নতি স্বীকার করবে না ইরান, ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান পেজেশকিয়ানের

নতি স্বীকার করবে না ইরান, ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান পেজেশকিয়ানের
সিজেডএন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের নজিরবিহীন অর্থনৈতিক চাপ ও কঠোর নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও নিজেদের নীতি থেকে সরে না আসার কঠোর বার্তা দিয়েছে ইরান। দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান জানিয়েছেন, ওয়াশিংটনের সব চক্রান্ত ব্যর্থ করতে দেশের সরকার ও জনগণ ঐক্যবদ্ধ থাকবে। তবে একই সঙ্গে দেশের ভেতরের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তিনি। পেজেশকিয়ান মন্তব্য করেন, চলমান অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যে পেট্রোলের দাম বাড়ানো হলে তা নতুন করে তীব্র জনঅসন্তোষ ডেকে আনতে পারে।
আগস্টে ইরানের ওপর ‘ইকোনমিক ডি-ডে’ ঘোষণা করে মার্কিন প্রশাসন। এর মূল লক্ষ্য ইরান সরকার ও ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) আয়ের পথগুলো বন্ধ করে দেওয়া। এমন পরিস্থিতিতে সম্প্রতি কর্মকর্তাদের উদ্দেশে দেওয়া এক ভাষণে প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান বলেন, ‘যুদ্ধ, অবরোধ ও নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে শত্রুরা দেশের ভেতরে বিভেদ, ফাটল ও অস্থিরতা সৃষ্টি করতে চায়।’ তার এই বক্তব্যে ২০১৯ ও ২০২০ সালে জ্বালানির দাম বৃদ্ধিকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা দেশব্যাপী গণবিক্ষোভের প্রসঙ্গটিই আবার সামনে এসেছে।
চলতি সপ্তাহে একটি টেলিভিশন ভাষণে জনগণের বর্তমান দুর্ভোগ নিয়ে কথা বলতে তিনি বলেন, ‘মানুষ এখন এমনিতেই চাপে আছে। আমি যদি তাদের ওপর আরও চাপ দিই, তাহলে তারা হয়তো সীমা অতিক্রম করে ফেলবে।’ তা সত্ত্বেও বাস্তবতার মুখে হেঁটে কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ব্যক্তিগত গাড়ির তিন স্তরের পেট্রোল কোটার একটি স্তরে দাম দ্বিগুণ করতে যাচ্ছে তার সরকার। এর পাশাপাশি কমানো হচ্ছে মাসিক কোটার পরিমাণও।
অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি, তেল-গ্যাস খাতে দীর্ঘদিনের অবহেলা, ব্যাপক জ্বালানি পাচার এবং অতিরিক্ত জ্বালানিনির্ভর যানবাহনের কারণে ইরানে দীর্ঘদিন ধরেই তীব্র জ্বালানি সংকট চলছে। নতুন করে পেট্রোলের দাম বাড়ানো হলে পরিবহন ও পণ্য সরবরাহ খরচ একলাফে অনেক বেড়ে যাবে। এর চরম প্রভাব পড়বে মূল্যস্ফীতিতে, যা ইতোমধ্যেই সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রাকে বিপর্যস্ত করে তুলেছে।
অর্থনৈতিক এ টালমাটাল পরিস্থিতির মধ্যেই তেহরানের বাজারে নতুন ধাক্কা এসেছে। সপ্তাহের প্রথম কর্মদিবসে শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) ডলারের বিপরীতে দেশটির মুদ্রা রিয়ালের মান ইতিহাসের সর্বনিম্নে নেমে যায়। বর্তমানে খোলাবাজারে প্রতি মার্কিন ডলার কিনতে খরচ হচ্ছে ২২ লাখ ৫০ হাজার রিয়ালেরও বেশি।
সূত্র: ইউরো নিউজ

