১৭-১৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই ক্ষমতা হস্তান্তর: প্রেস সচিব

১৭-১৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই ক্ষমতা হস্তান্তর: প্রেস সচিব
নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার পর যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচিত সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করবে অন্তর্বর্তী সরকার। এই প্রক্রিয়া ১৫ থেকে ১৬ ফেব্রুয়ারি মধ্যে শেষ হতে পারে। তবে তা কোনোভাবেই ১৭-১৮ ফেব্রুয়ারির পরে যাবে না।
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এ তথ্য জানান।
এর আগে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
প্রেস ব্রিফিংয়েূ এক প্রশ্নের জবাবে শফিকুল আলম বলেন, ‘নির্বাচনের পর দ্রুততম সময়ের মধ্যে নির্বাচিত সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রস্তুতি রয়েছে। নির্বাচনের পরপরই নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ গ্রহণ করবেন। এরপর দ্রুততার সাথে ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু হবে।’
এ সময় প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ মজুমদার বলেন, নির্বাচনের পর নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের কাছে যত দ্রুত সম্ভব দায়িত্ব হস্তান্তর করা হবে। এ বিষয়টি তিনি গতকালই জানিয়েছেন।
এর আগে সচিবালয়ে আইন উপদেষ্টা নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ কে পড়াতে পারেন সে বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি বলেন, নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পাঠ করানোর ক্ষেত্রে সাবেক স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকারের কোনো সুযোগ নেই। এ অবস্থায় প্রধান উপদেষ্টার পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি মনোনীত কোনো ব্যক্তি শপথ পড়াবেন। বিকল্প হিসেবে নির্বাচনের তিন দিন পর প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) শপথ পড়াতে পারবেন।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার পর যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচিত সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করবে অন্তর্বর্তী সরকার। এই প্রক্রিয়া ১৫ থেকে ১৬ ফেব্রুয়ারি মধ্যে শেষ হতে পারে। তবে তা কোনোভাবেই ১৭-১৮ ফেব্রুয়ারির পরে যাবে না।
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এ তথ্য জানান।
এর আগে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
প্রেস ব্রিফিংয়েূ এক প্রশ্নের জবাবে শফিকুল আলম বলেন, ‘নির্বাচনের পর দ্রুততম সময়ের মধ্যে নির্বাচিত সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রস্তুতি রয়েছে। নির্বাচনের পরপরই নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ গ্রহণ করবেন। এরপর দ্রুততার সাথে ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু হবে।’
এ সময় প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ মজুমদার বলেন, নির্বাচনের পর নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের কাছে যত দ্রুত সম্ভব দায়িত্ব হস্তান্তর করা হবে। এ বিষয়টি তিনি গতকালই জানিয়েছেন।
এর আগে সচিবালয়ে আইন উপদেষ্টা নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ কে পড়াতে পারেন সে বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি বলেন, নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পাঠ করানোর ক্ষেত্রে সাবেক স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকারের কোনো সুযোগ নেই। এ অবস্থায় প্রধান উপদেষ্টার পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি মনোনীত কোনো ব্যক্তি শপথ পড়াবেন। বিকল্প হিসেবে নির্বাচনের তিন দিন পর প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) শপথ পড়াতে পারবেন।

১৭-১৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই ক্ষমতা হস্তান্তর: প্রেস সচিব
নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার পর যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচিত সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করবে অন্তর্বর্তী সরকার। এই প্রক্রিয়া ১৫ থেকে ১৬ ফেব্রুয়ারি মধ্যে শেষ হতে পারে। তবে তা কোনোভাবেই ১৭-১৮ ফেব্রুয়ারির পরে যাবে না।
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এ তথ্য জানান।
এর আগে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
প্রেস ব্রিফিংয়েূ এক প্রশ্নের জবাবে শফিকুল আলম বলেন, ‘নির্বাচনের পর দ্রুততম সময়ের মধ্যে নির্বাচিত সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রস্তুতি রয়েছে। নির্বাচনের পরপরই নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ গ্রহণ করবেন। এরপর দ্রুততার সাথে ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু হবে।’
এ সময় প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ মজুমদার বলেন, নির্বাচনের পর নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের কাছে যত দ্রুত সম্ভব দায়িত্ব হস্তান্তর করা হবে। এ বিষয়টি তিনি গতকালই জানিয়েছেন।
এর আগে সচিবালয়ে আইন উপদেষ্টা নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ কে পড়াতে পারেন সে বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি বলেন, নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পাঠ করানোর ক্ষেত্রে সাবেক স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকারের কোনো সুযোগ নেই। এ অবস্থায় প্রধান উপদেষ্টার পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি মনোনীত কোনো ব্যক্তি শপথ পড়াবেন। বিকল্প হিসেবে নির্বাচনের তিন দিন পর প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) শপথ পড়াতে পারবেন।




