দুর্নীতি কমাতে ডিজিটাল ব্যবস্থা চালুর সুপারিশ সংসদীয় কমিটির

দুর্নীতি কমাতে ডিজিটাল ব্যবস্থা চালুর সুপারিশ সংসদীয় কমিটির
নিজস্ব প্রতিবেদক

দুর্নীতি প্রতিরোধে সরাসরি যোগাযোগনির্ভর কার্যক্রম কমিয়ে ডিজিটাল ও স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা চালুর ওপর গুরুত্বারোপ করেছে জাতীয় সংসদের অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি। একই সঙ্গে দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিকে চিহ্নিত বা শাস্তি দেওয়ার পাশাপাশি দুর্নীতির সুযোগ তৈরি করে এমন প্রক্রিয়া ও ব্যবস্থার পরিবর্তন বা বিলোপের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
রবিবার (২৩ আগস্ট) সংসদ ভবনে কমিটির দ্বিতীয় বৈঠকে এসব বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়। কমিটির সভাপতি মুশফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে বলা হয়, সরকারি সেবা ও কার্যক্রমে সরাসরি যোগাযোগ কমিয়ে ডিজিটাল ও স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হলে দুর্নীতির সুযোগ কমবে। একই সঙ্গে ব্যবসায়ীদের ব্যয় ও হয়রানি কমবে, ব্যবসার পরিবেশ সহজ হবে এবং সরকারের রাজস্ব আদায়ও বাড়বে।
বৈঠকে হিসাবরক্ষণ ও আর্থিক প্রতিবেদন ব্যবস্থাকে আরও স্বচ্ছ, আধুনিক ও কার্যকর করার ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়। এ ক্ষেত্রে জবাবদিহিতা বৃদ্ধি করা গেলে সরকারি কার্যক্রমের দক্ষতা ও কার্যকারিতা আরও বাড়বে বলে অভিমত ব্যক্ত করা হয়।
এ ছাড়া সরকারের ব্যয় নির্বাহে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সক্ষমতা, কর-জিডিপি অনুপাতের ব্যবধান কমাতে গৃহীত পদক্ষেপ এবং এনবিআরের সাংগঠনিক কাঠামো নিরূপণ ও করণীয় বিষয়ে এনবিআরের পক্ষ থেকে প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে বিস্তারিত তথ্য উপস্থাপন করা হয়। উপস্থাপিত বিষয়গুলোর ওপর কমিটির সদস্যরা আলোচনা করেন এবং বিভিন্ন মতামত ও সুপারিশ তুলে ধরেন।
বৈঠকে কমিটির সদস্য ও অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম মনি, মো. জালাল উদ্দিন এমপি, মঈনুল ইসলাম খান এমপি, মো. শাহাদাত হোসেন এমপি, মো. সাইফুল আলম এমপি, সৈয়দ জয়নুল আবেদীন এমপি এবং মো. আবুল হাসনাত এমপি অংশগ্রহণ করেন।

