লেবাননের রাষ্ট্রপতির মন্তব্যের জবাবে যা বললো ইরান

লেবাননের রাষ্ট্রপতির মন্তব্যের জবাবে যা বললো ইরান
সিটিজেন ডেস্ক

যুদ্ধ শেষ করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় ইরান লেবাননকে একটি ‘দর কষাকষির হাতিয়ার’ হিসেবে ব্যবহার করছে বলে মন্তব্য করেছেন লেবাননের রাষ্ট্রপতি জোসেফ আউন। তার এই অভিযোগের জবাব দিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি।
সামাজিকমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, ‘জনাব আউনের মন্তব্যের ভিত্তিতে যে কেউ ভাববে ইরানই লেবাননের এক-পঞ্চমাংশ দখল করেছে, লেবাননের এক-চতুর্থাংশ মানুষকে বাস্তুচ্যুত করেছে এবং প্রতিদিন তার দেশে বোমাবর্ষণ করছে।’
আরাঘচি বলেন, ‘লেবাননকে আসল শত্রুর হাত থেকে বাঁচান, জনাব রাষ্ট্রপতি।’
এর আগে তেহরান ও হিজবুল্লাহর তীব্র সমালোচনা করে লেবাননের রাষ্ট্রপতি জোসেফ আউন বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান আলোচনায় ইরান লেবাননকে একটি দর কষাকষির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ইরানের নিজস্ব স্বার্থের কারণে লেবাননের অবরুদ্ধ জনগণকে চরম মূল্য দিতে হচ্ছে। ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান এই যুদ্ধে সাধারণ মানুষ আজ ভীষণভাবে বিরক্ত। আউনের এ মন্তব্য লেবাননের দীর্ঘদিনের অভ্যন্তরীণ সাম্প্রদায়িক ও রাজনৈতিক বিভাজনকে আবারও প্রকাশ্য রূপ দিয়েছে।
লেবাননের ক্ষমতা-বণ্টন নীতি অনুযায়ী ম্যারোনাইট খ্রিস্টান সম্প্রদায় থেকে উঠে আসা এই সাবেক সামরিক প্রধান গত বছর রাষ্ট্রপ্রধান নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই হিজবুল্লাহর শান্তিপূর্ণ নিরস্ত্রীকরণের ওপর জোর দিয়ে আসছেন। সম্প্রতি ওয়াশিংটনে মার্কিন মধ্যস্থতায় একটি যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনা হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকে প্রত্যাখ্যান করার পর রাষ্ট্রপতির এ কড়া প্রতিক্রিয়া এসেছে।
প্রস্তাবটিতে হিজবুল্লাহর গোলাবর্ষণ বন্ধ করা এবং দক্ষিণ লেবানন থেকে তাদের যোদ্ধাদের সরিয়ে নেওয়ার শর্ত ছিল। হিজবুল্লাহ নেতা নাইম কাসেম দাবি করেছিলেন, লেবাননের জনগণের একটি বড় অংশ এই আলোচনা প্রত্যাখ্যান করেছে। জবাবে আউন সরাসরি কাসেমকে উদ্দেশ্য করে বলেন, লেবাননের জনগণ আপনার জনগণ নয়।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি তেহরানের উপর মার্কিন-ইসরায়েলি হামলার মাধ্যমে শুরু হওয়া বৃহত্তর আঞ্চলিক সংঘাতে ওয়াশিংটনের সাথে যেকোনো শান্তি চুক্তির শর্ত হিসেবে লেবাননে যুদ্ধবিরতিকে সামনে রেখেছে ইরান।
হিজবুল্লাহ ও ইসরায়েলের মধ্যকার এ সংঘাতের কারণে লেবানন এখন এক ভয়াবহ মানবিক সংকটের মুখোমুখি। দেশটির সরকারি তথ্য অনুযায়ী, গত মার্চ মাস থেকে চলা ইসরায়েলি হামলায় ইতোমধ্যে ৩ হাজারের অধিক মানুষ নিহত হয়েছেন। এছাড়া প্রায় ১২ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। একইসঙ্গে, দক্ষিণ লেবাননের একটি বিস্তীর্ণ অঞ্চল বর্তমানে ইসরায়েলি সেনারা দখল করে নিয়েছে।
সূত্র: আল জাজিরা, রয়টার্স

