রাশমিকা মান্দানার সিক্রেট স্টাইল ও ফিটনেস মন্ত্র

রাশমিকা মান্দানার সিক্রেট স্টাইল ও ফিটনেস মন্ত্র
লাইফস্টাইল ডেস্ক

কাজের প্রতি প্রবল ভালোবাসা, নিজস্ব স্টাইল স্টেটমেন্ট এবং সমালোচকদের প্রতিক্রিয়া সামলানো—জনপ্রিয় ভারতীয় অভিনেত্রী রাশমিকা মান্দানার প্রতিটি পদক্ষেপই যেন ভক্তদের কাছে আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু। সম্প্রতি ‘ফিল্মফেয়ার’–এর কাছে নিজের পোশাকের পছন্দ, ব্যক্তিগত জীবনদর্শন এবং অভিনয়যাত্রার অনুভূতি নিয়ে এক সাক্ষাৎকারে খোলামেলা কথা বলেছেন এই দক্ষিণি ও বলিউড তারকা।
ওয়ার্ডরোবের সবচেয়ে প্রিয় জিনিস কী?
উপস্থাপকের প্রশ্নের জবাবে রাশমিকা জানান, তিনি বস্তুকেন্দ্রিক জিনিসে খুব একটা আবেগ জড়ান না। তবুও ওয়ার্ডরোবের সেরা ও প্রিয় সংগ্রহ বেছে নিতে বললে তিনি নাম নেবেন তার ‘সোয়ারোভস্কি ক্রকস’ জুতাজোড়ার। স্টাইল ও আরামের দারুণ সংমিশ্রণ ছাড়াও পছন্দের দুটি ব্র্যান্ডের যৌথ উদ্যোগের কারণে এটি তাঁর ব্যক্তিগতভাবে খুব প্রিয়।
ফ্যাশন প্রসঙ্গে এই অভিনেত্রী বলেন, “ফ্যাশন হলো কথা না বলেও নিজেকে প্রকাশ করার সবচেয়ে সহজ মাধ্যম।” সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তার স্টাইলেও এসেছে বড় পরিবর্তন। তবে বর্তমানে অতিরিক্ত জাঁকজমক বাদ দিয়ে ওভারসাইজড ট্রাউজার, ফিটেড টি-শার্ট, ক্রপড টি-শার্ট কিংবা রিল্যাক্সড কো-অর্ড-এর মতো ঝামেলামুক্ত ও আরামদায়ক পোশাকেই তিনি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন।
রাশমিকার ফিটনেস মন্ত্র:
১. নিয়মিত স্ট্রেংথ ট্রেনিং ও ফাংশনাল ওয়ার্কআউট।
২. সুষম ও স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস।
৩. পর্যাপ্ত ঘুম ও শরীরকে রিচার্জ করার সুযোগ দেওয়া।

এত বছরের ক্যারিয়ার, তাও নার্ভাস হন যে কারণে
অভিনয়জগতে দীর্ঘ সময় কাটানোর পরও এখনো কিছু কিছু বিষয় তাঁকে সমানভাবে ভাবিয়ে তোলে। রাশমিকার মতে, প্রতিটি নতুন সিনেমা শুরু করা এবং সিনেমা মুক্তির মুহূর্ত এখনো তাকে আগের মতোই নার্ভাস করে তোলে।
এ বিষয়ে রাশমিকা বলেন, “যত বছরই কাজ করি না কেন, নতুন সিনেমা মানেই হৃদয়ের একটি অংশ দর্শকের সামনে তুলে ধরা। তবে এই পেটের ভেতর প্রজাপতি ওড়ার মতো অস্থিরতা বা উত্তেজনাটা আমি বেশ উপভোগ করি; কারণ এটি মনে করিয়ে দেয় আমি কাজটাকে কতটা ভালোবাসি।”
সমালোচনা ও ট্রোলিং সামলানোর মন্ত্র

তারকাদের ওপর প্রতিনিয়ত শত শত চোখের নজর থাকে। সেই সঙ্গে আসে নানা চুলচেরা বিশ্লেষণ ও সমালোচনা। রাশমিকা জানান, অন্যের দৃষ্টিভঙ্গি তিনি বদলে দিতে পারবেন না, তবে নিজের প্রতিক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা তাঁর নিজের হাতেই রয়েছে।
“বাইরের সব সমালোচনার চেয়ে মানুষের ভালোবাসার শব্দগুলো অনেক বেশি জোরালো। তাই আমি এসব না ভেবে স্রেফ নিজের কাজে মন দিই এবং সততা বজায় রাখি,”—যোগ করেন তিনি।
পাশাপাশি বর্তমান ‘জেন-জি’ প্রজন্মের নিজেদের ব্যক্তিত্ব নির্দ্বিধায় প্রকাশ করার প্রবণতাকে স্বাগত জানান তিনি। রাশমিকার মতে, সফলতা মানে নিখুঁত কোনো ভাবমূর্তি তৈরি করা নয়, বরং নিজের ও দর্শকের প্রতি আন্তরিক ও সৎ থাকা।
/এবি/

