায় উপস্থিতি কম। পাশাপাশি মেলার প্রস্তুতিও পুরোপুরি শেষ হয়নি বলে জানান তারা। বেশ কয়েকটি স্টলের সামনে এখনো কাঠের খুঁটি, রং ও বিভিন্ন নির্মাণসামগ্রীর অবশিষ্টাংশ পড়ে থাকতে দেখা গেছে। ধুলাবালির কারণে পরিবেশ নিয়েও অভিযোগ রয়েছে।
অন্য প্রকাশের পরিচালক সিরাজুল কবির চৌধুরী সিটিজেন জার্নালকে বলেন, পরিবেশের যে অবস্থা, সেটা বড় একটা সমস্যা। আমার স্টলসহ বিভিন্ন স্টলের সামনে ময়লা-আবর্জনা, মাটি-ইট পড়ে আছে। এগুলো কোথায় ফেলতে হবে, সে বিষয়ে কোনো নির্দেশনা নেই। ধুলাবালি অনেক, কিন্তু এখনো পানি ছিটানোর ব্যবস্থা পাইনি।

স্টল বরাদ্দে সমতা না থাকার অভিযোগও করেন তিনি। তার ভাষ্য, কিছু স্টলের সামনে পর্যাপ্ত খোলা জায়গা ও হাঁটার সুন্দর পথ রয়েছে। কিন্তু আমাদের এখানে তেমনটা নেই। আমরা তো সমান সুবিধা পেতে চাই।
মেলা নিয়ে জটিলতা ছিল বলে উল্লেখ করে কথা প্রকাশের ইনচার্জ ইউনুস আলী সিটিজেন জার্নালকে বলেন, শুরু থেকেই এবারের মেলা নিয়ে কিছু জটিলতা ছিল। অনেক প্রকাশক ভেবেছিলেন ঈদের পর মেলা হবে। একাধিকবার তারিখ পরিবর্তনের কারণে প্রকাশকদের মধ্যে দ্বিধা তৈরি হয়, যা প্রস্তুতিতে প্রভাব ফেলেছে।
তবে তাদের ৯০ শতাংশ প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলে জানান কথা প্রকাশের ইনচার্জ। দর্শনার্থী কম থাকার বিষয়ে তিনি বলেন, রমজান মাসে মেলা হওয়ায় ভিড় কম, তবে সামনে পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলে আশা করছেন।

অয়ন প্রকাশনের ইনচার্জ তাহমিনা মমতাজ বলেন, স্টলের নম্বর ও মাপ নির্ধারণে দেরি হওয়ায় প্রস্তুতিতে সময় লেগেছে। প্রথমে আমাদের প্যাভিলিয়ন দেওয়া হয়েছিল, পরে সেটি ভেঙে স্টল করা হয়েছে। মাত্র তিন দিন ধরে কাজ শুরু করেছি। দ্রুত কাজ শেষ করে সব বই স্টলে তুলতে পারব বলে আশা করছি।
সব মিলিয়ে ছুটির দিনেও প্রত্যাশিত প্রাণচাঞ্চল্য দেখা যায়নি বইমেলায়। প্রকাশকেরা আশা করছেন, মেলার শেষভাগে পাঠকসমাগম বাড়বে এবং বিক্রিও চাঙা হবে।




