সচিবালয়ের এক ভবনেই বসছে ২৪০০ টন এসি

সচিবালয়ের এক ভবনেই বসছে ২৪০০ টন এসি
বিশেষ প্রতিনিধি

বাংলাদেশ সচিবালয়ের পুরোনো ১ নম্বর ভবনটি ভেঙে ফেলছে সরকার। এখানে বহুতল ভবন তৈরি হচ্ছে। নতুন এই ভবনের ভেতরে বসানো হচ্ছে দুই হাজার ৪০০ টন ওজনের শীতাতপনিয়ন্ত্রণ যন্ত্র (এসি)।
মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যুদ্ধের কারণে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলের ভয়াবহ সংকট দেখা দিয়েছে। সরকার জ্বালানি ব্যয় কমাতে ইতোমধ্যে বেশকিছু নির্দেশনা দিয়েছে। বিশেষ করে অফিস সময় কমিয়ে আনা এবং দেশের সব স্থানের বিপণিবিতান, দোকানপাট ও শপিংমল সন্ধ্যা ছয়টার মধ্যে বন্ধ করার নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। সরকার ব্যয় সংকোচনের উদ্যোগ নেওয়ার পরও একটি নতুন ভবনে দুই হাজার ৪০০ টনের এসি বসানোর প্রস্তাব করেছে গণপূর্ত অধিদপ্তর।
প্রস্তাবিত নতুন ভবনে এই ধরনের এসি স্থাপনের বিষয়ে জানতে চাইলে সচিবালয়ে নিযুক্ত গণপূর্ত অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মুনতাসির মামুন সিটিজেন জার্নালকে বলেন, এ বিষয়ে ই/এম বিভাগ ভালো বলতে পারবে। তবে ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড অনুযায়ী প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।
জানা গেছে, সচিবালয়ের নতুন ভবনের আয়তন ২ লাখ ৮৭ হাজার বর্গফুট। এর অস্বাভাবিক নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে। বিশিষ্ট স্থপতি ও নগর বিশেষজ্ঞরা এ ব্যয়কে অপচয় বলে আখ্যা দিয়েছেন।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সচিবালয়ের নতুন ভবন নির্মাণে বড় ধরনের লুটপাট হবে বলে আশঙ্কা করছেন অনেকেই। তারা বলছেন, সম্প্রতি সচিবালয়ে দরপত্র আহ্বান ছাড়াই একটি ভবনের অংশে সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ করে গণপূর্ত বিভাগ। শুরুতে এই কাজের জন্য বড় অংকের বাজেট নির্ধারণ করা হয়েছিল। এই বিষয়ে গণমাধ্যম কর্মীরা খোঁজখবর নেওয়া শুরু করলে সংস্কার ব্যয় অর্ধেকে নেমে আসে।
জানা গেছে, সচিবালয়ের নতুন ১ নম্বর ভবনের দক্ষিণ–পূর্ব পাশে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ভবন। এই ভবনটি অনেক পুরোনো। এ কারণে ভবনের পেছনের অংশে সরবরাহ লাইনের পাইপগুলো বাইরে থেকে যাতে না দেখা যায় সেজন্য ওই অংশের সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য অ্যালোমিনিয়ামের পাত এবং লোহার তার দিয়ে পাইপগুলো ঢেকে দেওয়া হয়েছে। এর মাঝখানে কৃত্রিম দূর্বাঘাস ও পাতা দেওয়া হয়।
প্রস্তাবিত ভবনে সৌরবিদ্যুৎ, বৃষ্টির পানি ধরে রাখার ব্যবস্থা, অগ্নিনির্বাপণের অত্যাধুনিক সুবিধাসহ নানা প্রযুক্তি যুক্ত করা হবে। ভবনে মোট ১৪টি লিফট থাকবে। থাকবে ২ হাজার ৪০০ টনের কেন্দ্রীয় শীতাতপনিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা। স্বয়ংক্রিয় ফায়ার ডিটেকশন ও প্রটেকশনের ব্যবস্থা থাকবে। মাল্টিমিডিয়া সুবিধাসহ ২০টি কনফারেন্স রুম থাকবে। গাড়ি পার্কিংয়ের জন্য ৪টি বেজমেন্ট থাকবে। আলোর জন্য গ্লাস ব্যবহার করা হবে। আবার তাপও যেন কম লাগে, সেটাও বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।
প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বর্তমানে সচিবালয়ে অফিস স্পেস রয়েছে ৯ লাখ ৯৯ হাজার ৯৭২ বর্গফুট। আরও ৬ লাখ ৮০ হাজার বর্গফুটের চাহিদা রয়েছে। প্রস্তাবিত ভবনটি নির্মাণ করা হলে চাহিদার প্রায় ৪২ শতাংশ পূরণ করা যাবে। নতুন এ ভবনে সচিবালয়ের বাইরে থাকা বিভিন্ন মন্ত্রণালয়কে জায়গা বরাদ্দ দেওয়া হবে।

বাংলাদেশ সচিবালয়ের পুরোনো ১ নম্বর ভবনটি ভেঙে ফেলছে সরকার। এখানে বহুতল ভবন তৈরি হচ্ছে। নতুন এই ভবনের ভেতরে বসানো হচ্ছে দুই হাজার ৪০০ টন ওজনের শীতাতপনিয়ন্ত্রণ যন্ত্র (এসি)।
মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যুদ্ধের কারণে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলের ভয়াবহ সংকট দেখা দিয়েছে। সরকার জ্বালানি ব্যয় কমাতে ইতোমধ্যে বেশকিছু নির্দেশনা দিয়েছে। বিশেষ করে অফিস সময় কমিয়ে আনা এবং দেশের সব স্থানের বিপণিবিতান, দোকানপাট ও শপিংমল সন্ধ্যা ছয়টার মধ্যে বন্ধ করার নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। সরকার ব্যয় সংকোচনের উদ্যোগ নেওয়ার পরও একটি নতুন ভবনে দুই হাজার ৪০০ টনের এসি বসানোর প্রস্তাব করেছে গণপূর্ত অধিদপ্তর।
প্রস্তাবিত নতুন ভবনে এই ধরনের এসি স্থাপনের বিষয়ে জানতে চাইলে সচিবালয়ে নিযুক্ত গণপূর্ত অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মুনতাসির মামুন সিটিজেন জার্নালকে বলেন, এ বিষয়ে ই/এম বিভাগ ভালো বলতে পারবে। তবে ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড অনুযায়ী প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।
জানা গেছে, সচিবালয়ের নতুন ভবনের আয়তন ২ লাখ ৮৭ হাজার বর্গফুট। এর অস্বাভাবিক নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে। বিশিষ্ট স্থপতি ও নগর বিশেষজ্ঞরা এ ব্যয়কে অপচয় বলে আখ্যা দিয়েছেন।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সচিবালয়ের নতুন ভবন নির্মাণে বড় ধরনের লুটপাট হবে বলে আশঙ্কা করছেন অনেকেই। তারা বলছেন, সম্প্রতি সচিবালয়ে দরপত্র আহ্বান ছাড়াই একটি ভবনের অংশে সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ করে গণপূর্ত বিভাগ। শুরুতে এই কাজের জন্য বড় অংকের বাজেট নির্ধারণ করা হয়েছিল। এই বিষয়ে গণমাধ্যম কর্মীরা খোঁজখবর নেওয়া শুরু করলে সংস্কার ব্যয় অর্ধেকে নেমে আসে।
জানা গেছে, সচিবালয়ের নতুন ১ নম্বর ভবনের দক্ষিণ–পূর্ব পাশে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ভবন। এই ভবনটি অনেক পুরোনো। এ কারণে ভবনের পেছনের অংশে সরবরাহ লাইনের পাইপগুলো বাইরে থেকে যাতে না দেখা যায় সেজন্য ওই অংশের সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য অ্যালোমিনিয়ামের পাত এবং লোহার তার দিয়ে পাইপগুলো ঢেকে দেওয়া হয়েছে। এর মাঝখানে কৃত্রিম দূর্বাঘাস ও পাতা দেওয়া হয়।
প্রস্তাবিত ভবনে সৌরবিদ্যুৎ, বৃষ্টির পানি ধরে রাখার ব্যবস্থা, অগ্নিনির্বাপণের অত্যাধুনিক সুবিধাসহ নানা প্রযুক্তি যুক্ত করা হবে। ভবনে মোট ১৪টি লিফট থাকবে। থাকবে ২ হাজার ৪০০ টনের কেন্দ্রীয় শীতাতপনিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা। স্বয়ংক্রিয় ফায়ার ডিটেকশন ও প্রটেকশনের ব্যবস্থা থাকবে। মাল্টিমিডিয়া সুবিধাসহ ২০টি কনফারেন্স রুম থাকবে। গাড়ি পার্কিংয়ের জন্য ৪টি বেজমেন্ট থাকবে। আলোর জন্য গ্লাস ব্যবহার করা হবে। আবার তাপও যেন কম লাগে, সেটাও বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।
প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বর্তমানে সচিবালয়ে অফিস স্পেস রয়েছে ৯ লাখ ৯৯ হাজার ৯৭২ বর্গফুট। আরও ৬ লাখ ৮০ হাজার বর্গফুটের চাহিদা রয়েছে। প্রস্তাবিত ভবনটি নির্মাণ করা হলে চাহিদার প্রায় ৪২ শতাংশ পূরণ করা যাবে। নতুন এ ভবনে সচিবালয়ের বাইরে থাকা বিভিন্ন মন্ত্রণালয়কে জায়গা বরাদ্দ দেওয়া হবে।

সচিবালয়ের এক ভবনেই বসছে ২৪০০ টন এসি
বিশেষ প্রতিনিধি

বাংলাদেশ সচিবালয়ের পুরোনো ১ নম্বর ভবনটি ভেঙে ফেলছে সরকার। এখানে বহুতল ভবন তৈরি হচ্ছে। নতুন এই ভবনের ভেতরে বসানো হচ্ছে দুই হাজার ৪০০ টন ওজনের শীতাতপনিয়ন্ত্রণ যন্ত্র (এসি)।
মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যুদ্ধের কারণে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলের ভয়াবহ সংকট দেখা দিয়েছে। সরকার জ্বালানি ব্যয় কমাতে ইতোমধ্যে বেশকিছু নির্দেশনা দিয়েছে। বিশেষ করে অফিস সময় কমিয়ে আনা এবং দেশের সব স্থানের বিপণিবিতান, দোকানপাট ও শপিংমল সন্ধ্যা ছয়টার মধ্যে বন্ধ করার নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। সরকার ব্যয় সংকোচনের উদ্যোগ নেওয়ার পরও একটি নতুন ভবনে দুই হাজার ৪০০ টনের এসি বসানোর প্রস্তাব করেছে গণপূর্ত অধিদপ্তর।
প্রস্তাবিত নতুন ভবনে এই ধরনের এসি স্থাপনের বিষয়ে জানতে চাইলে সচিবালয়ে নিযুক্ত গণপূর্ত অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মুনতাসির মামুন সিটিজেন জার্নালকে বলেন, এ বিষয়ে ই/এম বিভাগ ভালো বলতে পারবে। তবে ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড অনুযায়ী প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।
জানা গেছে, সচিবালয়ের নতুন ভবনের আয়তন ২ লাখ ৮৭ হাজার বর্গফুট। এর অস্বাভাবিক নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে। বিশিষ্ট স্থপতি ও নগর বিশেষজ্ঞরা এ ব্যয়কে অপচয় বলে আখ্যা দিয়েছেন।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সচিবালয়ের নতুন ভবন নির্মাণে বড় ধরনের লুটপাট হবে বলে আশঙ্কা করছেন অনেকেই। তারা বলছেন, সম্প্রতি সচিবালয়ে দরপত্র আহ্বান ছাড়াই একটি ভবনের অংশে সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ করে গণপূর্ত বিভাগ। শুরুতে এই কাজের জন্য বড় অংকের বাজেট নির্ধারণ করা হয়েছিল। এই বিষয়ে গণমাধ্যম কর্মীরা খোঁজখবর নেওয়া শুরু করলে সংস্কার ব্যয় অর্ধেকে নেমে আসে।
জানা গেছে, সচিবালয়ের নতুন ১ নম্বর ভবনের দক্ষিণ–পূর্ব পাশে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ভবন। এই ভবনটি অনেক পুরোনো। এ কারণে ভবনের পেছনের অংশে সরবরাহ লাইনের পাইপগুলো বাইরে থেকে যাতে না দেখা যায় সেজন্য ওই অংশের সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য অ্যালোমিনিয়ামের পাত এবং লোহার তার দিয়ে পাইপগুলো ঢেকে দেওয়া হয়েছে। এর মাঝখানে কৃত্রিম দূর্বাঘাস ও পাতা দেওয়া হয়।
প্রস্তাবিত ভবনে সৌরবিদ্যুৎ, বৃষ্টির পানি ধরে রাখার ব্যবস্থা, অগ্নিনির্বাপণের অত্যাধুনিক সুবিধাসহ নানা প্রযুক্তি যুক্ত করা হবে। ভবনে মোট ১৪টি লিফট থাকবে। থাকবে ২ হাজার ৪০০ টনের কেন্দ্রীয় শীতাতপনিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা। স্বয়ংক্রিয় ফায়ার ডিটেকশন ও প্রটেকশনের ব্যবস্থা থাকবে। মাল্টিমিডিয়া সুবিধাসহ ২০টি কনফারেন্স রুম থাকবে। গাড়ি পার্কিংয়ের জন্য ৪টি বেজমেন্ট থাকবে। আলোর জন্য গ্লাস ব্যবহার করা হবে। আবার তাপও যেন কম লাগে, সেটাও বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।
প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বর্তমানে সচিবালয়ে অফিস স্পেস রয়েছে ৯ লাখ ৯৯ হাজার ৯৭২ বর্গফুট। আরও ৬ লাখ ৮০ হাজার বর্গফুটের চাহিদা রয়েছে। প্রস্তাবিত ভবনটি নির্মাণ করা হলে চাহিদার প্রায় ৪২ শতাংশ পূরণ করা যাবে। নতুন এ ভবনে সচিবালয়ের বাইরে থাকা বিভিন্ন মন্ত্রণালয়কে জায়গা বরাদ্দ দেওয়া হবে।




