‘বাবা আমাকে বাঁচাও’, লেবার রুম থেকে বেরিয়ে প্রসূতির আর্তনাদ

‘বাবা আমাকে বাঁচাও’, লেবার রুম থেকে বেরিয়ে প্রসূতির আর্তনাদ
সিজেডএন ডেস্ক

হাসপাতালের লেবার রুম থেকে কাঁদতে কাঁদতে বের হয়ে এসেছিলেন প্রসূতি। চিৎকার করে বলছিলেন, ‘বাবা আমাকে বাঁচাও, এরা আমাকে মেরে ফেলবে’। আর প্রসবের পরেই মৃত্যু হয় মা ও নবজাতকের। ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের মধ্যপ্রদেশে সরকারি গান্ধি মেমোরিয়াল হাসপাতালে।
রেওয়া জেলার বৈকুণ্ঠপুর থানার হাটওয়া গ্রামের বাসিন্দা কল্পনা মিশ্রকে মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) মধ্যরাতে প্রসব বেদনা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করে তার পরিবার। অভিযোগ, হাসপাতালে নেওয়ার পর থেকেই শুরু হয় বিপত্তি। প্রসব করানোর জন্য কর্তব্যরত চিকিৎসক ও নার্সরা এককালীন ৩০ হাজার টাকা দাবি করেন। পরিবার সেই টাকা দিতে না পারায় রোগীকে অন্য কোথাও নিয়ে যাওয়ার বলা হয়। এর মধ্যেই প্রসূতির শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে দ্রুত লেবার রুমে নেওয়া হয়। কিন্তু কিছুক্ষণ পরই কাঁদতে কাঁদতে বেরিয়ে এসে তার বাবাকে ডাকতে থাকেন। এমনকি প্রসূতির হাতের ক্যানোলা ও অক্সিজেন মাস্ক টেনে খুলে ফেলা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এরপর আবারও তাকে লেবার রুমে নিয়ে যাওয়া হয় ৷ কিন্তু, সেখানে প্রসবের পর মা ও সদ্যজাত দুইজনেরই মৃত্যু হয় ৷
কল্পনার বাবা রাম শিরোমণি মিশ্রের অভিযোগ, আমার মেয়ের শ্বশুরবাড়ির লোকজন ওকে প্রসবের জন্য জিএমএইচ হাসপাতালে ভর্তি করেছিল ৷ প্রসবের আগে, ও লেবার রুম থেকে কাঁদতে কাঁদতে বেরিয়ে বলতে থাকে, এই লোকগুলো আমাকে মেরে ফেলবে ৷ ডাক্তার ও নার্সরা টাকার জন্য কল্পনাকে খুন করেছে ৷ ডাক্তাররা প্রসবের জন্য ৩০ হাজার টাকা দাবি করেছিল ৷ নার্স বলেছিলেন, ‘ওর কিছুই নেই ৷ ওকে এখান থেকে বের করে দিন, নাহলে আমরা ওকে বিষ ইনজেকশন দেব’।
নিহতের পরিবারের দাবি, সোনল আগরওয়াল নামে যে চিকিৎসক অপারেশন করেছিলেন, ঘটনার পর থেকেই তিনি ও দায়িত্বরত নার্সরা পলাতক। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষও অভিযুক্তদের বাঁচাতে তথ্য গোপনের চেষ্টা করছে।
তবে হাসপাতাল প্রশাসন সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে উল্টো পরিবারের অবহেলাকে দায়ী করেছে। গান্ধি মেমোরিয়াল হাসপাতালের সুপার ড. রাহুল মিশ্র জানান, চিকিৎসায় কোনো গাফিলতি ছিল না। গর্ভাবস্থায় নিয়ম অনুযায়ী অন্তত আটবার শারীরিক পরীক্ষা দরকার হলেও কল্পনার পরীক্ষা হয়েছিল মাত্র দুইবার, তাও একটি বেসরকারি ক্লিনিকে।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, প্রসূতির আগে থেকেই কিছু মানসিক সমস্যা ছিল, যা গর্ভাবস্থার শেষ দিকে আরও জটিল আকার ধারণ করে। উচ্চ রক্তচাপ ও অনিয়মিত হৃদস্পন্দনের কারণে তিনি আতঙ্কে অস্বাভাবিক আচরণ করতে শুরু করেন এবং দৌড়াদৌড়ি করেন। রাত একটার দিকে তাকে আনা হলে সব ধরনের চেষ্টা করা সত্ত্বেও জটিল শারীরিক সমস্যার কারণে মা ও সন্তান কাউকেই বাঁচানো সম্ভব হয়নি।
সূত্র: ইটিভি ভারত

