১০৫ শিক্ষক নিয়োগে অনিয়ম: যা বললো সিটি কলেজ কর্তৃপক্ষ

১০৫ শিক্ষক নিয়োগে অনিয়ম: যা বললো সিটি কলেজ কর্তৃপক্ষ
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর ধানমন্ডির ঢাকা সিটি কলেজে শিক্ষক নিয়োগ ও আর্থিক ব্যবস্থাপনায় ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠে এসেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের (ডিআইএ) এক অডিট প্রতিবেদনে। তবে এ প্রতিবেদনকে বিভ্রান্তিকর, একপেশে ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি করে এর প্রতিবাদ জানিয়েছে কলেজ কর্তৃপক্ষ।
ডিআইএর প্রতিবেদনে বলা হয়, কলেজটির ১৯৮ জন অনুমোদিত শিক্ষকের মধ্যে ১০৫ জনের নিয়োগ সরকারি আইন ও বিধিমালা অনুসরণ না করে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া অতিরিক্ত অধ্যাপক ও সহযোগী অধ্যাপক পদে বিধিবহির্ভূত পদায়ন, ব্যাংকিং বিধি লঙ্ঘন করে ৭২ লাখ ৭৭ হাজার ২১৯ টাকা নগদ ব্যয়, ভ্যাট ও উৎসে আয়কর বাবদ ৩১ লাখ ২৪ হাজার ৭৫৯ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। পাশাপাশি গভর্নিং বডির সদস্যদের নিয়মবহির্ভূতভাবে ১ কোটি ৯৭ লাখ ৩৪ হাজার ৮৩০ টাকা সম্মানী দেওয়ার অভিযোগও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
অডিট প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ডিআইএ সংশ্লিষ্ট অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে এবং ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে কলেজ কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় প্রমাণপত্রসহ জবাব দিতে বলেছে। জবাব পর্যালোচনার পর শিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও আইনি ব্যবস্থা নেবে বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।
এদিকে সোমবার (২০ জুলাই) এক বিবৃতিতে ঢাকা সিটি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর কাজী নেয়ামুল হক বলেন, বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক ও অনলাইন মাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদগুলো বিভ্রান্তিকর, একপেশে ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তিনি দাবি করেন, ঢাকা সিটি কলেজ এমপিওভুক্ত নয় এবং এটি শতভাগ স্ব-অর্থায়নে পরিচালিত একটি বেসরকারি কলেজ।
তিনি আরও বলেন, প্রতিবেদনে যে নিরীক্ষার তথ্য তুলে ধরা হয়েছে, তা ২০১২ থেকে ২০২২ সালের সময়কালের, যা বিগত সরকারের আমলে সম্পন্ন হয়েছে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর দায়িত্ব নেওয়া বর্তমান প্রশাসনের সঙ্গে ওই সময়ের কর্মকাণ্ডের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। তাই সে সময়ের কোনো অনিয়মের দায় বর্তমান প্রশাসনের ওপর বর্তায় না।
অধ্যক্ষের ভাষ্য, প্রতিবেদনে সময়কাল স্পষ্টভাবে উল্লেখ না করায় সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে এবং এতে কলেজের সুনাম ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তিনি বলেন, বর্তমান প্রশাসন সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে কলেজ পরিচালনা করছে এবং শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শুভানুধ্যায়ীদের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে।
তবে অডিট প্রতিবেদনে উত্থাপিত অভিযোগের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনো হয়নি। কলেজ কর্তৃপক্ষের জবাব ও দাখিল করা প্রমাণপত্র পর্যালোচনার পর পরবর্তী ব্যবস্থা নেবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

