পরমাণু শক্তি কমিশনে যন্ত্রপাতি কেনায় বড় অনিয়মের অভিযোগ

পরমাণু শক্তি কমিশনে যন্ত্রপাতি কেনায় বড় অনিয়মের অভিযোগ
বিশেষ প্রতিনিধি

বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের (বিএইসি) জিন গবেষণাগারে ডিএনএ সংক্রান্ত যন্ত্রপাতি কেনা নিয়ে বড় ধরণের অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। একটি নির্দিষ্ট কোম্পানিকে কাজ পাইয়ে দেওয়ার জন্য দ্বিগুণ দামে মেশিন কেনা হচ্ছে।
দেশে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন যন্ত্রপাতি কেনা নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় কয়েক বছর আগে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থার (ইউএসএআইডি) অর্থায়নে একটি প্রাইজ গাইড তৈরি করে। সংশ্লিষ্টদের মতে, ওই গাইড অনুসরণ করা হলে যন্ত্রপাতি কেনাকাটায় অনিয়মের সুযোগ অনেকটাই কমে যেত। গাইডটিতে বিভিন্ন যন্ত্রপাতির সম্ভাব্য মূল্য দেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ পরমাণু গবেষণা কেন্দ্রের জিন গবেষণাগারে যন্ত্রপাতি কেনার বিষয়ে দেখা গেছে, মেশিনের মূল্য ১০ কোটি টাকার বেশি হওয়ার কথা নয়। কিন্তু মেশিন কেনা হচ্ছে প্রায় ২০ কোটি টাকা ব্যয়ে। কাগজপত্র পর্যালোচনায় দেখা গেছে, একই টেন্ডার তিন দফা বাতিল করা হয়েছে। পরে মেশিন কেনার জন্য এমন শর্ত দেওয়া হয়েছে যাতে ‘ইনভেন্ট টেকনোলজি’ নামের প্রতিষ্ঠান কাজটি পায়।
অনিয়মের অভিযোগ বিষয়ে জানতে চাইলে ‘নিনমাস ঢাকা এবং ইনমাস চট্টগ্রাম জিনোম সিকোয়েন্সিং ফ্যাসিলিটিস স্থাপন’ প্রকল্পের পরিচালক ও বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের কর্মকর্তা হরি নারায়ণ দাস সিটিজেন জার্নালকে বলেন, দরপত্র মূল্যায়ন কমিটিতে সাতজন সদস্য রয়েছেন। তাদের মাধ্যমেই যন্ত্রপাতির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সরকারি ক্রয় বিধিমালা (পিপিআর) অনুসরণ করেই পুরো দরপত্র প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। তার দাবি অনুযায়ী, এ প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের অনিয়ম হয়নি।
জানা গেছে, ডিএনএ এক্সট্রাকশন সিস্টেম ও ডিএনএ সিকোয়েন্সার সরবরাহ, স্থাপন এবং কমিশনিং-সংক্রান্ত যন্ত্রপাতি কেনার জন্য দরপত্র আহ্বান করা হয়। দরপত্র নথি অনুযায়ী, এসব যন্ত্রপাতি ঢাকায় ও চট্টগ্রামে অবস্থিত ‘এস্টাবলিশমেন্ট অব জিনোম সিকোয়েন্সিং ফ্যাসিলিটিস অ্যাট নিনমাস’ প্রকল্পে স্থাপনের কথা রয়েছে।
টেন্ডার নথি অনুযায়ী প্রকল্পে যেসব যন্ত্রপাতি কেনার কথা রয়েছে, তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো– অটোমেটেড ডিএনএ এক্সট্রাকশন সিস্টেম ২টি, ডিএনএ সিকুয়েন্সার, শর্ট প্যানেল সফটওয়্যার ২টি, ডিএনএ সিকুয়েন্সার ফর এক্সোম-লার্জ প্যানেল-এনআইপিটি ২টি। এসব যন্ত্রপাতির জন্য প্রায় ২৩ কোটি টাকা বরাদ্দ ধরা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রের অভিযোগ, ইনভেন্ট টেকনোলজি দীর্ঘদিন ধরে কমিশনের বিভিন্ন প্রকল্পে যন্ত্রপাতি সরবরাহ করে আসছে। গত প্রায় ১৭ বছরে প্রতিষ্ঠানটি আনুমানিক ৩৫০ থেকে ৪০০ কোটি টাকার কাজ পেয়েছে বলে জানা যায়। তবে অভিযোগ রয়েছে, সরবরাহকৃত অনেক যন্ত্রপাতি বর্তমানে অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে আছে।
এছাড়াও অভিযোগ রয়েছে, দরপত্রের কারিগরি স্পেসিফিকেশন এমনভাবে তৈরি করা হয়, যাতে নির্দিষ্ট ব্র্যান্ড বা সরবরাহকারী ছাড়া অন্যরা প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে না পারে। এর ফলে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন কিছু ব্র্যান্ড (যুক্তরাষ্ট্রের পর্মফিশার) অনেক ক্ষেত্রেই প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারে না।

বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের (বিএইসি) জিন গবেষণাগারে ডিএনএ সংক্রান্ত যন্ত্রপাতি কেনা নিয়ে বড় ধরণের অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। একটি নির্দিষ্ট কোম্পানিকে কাজ পাইয়ে দেওয়ার জন্য দ্বিগুণ দামে মেশিন কেনা হচ্ছে।
দেশে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন যন্ত্রপাতি কেনা নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় কয়েক বছর আগে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থার (ইউএসএআইডি) অর্থায়নে একটি প্রাইজ গাইড তৈরি করে। সংশ্লিষ্টদের মতে, ওই গাইড অনুসরণ করা হলে যন্ত্রপাতি কেনাকাটায় অনিয়মের সুযোগ অনেকটাই কমে যেত। গাইডটিতে বিভিন্ন যন্ত্রপাতির সম্ভাব্য মূল্য দেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ পরমাণু গবেষণা কেন্দ্রের জিন গবেষণাগারে যন্ত্রপাতি কেনার বিষয়ে দেখা গেছে, মেশিনের মূল্য ১০ কোটি টাকার বেশি হওয়ার কথা নয়। কিন্তু মেশিন কেনা হচ্ছে প্রায় ২০ কোটি টাকা ব্যয়ে। কাগজপত্র পর্যালোচনায় দেখা গেছে, একই টেন্ডার তিন দফা বাতিল করা হয়েছে। পরে মেশিন কেনার জন্য এমন শর্ত দেওয়া হয়েছে যাতে ‘ইনভেন্ট টেকনোলজি’ নামের প্রতিষ্ঠান কাজটি পায়।
অনিয়মের অভিযোগ বিষয়ে জানতে চাইলে ‘নিনমাস ঢাকা এবং ইনমাস চট্টগ্রাম জিনোম সিকোয়েন্সিং ফ্যাসিলিটিস স্থাপন’ প্রকল্পের পরিচালক ও বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের কর্মকর্তা হরি নারায়ণ দাস সিটিজেন জার্নালকে বলেন, দরপত্র মূল্যায়ন কমিটিতে সাতজন সদস্য রয়েছেন। তাদের মাধ্যমেই যন্ত্রপাতির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সরকারি ক্রয় বিধিমালা (পিপিআর) অনুসরণ করেই পুরো দরপত্র প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। তার দাবি অনুযায়ী, এ প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের অনিয়ম হয়নি।
জানা গেছে, ডিএনএ এক্সট্রাকশন সিস্টেম ও ডিএনএ সিকোয়েন্সার সরবরাহ, স্থাপন এবং কমিশনিং-সংক্রান্ত যন্ত্রপাতি কেনার জন্য দরপত্র আহ্বান করা হয়। দরপত্র নথি অনুযায়ী, এসব যন্ত্রপাতি ঢাকায় ও চট্টগ্রামে অবস্থিত ‘এস্টাবলিশমেন্ট অব জিনোম সিকোয়েন্সিং ফ্যাসিলিটিস অ্যাট নিনমাস’ প্রকল্পে স্থাপনের কথা রয়েছে।
টেন্ডার নথি অনুযায়ী প্রকল্পে যেসব যন্ত্রপাতি কেনার কথা রয়েছে, তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো– অটোমেটেড ডিএনএ এক্সট্রাকশন সিস্টেম ২টি, ডিএনএ সিকুয়েন্সার, শর্ট প্যানেল সফটওয়্যার ২টি, ডিএনএ সিকুয়েন্সার ফর এক্সোম-লার্জ প্যানেল-এনআইপিটি ২টি। এসব যন্ত্রপাতির জন্য প্রায় ২৩ কোটি টাকা বরাদ্দ ধরা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রের অভিযোগ, ইনভেন্ট টেকনোলজি দীর্ঘদিন ধরে কমিশনের বিভিন্ন প্রকল্পে যন্ত্রপাতি সরবরাহ করে আসছে। গত প্রায় ১৭ বছরে প্রতিষ্ঠানটি আনুমানিক ৩৫০ থেকে ৪০০ কোটি টাকার কাজ পেয়েছে বলে জানা যায়। তবে অভিযোগ রয়েছে, সরবরাহকৃত অনেক যন্ত্রপাতি বর্তমানে অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে আছে।
এছাড়াও অভিযোগ রয়েছে, দরপত্রের কারিগরি স্পেসিফিকেশন এমনভাবে তৈরি করা হয়, যাতে নির্দিষ্ট ব্র্যান্ড বা সরবরাহকারী ছাড়া অন্যরা প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে না পারে। এর ফলে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন কিছু ব্র্যান্ড (যুক্তরাষ্ট্রের পর্মফিশার) অনেক ক্ষেত্রেই প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারে না।

