শিরোনাম

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন

বুথফেরত জরিপে বিজেপি-তৃণমূলের হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস

সিটিজেন ডেস্ক
বুথফেরত জরিপে বিজেপি-তৃণমূলের হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস
শুভেন্দু অধিকারী (বামে) ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (ডানে)। ক্লজ: সিটিজেন গ্রাফিক্স

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হওয়ার পর প্রকাশিত বুথফেরত জরিপ বা এক্সিট পোলগুলোতে এক মিশ্র ও রোমাঞ্চকর ফলাফল লক্ষ্য করা যাচ্ছে। রাজ্যের রাজনৈতিক ভাগ্য নির্ধারণে অধিকাংশ জরিপ সংস্থা ভারতীয় জনতা পার্টিকে (বিজেপি) প্রথমবারের মতো ক্ষমতায় আসার দৌড়ে এগিয়ে রাখলেও, শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনাকেও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

২৯৪ আসনের বিধানসভায় সরকার গঠনের ম্যাজিক ফিগার ১৪৮ স্পর্শ করা নিয়ে লড়াই এখন তুঙ্গে। ছয়টি প্রধান জরিপ সংস্থার মধ্যে চারটি সংস্থাই গেরুয়া শিবিরের জয়ের পূর্বাভাস দিয়েছে। এর মধ্যে প্রজা পোল বিজেপিকে ১৭৮ থেকে ২০৮টি আসনের বিশাল ব্যবধানে এগিয়ে রেখেছে, যেখানে তৃণমূলের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে মাত্র ৮৫ থেকে ১১০টি আসন। একই সুর শোনা গেছে প-মার্ক, ম্যাট্রাইজ এবং পোল ডায়েরির পরিসংখ্যানেও। সংস্থা তিনটি বিজেপিকে সংখ্যাগরিষ্ঠতার দৌড়ে এগিয়ে রেখেছে।

তবে পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক সমীকরণ নিয়ে ভিন্ন মত দিয়েছে জনমত পোল ও পিপলস পালস। তাদের তথ্যমতে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জনভিত্তি এখনও অটুট এবং তৃণমূল কংগ্রেস ১৯৫ থেকে ২০৫টি আসন নিয়ে পুনরায় ক্ষমতায় ফিরতে পারে। এ জরিপগুলোতে বিজেপি এবং তৃণমূলের মধ্যে প্রবল লড়াই দেখা গেলেও বাম দল এবং ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল কংগ্রেসের অবস্থা শোচনীয় হওয়ার ইঙ্গিত মিলেছে। গত এক দশকে তিন আসন থেকে প্রধান বিরোধী শক্তি হিসেবে বিজেপির যে উত্থান ঘটেছে, তা এবারের নির্বাচনে পূর্ণতা পায় কি না, সেটিই এখন দেখার বিষয়। যদিও ২০২১ সালের নির্বাচনে সব পূর্বাভাস ভুল প্রমাণ করে তৃণমূল বিপুল ব্যবধানে জয়ী হয়েছিল, তাই বিশ্লেষকরা এখনই কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে নারাজ। শেষ পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গের মসনদে কে বসবেন, তা জানার জন্য এখন কেবল আনুষ্ঠানিক ফলাফলের অপেক্ষা।

সূত্র: এনডিটিভি

/এমএকে/