কাজের প্রতি প্রবল ভালোবাসা, নিজস্ব স্টাইল স্টেটমেন্ট এবং সমালোচকদের প্রতিক্রিয়া সামলানো—জনপ্রিয় ভারতীয় অভিনেত্রী রাশমিকা মান্দানার প্রতিটি পদক্ষেপই যেন ভক্তদের কাছে আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু। সম্প্রতি ‘ফিল্মফেয়ার’–এর কাছে নিজের পোশাকের পছন্দ, ব্যক্তিগত জীবনদর্শন এবং অভিনয়যাত্রার অনুভূতি নিয়ে এক সাক্ষাৎকারে খোলামেলা কথা বলেছেন এই দক্ষিণি ও বলিউড তারকা।
ওয়ার্ডরোবের সবচেয়ে প্রিয় জিনিস কী?
উপস্থাপকের প্রশ্নের জবাবে রাশমিকা জানান, তিনি বস্তুকেন্দ্রিক জিনিসে খুব একটা আবেগ জড়ান না। তবুও ওয়ার্ডরোবের সেরা ও প্রিয় সংগ্রহ বেছে নিতে বললে তিনি নাম নেবেন তার ‘সোয়ারোভস্কি ক্রকস’ জুতাজোড়ার। স্টাইল ও আরামের দারুণ সংমিশ্রণ ছাড়াও পছন্দের দুটি ব্র্যান্ডের যৌথ উদ্যোগের কারণে এটি তাঁর ব্যক্তিগতভাবে খুব প্রিয়।
ফ্যাশন প্রসঙ্গে এই অভিনেত্রী বলেন, “ফ্যাশন হলো কথা না বলেও নিজেকে প্রকাশ করার সবচেয়ে সহজ মাধ্যম।” সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তার স্টাইলেও এসেছে বড় পরিবর্তন। তবে বর্তমানে অতিরিক্ত জাঁকজমক বাদ দিয়ে ওভারসাইজড ট্রাউজার, ফিটেড টি-শার্ট, ক্রপড টি-শার্ট কিংবা রিল্যাক্সড কো-অর্ড-এর মতো ঝামেলামুক্ত ও আরামদায়ক পোশাকেই তিনি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন।
রাশমিকার ফিটনেস মন্ত্র:
১. নিয়মিত স্ট্রেংথ ট্রেনিং ও ফাংশনাল ওয়ার্কআউট।
২. সুষম ও স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস।
৩. পর্যাপ্ত ঘুম ও শরীরকে রিচার্জ করার সুযোগ দেওয়া।

এত বছরের ক্যারিয়ার, তাও নার্ভাস হন যে কারণে
অভিনয়জগতে দীর্ঘ সময় কাটানোর পরও এখনো কিছু কিছু বিষয় তাঁকে সমানভাবে ভাবিয়ে তোলে। রাশমিকার মতে, প্রতিটি নতুন সিনেমা শুরু করা এবং সিনেমা মুক্তির মুহূর্ত এখনো তাকে আগের মতোই নার্ভাস করে তোলে।
এ বিষয়ে রাশমিকা বলেন, “যত বছরই কাজ করি না কেন, নতুন সিনেমা মানেই হৃদয়ের একটি অংশ দর্শকের সামনে তুলে ধরা। তবে এই পেটের ভেতর প্রজাপতি ওড়ার মতো অস্থিরতা বা উত্তেজনাটা আমি বেশ উপভোগ করি; কারণ এটি মনে করিয়ে দেয় আমি কাজটাকে কতটা ভালোবাসি।”
সমালোচনা ও ট্রোলিং সামলানোর মন্ত্র

তারকাদের ওপর প্রতিনিয়ত শত শত চোখের নজর থাকে। সেই সঙ্গে আসে নানা চুলচেরা বিশ্লেষণ ও সমালোচনা। রাশমিকা জানান, অন্যের দৃষ্টিভঙ্গি তিনি বদলে দিতে পারবেন না, তবে নিজের প্রতিক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা তাঁর নিজের হাতেই রয়েছে।
“বাইরের সব সমালোচনার চেয়ে মানুষের ভালোবাসার শব্দগুলো অনেক বেশি জোরালো। তাই আমি এসব না ভেবে স্রেফ নিজের কাজে মন দিই এবং সততা বজায় রাখি,”—যোগ করেন তিনি।
পাশাপাশি বর্তমান ‘জেন-জি’ প্রজন্মের নিজেদের ব্যক্তিত্ব নির্দ্বিধায় প্রকাশ করার প্রবণতাকে স্বাগত জানান তিনি। রাশমিকার মতে, সফলতা মানে নিখুঁত কোনো ভাবমূর্তি তৈরি করা নয়, বরং নিজের ও দর্শকের প্রতি আন্তরিক ও সৎ থাকা।
/এবি/