হাসপাতালের লেবার রুম থেকে কাঁদতে কাঁদতে বের হয়ে এসেছিলেন প্রসূতি। চিৎকার করে বলছিলেন, ‘বাবা আমাকে বাঁচাও, এরা আমাকে মেরে ফেলবে’। আর প্রসবের পরেই মৃত্যু হয় মা ও নবজাতকের। ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের মধ্যপ্রদেশে সরকারি গান্ধি মেমোরিয়াল হাসপাতালে।
রেওয়া জেলার বৈকুণ্ঠপুর থানার হাটওয়া গ্রামের বাসিন্দা কল্পনা মিশ্রকে মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) মধ্যরাতে প্রসব বেদনা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করে তার পরিবার। অভিযোগ, হাসপাতালে নেওয়ার পর থেকেই শুরু হয় বিপত্তি। প্রসব করানোর জন্য কর্তব্যরত চিকিৎসক ও নার্সরা এককালীন ৩০ হাজার টাকা দাবি করেন। পরিবার সেই টাকা দিতে না পারায় রোগীকে অন্য কোথাও নিয়ে যাওয়ার বলা হয়। এর মধ্যেই প্রসূতির শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে দ্রুত লেবার রুমে নেওয়া হয়। কিন্তু কিছুক্ষণ পরই কাঁদতে কাঁদতে বেরিয়ে এসে তার বাবাকে ডাকতে থাকেন। এমনকি প্রসূতির হাতের ক্যানোলা ও অক্সিজেন মাস্ক টেনে খুলে ফেলা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এরপর আবারও তাকে লেবার রুমে নিয়ে যাওয়া হয় ৷ কিন্তু, সেখানে প্রসবের পর মা ও সদ্যজাত দুইজনেরই মৃত্যু হয় ৷
কল্পনার বাবা রাম শিরোমণি মিশ্রের অভিযোগ, আমার মেয়ের শ্বশুরবাড়ির লোকজন ওকে প্রসবের জন্য জিএমএইচ হাসপাতালে ভর্তি করেছিল ৷ প্রসবের আগে, ও লেবার রুম থেকে কাঁদতে কাঁদতে বেরিয়ে বলতে থাকে, এই লোকগুলো আমাকে মেরে ফেলবে ৷ ডাক্তার ও নার্সরা টাকার জন্য কল্পনাকে খুন করেছে ৷ ডাক্তাররা প্রসবের জন্য ৩০ হাজার টাকা দাবি করেছিল ৷ নার্স বলেছিলেন, ‘ওর কিছুই নেই ৷ ওকে এখান থেকে বের করে দিন, নাহলে আমরা ওকে বিষ ইনজেকশন দেব’।
নিহতের পরিবারের দাবি, সোনল আগরওয়াল নামে যে চিকিৎসক অপারেশন করেছিলেন, ঘটনার পর থেকেই তিনি ও দায়িত্বরত নার্সরা পলাতক। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষও অভিযুক্তদের বাঁচাতে তথ্য গোপনের চেষ্টা করছে।
তবে হাসপাতাল প্রশাসন সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে উল্টো পরিবারের অবহেলাকে দায়ী করেছে। গান্ধি মেমোরিয়াল হাসপাতালের সুপার ড. রাহুল মিশ্র জানান, চিকিৎসায় কোনো গাফিলতি ছিল না। গর্ভাবস্থায় নিয়ম অনুযায়ী অন্তত আটবার শারীরিক পরীক্ষা দরকার হলেও কল্পনার পরীক্ষা হয়েছিল মাত্র দুইবার, তাও একটি বেসরকারি ক্লিনিকে।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, প্রসূতির আগে থেকেই কিছু মানসিক সমস্যা ছিল, যা গর্ভাবস্থার শেষ দিকে আরও জটিল আকার ধারণ করে। উচ্চ রক্তচাপ ও অনিয়মিত হৃদস্পন্দনের কারণে তিনি আতঙ্কে অস্বাভাবিক আচরণ করতে শুরু করেন এবং দৌড়াদৌড়ি করেন। রাত একটার দিকে তাকে আনা হলে সব ধরনের চেষ্টা করা সত্ত্বেও জটিল শারীরিক সমস্যার কারণে মা ও সন্তান কাউকেই বাঁচানো সম্ভব হয়নি।
সূত্র: ইটিভি ভারত

