দুর্বল রক্ষণই আর্জেন্টিনার চিন্তার জায়গা

দুর্বল রক্ষণই আর্জেন্টিনার চিন্তার জায়গা
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

চলতি বিশ্বকাপে নকআউট পর্বের ব্যাক-টু-ব্যাক ম্যাচে চার গোল হজম করে চরম রক্ষণাত্মক ঝুঁকিতে পড়েছে আর্জেন্টিনা। গ্রুপ পর্বে জমাট ডিফেন্স উপহার দিলেও নকআউটে এসে দলের রক্ষণভাগের এই ভঙ্গুর পারফরম্যান্স আলবিসেলেস্তে শিবিরে বড় উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে।
অথচ টুর্নামেন্টের শুরুটা এমন ছিল না। গ্রুপ পর্বের প্রথম তিন ম্যাচে আলজেরিয়া ও অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে ক্লিন শিট ধরে রেখেছিল আর্জেন্টিনা, আর জর্ডানের কাছে খেয়েছিল মাত্র এক গোল। কিন্তু নকআউটে পা রাখতেই চেনা ছন্দ হারিয়ে ফেলে ডিফেন্স লাইন। কেপ ভার্দে ও মিসরের বিপক্ষে টানা দুই ম্যাচেই ৩-২ ব্যবধানে কষ্টার্জিত জয় পেলেও প্রতিপক্ষকে চারবার গোল উদযাপনের সুযোগ করে দেয় তারা। কেপ ভার্দের বিপক্ষে দুবার এগিয়ে গিয়েও লিড ধরে রাখতে পারেনি তারা। আর শেষ ষোলোতে মিসরের বিপক্ষে দুই গোল খাওয়ার পর তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ঘুরে দাঁড়াতে হয় দলটিকে। পরিসংখ্যান বলছে, বিগত ২০২২ বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্ব ও শেষ ষোলো মিলিয়ে আর্জেন্টিনা যেখানে মাত্র ৩টি গোল খেয়েছিল, সেখানে এবার নকআউটের মাত্র দুই ম্যাচেই হজম করতে হলো ৪ গোল।
রক্ষণভাগের এ দুর্বলতা নিয়ে দলের ভেতরেও চলছে তীব্র আত্মসমালোচনা। ডিফেন্ডার ক্রিস্টিয়ান রোমেরো সরাসরি নিজের হতাশা ও বিব্রতবোধের কথা স্বীকার করেছেন। সাংবাদিকদের তিনি জানান, সাম্প্রতিক ম্যাচগুলোতে চার গোল খাওয়া তাদের ভীষণ বিব্রত করছে এবং কিছু জায়গায় দ্রুত উন্নতি করা জরুরি। তবে দলের দায়বদ্ধতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, তারা কোচের সিদ্ধান্ত মেনে মাঠের লড়াইয়ে নিজেদের উজাড় করে দিতে প্রস্তুত।
সিজেডএন টোয়েন্টিফোরের বিশেষ অনুষ্ঠান ‘বিশ্বকাপ উৎসব’-এ এসে আর্জেন্টিনার দুর্বল রক্ষণ নিয়ে মন্তব্য করেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক মামুনুল ইসলামও। তিনি বলেন, এমন দুর্বল রক্ষণ নিয়ে সেমিফাইনালে ওঠা দলটির জন্য কঠিন হবে।
অন্যদিকে মিসরের বিপক্ষে ম্যাচ শেষে আরেক ডিফেন্ডার লিসান্দ্রো মার্তিনেজও মনোযোগ বাড়ানোর তাগিদ দিয়ে বলেছিলেন, গোল হজম করাটা তারা মোটেও পছন্দ করেন না। তবে নকআউটের শুরুতেই এই ভুলগুলো সামনে আসাকে ইতিবাচকভাবে দেখে পা মাটিতে রাখার এবং নিজেদের শুধরে নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তিনি। সুইজারল্যান্ড বাধা পার হতে আলবিসেলেস্তেরা এ রক্ষণাত্মক সংকট কতটা কাটিয়ে উঠতে পারে, এখন সেটাই দেখার বিষয়।

চলতি বিশ্বকাপে নকআউট পর্বের ব্যাক-টু-ব্যাক ম্যাচে চার গোল হজম করে চরম রক্ষণাত্মক ঝুঁকিতে পড়েছে আর্জেন্টিনা। গ্রুপ পর্বে জমাট ডিফেন্স উপহার দিলেও নকআউটে এসে দলের রক্ষণভাগের এই ভঙ্গুর পারফরম্যান্স আলবিসেলেস্তে শিবিরে বড় উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে।
অথচ টুর্নামেন্টের শুরুটা এমন ছিল না। গ্রুপ পর্বের প্রথম তিন ম্যাচে আলজেরিয়া ও অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে ক্লিন শিট ধরে রেখেছিল আর্জেন্টিনা, আর জর্ডানের কাছে খেয়েছিল মাত্র এক গোল। কিন্তু নকআউটে পা রাখতেই চেনা ছন্দ হারিয়ে ফেলে ডিফেন্স লাইন। কেপ ভার্দে ও মিসরের বিপক্ষে টানা দুই ম্যাচেই ৩-২ ব্যবধানে কষ্টার্জিত জয় পেলেও প্রতিপক্ষকে চারবার গোল উদযাপনের সুযোগ করে দেয় তারা। কেপ ভার্দের বিপক্ষে দুবার এগিয়ে গিয়েও লিড ধরে রাখতে পারেনি তারা। আর শেষ ষোলোতে মিসরের বিপক্ষে দুই গোল খাওয়ার পর তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ঘুরে দাঁড়াতে হয় দলটিকে। পরিসংখ্যান বলছে, বিগত ২০২২ বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্ব ও শেষ ষোলো মিলিয়ে আর্জেন্টিনা যেখানে মাত্র ৩টি গোল খেয়েছিল, সেখানে এবার নকআউটের মাত্র দুই ম্যাচেই হজম করতে হলো ৪ গোল।
রক্ষণভাগের এ দুর্বলতা নিয়ে দলের ভেতরেও চলছে তীব্র আত্মসমালোচনা। ডিফেন্ডার ক্রিস্টিয়ান রোমেরো সরাসরি নিজের হতাশা ও বিব্রতবোধের কথা স্বীকার করেছেন। সাংবাদিকদের তিনি জানান, সাম্প্রতিক ম্যাচগুলোতে চার গোল খাওয়া তাদের ভীষণ বিব্রত করছে এবং কিছু জায়গায় দ্রুত উন্নতি করা জরুরি। তবে দলের দায়বদ্ধতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, তারা কোচের সিদ্ধান্ত মেনে মাঠের লড়াইয়ে নিজেদের উজাড় করে দিতে প্রস্তুত।
সিজেডএন টোয়েন্টিফোরের বিশেষ অনুষ্ঠান ‘বিশ্বকাপ উৎসব’-এ এসে আর্জেন্টিনার দুর্বল রক্ষণ নিয়ে মন্তব্য করেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক মামুনুল ইসলামও। তিনি বলেন, এমন দুর্বল রক্ষণ নিয়ে সেমিফাইনালে ওঠা দলটির জন্য কঠিন হবে।
অন্যদিকে মিসরের বিপক্ষে ম্যাচ শেষে আরেক ডিফেন্ডার লিসান্দ্রো মার্তিনেজও মনোযোগ বাড়ানোর তাগিদ দিয়ে বলেছিলেন, গোল হজম করাটা তারা মোটেও পছন্দ করেন না। তবে নকআউটের শুরুতেই এই ভুলগুলো সামনে আসাকে ইতিবাচকভাবে দেখে পা মাটিতে রাখার এবং নিজেদের শুধরে নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তিনি। সুইজারল্যান্ড বাধা পার হতে আলবিসেলেস্তেরা এ রক্ষণাত্মক সংকট কতটা কাটিয়ে উঠতে পারে, এখন সেটাই দেখার বিষয়।

দুর্বল রক্ষণই আর্জেন্টিনার চিন্তার জায়গা
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