রাশমিকা মান্দানার সিক্রেট স্টাইল ও ফিটনেস মন্ত্র
লাইফস্টাইল ডেস্ক

কাজের প্রতি প্রবল ভালোবাসা, নিজস্ব স্টাইল স্টেটমেন্ট এবং সমালোচকদের প্রতিক্রিয়া সামলানো—জনপ্রিয় ভারতীয় অভিনেত্রী রাশমিকা মান্দানার প্রতিটি পদক্ষেপই যেন ভক্তদের কাছে আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু। সম্প্রতি ‘ফিল্মফেয়ার’–এর কাছে নিজের পোশাকের পছন্দ, ব্যক্তিগত জীবনদর্শন এবং অভিনয়যাত্রার অনুভূতি নিয়ে এক সাক্ষাৎকারে খোলামেলা কথা বলেছেন এই দক্ষিণি ও বলিউড তারকা।
ওয়ার্ডরোবের সবচেয়ে প্রিয় জিনিস কী?
উপস্থাপকের প্রশ্নের জবাবে রাশমিকা জানান, তিনি বস্তুকেন্দ্রিক জিনিসে খুব একটা আবেগ জড়ান না। তবুও ওয়ার্ডরোবের সেরা ও প্রিয় সংগ্রহ বেছে নিতে বললে তিনি নাম নেবেন তার ‘সোয়ারোভস্কি ক্রকস’ জুতাজোড়ার। স্টাইল ও আরামের দারুণ সংমিশ্রণ ছাড়াও পছন্দের দুটি ব্র্যান্ডের যৌথ উদ্যোগের কারণে এটি তাঁর ব্যক্তিগতভাবে খুব প্রিয়।
ফ্যাশন প্রসঙ্গে এই অভিনেত্রী বলেন, “ফ্যাশন হলো কথা না বলেও নিজেকে প্রকাশ করার সবচেয়ে সহজ মাধ্যম।” সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তার স্টাইলেও এসেছে বড় পরিবর্তন। তবে বর্তমানে অতিরিক্ত জাঁকজমক বাদ দিয়ে ওভারসাইজড ট্রাউজার, ফিটেড টি-শার্ট, ক্রপড টি-শার্ট কিংবা রিল্যাক্সড কো-অর্ড-এর মতো ঝামেলামুক্ত ও আরামদায়ক পোশাকেই তিনি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন।
রাশমিকার ফিটনেস মন্ত্র:
১. নিয়মিত স্ট্রেংথ ট্রেনিং ও ফাংশনাল ওয়ার্কআউট।
২. সুষম ও স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস।
৩. পর্যাপ্ত ঘুম ও শরীরকে রিচার্জ করার সুযোগ দেওয়া।

এত বছরের ক্যারিয়ার, তাও নার্ভাস হন যে কারণে
অভিনয়জগতে দীর্ঘ সময় কাটানোর পরও এখনো কিছু কিছু বিষয় তাঁকে সমানভাবে ভাবিয়ে তোলে। রাশমিকার মতে, প্রতিটি নতুন সিনেমা শুরু করা এবং সিনেমা মুক্তির মুহূর্ত এখনো তাকে আগের মতোই নার্ভাস করে তোলে।
এ বিষয়ে রাশমিকা বলেন, “যত বছরই কাজ করি না কেন, নতুন সিনেমা মানেই হৃদয়ের একটি অংশ দর্শকের সামনে তুলে ধরা। তবে এই পেটের ভেতর প্রজাপতি ওড়ার মতো অস্থিরতা বা উত্তেজনাটা আমি বেশ উপভোগ করি; কারণ এটি মনে করিয়ে দেয় আমি কাজটাকে কতটা ভালোবাসি।”
সমালোচনা ও ট্রোলিং সামলানোর মন্ত্র

তারকাদের ওপর প্রতিনিয়ত শত শত চোখের নজর থাকে। সেই সঙ্গে আসে নানা চুলচেরা বিশ্লেষণ ও সমালোচনা। রাশমিকা জানান, অন্যের দৃষ্টিভঙ্গি তিনি বদলে দিতে পারবেন না, তবে নিজের প্রতিক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা তাঁর নিজের হাতেই রয়েছে।
“বাইরের সব সমালোচনার চেয়ে মানুষের ভালোবাসার শব্দগুলো অনেক বেশি জোরালো। তাই আমি এসব না ভেবে স্রেফ নিজের কাজে মন দিই এবং সততা বজায় রাখি,”—যোগ করেন তিনি।
পাশাপাশি বর্তমান ‘জেন-জি’ প্রজন্মের নিজেদের ব্যক্তিত্ব নির্দ্বিধায় প্রকাশ করার প্রবণতাকে স্বাগত জানান তিনি। রাশমিকার মতে, সফলতা মানে নিখুঁত কোনো ভাবমূর্তি তৈরি করা নয়, বরং নিজের ও দর্শকের প্রতি আন্তরিক ও সৎ থাকা।
/এবি/