যুদ্ধ শেষ করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় ইরান লেবাননকে একটি ‘দর কষাকষির হাতিয়ার’ হিসেবে ব্যবহার করছে বলে মন্তব্য করেছেন লেবাননের রাষ্ট্রপতি জোসেফ আউন। তার এই অভিযোগের জবাব দিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি।
সামাজিকমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, ‘জনাব আউনের মন্তব্যের ভিত্তিতে যে কেউ ভাববে ইরানই লেবাননের এক-পঞ্চমাংশ দখল করেছে, লেবাননের এক-চতুর্থাংশ মানুষকে বাস্তুচ্যুত করেছে এবং প্রতিদিন তার দেশে বোমাবর্ষণ করছে।’
আরাঘচি বলেন, ‘লেবাননকে আসল শত্রুর হাত থেকে বাঁচান, জনাব রাষ্ট্রপতি।’
এর আগে তেহরান ও হিজবুল্লাহর তীব্র সমালোচনা করে লেবাননের রাষ্ট্রপতি জোসেফ আউন বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান আলোচনায় ইরান লেবাননকে একটি দর কষাকষির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ইরানের নিজস্ব স্বার্থের কারণে লেবাননের অবরুদ্ধ জনগণকে চরম মূল্য দিতে হচ্ছে। ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান এই যুদ্ধে সাধারণ মানুষ আজ ভীষণভাবে বিরক্ত। আউনের এ মন্তব্য লেবাননের দীর্ঘদিনের অভ্যন্তরীণ সাম্প্রদায়িক ও রাজনৈতিক বিভাজনকে আবারও প্রকাশ্য রূপ দিয়েছে।
লেবাননের ক্ষমতা-বণ্টন নীতি অনুযায়ী ম্যারোনাইট খ্রিস্টান সম্প্রদায় থেকে উঠে আসা এই সাবেক সামরিক প্রধান গত বছর রাষ্ট্রপ্রধান নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই হিজবুল্লাহর শান্তিপূর্ণ নিরস্ত্রীকরণের ওপর জোর দিয়ে আসছেন। সম্প্রতি ওয়াশিংটনে মার্কিন মধ্যস্থতায় একটি যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনা হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকে প্রত্যাখ্যান করার পর রাষ্ট্রপতির এ কড়া প্রতিক্রিয়া এসেছে।
প্রস্তাবটিতে হিজবুল্লাহর গোলাবর্ষণ বন্ধ করা এবং দক্ষিণ লেবানন থেকে তাদের যোদ্ধাদের সরিয়ে নেওয়ার শর্ত ছিল। হিজবুল্লাহ নেতা নাইম কাসেম দাবি করেছিলেন, লেবাননের জনগণের একটি বড় অংশ এই আলোচনা প্রত্যাখ্যান করেছে। জবাবে আউন সরাসরি কাসেমকে উদ্দেশ্য করে বলেন, লেবাননের জনগণ আপনার জনগণ নয়।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি তেহরানের উপর মার্কিন-ইসরায়েলি হামলার মাধ্যমে শুরু হওয়া বৃহত্তর আঞ্চলিক সংঘাতে ওয়াশিংটনের সাথে যেকোনো শান্তি চুক্তির শর্ত হিসেবে লেবাননে যুদ্ধবিরতিকে সামনে রেখেছে ইরান।
হিজবুল্লাহ ও ইসরায়েলের মধ্যকার এ সংঘাতের কারণে লেবানন এখন এক ভয়াবহ মানবিক সংকটের মুখোমুখি। দেশটির সরকারি তথ্য অনুযায়ী, গত মার্চ মাস থেকে চলা ইসরায়েলি হামলায় ইতোমধ্যে ৩ হাজারের অধিক মানুষ নিহত হয়েছেন। এছাড়া প্রায় ১২ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। একইসঙ্গে, দক্ষিণ লেবাননের একটি বিস্তীর্ণ অঞ্চল বর্তমানে ইসরায়েলি সেনারা দখল করে নিয়েছে।
সূত্র: আল জাজিরা, রয়টার্স