চলতি বিশ্বকাপে নকআউট পর্বের ব্যাক-টু-ব্যাক ম্যাচে চার গোল হজম করে চরম রক্ষণাত্মক ঝুঁকিতে পড়েছে আর্জেন্টিনা। গ্রুপ পর্বে জমাট ডিফেন্স উপহার দিলেও নকআউটে এসে দলের রক্ষণভাগের এই ভঙ্গুর পারফরম্যান্স আলবিসেলেস্তে শিবিরে বড় উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে।
অথচ টুর্নামেন্টের শুরুটা এমন ছিল না। গ্রুপ পর্বের প্রথম তিন ম্যাচে আলজেরিয়া ও অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে ক্লিন শিট ধরে রেখেছিল আর্জেন্টিনা, আর জর্ডানের কাছে খেয়েছিল মাত্র এক গোল। কিন্তু নকআউটে পা রাখতেই চেনা ছন্দ হারিয়ে ফেলে ডিফেন্স লাইন। কেপ ভার্দে ও মিসরের বিপক্ষে টানা দুই ম্যাচেই ৩-২ ব্যবধানে কষ্টার্জিত জয় পেলেও প্রতিপক্ষকে চারবার গোল উদযাপনের সুযোগ করে দেয় তারা। কেপ ভার্দের বিপক্ষে দুবার এগিয়ে গিয়েও লিড ধরে রাখতে পারেনি তারা। আর শেষ ষোলোতে মিসরের বিপক্ষে দুই গোল খাওয়ার পর তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ঘুরে দাঁড়াতে হয় দলটিকে। পরিসংখ্যান বলছে, বিগত ২০২২ বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্ব ও শেষ ষোলো মিলিয়ে আর্জেন্টিনা যেখানে মাত্র ৩টি গোল খেয়েছিল, সেখানে এবার নকআউটের মাত্র দুই ম্যাচেই হজম করতে হলো ৪ গোল।
রক্ষণভাগের এ দুর্বলতা নিয়ে দলের ভেতরেও চলছে তীব্র আত্মসমালোচনা। ডিফেন্ডার ক্রিস্টিয়ান রোমেরো সরাসরি নিজের হতাশা ও বিব্রতবোধের কথা স্বীকার করেছেন। সাংবাদিকদের তিনি জানান, সাম্প্রতিক ম্যাচগুলোতে চার গোল খাওয়া তাদের ভীষণ বিব্রত করছে এবং কিছু জায়গায় দ্রুত উন্নতি করা জরুরি। তবে দলের দায়বদ্ধতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, তারা কোচের সিদ্ধান্ত মেনে মাঠের লড়াইয়ে নিজেদের উজাড় করে দিতে প্রস্তুত।
সিজেডএন টোয়েন্টিফোরের বিশেষ অনুষ্ঠান ‘বিশ্বকাপ উৎসব’-এ এসে আর্জেন্টিনার দুর্বল রক্ষণ নিয়ে মন্তব্য করেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক মামুনুল ইসলামও। তিনি বলেন, এমন দুর্বল রক্ষণ নিয়ে সেমিফাইনালে ওঠা দলটির জন্য কঠিন হবে।
অন্যদিকে মিসরের বিপক্ষে ম্যাচ শেষে আরেক ডিফেন্ডার লিসান্দ্রো মার্তিনেজও মনোযোগ বাড়ানোর তাগিদ দিয়ে বলেছিলেন, গোল হজম করাটা তারা মোটেও পছন্দ করেন না। তবে নকআউটের শুরুতেই এই ভুলগুলো সামনে আসাকে ইতিবাচকভাবে দেখে পা মাটিতে রাখার এবং নিজেদের শুধরে নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তিনি। সুইজারল্যান্ড বাধা পার হতে আলবিসেলেস্তেরা এ রক্ষণাত্মক সংকট কতটা কাটিয়ে উঠতে পারে, এখন সেটাই দেখার বিষয়।

রেফারিং বিতর্ক নিয়ে যা বললেন লিসান্দ্রো মার্তিনেজ