রাজধানীর ধানমন্ডির ঢাকা সিটি কলেজে শিক্ষক নিয়োগ ও আর্থিক ব্যবস্থাপনায় ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠে এসেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের (ডিআইএ) এক অডিট প্রতিবেদনে। তবে এ প্রতিবেদনকে বিভ্রান্তিকর, একপেশে ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি করে এর প্রতিবাদ জানিয়েছে কলেজ কর্তৃপক্ষ।
ডিআইএর প্রতিবেদনে বলা হয়, কলেজটির ১৯৮ জন অনুমোদিত শিক্ষকের মধ্যে ১০৫ জনের নিয়োগ সরকারি আইন ও বিধিমালা অনুসরণ না করে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া অতিরিক্ত অধ্যাপক ও সহযোগী অধ্যাপক পদে বিধিবহির্ভূত পদায়ন, ব্যাংকিং বিধি লঙ্ঘন করে ৭২ লাখ ৭৭ হাজার ২১৯ টাকা নগদ ব্যয়, ভ্যাট ও উৎসে আয়কর বাবদ ৩১ লাখ ২৪ হাজার ৭৫৯ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। পাশাপাশি গভর্নিং বডির সদস্যদের নিয়মবহির্ভূতভাবে ১ কোটি ৯৭ লাখ ৩৪ হাজার ৮৩০ টাকা সম্মানী দেওয়ার অভিযোগও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
অডিট প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ডিআইএ সংশ্লিষ্ট অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে এবং ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে কলেজ কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় প্রমাণপত্রসহ জবাব দিতে বলেছে। জবাব পর্যালোচনার পর শিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও আইনি ব্যবস্থা নেবে বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।
এদিকে সোমবার (২০ জুলাই) এক বিবৃতিতে ঢাকা সিটি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর কাজী নেয়ামুল হক বলেন, বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক ও অনলাইন মাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদগুলো বিভ্রান্তিকর, একপেশে ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তিনি দাবি করেন, ঢাকা সিটি কলেজ এমপিওভুক্ত নয় এবং এটি শতভাগ স্ব-অর্থায়নে পরিচালিত একটি বেসরকারি কলেজ।
তিনি আরও বলেন, প্রতিবেদনে যে নিরীক্ষার তথ্য তুলে ধরা হয়েছে, তা ২০১২ থেকে ২০২২ সালের সময়কালের, যা বিগত সরকারের আমলে সম্পন্ন হয়েছে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর দায়িত্ব নেওয়া বর্তমান প্রশাসনের সঙ্গে ওই সময়ের কর্মকাণ্ডের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। তাই সে সময়ের কোনো অনিয়মের দায় বর্তমান প্রশাসনের ওপর বর্তায় না।
অধ্যক্ষের ভাষ্য, প্রতিবেদনে সময়কাল স্পষ্টভাবে উল্লেখ না করায় সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে এবং এতে কলেজের সুনাম ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তিনি বলেন, বর্তমান প্রশাসন সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে কলেজ পরিচালনা করছে এবং শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শুভানুধ্যায়ীদের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে।
তবে অডিট প্রতিবেদনে উত্থাপিত অভিযোগের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনো হয়নি। কলেজ কর্তৃপক্ষের জবাব ও দাখিল করা প্রমাণপত্র পর্যালোচনার পর পরবর্তী ব্যবস্থা নেবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

১০৫ শিক্ষক নিয়োগে অনিয়ম: যা বললো সিটি কলেজ কর্তৃপক্ষ
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর ধানমন্ডির ঢাকা সিটি কলেজে শিক্ষক নিয়োগ ও আর্থিক ব্যবস্থাপনায় ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠে এসেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের (ডিআইএ) এক অডিট প্রতিবেদনে। তবে এ প্রতিবেদনকে বিভ্রান্তিকর, একপেশে ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি করে এর প্রতিবাদ জানিয়েছে কলেজ কর্তৃপক্ষ।
ডিআইএর প্রতিবেদনে বলা হয়, কলেজটির ১৯৮ জন অনুমোদিত শিক্ষকের মধ্যে ১০৫ জনের নিয়োগ সরকারি আইন ও বিধিমালা অনুসরণ না করে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া অতিরিক্ত অধ্যাপক ও সহযোগী অধ্যাপক পদে বিধিবহির্ভূত পদায়ন, ব্যাংকিং বিধি লঙ্ঘন করে ৭২ লাখ ৭৭ হাজার ২১৯ টাকা নগদ ব্যয়, ভ্যাট ও উৎসে আয়কর বাবদ ৩১ লাখ ২৪ হাজার ৭৫৯ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। পাশাপাশি গভর্নিং বডির সদস্যদের নিয়মবহির্ভূতভাবে ১ কোটি ৯৭ লাখ ৩৪ হাজার ৮৩০ টাকা সম্মানী দেওয়ার অভিযোগও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
অডিট প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ডিআইএ সংশ্লিষ্ট অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে এবং ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে কলেজ কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় প্রমাণপত্রসহ জবাব দিতে বলেছে। জবাব পর্যালোচনার পর শিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও আইনি ব্যবস্থা নেবে বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।
এদিকে সোমবার (২০ জুলাই) এক বিবৃতিতে ঢাকা সিটি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর কাজী নেয়ামুল হক বলেন, বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক ও অনলাইন মাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদগুলো বিভ্রান্তিকর, একপেশে ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তিনি দাবি করেন, ঢাকা সিটি কলেজ এমপিওভুক্ত নয় এবং এটি শতভাগ স্ব-অর্থায়নে পরিচালিত একটি বেসরকারি কলেজ।
তিনি আরও বলেন, প্রতিবেদনে যে নিরীক্ষার তথ্য তুলে ধরা হয়েছে, তা ২০১২ থেকে ২০২২ সালের সময়কালের, যা বিগত সরকারের আমলে সম্পন্ন হয়েছে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর দায়িত্ব নেওয়া বর্তমান প্রশাসনের সঙ্গে ওই সময়ের কর্মকাণ্ডের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। তাই সে সময়ের কোনো অনিয়মের দায় বর্তমান প্রশাসনের ওপর বর্তায় না।
অধ্যক্ষের ভাষ্য, প্রতিবেদনে সময়কাল স্পষ্টভাবে উল্লেখ না করায় সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে এবং এতে কলেজের সুনাম ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তিনি বলেন, বর্তমান প্রশাসন সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে কলেজ পরিচালনা করছে এবং শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শুভানুধ্যায়ীদের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে।
তবে অডিট প্রতিবেদনে উত্থাপিত অভিযোগের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনো হয়নি। কলেজ কর্তৃপক্ষের জবাব ও দাখিল করা প্রমাণপত্র পর্যালোচনার পর পরবর্তী ব্যবস্থা নেবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

১ লাখের বেশি শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী







