ইয়েমেনে হুথি-সরকারি বাহিনীর সংঘাতে বাস্তুচ্যুত ৪৬ হাজার মানুষ

ইয়েমেনে হুথি-সরকারি বাহিনীর সংঘাতে বাস্তুচ্যুত ৪৬ হাজার মানুষ
সিজেডএন ডেস্ক

ইয়েমেনে গত সপ্তাহে সংঘাত তীব্র আকার ধারণ করায় অন্তত ৪৬ হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) জানিয়েছে, এ বাস্তুচ্যুতির সংখ্যা এখন ঘণ্টায় ঘণ্টায় বাড়ছে। এমন পরিস্থিতিতে যুদ্ধরত পক্ষগুলোর কাছে নিরাপদ মানবিক প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করার পাশাপাশি সাধারণ মানুষ ও ত্রাণকর্মীদের সুরক্ষার জোরালো আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।
পরিস্থিতির ভয়াবহতা তুলে ধরে আইওএম-এর মহাপরিচালক অ্যামি পোপ এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘এ সংঘাতে পরিবারগুলো প্রায় সবকিছু হারিয়ে দ্বিতীয় বা তৃতীয়বারের মতো পালাতে বাধ্য হচ্ছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘সংগ্রাম ছড়িয়ে পড়ায় মানুষের কাছে জীবনরক্ষাকারী সহায়তা পৌঁছানো আরও কঠিন হয়ে পড়ছে। আমাদের জরুরি ভিত্তিতে নিরাপদ ও অবাধ প্রবেশাধিকার প্রয়োজন। একইসঙ্গে তিনি সব পক্ষকে বেসামরিক নাগরিক, মানবিক কর্মী, ত্রাণসামগ্রী, যানবাহন এবং ত্রাণ বিতরণে ব্যবহৃত স্থাপনাগুলোর সুরক্ষা নিশ্চিত করার তাগিদ দিয়েছেন।’
সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত ইয়েমেনের পশ্চিম উপকূল এবং তাইজ প্রদেশে মানুষের ঘর ছাড়ার এ মিছিল থামেনি। কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বন্দর নগরী মোখা থেকে রাতারাতি হাজার হাজার মানুষ নিজেদের সামান্য কিছু জিনিসপত্র নিয়ে অজানা উদ্দেশ্যে বেরিয়ে গেছেন।
আইওএম-এর ডিসপ্লেসমেন্ট ট্র্যাকিং ম্যাট্রিক্স টিম পরিস্থিতি নজরে রাখতে ও তথ্য সংগ্রহ করতে কাজ চালিয়ে গেলেও, ব্যাপক টেলিযোগাযোগ বিঘ্নিত হওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ রাখা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। সংঘর্ষের আঁচ জনবহুল এলাকায় এসে পৌঁছানোর কারণে মাকবানাহ, জাবাল হাবাশি এবং আল-মা’আফেরের মতো পুরো গ্রামগুলো খালি করে দিতে হয়েছে বাসিন্দাদের।
দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশ লাহজ ও আদেনে নতুন বাস্তুচ্যুত মানুষের ভিড় জমার খবর মিলছে, আর অনেকে উত্তর দিকে ইব প্রদেশের দিকে পাড়ি জমাচ্ছেন। এদিকে, দুই এলাকার সংযোগকারী গুরুত্বপূর্ণ সরবরাহ পথ মোখা-তাইজ সড়কটি বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ায় নতুন করে আশ্রয় নেওয়া মানুষ ও স্থানীয় সম্প্রদায়গুলোর ওপর চাপ আরও বেড়ে গেছে।
সংকট শুরু হওয়ার পর থেকেই আইওএম শিবির ব্যবস্থাপনা ও অন্যান্য মাঠ পর্যায়ের কার্যক্রমের মাধ্যমে দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে আসছিল। তবে নিরাপত্তার অবনতি হওয়ায় শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সংস্থার সমস্ত মাঠ পর্যায়ের কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে বাধ্য হয় কর্তৃপক্ষ।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

