ঈদে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের আশ্বাস
ঈদে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের আশ্বাস
পবিত্র ঈদুল আজহার টানা সাত দিনের সরকারি ছুটিতে দেশব্যাপী নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছে সরকার।


জ্বালানি সংকটে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় রাজধানীসহ সারা দেশে বেড়েছে লোডশেডিং। এরইমধ্যে ভারতের আদানি পাওয়ারের গড্ডা বিদ্যুৎ কেন্দ্রের একটি ইউনিট কারিগরি ত্রুটির কারণে বন্ধ হয়ে যাওয়ায় নতুন করে বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে।

সারা দেশে এখনো তীব্র গ্যাস সংকট ও ব্যাপক লোডশেডিং চলছে। মঙ্গলবার বিকাল ৩টায় দেশে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১৬ হাজার ১৭৬ মেগাওয়াট। আর সরবরাহ দেওয়া হয়েছে ১৩ হাজার ৯১৭ মেগাওয়াট। এ সময়ে লোডশেডিং ছিল ২ হাজার ২৫৯ মেগাওয়াট।

ভোলার গ্যাস দিয়ে সেখানে বেসরকারি খাতে ৩-৪ বছর মেয়াদি ১০০ মেগাওয়াট সক্ষমতার বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। ২২৫ মেগাওয়াট সক্ষমতার বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের প্রস্তাবের মধ্যেই বহুল বিতর্কিত ‘কুইক রেন্টাল’-এর মতো এই বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিশেষজ্ঞরা।

তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহ কমে যাওয়ায় এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে সারা দেশে তীব্র গ্যাস–সংকট চলছে। অনেক এলাকায় রান্নার চুলায় গ্যাসের চাপ কমে গেছে। গ্যাসের অভাবে শিল্পকারখানার উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে, একইসঙ্গে কমেছে বিদ্যুৎ উৎপাদন।
পবিত্র ঈদুল আজহার টানা সাত দিনের সরকারি ছুটিতে দেশব্যাপী নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছে সরকার।

রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর (এসওই) ক্রমবর্ধমান লোকসান দেশের জন্য বড় ধরনের আর্থিক ঝুঁকি তৈরি করেছে বলে জানিয়েছে বিশ্বব্যাংক।

বিদ্যুৎ ঘাটতির লোকসান কমাতে পাইকারি পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম২১ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি)। তবে পিডিবির এই প্রস্তাবের তীব্র বিরোধিতা করেছেন রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী প্রতিনিধি, ভোক্তা অধিকার সংগঠন ক্যাবসহ অংশীজনরা।

জ্বালানি তেল, গ্যাসের পর এবার বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। বিদ্যুৎ ঘাটতির লোকসান কমাতে পাইকারি দাম বাড়াতে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) বরাবর আনুষ্ঠানিক আবেদন করেছে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি)।

দেশের বেসরকারি ও ভাড়াভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর বিপুল বকেয়া মেটাতে ২ হাজার ৬৭ কোটি টাকার ভর্তুকি ছাড় করেছে অর্থ বিভাগ। তবে স্বস্তির বদলে এ ভর্তুকি বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) জন্য নতুন চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

প্লাগ লোড ব্যবস্থাপনায় ডেস্কটপ ও ল্যাপটপকে ‘পাওয়ার সেভিং মোডে’ রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ব্যক্তিগত প্রিন্টার বা স্ক্যানারের পরিবর্তে কেন্দ্রীয় নেটওয়ার্কভিত্তিক যন্ত্র ব্যবহার করা এবং মাইক্রোওয়েভ ওভেন গ্রুপভিত্তিক ব্যবহারের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে
