হরমুজ প্রণালিতে নৌ অবরোধ প্রত্যাহারের ঘোষণা ট্রাম্পের

হরমুজ প্রণালিতে নৌ অবরোধ প্রত্যাহারের ঘোষণা ট্রাম্পের
সিজেডএন ডেস্ক

হরমুজ প্রণালিতে সব ধরনের নৌ অবরোধ প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেছেন, ইরান আন্তর্জাতিক পারমাণবিক পরিদর্শন মেনে নিতে সম্মত হয়েছে।
এদিকে, ইরানি কর্মকর্তাদের দাবি, এমন কোনো সম্মতি দেওয়া হয়নি।
মঙ্গলবার (২৩ জুন) সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালিতে আর কোনো নৌ অবরোধ আরোপ করা হবে না এবং গুরুত্বপূর্ণ এই সমুদ্রপথ স্বাভাবিকভাবেই উন্মুক্ত থাকবে। তবে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে আরও জানান, প্রয়োজন হলে পুনরায় অবরোধ আরোপের জন্য মার্কিন নৌবাহিনীর জাহাজগুলো সব সময় প্রস্তুত অবস্থায় থাকবে।
নিজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল-এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প এসব কথা জানান।
পোস্টে তিনি দাবি করে বলেন, ইরান আন্তর্জাতিক মানের সর্বোচ্চ পর্যায়ের পারমাণবিক পরিদর্শন মেনে নিতে সম্পূর্ণভাবে সম্মত হয়েছে। তার মতে, ইরান এ বিষয়ে রাজি না হলে দুই দেশের মধ্যে আর কোনো আলোচনা হতো না।
পোস্টে ট্রাম্প আরও বলেন, ইরানের জন্য ছাড়কৃত অর্থ ও নিষেধাজ্ঞা শিথিলের আওতায় মুক্ত হওয়া তহবিল যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রিত এসক্রো অ্যাকাউন্টে সংরক্ষিত থাকবে। এসব অর্থ কেবল মানবিক খাতে ব্যবহার করা যাবে, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র থেকে খাদ্য ও চিকিৎসা সামগ্রী কেনার জন্য।
তিনি জানান, ভুট্টা, গম ও সয়াবিনসহ মার্কিন কৃষকদের উৎপাদিত কৃষিপণ্য ক্রয়ের ক্ষেত্রেই এ অর্থ ব্যয় করা হবে।
এর আগে, সুইজারল্যান্ডে উত্তেজনা ও টানা ১২ ঘণ্টার আলোচনা শেষে প্রথম দফার বৈঠকে ইরানের তেল রপ্তানির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারসহ জব্দ করা সম্পদ ছাড়ার বিষয়ে সম্মত হয় ওয়াশিংটন।