পরমাণু শক্তি কমিশনে যন্ত্রপাতি কেনায় বড় অনিয়মের অভিযোগ
বিশেষ প্রতিনিধি

বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের (বিএইসি) জিন গবেষণাগারে ডিএনএ সংক্রান্ত যন্ত্রপাতি কেনা নিয়ে বড় ধরণের অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। একটি নির্দিষ্ট কোম্পানিকে কাজ পাইয়ে দেওয়ার জন্য দ্বিগুণ দামে মেশিন কেনা হচ্ছে।
দেশে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন যন্ত্রপাতি কেনা নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় কয়েক বছর আগে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থার (ইউএসএআইডি) অর্থায়নে একটি প্রাইজ গাইড তৈরি করে। সংশ্লিষ্টদের মতে, ওই গাইড অনুসরণ করা হলে যন্ত্রপাতি কেনাকাটায় অনিয়মের সুযোগ অনেকটাই কমে যেত। গাইডটিতে বিভিন্ন যন্ত্রপাতির সম্ভাব্য মূল্য দেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ পরমাণু গবেষণা কেন্দ্রের জিন গবেষণাগারে যন্ত্রপাতি কেনার বিষয়ে দেখা গেছে, মেশিনের মূল্য ১০ কোটি টাকার বেশি হওয়ার কথা নয়। কিন্তু মেশিন কেনা হচ্ছে প্রায় ২০ কোটি টাকা ব্যয়ে। কাগজপত্র পর্যালোচনায় দেখা গেছে, একই টেন্ডার তিন দফা বাতিল করা হয়েছে। পরে মেশিন কেনার জন্য এমন শর্ত দেওয়া হয়েছে যাতে ‘ইনভেন্ট টেকনোলজি’ নামের প্রতিষ্ঠান কাজটি পায়।
অনিয়মের অভিযোগ বিষয়ে জানতে চাইলে ‘নিনমাস ঢাকা এবং ইনমাস চট্টগ্রাম জিনোম সিকোয়েন্সিং ফ্যাসিলিটিস স্থাপন’ প্রকল্পের পরিচালক ও বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের কর্মকর্তা হরি নারায়ণ দাস সিটিজেন জার্নালকে বলেন, দরপত্র মূল্যায়ন কমিটিতে সাতজন সদস্য রয়েছেন। তাদের মাধ্যমেই যন্ত্রপাতির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সরকারি ক্রয় বিধিমালা (পিপিআর) অনুসরণ করেই পুরো দরপত্র প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। তার দাবি অনুযায়ী, এ প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের অনিয়ম হয়নি।
জানা গেছে, ডিএনএ এক্সট্রাকশন সিস্টেম ও ডিএনএ সিকোয়েন্সার সরবরাহ, স্থাপন এবং কমিশনিং-সংক্রান্ত যন্ত্রপাতি কেনার জন্য দরপত্র আহ্বান করা হয়। দরপত্র নথি অনুযায়ী, এসব যন্ত্রপাতি ঢাকায় ও চট্টগ্রামে অবস্থিত ‘এস্টাবলিশমেন্ট অব জিনোম সিকোয়েন্সিং ফ্যাসিলিটিস অ্যাট নিনমাস’ প্রকল্পে স্থাপনের কথা রয়েছে।
টেন্ডার নথি অনুযায়ী প্রকল্পে যেসব যন্ত্রপাতি কেনার কথা রয়েছে, তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো– অটোমেটেড ডিএনএ এক্সট্রাকশন সিস্টেম ২টি, ডিএনএ সিকুয়েন্সার, শর্ট প্যানেল সফটওয়্যার ২টি, ডিএনএ সিকুয়েন্সার ফর এক্সোম-লার্জ প্যানেল-এনআইপিটি ২টি। এসব যন্ত্রপাতির জন্য প্রায় ২৩ কোটি টাকা বরাদ্দ ধরা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রের অভিযোগ, ইনভেন্ট টেকনোলজি দীর্ঘদিন ধরে কমিশনের বিভিন্ন প্রকল্পে যন্ত্রপাতি সরবরাহ করে আসছে। গত প্রায় ১৭ বছরে প্রতিষ্ঠানটি আনুমানিক ৩৫০ থেকে ৪০০ কোটি টাকার কাজ পেয়েছে বলে জানা যায়। তবে অভিযোগ রয়েছে, সরবরাহকৃত অনেক যন্ত্রপাতি বর্তমানে অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে আছে।
এছাড়াও অভিযোগ রয়েছে, দরপত্রের কারিগরি স্পেসিফিকেশন এমনভাবে তৈরি করা হয়, যাতে নির্দিষ্ট ব্র্যান্ড বা সরবরাহকারী ছাড়া অন্যরা প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে না পারে। এর ফলে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন কিছু ব্র্যান্ড (যুক্তরাষ্ট্রের পর্মফিশার) অনেক ক্ষেত্রেই প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারে না।