লেবাননের রাষ্ট্রপতির মন্তব্যের জবাবে যা বললো ইরান
সিটিজেন ডেস্ক

যুদ্ধ শেষ করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় ইরান লেবাননকে একটি ‘দর কষাকষির হাতিয়ার’ হিসেবে ব্যবহার করছে বলে মন্তব্য করেছেন লেবাননের রাষ্ট্রপতি জোসেফ আউন। তার এই অভিযোগের জবাব দিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি।
সামাজিকমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, ‘জনাব আউনের মন্তব্যের ভিত্তিতে যে কেউ ভাববে ইরানই লেবাননের এক-পঞ্চমাংশ দখল করেছে, লেবাননের এক-চতুর্থাংশ মানুষকে বাস্তুচ্যুত করেছে এবং প্রতিদিন তার দেশে বোমাবর্ষণ করছে।’
আরাঘচি বলেন, ‘লেবাননকে আসল শত্রুর হাত থেকে বাঁচান, জনাব রাষ্ট্রপতি।’
এর আগে তেহরান ও হিজবুল্লাহর তীব্র সমালোচনা করে লেবাননের রাষ্ট্রপতি জোসেফ আউন বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান আলোচনায় ইরান লেবাননকে একটি দর কষাকষির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ইরানের নিজস্ব স্বার্থের কারণে লেবাননের অবরুদ্ধ জনগণকে চরম মূল্য দিতে হচ্ছে। ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান এই যুদ্ধে সাধারণ মানুষ আজ ভীষণভাবে বিরক্ত। আউনের এ মন্তব্য লেবাননের দীর্ঘদিনের অভ্যন্তরীণ সাম্প্রদায়িক ও রাজনৈতিক বিভাজনকে আবারও প্রকাশ্য রূপ দিয়েছে।
লেবাননের ক্ষমতা-বণ্টন নীতি অনুযায়ী ম্যারোনাইট খ্রিস্টান সম্প্রদায় থেকে উঠে আসা এই সাবেক সামরিক প্রধান গত বছর রাষ্ট্রপ্রধান নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই হিজবুল্লাহর শান্তিপূর্ণ নিরস্ত্রীকরণের ওপর জোর দিয়ে আসছেন। সম্প্রতি ওয়াশিংটনে মার্কিন মধ্যস্থতায় একটি যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনা হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকে প্রত্যাখ্যান করার পর রাষ্ট্রপতির এ কড়া প্রতিক্রিয়া এসেছে।
প্রস্তাবটিতে হিজবুল্লাহর গোলাবর্ষণ বন্ধ করা এবং দক্ষিণ লেবানন থেকে তাদের যোদ্ধাদের সরিয়ে নেওয়ার শর্ত ছিল। হিজবুল্লাহ নেতা নাইম কাসেম দাবি করেছিলেন, লেবাননের জনগণের একটি বড় অংশ এই আলোচনা প্রত্যাখ্যান করেছে। জবাবে আউন সরাসরি কাসেমকে উদ্দেশ্য করে বলেন, লেবাননের জনগণ আপনার জনগণ নয়।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি তেহরানের উপর মার্কিন-ইসরায়েলি হামলার মাধ্যমে শুরু হওয়া বৃহত্তর আঞ্চলিক সংঘাতে ওয়াশিংটনের সাথে যেকোনো শান্তি চুক্তির শর্ত হিসেবে লেবাননে যুদ্ধবিরতিকে সামনে রেখেছে ইরান।
হিজবুল্লাহ ও ইসরায়েলের মধ্যকার এ সংঘাতের কারণে লেবানন এখন এক ভয়াবহ মানবিক সংকটের মুখোমুখি। দেশটির সরকারি তথ্য অনুযায়ী, গত মার্চ মাস থেকে চলা ইসরায়েলি হামলায় ইতোমধ্যে ৩ হাজারের অধিক মানুষ নিহত হয়েছেন। এছাড়া প্রায় ১২ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। একইসঙ্গে, দক্ষিণ লেবাননের একটি বিস্তীর্ণ অঞ্চল বর্তমানে ইসরায়েলি সেনারা দখল করে নিয়েছে।
সূত্র: আল জাজিরা, রয়টার্স

‘লেবাননকে দর কষাকষির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে ইরান’
যুদ্ধবিরতি মানছে না ইসরায়েল, লেবাননে ভয়াবহ হামলা


