বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব পিডিবির, তীব্র বিরোধিতা অংশীজনদের

বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব পিডিবির, তীব্র বিরোধিতা অংশীজনদের
নিজস্ব প্রতিবেদক

বিদ্যুৎ ঘাটতির লোকসান কমাতে পাইকারি পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম ২১ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি)। তবে পিডিবির এই প্রস্তাবের তীব্র বিরোধিতা করেছেন রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী প্রতিনিধি, ভোক্তা অধিকার সংগঠন ক্যাবসহ অংশীজনরা।
বুধবার (২০ মে) সকালে রাজধানীর ফার্মগেটে অবস্থিত কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) মিলনায়তনে আয়োজিত গণশুনানিতে দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দেয় পিডিবি।
পিডিবির প্রধান প্রকৌশলী মো. রেজাউল করিম বলেন, বিদ্যুৎ খাতে চলতি অর্থবছরে ৬২ হাজার কোটি টাকা ও আগামী অর্থবছরে ৬৫ হাজার কোটি টাকার ঘাটতি হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে দাম না বাড়ালে মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বিদ্যুৎখাত।
এদিকে, গণশুনানিতে অংশ নিয়ে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সাবেক সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেন, বিদ্যুতের দাম বাড়লে শিল্প কারখানার উৎপাদন খরচ বাড়বে। তাই দাম বাড়ানোর কোনও সিদ্ধান্তই নেওয়া যাবে না। পিডিবি দাম বাড়ানোর যে সুপারিশ করেছে, তার সঙ্গে জনগণের স্বার্থ দেখা হয়নি। তাই এই গণশুনানি বাতিল করা হোক।
বর্তমানে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের পাইকারি দাম ৭ দশমিক ০৪ টাকা। পিডিবির আবেদনের প্রেক্ষিতে ১৭ থেকে ২১ শতাংশ দাম বাড়ানো হলে বিদ্যুতের প্রতি ইউনিটের দাম ১ টাকা ২০ পয়সা থেকে ১ টাকা ৪৮ পয়সা পর্যন্ত বাড়বে।
এর আগে, সবশেষ ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়েছিল। এই সময় খুচরা পর্যায়ে ৮ দশমিক ৫ শতাংশ এবং পাইকারি পর্যায়ে ৫ শতাংশ বাড়ানো হয়েছিল বিদ্যুতের দাম। এতে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের পাইকারি দাম গড়ে ৬ দশমিক ৭০ টাকা ৩৪ পয়সা থেকে বেড়ে ৭ দশমিক ০৪ টাকা করা হয়েছিল।
গত ৯ এপ্রিল বিদ্যুতের দাম পর্যালোচনা করে দাম বৃদ্ধির সুপারিশ করতে ৬ সদস্যের মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করা হয়। সেই ধারাবাহিকতায় বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়েছে।
পিডিবির প্রস্তাব অনুযায়ী, বর্তমানে পাইকারি ট্যারিফ ইউনিট প্রতি ৫০ পয়সা বাড়ালে সরকারের ভর্তুকি ৫ হাজার ২৪৪ কোটি ৫৮ লাখ টাকা কমবে। একইসঙ্গে ১ টাকা বাড়ালে ১০ হাজার ৪৮৯ কোটি ১৬ লাখ টাকা এবং ১ টাকা ২০ পয়সা বাড়ালে ভর্তুকি কমতে পারে ১২ হাজার ৫৮৬ কোটি ৯৯ লাখ টাকা।

