শিরোনাম

২ কার্গো এলএনজি কিনেছে সরকার, দাম দ্বিগুণেরও বেশি

বিশেষ প্রতিনিধি
২ কার্গো এলএনজি কিনেছে সরকার, দাম দ্বিগুণেরও বেশি
ছবি: সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে ইরান হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেওয়ায় বিশ্বব্যাপী তীব্র জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে। দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি থাকা সত্ত্বেও কাতারসহ অন্য দেশগুলো থেকে সময়মতো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। এ অবস্থায় দেশের জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় দ্বিগুণেরও বেশি দামে দুই কার্গো এলএনজি কিনেছে সরকার।

শনিবার (৭ মার্চ) বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজ সম্পদ কর্পোরেশনের (পেট্রোবাংলা) পরিচালক (অপারেশন অ্যান্ড মাইনস) প্রকৌশলী মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম সিটিজেন জার্নালকে বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্য অনুযায়ী আমরা এলএনজি কিনেছি। আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান করা হয়েছিল। সেই দরপত্রে সর্বনিম্ন দরদতা হিসেবেই এলএনজি কেনা হচ্ছে।

এর আগে শুক্রবার (৬ মার্চ) রাতে পেট্রোবাংলার পরিচালক (অর্থ) এ কে এম মিজানুর রহমান গণমাধ্যমকে জানান, সংকট মোকাবিলায় দুই কার্গো এলএনজি কেনা হয়েছে। আগামী ১৫ অথবা ১৬ মার্চ এক কার্গো এবং ১৮ মার্চ আরেকটি কার্গো আসার কথা।

তিনি বলেন, এলএনজি কিনতে দাম বেশি পড়ছে। একটি দ্বিগুণের কাছাকাছি, আরেকটি কার্গো দ্বিগুণের বেশি দামে কিনতে হয়েছে।

পেট্রোবাংলা সূত্র জানিয়েছে, স্পট মার্কেট থেকে কেনা দুই কার্গো এলএনজি গত মাসে ১ হাজার ১০০ কোটি টাকায় কেনা হয়েছে। সেটি কিনতে এখন ২ হাজার ৩০০ কোটি টাকা খরচ হচ্ছে। এতে সরকারকে প্রায় ১ হাজার ২০০ কোটি টাকা বাড়তি খরচ করতে হচ্ছে।

পেট্রোবাংলা সূত্রে জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠান গানভোর গ্রুপ থেকে একটি এলএনজি কার্গোর প্রতি ঘনফুট কিনতে খরচ হবে ২৮ দশমিক ২৮ ডলার। আর ভিটলের কাছ থেকে আরেকটি এলএনজি কার্গোর প্রতি ঘনফুট গ্যাসের জন্য ব্যয় হবে ২৩ দশমিক ০৮ ডলার। গানভোরের কার্গোর দাম প্রায় ১ হাজার ২৭৯ কোটি টাকা হবে, যা চলতি বছরের জানুয়ারিতে একই ধরনের চালানের জন্য প্রায় ৫০০ কোটি টাকা ছিল।

/এফসি/