ইয়েমেনে গত সপ্তাহে সংঘাত তীব্র আকার ধারণ করায় অন্তত ৪৬ হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) জানিয়েছে, এ বাস্তুচ্যুতির সংখ্যা এখন ঘণ্টায় ঘণ্টায় বাড়ছে। এমন পরিস্থিতিতে যুদ্ধরত পক্ষগুলোর কাছে নিরাপদ মানবিক প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করার পাশাপাশি সাধারণ মানুষ ও ত্রাণকর্মীদের সুরক্ষার জোরালো আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।
পরিস্থিতির ভয়াবহতা তুলে ধরে আইওএম-এর মহাপরিচালক অ্যামি পোপ এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘এ সংঘাতে পরিবারগুলো প্রায় সবকিছু হারিয়ে দ্বিতীয় বা তৃতীয়বারের মতো পালাতে বাধ্য হচ্ছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘সংগ্রাম ছড়িয়ে পড়ায় মানুষের কাছে জীবনরক্ষাকারী সহায়তা পৌঁছানো আরও কঠিন হয়ে পড়ছে। আমাদের জরুরি ভিত্তিতে নিরাপদ ও অবাধ প্রবেশাধিকার প্রয়োজন। একইসঙ্গে তিনি সব পক্ষকে বেসামরিক নাগরিক, মানবিক কর্মী, ত্রাণসামগ্রী, যানবাহন এবং ত্রাণ বিতরণে ব্যবহৃত স্থাপনাগুলোর সুরক্ষা নিশ্চিত করার তাগিদ দিয়েছেন।’
সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত ইয়েমেনের পশ্চিম উপকূল এবং তাইজ প্রদেশে মানুষের ঘর ছাড়ার এ মিছিল থামেনি। কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বন্দর নগরী মোখা থেকে রাতারাতি হাজার হাজার মানুষ নিজেদের সামান্য কিছু জিনিসপত্র নিয়ে অজানা উদ্দেশ্যে বেরিয়ে গেছেন।
আইওএম-এর ডিসপ্লেসমেন্ট ট্র্যাকিং ম্যাট্রিক্স টিম পরিস্থিতি নজরে রাখতে ও তথ্য সংগ্রহ করতে কাজ চালিয়ে গেলেও, ব্যাপক টেলিযোগাযোগ বিঘ্নিত হওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ রাখা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। সংঘর্ষের আঁচ জনবহুল এলাকায় এসে পৌঁছানোর কারণে মাকবানাহ, জাবাল হাবাশি এবং আল-মা’আফেরের মতো পুরো গ্রামগুলো খালি করে দিতে হয়েছে বাসিন্দাদের।
দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশ লাহজ ও আদেনে নতুন বাস্তুচ্যুত মানুষের ভিড় জমার খবর মিলছে, আর অনেকে উত্তর দিকে ইব প্রদেশের দিকে পাড়ি জমাচ্ছেন। এদিকে, দুই এলাকার সংযোগকারী গুরুত্বপূর্ণ সরবরাহ পথ মোখা-তাইজ সড়কটি বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ায় নতুন করে আশ্রয় নেওয়া মানুষ ও স্থানীয় সম্প্রদায়গুলোর ওপর চাপ আরও বেড়ে গেছে।
সংকট শুরু হওয়ার পর থেকেই আইওএম শিবির ব্যবস্থাপনা ও অন্যান্য মাঠ পর্যায়ের কার্যক্রমের মাধ্যমে দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে আসছিল। তবে নিরাপত্তার অবনতি হওয়ায় শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সংস্থার সমস্ত মাঠ পর্যায়ের কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে বাধ্য হয় কর্তৃপক্ষ।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