বিদ্যুৎ ঘাটতির লোকসান কমাতে পাইকারি পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম ২১ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি)। তবে পিডিবির এই প্রস্তাবের তীব্র বিরোধিতা করেছেন রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী প্রতিনিধি, ভোক্তা অধিকার সংগঠন ক্যাবসহ অংশীজনরা।
বুধবার (২০ মে) সকালে রাজধানীর ফার্মগেটে অবস্থিত কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) মিলনায়তনে আয়োজিত গণশুনানিতে দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দেয় পিডিবি।
পিডিবির প্রধান প্রকৌশলী মো. রেজাউল করিম বলেন, বিদ্যুৎ খাতে চলতি অর্থবছরে ৬২ হাজার কোটি টাকা ও আগামী অর্থবছরে ৬৫ হাজার কোটি টাকার ঘাটতি হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে দাম না বাড়ালে মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বিদ্যুৎখাত।
এদিকে, গণশুনানিতে অংশ নিয়ে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সাবেক সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেন, বিদ্যুতের দাম বাড়লে শিল্প কারখানার উৎপাদন খরচ বাড়বে। তাই দাম বাড়ানোর কোনও সিদ্ধান্তই নেওয়া যাবে না। পিডিবি দাম বাড়ানোর যে সুপারিশ করেছে, তার সঙ্গে জনগণের স্বার্থ দেখা হয়নি। তাই এই গণশুনানি বাতিল করা হোক।
বর্তমানে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের পাইকারি দাম ৭ দশমিক ০৪ টাকা। পিডিবির আবেদনের প্রেক্ষিতে ১৭ থেকে ২১ শতাংশ দাম বাড়ানো হলে বিদ্যুতের প্রতি ইউনিটের দাম ১ টাকা ২০ পয়সা থেকে ১ টাকা ৪৮ পয়সা পর্যন্ত বাড়বে।
এর আগে, সবশেষ ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়েছিল। এই সময় খুচরা পর্যায়ে ৮ দশমিক ৫ শতাংশ এবং পাইকারি পর্যায়ে ৫ শতাংশ বাড়ানো হয়েছিল বিদ্যুতের দাম। এতে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের পাইকারি দাম গড়ে ৬ দশমিক ৭০ টাকা ৩৪ পয়সা থেকে বেড়ে ৭ দশমিক ০৪ টাকা করা হয়েছিল।
গত ৯ এপ্রিল বিদ্যুতের দাম পর্যালোচনা করে দাম বৃদ্ধির সুপারিশ করতে ৬ সদস্যের মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করা হয়। সেই ধারাবাহিকতায় বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়েছে।
পিডিবির প্রস্তাব অনুযায়ী, বর্তমানে পাইকারি ট্যারিফ ইউনিট প্রতি ৫০ পয়সা বাড়ালে সরকারের ভর্তুকি ৫ হাজার ২৪৪ কোটি ৫৮ লাখ টাকা কমবে। একইসঙ্গে ১ টাকা বাড়ালে ১০ হাজার ৪৮৯ কোটি ১৬ লাখ টাকা এবং ১ টাকা ২০ পয়সা বাড়ালে ভর্তুকি কমতে পারে ১২ হাজার ৫৮৬ কোটি ৯৯ লাখ টাকা।

বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব পিডিবির, তীব্র বিরোধিতা অংশীজনদের
নিজস্ব প্রতিবেদক

বিদ্যুৎ ঘাটতির লোকসান কমাতে পাইকারি পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম ২১ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি)। তবে পিডিবির এই প্রস্তাবের তীব্র বিরোধিতা করেছেন রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী প্রতিনিধি, ভোক্তা অধিকার সংগঠন ক্যাবসহ অংশীজনরা।
বুধবার (২০ মে) সকালে রাজধানীর ফার্মগেটে অবস্থিত কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) মিলনায়তনে আয়োজিত গণশুনানিতে দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দেয় পিডিবি।
পিডিবির প্রধান প্রকৌশলী মো. রেজাউল করিম বলেন, বিদ্যুৎ খাতে চলতি অর্থবছরে ৬২ হাজার কোটি টাকা ও আগামী অর্থবছরে ৬৫ হাজার কোটি টাকার ঘাটতি হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে দাম না বাড়ালে মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বিদ্যুৎখাত।
এদিকে, গণশুনানিতে অংশ নিয়ে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সাবেক সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেন, বিদ্যুতের দাম বাড়লে শিল্প কারখানার উৎপাদন খরচ বাড়বে। তাই দাম বাড়ানোর কোনও সিদ্ধান্তই নেওয়া যাবে না। পিডিবি দাম বাড়ানোর যে সুপারিশ করেছে, তার সঙ্গে জনগণের স্বার্থ দেখা হয়নি। তাই এই গণশুনানি বাতিল করা হোক।
বর্তমানে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের পাইকারি দাম ৭ দশমিক ০৪ টাকা। পিডিবির আবেদনের প্রেক্ষিতে ১৭ থেকে ২১ শতাংশ দাম বাড়ানো হলে বিদ্যুতের প্রতি ইউনিটের দাম ১ টাকা ২০ পয়সা থেকে ১ টাকা ৪৮ পয়সা পর্যন্ত বাড়বে।
এর আগে, সবশেষ ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়েছিল। এই সময় খুচরা পর্যায়ে ৮ দশমিক ৫ শতাংশ এবং পাইকারি পর্যায়ে ৫ শতাংশ বাড়ানো হয়েছিল বিদ্যুতের দাম। এতে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের পাইকারি দাম গড়ে ৬ দশমিক ৭০ টাকা ৩৪ পয়সা থেকে বেড়ে ৭ দশমিক ০৪ টাকা করা হয়েছিল।
গত ৯ এপ্রিল বিদ্যুতের দাম পর্যালোচনা করে দাম বৃদ্ধির সুপারিশ করতে ৬ সদস্যের মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করা হয়। সেই ধারাবাহিকতায় বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়েছে।
পিডিবির প্রস্তাব অনুযায়ী, বর্তমানে পাইকারি ট্যারিফ ইউনিট প্রতি ৫০ পয়সা বাড়ালে সরকারের ভর্তুকি ৫ হাজার ২৪৪ কোটি ৫৮ লাখ টাকা কমবে। একইসঙ্গে ১ টাকা বাড়ালে ১০ হাজার ৪৮৯ কোটি ১৬ লাখ টাকা এবং ১ টাকা ২০ পয়সা বাড়ালে ভর্তুকি কমতে পারে ১২ হাজার ৫৮৬ কোটি ৯৯ লাখ টাকা।

কেন বিদ্যুতের দাম বাড়াতে চায় পিডিবি