হরমুজ প্রণালিতে সব ধরনের নৌ অবরোধ প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেছেন, ইরান আন্তর্জাতিক পারমাণবিক পরিদর্শন মেনে নিতে সম্মত হয়েছে।
এদিকে, ইরানি কর্মকর্তাদের দাবি, এমন কোনো সম্মতি দেওয়া হয়নি।
মঙ্গলবার (২৩ জুন) সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালিতে আর কোনো নৌ অবরোধ আরোপ করা হবে না এবং গুরুত্বপূর্ণ এই সমুদ্রপথ স্বাভাবিকভাবেই উন্মুক্ত থাকবে। তবে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে আরও জানান, প্রয়োজন হলে পুনরায় অবরোধ আরোপের জন্য মার্কিন নৌবাহিনীর জাহাজগুলো সব সময় প্রস্তুত অবস্থায় থাকবে।
নিজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল-এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প এসব কথা জানান।
পোস্টে তিনি দাবি করে বলেন, ইরান আন্তর্জাতিক মানের সর্বোচ্চ পর্যায়ের পারমাণবিক পরিদর্শন মেনে নিতে সম্পূর্ণভাবে সম্মত হয়েছে। তার মতে, ইরান এ বিষয়ে রাজি না হলে দুই দেশের মধ্যে আর কোনো আলোচনা হতো না।
পোস্টে ট্রাম্প আরও বলেন, ইরানের জন্য ছাড়কৃত অর্থ ও নিষেধাজ্ঞা শিথিলের আওতায় মুক্ত হওয়া তহবিল যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রিত এসক্রো অ্যাকাউন্টে সংরক্ষিত থাকবে। এসব অর্থ কেবল মানবিক খাতে ব্যবহার করা যাবে, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র থেকে খাদ্য ও চিকিৎসা সামগ্রী কেনার জন্য।
তিনি জানান, ভুট্টা, গম ও সয়াবিনসহ মার্কিন কৃষকদের উৎপাদিত কৃষিপণ্য ক্রয়ের ক্ষেত্রেই এ অর্থ ব্যয় করা হবে।
এর আগে, সুইজারল্যান্ডে উত্তেজনা ও টানা ১২ ঘণ্টার আলোচনা শেষে প্রথম দফার বৈঠকে ইরানের তেল রপ্তানির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারসহ জব্দ করা সম্পদ ছাড়ার বিষয়ে সম্মত হয় ওয়াশিংটন।

হরমুজ প্রণালিতে নৌ অবরোধ প্রত্যাহারের ঘোষণা ট্রাম্পের
সিজেডএন ডেস্ক

হরমুজ প্রণালিতে সব ধরনের নৌ অবরোধ প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেছেন, ইরান আন্তর্জাতিক পারমাণবিক পরিদর্শন মেনে নিতে সম্মত হয়েছে।
এদিকে, ইরানি কর্মকর্তাদের দাবি, এমন কোনো সম্মতি দেওয়া হয়নি।
মঙ্গলবার (২৩ জুন) সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালিতে আর কোনো নৌ অবরোধ আরোপ করা হবে না এবং গুরুত্বপূর্ণ এই সমুদ্রপথ স্বাভাবিকভাবেই উন্মুক্ত থাকবে। তবে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে আরও জানান, প্রয়োজন হলে পুনরায় অবরোধ আরোপের জন্য মার্কিন নৌবাহিনীর জাহাজগুলো সব সময় প্রস্তুত অবস্থায় থাকবে।
নিজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল-এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প এসব কথা জানান।
পোস্টে তিনি দাবি করে বলেন, ইরান আন্তর্জাতিক মানের সর্বোচ্চ পর্যায়ের পারমাণবিক পরিদর্শন মেনে নিতে সম্পূর্ণভাবে সম্মত হয়েছে। তার মতে, ইরান এ বিষয়ে রাজি না হলে দুই দেশের মধ্যে আর কোনো আলোচনা হতো না।
পোস্টে ট্রাম্প আরও বলেন, ইরানের জন্য ছাড়কৃত অর্থ ও নিষেধাজ্ঞা শিথিলের আওতায় মুক্ত হওয়া তহবিল যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রিত এসক্রো অ্যাকাউন্টে সংরক্ষিত থাকবে। এসব অর্থ কেবল মানবিক খাতে ব্যবহার করা যাবে, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র থেকে খাদ্য ও চিকিৎসা সামগ্রী কেনার জন্য।
তিনি জানান, ভুট্টা, গম ও সয়াবিনসহ মার্কিন কৃষকদের উৎপাদিত কৃষিপণ্য ক্রয়ের ক্ষেত্রেই এ অর্থ ব্যয় করা হবে।
এর আগে, সুইজারল্যান্ডে উত্তেজনা ও টানা ১২ ঘণ্টার আলোচনা শেষে প্রথম দফার বৈঠকে ইরানের তেল রপ্তানির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারসহ জব্দ করা সম্পদ ছাড়ার বিষয়ে সম্মত হয় ওয়াশিংটন।

ইরানের তেল রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিলো যুক্তরাষ্ট্র


