মার্কিন ডলারের ওপর নির্ভরতা কমানোর আহ্বান মোজতবা খামেনির

মার্কিন ডলারের ওপর নির্ভরতা কমানোর আহ্বান মোজতবা খামেনির
সিজেডএন ডেস্ক

আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা ও মুদ্রার চরম দরপতনের মুখে ইরানের অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলায় নিজের দেশে উৎপাদন বাড়ানোর ওপর জোর দিয়েছেন দেশটির সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে মার্কিন ডলারের ব্যবহার কমিয়ে আনার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। সরকার সপ্তাহ উপলক্ষে দেওয়া এক বিশেষ বার্তায় তিনি বলেন, মূল্যস্ফীতি, বেকারত্ব, বাজার নিয়ন্ত্রণ ও নিত্যপণ্যের দামের মতো পরস্পর সম্পর্কিত জীবনযাত্রার সমস্যাগুলোতে সরকারের মনোযোগ দেওয়া এখন সবচেয়ে বড় অগ্রাধিকার।
অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি দ্রুততর করা, দরকারি খাতে সরাসরি বিনিয়োগ পাঠানো এবং সব পরিকল্পনার কেন্দ্রে প্রতিরোধ অর্থনীতি নীতিকে রাখার তাগিদ দিয়েছেন মোজতনা খামেনি। ইরানের সর্বোচ্চ বলেন, এই সমস্যা সমাধানের মূল চাবিকাঠি হলো দেশীয় উৎপাদনের ওপর ক্রমবর্ধমানভাবে নির্ভর করা। তবে দেশের চাহিদা মেটাতে দেশীয় উৎপাদন পর্যাপ্ত না হলে আমদানি বন্ধ রাখার পক্ষে নন তিনি। তার মতে, প্রয়োজনীয় পণ্য বাইরে থেকে আনতে হলেও তা করতে হবে সঠিকভাবে ও বিচক্ষণতার সঙ্গে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, আমদানি নিয়ন্ত্রণ ও সঠিক মূল্যায়নের পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বাড়াতে পারলে ইরানের অর্থনীতির ‘অন্ধকার দিকগুলো’ একসময় পুরোপুরি কেটে যাবে।
মার্কিন নিষেধাজ্ঞার চাপে চলতি সপ্তাহেই মুক্ত বাজারে প্রতি ডলারের বিপরীতে ইরানি রিয়ালের দর ২০ লাখ ছাড়িয়েছে। মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় বাবার হত্যাকাণ্ডের পর দায়িত্ব নেওয়া মোজতবা খামেনিকে অবশ্য এখনও জনসমক্ষে দেখা যায়নি। তবে এই বার্তার মাধ্যমে তিনি দেশের তরুণ উদ্ভাবক ও প্রযুক্তিবিদদের নতুন চিন্তাকে কৃষি, শিল্প, যোগাযোগ ও শিক্ষা খাতে কাজে লাগানোর পরামর্শ দিয়েছেন। সেই সঙ্গে চরম অবরোধ ও যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতেও জরুরি সেবা চালু রাখা, ক্ষতিগ্রস্ত স্থান সংস্কার এবং জ্বালানি সরবরাহ সচল রাখার জন্য সরকারের প্রচেষ্টার প্রশংসাও করেন তিনি।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা ও মুদ্রার চরম দরপতনের মুখে ইরানের অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলায় নিজের দেশে উৎপাদন বাড়ানোর ওপর জোর দিয়েছেন দেশটির সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে মার্কিন ডলারের ব্যবহার কমিয়ে আনার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। সরকার সপ্তাহ উপলক্ষে দেওয়া এক বিশেষ বার্তায় তিনি বলেন, মূল্যস্ফীতি, বেকারত্ব, বাজার নিয়ন্ত্রণ ও নিত্যপণ্যের দামের মতো পরস্পর সম্পর্কিত জীবনযাত্রার সমস্যাগুলোতে সরকারের মনোযোগ দেওয়া এখন সবচেয়ে বড় অগ্রাধিকার।
অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি দ্রুততর করা, দরকারি খাতে সরাসরি বিনিয়োগ পাঠানো এবং সব পরিকল্পনার কেন্দ্রে প্রতিরোধ অর্থনীতি নীতিকে রাখার তাগিদ দিয়েছেন মোজতনা খামেনি। ইরানের সর্বোচ্চ বলেন, এই সমস্যা সমাধানের মূল চাবিকাঠি হলো দেশীয় উৎপাদনের ওপর ক্রমবর্ধমানভাবে নির্ভর করা। তবে দেশের চাহিদা মেটাতে দেশীয় উৎপাদন পর্যাপ্ত না হলে আমদানি বন্ধ রাখার পক্ষে নন তিনি। তার মতে, প্রয়োজনীয় পণ্য বাইরে থেকে আনতে হলেও তা করতে হবে সঠিকভাবে ও বিচক্ষণতার সঙ্গে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, আমদানি নিয়ন্ত্রণ ও সঠিক মূল্যায়নের পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বাড়াতে পারলে ইরানের অর্থনীতির ‘অন্ধকার দিকগুলো’ একসময় পুরোপুরি কেটে যাবে।
মার্কিন নিষেধাজ্ঞার চাপে চলতি সপ্তাহেই মুক্ত বাজারে প্রতি ডলারের বিপরীতে ইরানি রিয়ালের দর ২০ লাখ ছাড়িয়েছে। মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় বাবার হত্যাকাণ্ডের পর দায়িত্ব নেওয়া মোজতবা খামেনিকে অবশ্য এখনও জনসমক্ষে দেখা যায়নি। তবে এই বার্তার মাধ্যমে তিনি দেশের তরুণ উদ্ভাবক ও প্রযুক্তিবিদদের নতুন চিন্তাকে কৃষি, শিল্প, যোগাযোগ ও শিক্ষা খাতে কাজে লাগানোর পরামর্শ দিয়েছেন। সেই সঙ্গে চরম অবরোধ ও যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতেও জরুরি সেবা চালু রাখা, ক্ষতিগ্রস্ত স্থান সংস্কার এবং জ্বালানি সরবরাহ সচল রাখার জন্য সরকারের প্রচেষ্টার প্রশংসাও করেন তিনি।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

মার্কিন ডলারের ওপর নির্ভরতা কমানোর আহ্বান মোজতবা খামেনির
সিজেডএন ডেস্ক

আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা ও মুদ্রার চরম দরপতনের মুখে ইরানের অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলায় নিজের দেশে উৎপাদন বাড়ানোর ওপর জোর দিয়েছেন দেশটির সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে মার্কিন ডলারের ব্যবহার কমিয়ে আনার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। সরকার সপ্তাহ উপলক্ষে দেওয়া এক বিশেষ বার্তায় তিনি বলেন, মূল্যস্ফীতি, বেকারত্ব, বাজার নিয়ন্ত্রণ ও নিত্যপণ্যের দামের মতো পরস্পর সম্পর্কিত জীবনযাত্রার সমস্যাগুলোতে সরকারের মনোযোগ দেওয়া এখন সবচেয়ে বড় অগ্রাধিকার।
অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি দ্রুততর করা, দরকারি খাতে সরাসরি বিনিয়োগ পাঠানো এবং সব পরিকল্পনার কেন্দ্রে প্রতিরোধ অর্থনীতি নীতিকে রাখার তাগিদ দিয়েছেন মোজতনা খামেনি। ইরানের সর্বোচ্চ বলেন, এই সমস্যা সমাধানের মূল চাবিকাঠি হলো দেশীয় উৎপাদনের ওপর ক্রমবর্ধমানভাবে নির্ভর করা। তবে দেশের চাহিদা মেটাতে দেশীয় উৎপাদন পর্যাপ্ত না হলে আমদানি বন্ধ রাখার পক্ষে নন তিনি। তার মতে, প্রয়োজনীয় পণ্য বাইরে থেকে আনতে হলেও তা করতে হবে সঠিকভাবে ও বিচক্ষণতার সঙ্গে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, আমদানি নিয়ন্ত্রণ ও সঠিক মূল্যায়নের পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বাড়াতে পারলে ইরানের অর্থনীতির ‘অন্ধকার দিকগুলো’ একসময় পুরোপুরি কেটে যাবে।
মার্কিন নিষেধাজ্ঞার চাপে চলতি সপ্তাহেই মুক্ত বাজারে প্রতি ডলারের বিপরীতে ইরানি রিয়ালের দর ২০ লাখ ছাড়িয়েছে। মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় বাবার হত্যাকাণ্ডের পর দায়িত্ব নেওয়া মোজতবা খামেনিকে অবশ্য এখনও জনসমক্ষে দেখা যায়নি। তবে এই বার্তার মাধ্যমে তিনি দেশের তরুণ উদ্ভাবক ও প্রযুক্তিবিদদের নতুন চিন্তাকে কৃষি, শিল্প, যোগাযোগ ও শিক্ষা খাতে কাজে লাগানোর পরামর্শ দিয়েছেন। সেই সঙ্গে চরম অবরোধ ও যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতেও জরুরি সেবা চালু রাখা, ক্ষতিগ্রস্ত স্থান সংস্কার এবং জ্বালানি সরবরাহ সচল রাখার জন্য সরকারের প্রচেষ্টার প্রশংসাও করেন তিনি।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

জীবন বাঁচাতে কবরের জায়গা বিক্রি করছেন ইরানিরা






