ছাত্র ধর্ষণের অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষক আটক

ছাত্র ধর্ষণের অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষক আটক
মাদারীপুর সংবাদদাতা

মাদারীপুরের শিবচরে ৭ বছর বয়সী এক ছাত্রকে ধর্ষণের অভিযোগে কওমি মাদ্রাসার এক শিক্ষককে আটকের পর পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। রবিবার (১৯ জুলাই) সন্ধ্যায় উপজেলার কুতুবপুর দারুল উলুম কওমি মাদ্রাসা ও এতিমখানায় এ ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত শিক্ষক মাওলানা মোস্তাক হোসেনের বাড়ি গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলায়। প্রায় এক মাস আগে তিনি ওই মাদ্রাসায় শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন।
শিবচর থানার ডিউটি অফিসার মো. রেজওয়ান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ছাত্রের স্বজনরা জানান, রবিবার রাতে শিশুটি বাড়ি ফিরে অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে জিজ্ঞাসাবাদে সে ধর্ষণের অভিযোগের কথা জানায়। এরপর রাতেই পরিবারের সদস্যরা মাদ্রাসায় গিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষককে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। এসময় স্থানীয় লোকজনও সেখানে জড়ো হন।
স্থানীয়দের ধারণ করা একটি ভিডিওতে অভিযুক্ত শিক্ষককে বলতে শোনা যায়, ‘আমার ইচ্ছা হয়েছিল ধর্ষণের, এটা সত্যি। কিন্তু আমি করিনি। ও (শিশু) ভয় পেয়ে যাওয়ায় আর কিছু করিনি।’
একপর্যায়ে উত্তেজিত জনতা তাকে মারধর করে। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে নিজেদের হেফাজতে নেয়।
শিবচর থানার ডিউটি অফিসার মো. রেজওয়ান জানান, এ ঘটনায় শিশুটির বাবা বাদী হয়ে ধর্ষণের মামলা করেছেন। অভিযুক্ত শিক্ষককে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

মাদারীপুরের শিবচরে ৭ বছর বয়সী এক ছাত্রকে ধর্ষণের অভিযোগে কওমি মাদ্রাসার এক শিক্ষককে আটকের পর পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। রবিবার (১৯ জুলাই) সন্ধ্যায় উপজেলার কুতুবপুর দারুল উলুম কওমি মাদ্রাসা ও এতিমখানায় এ ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত শিক্ষক মাওলানা মোস্তাক হোসেনের বাড়ি গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলায়। প্রায় এক মাস আগে তিনি ওই মাদ্রাসায় শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন।
শিবচর থানার ডিউটি অফিসার মো. রেজওয়ান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ছাত্রের স্বজনরা জানান, রবিবার রাতে শিশুটি বাড়ি ফিরে অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে জিজ্ঞাসাবাদে সে ধর্ষণের অভিযোগের কথা জানায়। এরপর রাতেই পরিবারের সদস্যরা মাদ্রাসায় গিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষককে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। এসময় স্থানীয় লোকজনও সেখানে জড়ো হন।
স্থানীয়দের ধারণ করা একটি ভিডিওতে অভিযুক্ত শিক্ষককে বলতে শোনা যায়, ‘আমার ইচ্ছা হয়েছিল ধর্ষণের, এটা সত্যি। কিন্তু আমি করিনি। ও (শিশু) ভয় পেয়ে যাওয়ায় আর কিছু করিনি।’
একপর্যায়ে উত্তেজিত জনতা তাকে মারধর করে। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে নিজেদের হেফাজতে নেয়।
শিবচর থানার ডিউটি অফিসার মো. রেজওয়ান জানান, এ ঘটনায় শিশুটির বাবা বাদী হয়ে ধর্ষণের মামলা করেছেন। অভিযুক্ত শিক্ষককে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

ছাত্র ধর্ষণের অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষক আটক
মাদারীপুর সংবাদদাতা

মাদারীপুরের শিবচরে ৭ বছর বয়সী এক ছাত্রকে ধর্ষণের অভিযোগে কওমি মাদ্রাসার এক শিক্ষককে আটকের পর পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। রবিবার (১৯ জুলাই) সন্ধ্যায় উপজেলার কুতুবপুর দারুল উলুম কওমি মাদ্রাসা ও এতিমখানায় এ ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত শিক্ষক মাওলানা মোস্তাক হোসেনের বাড়ি গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলায়। প্রায় এক মাস আগে তিনি ওই মাদ্রাসায় শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন।
শিবচর থানার ডিউটি অফিসার মো. রেজওয়ান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ছাত্রের স্বজনরা জানান, রবিবার রাতে শিশুটি বাড়ি ফিরে অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে জিজ্ঞাসাবাদে সে ধর্ষণের অভিযোগের কথা জানায়। এরপর রাতেই পরিবারের সদস্যরা মাদ্রাসায় গিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষককে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। এসময় স্থানীয় লোকজনও সেখানে জড়ো হন।
স্থানীয়দের ধারণ করা একটি ভিডিওতে অভিযুক্ত শিক্ষককে বলতে শোনা যায়, ‘আমার ইচ্ছা হয়েছিল ধর্ষণের, এটা সত্যি। কিন্তু আমি করিনি। ও (শিশু) ভয় পেয়ে যাওয়ায় আর কিছু করিনি।’
একপর্যায়ে উত্তেজিত জনতা তাকে মারধর করে। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে নিজেদের হেফাজতে নেয়।
শিবচর থানার ডিউটি অফিসার মো. রেজওয়ান জানান, এ ঘটনায় শিশুটির বাবা বাদী হয়ে ধর্ষণের মামলা করেছেন। অভিযুক্ত শিক্ষককে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

মাদ্রাসাছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা, লজিং শিক্ষকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ







