মাদকবিরোধী সভায় গুলিবর্ষণ, ছাত্রদল কর্মী আহত

মাদকবিরোধী সভায় গুলিবর্ষণ, ছাত্রদল কর্মী আহত
পাবনা প্রতিনিধি

মাদকবিরোধী সচেতনতামূলক সভাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, গুলিবর্ষণ ও ককটেল বিস্ফোরণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এসএম আফতাব আহমেদ নামে এক ছাত্রদল কর্মী আহত হয়েছে।
সোমবার (২০ জুলাই) সন্ধ্যার দিকে পাবনার সুজানগর পৌরসভার মানিকদীর তিনমাথার মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর রাতে আনিসুর রহমান সংগ্রাম নামে এক ব্যক্তি সুজানগর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগে বলা হয়, সোমবার বিকালে একটি মাদকবিরোধী সচেতনতামূলক সভার আয়োজন করা হয়। এ সময় পূর্বপরিকল্পিতভাবে একদল সন্ত্রাসী সভায় গুলিবর্ষণ করে। এছাড়া, ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে সভায় হামলা চালায়। এতে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং আফতাব আহমেদ নামের ওই ছাত্রদল কর্মী আহত হন। তাকে সুজানগর উপজেলা হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
হামলার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে মানিকদীর গ্রামের কালাম শেখের ছেলে সুজাউদ্দিন সুজাকে প্রধান আসামি করে ৯ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করা হয়। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ১০ থেকে ১৫ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত সপ্তাহে মাদক সেবনের অভিযোগে সুজানগর উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শফিউল আলম বাবুকে আটকের পর ডোপ টেস্টে পাঠায় পুলিশ। ডোপ টেস্টে তার শরীরে মাদকের উপস্থিতি শনাক্ত হওয়ায় আদালত মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে তাকে এক মাসের কারাদণ্ড, ১ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও ৭ দিনের কারাদণ্ড দেন। এরপর থেকেই বাবুর অনুসারীদের সঙ্গে এলাকার মাদকবিরোধী একটি পক্ষের বিরোধ সৃষ্টি হয়। এর জেরে সোমবার সন্ধ্যায় মানিকদীর মোড় এলাকায় দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। এ সময় গুলিবর্ষণ ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
মাদকবিরোধী পক্ষের দাবি, বাবুর অনুসারীরা তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে এবং ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটায়। অন্যদিকে, বাবুর অনুসারীরা এ অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেন, মাদকবিরোধী পক্ষই সশস্ত্র অবস্থায় তাদের বাড়িঘরে হামলা ও ভাঙচুর চালিয়েছে।
আহত ছাত্রদল কর্মী আফতাব আহমেদ বলেন, শফিউল আলম বাবুকে আটকের পর থেকে স্থানীয় মাদক ব্যবসায়ীরা আমাদের বিভিন্নভাবে হুমকি দিয়ে আসছিলো। সোমবার সন্ধ্যায় সভায় বক্তব্য দেওয়ার সময় অতর্কিত হামলার শিকার হই। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করছি।
এ বিষয়ে সুজানগর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) লালবুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে

মাদকবিরোধী সচেতনতামূলক সভাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, গুলিবর্ষণ ও ককটেল বিস্ফোরণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এসএম আফতাব আহমেদ নামে এক ছাত্রদল কর্মী আহত হয়েছে।
সোমবার (২০ জুলাই) সন্ধ্যার দিকে পাবনার সুজানগর পৌরসভার মানিকদীর তিনমাথার মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর রাতে আনিসুর রহমান সংগ্রাম নামে এক ব্যক্তি সুজানগর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগে বলা হয়, সোমবার বিকালে একটি মাদকবিরোধী সচেতনতামূলক সভার আয়োজন করা হয়। এ সময় পূর্বপরিকল্পিতভাবে একদল সন্ত্রাসী সভায় গুলিবর্ষণ করে। এছাড়া, ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে সভায় হামলা চালায়। এতে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং আফতাব আহমেদ নামের ওই ছাত্রদল কর্মী আহত হন। তাকে সুজানগর উপজেলা হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
হামলার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে মানিকদীর গ্রামের কালাম শেখের ছেলে সুজাউদ্দিন সুজাকে প্রধান আসামি করে ৯ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করা হয়। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ১০ থেকে ১৫ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত সপ্তাহে মাদক সেবনের অভিযোগে সুজানগর উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শফিউল আলম বাবুকে আটকের পর ডোপ টেস্টে পাঠায় পুলিশ। ডোপ টেস্টে তার শরীরে মাদকের উপস্থিতি শনাক্ত হওয়ায় আদালত মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে তাকে এক মাসের কারাদণ্ড, ১ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও ৭ দিনের কারাদণ্ড দেন। এরপর থেকেই বাবুর অনুসারীদের সঙ্গে এলাকার মাদকবিরোধী একটি পক্ষের বিরোধ সৃষ্টি হয়। এর জেরে সোমবার সন্ধ্যায় মানিকদীর মোড় এলাকায় দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। এ সময় গুলিবর্ষণ ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
মাদকবিরোধী পক্ষের দাবি, বাবুর অনুসারীরা তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে এবং ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটায়। অন্যদিকে, বাবুর অনুসারীরা এ অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেন, মাদকবিরোধী পক্ষই সশস্ত্র অবস্থায় তাদের বাড়িঘরে হামলা ও ভাঙচুর চালিয়েছে।
আহত ছাত্রদল কর্মী আফতাব আহমেদ বলেন, শফিউল আলম বাবুকে আটকের পর থেকে স্থানীয় মাদক ব্যবসায়ীরা আমাদের বিভিন্নভাবে হুমকি দিয়ে আসছিলো। সোমবার সন্ধ্যায় সভায় বক্তব্য দেওয়ার সময় অতর্কিত হামলার শিকার হই। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করছি।
এ বিষয়ে সুজানগর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) লালবুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে

মাদকবিরোধী সভায় গুলিবর্ষণ, ছাত্রদল কর্মী আহত
পাবনা প্রতিনিধি

মাদকবিরোধী সচেতনতামূলক সভাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, গুলিবর্ষণ ও ককটেল বিস্ফোরণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এসএম আফতাব আহমেদ নামে এক ছাত্রদল কর্মী আহত হয়েছে।
সোমবার (২০ জুলাই) সন্ধ্যার দিকে পাবনার সুজানগর পৌরসভার মানিকদীর তিনমাথার মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর রাতে আনিসুর রহমান সংগ্রাম নামে এক ব্যক্তি সুজানগর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগে বলা হয়, সোমবার বিকালে একটি মাদকবিরোধী সচেতনতামূলক সভার আয়োজন করা হয়। এ সময় পূর্বপরিকল্পিতভাবে একদল সন্ত্রাসী সভায় গুলিবর্ষণ করে। এছাড়া, ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে সভায় হামলা চালায়। এতে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং আফতাব আহমেদ নামের ওই ছাত্রদল কর্মী আহত হন। তাকে সুজানগর উপজেলা হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
হামলার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে মানিকদীর গ্রামের কালাম শেখের ছেলে সুজাউদ্দিন সুজাকে প্রধান আসামি করে ৯ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করা হয়। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ১০ থেকে ১৫ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত সপ্তাহে মাদক সেবনের অভিযোগে সুজানগর উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শফিউল আলম বাবুকে আটকের পর ডোপ টেস্টে পাঠায় পুলিশ। ডোপ টেস্টে তার শরীরে মাদকের উপস্থিতি শনাক্ত হওয়ায় আদালত মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে তাকে এক মাসের কারাদণ্ড, ১ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও ৭ দিনের কারাদণ্ড দেন। এরপর থেকেই বাবুর অনুসারীদের সঙ্গে এলাকার মাদকবিরোধী একটি পক্ষের বিরোধ সৃষ্টি হয়। এর জেরে সোমবার সন্ধ্যায় মানিকদীর মোড় এলাকায় দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। এ সময় গুলিবর্ষণ ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
মাদকবিরোধী পক্ষের দাবি, বাবুর অনুসারীরা তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে এবং ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটায়। অন্যদিকে, বাবুর অনুসারীরা এ অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেন, মাদকবিরোধী পক্ষই সশস্ত্র অবস্থায় তাদের বাড়িঘরে হামলা ও ভাঙচুর চালিয়েছে।
আহত ছাত্রদল কর্মী আফতাব আহমেদ বলেন, শফিউল আলম বাবুকে আটকের পর থেকে স্থানীয় মাদক ব্যবসায়ীরা আমাদের বিভিন্নভাবে হুমকি দিয়ে আসছিলো। সোমবার সন্ধ্যায় সভায় বক্তব্য দেওয়ার সময় অতর্কিত হামলার শিকার হই। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করছি।
এ বিষয়ে সুজানগর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) লালবুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে









