মস্কোতে বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস উদ্যাপন

মস্কোতে বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস উদ্যাপন
সিটিজেন ডেস্ক

রাশিয়ার রাজধানী মস্কোতে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫৫তম বার্ষিকী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কূটনৈতিক কোরের সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে ১৫০ জনের বেশি অতিথি অংশ নেন।
রাশিয়ান অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন (আরএএমএস) ও রাশিয়ান ফ্রেন্ডশিপ সোসাইটি উইথ বাংলাদেশ—এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে দুই দেশের কূটনীতিক, সরকারি প্রতিনিধি, শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভের স্বাগত বক্তব্য পাঠ করা হয়। এছাড়া আরএএমএসের চেয়ারম্যান সের্গেই কালাশনিকভ এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত এ. জি. খোজিন বক্তব্য দেন।
বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. নজরুল ইসলাম তার বক্তব্যে স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের সহযোগিতার কথা তুলে ধরেন এবং বর্তমান প্রেক্ষাপটে দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্কের গুরুত্বের ওপর জোর দেন।
এদিকে রাশিয়ান ফ্রেন্ডশিপ সোসাইটি উইথ বাংলাদেশের সভাপতি মিয়া সাত্তার বলেন, বিভিন্ন উদ্যোগের মাধ্যমে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করা সম্ভব। বিশেষ করে জন কূটনীতির মাধ্যমে সহযোগিতা বৃদ্ধির সম্ভাবনার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা ও শিল্প প্রদর্শনীর আয়োজন ছিল, যা অতিথিদের মধ্যে বেশ সাড়া ফেলে। আয়োজকেরা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের আয়োজন ভবিষ্যতে বাংলাদেশ ও রাশিয়ার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করবে।

রাশিয়ার রাজধানী মস্কোতে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫৫তম বার্ষিকী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কূটনৈতিক কোরের সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে ১৫০ জনের বেশি অতিথি অংশ নেন।
রাশিয়ান অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন (আরএএমএস) ও রাশিয়ান ফ্রেন্ডশিপ সোসাইটি উইথ বাংলাদেশ—এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে দুই দেশের কূটনীতিক, সরকারি প্রতিনিধি, শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভের স্বাগত বক্তব্য পাঠ করা হয়। এছাড়া আরএএমএসের চেয়ারম্যান সের্গেই কালাশনিকভ এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত এ. জি. খোজিন বক্তব্য দেন।
বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. নজরুল ইসলাম তার বক্তব্যে স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের সহযোগিতার কথা তুলে ধরেন এবং বর্তমান প্রেক্ষাপটে দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্কের গুরুত্বের ওপর জোর দেন।
এদিকে রাশিয়ান ফ্রেন্ডশিপ সোসাইটি উইথ বাংলাদেশের সভাপতি মিয়া সাত্তার বলেন, বিভিন্ন উদ্যোগের মাধ্যমে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করা সম্ভব। বিশেষ করে জন কূটনীতির মাধ্যমে সহযোগিতা বৃদ্ধির সম্ভাবনার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা ও শিল্প প্রদর্শনীর আয়োজন ছিল, যা অতিথিদের মধ্যে বেশ সাড়া ফেলে। আয়োজকেরা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের আয়োজন ভবিষ্যতে বাংলাদেশ ও রাশিয়ার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করবে।

মস্কোতে বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস উদ্যাপন
সিটিজেন ডেস্ক

রাশিয়ার রাজধানী মস্কোতে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫৫তম বার্ষিকী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কূটনৈতিক কোরের সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে ১৫০ জনের বেশি অতিথি অংশ নেন।
রাশিয়ান অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন (আরএএমএস) ও রাশিয়ান ফ্রেন্ডশিপ সোসাইটি উইথ বাংলাদেশ—এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে দুই দেশের কূটনীতিক, সরকারি প্রতিনিধি, শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভের স্বাগত বক্তব্য পাঠ করা হয়। এছাড়া আরএএমএসের চেয়ারম্যান সের্গেই কালাশনিকভ এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত এ. জি. খোজিন বক্তব্য দেন।
বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. নজরুল ইসলাম তার বক্তব্যে স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের সহযোগিতার কথা তুলে ধরেন এবং বর্তমান প্রেক্ষাপটে দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্কের গুরুত্বের ওপর জোর দেন।
এদিকে রাশিয়ান ফ্রেন্ডশিপ সোসাইটি উইথ বাংলাদেশের সভাপতি মিয়া সাত্তার বলেন, বিভিন্ন উদ্যোগের মাধ্যমে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করা সম্ভব। বিশেষ করে জন কূটনীতির মাধ্যমে সহযোগিতা বৃদ্ধির সম্ভাবনার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা ও শিল্প প্রদর্শনীর আয়োজন ছিল, যা অতিথিদের মধ্যে বেশ সাড়া ফেলে। আয়োজকেরা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের আয়োজন ভবিষ্যতে বাংলাদেশ ও রাশিয়ার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করবে।




