ভারত থেকে বাড়তি ডিজেল আমদানি করতে চায় বাংলাদেশ

ভারত থেকে বাড়তি ডিজেল আমদানি করতে চায় বাংলাদেশ
বিশেষ প্রতিনিধি

ভারত থেকে বছরে অতিরিক্ত ৫০ হাজার টন ডিজেল জ্বালানি আমদানির আগ্রহ দেখিয়েছে বাংলাদেশ। একই সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি তেল সরবরাহের চুক্তি করতে চায় বাংলাদেশ।
বুধবার (১১ মার্চ) বিকেলে সচিবালয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মার সঙ্গে বৈঠকে ডিজেল সরবরাহ বাড়ানোর অনুরোধ জানিয়েছেন।
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে সম্ভাব্য সংকট মোকাবিলায় অতিরিক্ত জ্বালানি সরবরাহ চেয়ে ভারতকে আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি দিয়েছে সরকার। ২০২৩ সালের মার্চে বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী পাইপলাইনের মাধ্যমে ভারতের শিলিগুড়ি মার্কেটিং টার্মিনাল থেকে দিনাজপুরের পার্বতীপুর ডিপো পর্যন্ত প্রায় ১৩১ কিলোমিটার দীর্ঘ পাইপলাইন উদ্বোধন করা হয়। প্রতি বছরে প্রায় ২ লাখ টন ডিজেল পরিবহনের সক্ষমতা থাকলেও বিদ্যমান চুক্তি অনুযায়ী চলতি বছরে পাইপলাইন দিয়ে প্রায় এক লাখ ৮০ হাজার টন ডিজেল সরবরাহের কথা রয়েছে। এ হিসেবে প্রতি মাসে পাইপলাইন হয়ে ১৫ হাজার টন ডিজেল বাংলাদেশে আসছে।
জ্বালানিমন্ত্রী বলেন, ‘আপৎকালীন অবস্থার জন্য আমরা বলেছি আমাদের ডিজেল সরবরাহ বাড়িয়ে দেওয়ার জন্য। এখন তারা সিদ্ধান্ত নেবে, কতখানি বাড়াবে।’
প্রণয় ভার্মা বলেন, ‘জ্বালানি-সংকট মোকাবিলায় ভারতের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে সহায়তা চেয়েছে বাংলাদেশ। সরকারের পক্ষ থেকে জ্বালানি মন্ত্রণালয় চিঠি দিয়েছে। এই চিঠি ভারত সরকারের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে। জ্বালানি মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে দুই দেশের যৌথ স্বার্থগুলো নিয়ে আলাপ হয়েছে। কীভাবে সহযোগিতা বাড়িয়ে আরও সামনের দিকে এগিয়ে যেতে পারি, সেসব আলোচনা হয়েছে। দুই দেশের মধ্যে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সহায়তা আমাদের অর্থনৈতিক সহযোগিতার একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। এই সম্পর্ক কীভাবে আরও শক্তিশালী করা যায়, সেসব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’

ভারত থেকে বছরে অতিরিক্ত ৫০ হাজার টন ডিজেল জ্বালানি আমদানির আগ্রহ দেখিয়েছে বাংলাদেশ। একই সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি তেল সরবরাহের চুক্তি করতে চায় বাংলাদেশ।
বুধবার (১১ মার্চ) বিকেলে সচিবালয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মার সঙ্গে বৈঠকে ডিজেল সরবরাহ বাড়ানোর অনুরোধ জানিয়েছেন।
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে সম্ভাব্য সংকট মোকাবিলায় অতিরিক্ত জ্বালানি সরবরাহ চেয়ে ভারতকে আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি দিয়েছে সরকার। ২০২৩ সালের মার্চে বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী পাইপলাইনের মাধ্যমে ভারতের শিলিগুড়ি মার্কেটিং টার্মিনাল থেকে দিনাজপুরের পার্বতীপুর ডিপো পর্যন্ত প্রায় ১৩১ কিলোমিটার দীর্ঘ পাইপলাইন উদ্বোধন করা হয়। প্রতি বছরে প্রায় ২ লাখ টন ডিজেল পরিবহনের সক্ষমতা থাকলেও বিদ্যমান চুক্তি অনুযায়ী চলতি বছরে পাইপলাইন দিয়ে প্রায় এক লাখ ৮০ হাজার টন ডিজেল সরবরাহের কথা রয়েছে। এ হিসেবে প্রতি মাসে পাইপলাইন হয়ে ১৫ হাজার টন ডিজেল বাংলাদেশে আসছে।
জ্বালানিমন্ত্রী বলেন, ‘আপৎকালীন অবস্থার জন্য আমরা বলেছি আমাদের ডিজেল সরবরাহ বাড়িয়ে দেওয়ার জন্য। এখন তারা সিদ্ধান্ত নেবে, কতখানি বাড়াবে।’
প্রণয় ভার্মা বলেন, ‘জ্বালানি-সংকট মোকাবিলায় ভারতের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে সহায়তা চেয়েছে বাংলাদেশ। সরকারের পক্ষ থেকে জ্বালানি মন্ত্রণালয় চিঠি দিয়েছে। এই চিঠি ভারত সরকারের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে। জ্বালানি মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে দুই দেশের যৌথ স্বার্থগুলো নিয়ে আলাপ হয়েছে। কীভাবে সহযোগিতা বাড়িয়ে আরও সামনের দিকে এগিয়ে যেতে পারি, সেসব আলোচনা হয়েছে। দুই দেশের মধ্যে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সহায়তা আমাদের অর্থনৈতিক সহযোগিতার একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। এই সম্পর্ক কীভাবে আরও শক্তিশালী করা যায়, সেসব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’

ভারত থেকে বাড়তি ডিজেল আমদানি করতে চায় বাংলাদেশ
বিশেষ প্রতিনিধি

ভারত থেকে বছরে অতিরিক্ত ৫০ হাজার টন ডিজেল জ্বালানি আমদানির আগ্রহ দেখিয়েছে বাংলাদেশ। একই সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি তেল সরবরাহের চুক্তি করতে চায় বাংলাদেশ।
বুধবার (১১ মার্চ) বিকেলে সচিবালয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মার সঙ্গে বৈঠকে ডিজেল সরবরাহ বাড়ানোর অনুরোধ জানিয়েছেন।
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে সম্ভাব্য সংকট মোকাবিলায় অতিরিক্ত জ্বালানি সরবরাহ চেয়ে ভারতকে আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি দিয়েছে সরকার। ২০২৩ সালের মার্চে বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী পাইপলাইনের মাধ্যমে ভারতের শিলিগুড়ি মার্কেটিং টার্মিনাল থেকে দিনাজপুরের পার্বতীপুর ডিপো পর্যন্ত প্রায় ১৩১ কিলোমিটার দীর্ঘ পাইপলাইন উদ্বোধন করা হয়। প্রতি বছরে প্রায় ২ লাখ টন ডিজেল পরিবহনের সক্ষমতা থাকলেও বিদ্যমান চুক্তি অনুযায়ী চলতি বছরে পাইপলাইন দিয়ে প্রায় এক লাখ ৮০ হাজার টন ডিজেল সরবরাহের কথা রয়েছে। এ হিসেবে প্রতি মাসে পাইপলাইন হয়ে ১৫ হাজার টন ডিজেল বাংলাদেশে আসছে।
জ্বালানিমন্ত্রী বলেন, ‘আপৎকালীন অবস্থার জন্য আমরা বলেছি আমাদের ডিজেল সরবরাহ বাড়িয়ে দেওয়ার জন্য। এখন তারা সিদ্ধান্ত নেবে, কতখানি বাড়াবে।’
প্রণয় ভার্মা বলেন, ‘জ্বালানি-সংকট মোকাবিলায় ভারতের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে সহায়তা চেয়েছে বাংলাদেশ। সরকারের পক্ষ থেকে জ্বালানি মন্ত্রণালয় চিঠি দিয়েছে। এই চিঠি ভারত সরকারের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে। জ্বালানি মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে দুই দেশের যৌথ স্বার্থগুলো নিয়ে আলাপ হয়েছে। কীভাবে সহযোগিতা বাড়িয়ে আরও সামনের দিকে এগিয়ে যেতে পারি, সেসব আলোচনা হয়েছে। দুই দেশের মধ্যে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সহায়তা আমাদের অর্থনৈতিক সহযোগিতার একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। এই সম্পর্ক কীভাবে আরও শক্তিশালী করা যায়, সেসব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’




