শিরোনাম

সিটি করপোরেশনে রাজনৈতিক প্রশাসক

নিজস্ব প্রতিবেদক
সিটি করপোরেশনে রাজনৈতিক প্রশাসক
গ্রাফিক্স: সিটিজেন জার্নাল গ্রাফিক্স

ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণসহ দেশের ছয় সিটি করপোরেশনে ছয়জন বিএনপি নেতাকে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে কয়েকজন গত সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে হেরে গেছে। কয়েকজন দলের মনোনয়ন চেয়েও পাননি।

রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, করপোরেশন গঠিত না হওয়া পর্যন্ত অথবা পরবর্তী আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত তারা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক হয়েছেন চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য মো. আব্দুস সালাম। এক সময় তিনি ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক ছিলেন। গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রধান নির্বাচনি এজেন্ট ছিলেন আব্দুস সালাম।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসকের দায়িত্ব পেয়েছেন বিএনপি নেতা মো. শফিকুল ইসলাম খান। এবারের নির্বাচনে তিনি ঢাকা-১৫ আসনে বিএনপির প্রার্থী ছিলেন। জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানের কাছে হেরে যান।

বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম মঞ্জুকে দেওয়া হয়েছে খুলনা সিটি করপোরেশনের প্রশাসকের দায়িত্ব। খুলনা-২ আসনের এই সাবেক এমপি এবারও একই আসন থেকে নির্বাচন করে জামায়াতের প্রার্থীর কাছে হেরে গেছেন।

সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক হয়েছেন জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী। এবারের নির্বাচনে তিনি সিলেট-৩ আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন। তবে তাকে মনোনয়ন না দিয়ে সিলেট জেলার ছয়টি সংসদীয় আসনে বিএনপির নির্বাচন সমন্বয়কের দায়িত্ব দেওয়া হয়।

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রশাসকের দায়িত্ব পেয়েছেন নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মো. সাখাওয়াত হোসেন খান। ২০১৬ সালের সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ধানের শীষ নিয়ে মেয়র পদে নির্বাচন করে তিনি হেরে গিয়েছিলেন। এবারের সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে দলের মনোনয়ন চেয়েও পাননি।

গাজীপুর মহানগর বিএনপির সভাপতি মো. শওকত হোসেন সরকারকে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক পদে বসানো হয়েছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি গাজীপুর-২ আসনে দলের মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন।

২০২৪ সালের ৮ আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর ১৯ আগস্ট দেশের ১২টি সিটি করপোরেশনের মেয়রদের অপসারণ করে প্রশাসক বসানো হয়।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পর এবার স্থানীয় সরকারের নির্বাচন নিয়ে আলোচনা উঠতে শুরু করেছে।

/এফসি/