দুর্নীতি প্রতিরোধে সরাসরি যোগাযোগনির্ভর কার্যক্রম কমিয়ে ডিজিটাল ও স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা চালুর ওপর গুরুত্বারোপ করেছে জাতীয় সংসদের অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি। একই সঙ্গে দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিকে চিহ্নিত বা শাস্তি দেওয়ার পাশাপাশি দুর্নীতির সুযোগ তৈরি করে এমন প্রক্রিয়া ও ব্যবস্থার পরিবর্তন বা বিলোপের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
রবিবার (২৩ আগস্ট) সংসদ ভবনে কমিটির দ্বিতীয় বৈঠকে এসব বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়। কমিটির সভাপতি মুশফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে বলা হয়, সরকারি সেবা ও কার্যক্রমে সরাসরি যোগাযোগ কমিয়ে ডিজিটাল ও স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হলে দুর্নীতির সুযোগ কমবে। একই সঙ্গে ব্যবসায়ীদের ব্যয় ও হয়রানি কমবে, ব্যবসার পরিবেশ সহজ হবে এবং সরকারের রাজস্ব আদায়ও বাড়বে।
বৈঠকে হিসাবরক্ষণ ও আর্থিক প্রতিবেদন ব্যবস্থাকে আরও স্বচ্ছ, আধুনিক ও কার্যকর করার ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়। এ ক্ষেত্রে জবাবদিহিতা বৃদ্ধি করা গেলে সরকারি কার্যক্রমের দক্ষতা ও কার্যকারিতা আরও বাড়বে বলে অভিমত ব্যক্ত করা হয়।
এ ছাড়া সরকারের ব্যয় নির্বাহে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সক্ষমতা, কর-জিডিপি অনুপাতের ব্যবধান কমাতে গৃহীত পদক্ষেপ এবং এনবিআরের সাংগঠনিক কাঠামো নিরূপণ ও করণীয় বিষয়ে এনবিআরের পক্ষ থেকে প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে বিস্তারিত তথ্য উপস্থাপন করা হয়। উপস্থাপিত বিষয়গুলোর ওপর কমিটির সদস্যরা আলোচনা করেন এবং বিভিন্ন মতামত ও সুপারিশ তুলে ধরেন।
বৈঠকে কমিটির সদস্য ও অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম মনি, মো. জালাল উদ্দিন এমপি, মঈনুল ইসলাম খান এমপি, মো. শাহাদাত হোসেন এমপি, মো. সাইফুল আলম এমপি, সৈয়দ জয়নুল আবেদীন এমপি এবং মো. আবুল হাসনাত এমপি অংশগ্রহণ করেন।

দুর্নীতি কমাতে ডিজিটাল ব্যবস্থা চালুর সুপারিশ সংসদীয় কমিটির
নিজস্ব প্রতিবেদক

দুর্নীতি প্রতিরোধে সরাসরি যোগাযোগনির্ভর কার্যক্রম কমিয়ে ডিজিটাল ও স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা চালুর ওপর গুরুত্বারোপ করেছে জাতীয় সংসদের অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি। একই সঙ্গে দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিকে চিহ্নিত বা শাস্তি দেওয়ার পাশাপাশি দুর্নীতির সুযোগ তৈরি করে এমন প্রক্রিয়া ও ব্যবস্থার পরিবর্তন বা বিলোপের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
রবিবার (২৩ আগস্ট) সংসদ ভবনে কমিটির দ্বিতীয় বৈঠকে এসব বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়। কমিটির সভাপতি মুশফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে বলা হয়, সরকারি সেবা ও কার্যক্রমে সরাসরি যোগাযোগ কমিয়ে ডিজিটাল ও স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হলে দুর্নীতির সুযোগ কমবে। একই সঙ্গে ব্যবসায়ীদের ব্যয় ও হয়রানি কমবে, ব্যবসার পরিবেশ সহজ হবে এবং সরকারের রাজস্ব আদায়ও বাড়বে।
বৈঠকে হিসাবরক্ষণ ও আর্থিক প্রতিবেদন ব্যবস্থাকে আরও স্বচ্ছ, আধুনিক ও কার্যকর করার ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়। এ ক্ষেত্রে জবাবদিহিতা বৃদ্ধি করা গেলে সরকারি কার্যক্রমের দক্ষতা ও কার্যকারিতা আরও বাড়বে বলে অভিমত ব্যক্ত করা হয়।
এ ছাড়া সরকারের ব্যয় নির্বাহে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সক্ষমতা, কর-জিডিপি অনুপাতের ব্যবধান কমাতে গৃহীত পদক্ষেপ এবং এনবিআরের সাংগঠনিক কাঠামো নিরূপণ ও করণীয় বিষয়ে এনবিআরের পক্ষ থেকে প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে বিস্তারিত তথ্য উপস্থাপন করা হয়। উপস্থাপিত বিষয়গুলোর ওপর কমিটির সদস্যরা আলোচনা করেন এবং বিভিন্ন মতামত ও সুপারিশ তুলে ধরেন।
বৈঠকে কমিটির সদস্য ও অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম মনি, মো. জালাল উদ্দিন এমপি, মঈনুল ইসলাম খান এমপি, মো. শাহাদাত হোসেন এমপি, মো. সাইফুল আলম এমপি, সৈয়দ জয়নুল আবেদীন এমপি এবং মো. আবুল হাসনাত এমপি অংশগ্রহণ করেন।

সারের দুর্নীতিতে জড়িত কাউকে ছাড় নয়: কৃষি সচিব






