পাকিস্তানে ভারী বৃষ্টি ও বন্যায় নিহত শতাধিক

পাকিস্তানে ভারী বৃষ্টি ও বন্যায় নিহত শতাধিক
সিজেডএন ডেস্ক

পাকিস্তানে চলতি বর্ষা মৌসুমে অতিবৃষ্টি ও আকস্মিক বন্যায় পরিস্থিতি মারাত্মক রূপ নিয়েছে। জুনের শেষ দিক থেকে শুরু হওয়া এই দুর্যোগে এ পর্যন্ত অন্তত ১০৭ জন নিহত এবং আরও ৩৪৪ জন আহত হয়েছেন। ধসে পড়েছে শত শত ঘরবাড়ি।
দেশটির ন্যাশনাল ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অথরিটি (এনডিএমএ) জানিয়েছে, মৃতদের অর্ধেকেরও বেশি মানুষের প্রাণ গেছে টানা বৃষ্টিতে ঘরবাড়ি বা ছাদ ধসে পড়ে। আঞ্চলিক হিসাবে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটেছে খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশে (৫৫ জন), যার পরপরই রয়েছে পাঞ্জাব প্রদেশ (৩৬ জন)।
পাঞ্জাবের প্রাদেশিক রাজধানী ও দেশটির দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর লাহোরসহ আশপাশের এলাকাগুলোর অবস্থা এখন বেশ সংকটময়। স্থানীয় সেচ বিভাগের মতে, লাহোর ও গুজরানওয়ালা বিভাগের প্রায় ৪০০ বর্গকিলোমিটার এলাকা পানির নিচে তলিয়ে গেছে। সেখানে দিগন্তজোড়া বন্যার পানি দেখে মনে হচ্ছে যেন কোনো সমুদ্র। বন্যাকবলিত মানুষদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিতে লাহোরে ইতোমধ্যে ১৭টি ত্রাণ শিবির স্থাপন করা হয়েছে। প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মরিয়ম নওয়াজ শরিফ জানান, দুর্গত এলাকায় জরুরি উদ্ধারকর্মীরা সক্রিয় রয়েছেন এবং দ্রুত পানি নিষ্কাশনে বিভিন্ন দল কাজ করে যাচ্ছে।
তবে এ দুর্ভোগ এখানেই শেষ হচ্ছে না। দেশটির আবহাওয়া অধিদপ্তর সতর্কতা দিয়ে জানিয়েছে, মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) পর্যন্ত পরিস্থিতি কিছুটা স্থিতিশীল থাকলেও বুধবার (২৯ জুলাই) থেকে ইসলামাবাদ, খাইবার পাখতুনখোয়া, কাশ্মীর ও পাঞ্জাবের উত্তরাঞ্চলে নতুন করে ভারী বৃষ্টিপাত শুরু হতে পারে। এতে প্রধান নদীসমূহের পানিপ্রবাহ বিপজ্জনক মাত্রায় বাড়ার ঝুঁকি রয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, অপরিকল্পিত নগরায়ন ও গ্রামের মানুষের শহরের দিকে অনিয়ন্ত্রিত অভিবাসনের ফলে গড়ে ওঠা নিচু বস্তিগুলোই এ দুর্যোগে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। গত বছরও পাকিস্তানে ভয়াবহ বন্যায় ১,০৩৭ জন মানুষের মৃত্যু ও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল। সেই ক্ষত শুকাতে না শুকাতেই আবারও বিপর্যয়ের মুখে পড়ল দেশটি।
সূত্র: আল জাজিরা

পাকিস্তানে চলতি বর্ষা মৌসুমে অতিবৃষ্টি ও আকস্মিক বন্যায় পরিস্থিতি মারাত্মক রূপ নিয়েছে। জুনের শেষ দিক থেকে শুরু হওয়া এই দুর্যোগে এ পর্যন্ত অন্তত ১০৭ জন নিহত এবং আরও ৩৪৪ জন আহত হয়েছেন। ধসে পড়েছে শত শত ঘরবাড়ি।
দেশটির ন্যাশনাল ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অথরিটি (এনডিএমএ) জানিয়েছে, মৃতদের অর্ধেকেরও বেশি মানুষের প্রাণ গেছে টানা বৃষ্টিতে ঘরবাড়ি বা ছাদ ধসে পড়ে। আঞ্চলিক হিসাবে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটেছে খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশে (৫৫ জন), যার পরপরই রয়েছে পাঞ্জাব প্রদেশ (৩৬ জন)।
পাঞ্জাবের প্রাদেশিক রাজধানী ও দেশটির দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর লাহোরসহ আশপাশের এলাকাগুলোর অবস্থা এখন বেশ সংকটময়। স্থানীয় সেচ বিভাগের মতে, লাহোর ও গুজরানওয়ালা বিভাগের প্রায় ৪০০ বর্গকিলোমিটার এলাকা পানির নিচে তলিয়ে গেছে। সেখানে দিগন্তজোড়া বন্যার পানি দেখে মনে হচ্ছে যেন কোনো সমুদ্র। বন্যাকবলিত মানুষদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিতে লাহোরে ইতোমধ্যে ১৭টি ত্রাণ শিবির স্থাপন করা হয়েছে। প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মরিয়ম নওয়াজ শরিফ জানান, দুর্গত এলাকায় জরুরি উদ্ধারকর্মীরা সক্রিয় রয়েছেন এবং দ্রুত পানি নিষ্কাশনে বিভিন্ন দল কাজ করে যাচ্ছে।
তবে এ দুর্ভোগ এখানেই শেষ হচ্ছে না। দেশটির আবহাওয়া অধিদপ্তর সতর্কতা দিয়ে জানিয়েছে, মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) পর্যন্ত পরিস্থিতি কিছুটা স্থিতিশীল থাকলেও বুধবার (২৯ জুলাই) থেকে ইসলামাবাদ, খাইবার পাখতুনখোয়া, কাশ্মীর ও পাঞ্জাবের উত্তরাঞ্চলে নতুন করে ভারী বৃষ্টিপাত শুরু হতে পারে। এতে প্রধান নদীসমূহের পানিপ্রবাহ বিপজ্জনক মাত্রায় বাড়ার ঝুঁকি রয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, অপরিকল্পিত নগরায়ন ও গ্রামের মানুষের শহরের দিকে অনিয়ন্ত্রিত অভিবাসনের ফলে গড়ে ওঠা নিচু বস্তিগুলোই এ দুর্যোগে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। গত বছরও পাকিস্তানে ভয়াবহ বন্যায় ১,০৩৭ জন মানুষের মৃত্যু ও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল। সেই ক্ষত শুকাতে না শুকাতেই আবারও বিপর্যয়ের মুখে পড়ল দেশটি।
সূত্র: আল জাজিরা

পাকিস্তানে ভারী বৃষ্টি ও বন্যায় নিহত শতাধিক
সিজেডএন ডেস্ক

পাকিস্তানে চলতি বর্ষা মৌসুমে অতিবৃষ্টি ও আকস্মিক বন্যায় পরিস্থিতি মারাত্মক রূপ নিয়েছে। জুনের শেষ দিক থেকে শুরু হওয়া এই দুর্যোগে এ পর্যন্ত অন্তত ১০৭ জন নিহত এবং আরও ৩৪৪ জন আহত হয়েছেন। ধসে পড়েছে শত শত ঘরবাড়ি।
দেশটির ন্যাশনাল ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অথরিটি (এনডিএমএ) জানিয়েছে, মৃতদের অর্ধেকেরও বেশি মানুষের প্রাণ গেছে টানা বৃষ্টিতে ঘরবাড়ি বা ছাদ ধসে পড়ে। আঞ্চলিক হিসাবে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটেছে খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশে (৫৫ জন), যার পরপরই রয়েছে পাঞ্জাব প্রদেশ (৩৬ জন)।
পাঞ্জাবের প্রাদেশিক রাজধানী ও দেশটির দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর লাহোরসহ আশপাশের এলাকাগুলোর অবস্থা এখন বেশ সংকটময়। স্থানীয় সেচ বিভাগের মতে, লাহোর ও গুজরানওয়ালা বিভাগের প্রায় ৪০০ বর্গকিলোমিটার এলাকা পানির নিচে তলিয়ে গেছে। সেখানে দিগন্তজোড়া বন্যার পানি দেখে মনে হচ্ছে যেন কোনো সমুদ্র। বন্যাকবলিত মানুষদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিতে লাহোরে ইতোমধ্যে ১৭টি ত্রাণ শিবির স্থাপন করা হয়েছে। প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মরিয়ম নওয়াজ শরিফ জানান, দুর্গত এলাকায় জরুরি উদ্ধারকর্মীরা সক্রিয় রয়েছেন এবং দ্রুত পানি নিষ্কাশনে বিভিন্ন দল কাজ করে যাচ্ছে।
তবে এ দুর্ভোগ এখানেই শেষ হচ্ছে না। দেশটির আবহাওয়া অধিদপ্তর সতর্কতা দিয়ে জানিয়েছে, মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) পর্যন্ত পরিস্থিতি কিছুটা স্থিতিশীল থাকলেও বুধবার (২৯ জুলাই) থেকে ইসলামাবাদ, খাইবার পাখতুনখোয়া, কাশ্মীর ও পাঞ্জাবের উত্তরাঞ্চলে নতুন করে ভারী বৃষ্টিপাত শুরু হতে পারে। এতে প্রধান নদীসমূহের পানিপ্রবাহ বিপজ্জনক মাত্রায় বাড়ার ঝুঁকি রয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, অপরিকল্পিত নগরায়ন ও গ্রামের মানুষের শহরের দিকে অনিয়ন্ত্রিত অভিবাসনের ফলে গড়ে ওঠা নিচু বস্তিগুলোই এ দুর্যোগে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। গত বছরও পাকিস্তানে ভয়াবহ বন্যায় ১,০৩৭ জন মানুষের মৃত্যু ও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল। সেই ক্ষত শুকাতে না শুকাতেই আবারও বিপর্যয়ের মুখে পড়ল দেশটি।
সূত্র: আল জাজিরা

আসামে বন্যায় আরও ১৪ জনের মৃত্যু, নিহত বেড়ে ৬১