ইয়েমেনে হুথি-সরকারি বাহিনীর সংঘাতে বাস্তুচ্যুত ৪৬ হাজার মানুষ
সিজেডএন ডেস্ক

ইয়েমেনে গত সপ্তাহে সংঘাত তীব্র আকার ধারণ করায় অন্তত ৪৬ হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) জানিয়েছে, এ বাস্তুচ্যুতির সংখ্যা এখন ঘণ্টায় ঘণ্টায় বাড়ছে। এমন পরিস্থিতিতে যুদ্ধরত পক্ষগুলোর কাছে নিরাপদ মানবিক প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করার পাশাপাশি সাধারণ মানুষ ও ত্রাণকর্মীদের সুরক্ষার জোরালো আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।
পরিস্থিতির ভয়াবহতা তুলে ধরে আইওএম-এর মহাপরিচালক অ্যামি পোপ এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘এ সংঘাতে পরিবারগুলো প্রায় সবকিছু হারিয়ে দ্বিতীয় বা তৃতীয়বারের মতো পালাতে বাধ্য হচ্ছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘সংগ্রাম ছড়িয়ে পড়ায় মানুষের কাছে জীবনরক্ষাকারী সহায়তা পৌঁছানো আরও কঠিন হয়ে পড়ছে। আমাদের জরুরি ভিত্তিতে নিরাপদ ও অবাধ প্রবেশাধিকার প্রয়োজন। একইসঙ্গে তিনি সব পক্ষকে বেসামরিক নাগরিক, মানবিক কর্মী, ত্রাণসামগ্রী, যানবাহন এবং ত্রাণ বিতরণে ব্যবহৃত স্থাপনাগুলোর সুরক্ষা নিশ্চিত করার তাগিদ দিয়েছেন।’
সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত ইয়েমেনের পশ্চিম উপকূল এবং তাইজ প্রদেশে মানুষের ঘর ছাড়ার এ মিছিল থামেনি। কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বন্দর নগরী মোখা থেকে রাতারাতি হাজার হাজার মানুষ নিজেদের সামান্য কিছু জিনিসপত্র নিয়ে অজানা উদ্দেশ্যে বেরিয়ে গেছেন।
আইওএম-এর ডিসপ্লেসমেন্ট ট্র্যাকিং ম্যাট্রিক্স টিম পরিস্থিতি নজরে রাখতে ও তথ্য সংগ্রহ করতে কাজ চালিয়ে গেলেও, ব্যাপক টেলিযোগাযোগ বিঘ্নিত হওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ রাখা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। সংঘর্ষের আঁচ জনবহুল এলাকায় এসে পৌঁছানোর কারণে মাকবানাহ, জাবাল হাবাশি এবং আল-মা’আফেরের মতো পুরো গ্রামগুলো খালি করে দিতে হয়েছে বাসিন্দাদের।
দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশ লাহজ ও আদেনে নতুন বাস্তুচ্যুত মানুষের ভিড় জমার খবর মিলছে, আর অনেকে উত্তর দিকে ইব প্রদেশের দিকে পাড়ি জমাচ্ছেন। এদিকে, দুই এলাকার সংযোগকারী গুরুত্বপূর্ণ সরবরাহ পথ মোখা-তাইজ সড়কটি বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ায় নতুন করে আশ্রয় নেওয়া মানুষ ও স্থানীয় সম্প্রদায়গুলোর ওপর চাপ আরও বেড়ে গেছে।
সংকট শুরু হওয়ার পর থেকেই আইওএম শিবির ব্যবস্থাপনা ও অন্যান্য মাঠ পর্যায়ের কার্যক্রমের মাধ্যমে দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে আসছিল। তবে নিরাপত্তার অবনতি হওয়ায় শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সংস্থার সমস্ত মাঠ পর্যায়ের কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে বাধ্য হয় কর্তৃপক্ষ।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

লোহিত সাগরের পর পেরিম দ্বীপের নিয়ন্ত্রণ নিলো হুথিরা