‘বাবা আমাকে বাঁচাও’, লেবার রুম থেকে বেরিয়ে প্রসূতির আর্তনাদ
সিজেডএন ডেস্ক

হাসপাতালের লেবার রুম থেকে কাঁদতে কাঁদতে বের হয়ে এসেছিলেন প্রসূতি। চিৎকার করে বলছিলেন, ‘বাবা আমাকে বাঁচাও, এরা আমাকে মেরে ফেলবে’। আর প্রসবের পরেই মৃত্যু হয় মা ও নবজাতকের। ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের মধ্যপ্রদেশে সরকারি গান্ধি মেমোরিয়াল হাসপাতালে।
রেওয়া জেলার বৈকুণ্ঠপুর থানার হাটওয়া গ্রামের বাসিন্দা কল্পনা মিশ্রকে মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) মধ্যরাতে প্রসব বেদনা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করে তার পরিবার। অভিযোগ, হাসপাতালে নেওয়ার পর থেকেই শুরু হয় বিপত্তি। প্রসব করানোর জন্য কর্তব্যরত চিকিৎসক ও নার্সরা এককালীন ৩০ হাজার টাকা দাবি করেন। পরিবার সেই টাকা দিতে না পারায় রোগীকে অন্য কোথাও নিয়ে যাওয়ার বলা হয়। এর মধ্যেই প্রসূতির শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে দ্রুত লেবার রুমে নেওয়া হয়। কিন্তু কিছুক্ষণ পরই কাঁদতে কাঁদতে বেরিয়ে এসে তার বাবাকে ডাকতে থাকেন। এমনকি প্রসূতির হাতের ক্যানোলা ও অক্সিজেন মাস্ক টেনে খুলে ফেলা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এরপর আবারও তাকে লেবার রুমে নিয়ে যাওয়া হয় ৷ কিন্তু, সেখানে প্রসবের পর মা ও সদ্যজাত দুইজনেরই মৃত্যু হয় ৷
কল্পনার বাবা রাম শিরোমণি মিশ্রের অভিযোগ, আমার মেয়ের শ্বশুরবাড়ির লোকজন ওকে প্রসবের জন্য জিএমএইচ হাসপাতালে ভর্তি করেছিল ৷ প্রসবের আগে, ও লেবার রুম থেকে কাঁদতে কাঁদতে বেরিয়ে বলতে থাকে, এই লোকগুলো আমাকে মেরে ফেলবে ৷ ডাক্তার ও নার্সরা টাকার জন্য কল্পনাকে খুন করেছে ৷ ডাক্তাররা প্রসবের জন্য ৩০ হাজার টাকা দাবি করেছিল ৷ নার্স বলেছিলেন, ‘ওর কিছুই নেই ৷ ওকে এখান থেকে বের করে দিন, নাহলে আমরা ওকে বিষ ইনজেকশন দেব’।
নিহতের পরিবারের দাবি, সোনল আগরওয়াল নামে যে চিকিৎসক অপারেশন করেছিলেন, ঘটনার পর থেকেই তিনি ও দায়িত্বরত নার্সরা পলাতক। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষও অভিযুক্তদের বাঁচাতে তথ্য গোপনের চেষ্টা করছে।
তবে হাসপাতাল প্রশাসন সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে উল্টো পরিবারের অবহেলাকে দায়ী করেছে। গান্ধি মেমোরিয়াল হাসপাতালের সুপার ড. রাহুল মিশ্র জানান, চিকিৎসায় কোনো গাফিলতি ছিল না। গর্ভাবস্থায় নিয়ম অনুযায়ী অন্তত আটবার শারীরিক পরীক্ষা দরকার হলেও কল্পনার পরীক্ষা হয়েছিল মাত্র দুইবার, তাও একটি বেসরকারি ক্লিনিকে।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, প্রসূতির আগে থেকেই কিছু মানসিক সমস্যা ছিল, যা গর্ভাবস্থার শেষ দিকে আরও জটিল আকার ধারণ করে। উচ্চ রক্তচাপ ও অনিয়মিত হৃদস্পন্দনের কারণে তিনি আতঙ্কে অস্বাভাবিক আচরণ করতে শুরু করেন এবং দৌড়াদৌড়ি করেন। রাত একটার দিকে তাকে আনা হলে সব ধরনের চেষ্টা করা সত্ত্বেও জটিল শারীরিক সমস্যার কারণে মা ও সন্তান কাউকেই বাঁচানো সম্ভব হয়নি।
সূত্র: ইটিভি ভারত

ভারতে ব্রিকস সম্মেলনের হোটেলে মিললো পঁচা খাবার ও তেলাপোকা