যুক্তরাষ্ট্রের নজিরবিহীন অর্থনৈতিক চাপ ও কঠোর নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও নিজেদের নীতি থেকে সরে না আসার কঠোর বার্তা দিয়েছে ইরান। দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান জানিয়েছেন, ওয়াশিংটনের সব চক্রান্ত ব্যর্থ করতে দেশের সরকার ও জনগণ ঐক্যবদ্ধ থাকবে। তবে একই সঙ্গে দেশের ভেতরের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তিনি। পেজেশকিয়ান মন্তব্য করেন, চলমান অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যে পেট্রোলের দাম বাড়ানো হলে তা নতুন করে তীব্র জনঅসন্তোষ ডেকে আনতে পারে।
আগস্টে ইরানের ওপর ‘ইকোনমিক ডি-ডে’ ঘোষণা করে মার্কিন প্রশাসন। এর মূল লক্ষ্য ইরান সরকার ও ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) আয়ের পথগুলো বন্ধ করে দেওয়া। এমন পরিস্থিতিতে সম্প্রতি কর্মকর্তাদের উদ্দেশে দেওয়া এক ভাষণে প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান বলেন, ‘যুদ্ধ, অবরোধ ও নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে শত্রুরা দেশের ভেতরে বিভেদ, ফাটল ও অস্থিরতা সৃষ্টি করতে চায়।’ তার এই বক্তব্যে ২০১৯ ও ২০২০ সালে জ্বালানির দাম বৃদ্ধিকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা দেশব্যাপী গণবিক্ষোভের প্রসঙ্গটিই আবার সামনে এসেছে।
চলতি সপ্তাহে একটি টেলিভিশন ভাষণে জনগণের বর্তমান দুর্ভোগ নিয়ে কথা বলতে তিনি বলেন, ‘মানুষ এখন এমনিতেই চাপে আছে। আমি যদি তাদের ওপর আরও চাপ দিই, তাহলে তারা হয়তো সীমা অতিক্রম করে ফেলবে।’ তা সত্ত্বেও বাস্তবতার মুখে হেঁটে কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ব্যক্তিগত গাড়ির তিন স্তরের পেট্রোল কোটার একটি স্তরে দাম দ্বিগুণ করতে যাচ্ছে তার সরকার। এর পাশাপাশি কমানো হচ্ছে মাসিক কোটার পরিমাণও।
অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি, তেল-গ্যাস খাতে দীর্ঘদিনের অবহেলা, ব্যাপক জ্বালানি পাচার এবং অতিরিক্ত জ্বালানিনির্ভর যানবাহনের কারণে ইরানে দীর্ঘদিন ধরেই তীব্র জ্বালানি সংকট চলছে। নতুন করে পেট্রোলের দাম বাড়ানো হলে পরিবহন ও পণ্য সরবরাহ খরচ একলাফে অনেক বেড়ে যাবে। এর চরম প্রভাব পড়বে মূল্যস্ফীতিতে, যা ইতোমধ্যেই সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রাকে বিপর্যস্ত করে তুলেছে।
অর্থনৈতিক এ টালমাটাল পরিস্থিতির মধ্যেই তেহরানের বাজারে নতুন ধাক্কা এসেছে। সপ্তাহের প্রথম কর্মদিবসে শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) ডলারের বিপরীতে দেশটির মুদ্রা রিয়ালের মান ইতিহাসের সর্বনিম্নে নেমে যায়। বর্তমানে খোলাবাজারে প্রতি মার্কিন ডলার কিনতে খরচ হচ্ছে ২২ লাখ ৫০ হাজার রিয়ালেরও বেশি।
সূত্র: ইউরো নিউজ

নতি স্বীকার করবে না ইরান, ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান পেজেশকিয়ানের
সিজেডএন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের নজিরবিহীন অর্থনৈতিক চাপ ও কঠোর নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও নিজেদের নীতি থেকে সরে না আসার কঠোর বার্তা দিয়েছে ইরান। দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান জানিয়েছেন, ওয়াশিংটনের সব চক্রান্ত ব্যর্থ করতে দেশের সরকার ও জনগণ ঐক্যবদ্ধ থাকবে। তবে একই সঙ্গে দেশের ভেতরের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তিনি। পেজেশকিয়ান মন্তব্য করেন, চলমান অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যে পেট্রোলের দাম বাড়ানো হলে তা নতুন করে তীব্র জনঅসন্তোষ ডেকে আনতে পারে।
আগস্টে ইরানের ওপর ‘ইকোনমিক ডি-ডে’ ঘোষণা করে মার্কিন প্রশাসন। এর মূল লক্ষ্য ইরান সরকার ও ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) আয়ের পথগুলো বন্ধ করে দেওয়া। এমন পরিস্থিতিতে সম্প্রতি কর্মকর্তাদের উদ্দেশে দেওয়া এক ভাষণে প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান বলেন, ‘যুদ্ধ, অবরোধ ও নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে শত্রুরা দেশের ভেতরে বিভেদ, ফাটল ও অস্থিরতা সৃষ্টি করতে চায়।’ তার এই বক্তব্যে ২০১৯ ও ২০২০ সালে জ্বালানির দাম বৃদ্ধিকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা দেশব্যাপী গণবিক্ষোভের প্রসঙ্গটিই আবার সামনে এসেছে।
চলতি সপ্তাহে একটি টেলিভিশন ভাষণে জনগণের বর্তমান দুর্ভোগ নিয়ে কথা বলতে তিনি বলেন, ‘মানুষ এখন এমনিতেই চাপে আছে। আমি যদি তাদের ওপর আরও চাপ দিই, তাহলে তারা হয়তো সীমা অতিক্রম করে ফেলবে।’ তা সত্ত্বেও বাস্তবতার মুখে হেঁটে কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ব্যক্তিগত গাড়ির তিন স্তরের পেট্রোল কোটার একটি স্তরে দাম দ্বিগুণ করতে যাচ্ছে তার সরকার। এর পাশাপাশি কমানো হচ্ছে মাসিক কোটার পরিমাণও।
অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি, তেল-গ্যাস খাতে দীর্ঘদিনের অবহেলা, ব্যাপক জ্বালানি পাচার এবং অতিরিক্ত জ্বালানিনির্ভর যানবাহনের কারণে ইরানে দীর্ঘদিন ধরেই তীব্র জ্বালানি সংকট চলছে। নতুন করে পেট্রোলের দাম বাড়ানো হলে পরিবহন ও পণ্য সরবরাহ খরচ একলাফে অনেক বেড়ে যাবে। এর চরম প্রভাব পড়বে মূল্যস্ফীতিতে, যা ইতোমধ্যেই সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রাকে বিপর্যস্ত করে তুলেছে।
অর্থনৈতিক এ টালমাটাল পরিস্থিতির মধ্যেই তেহরানের বাজারে নতুন ধাক্কা এসেছে। সপ্তাহের প্রথম কর্মদিবসে শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) ডলারের বিপরীতে দেশটির মুদ্রা রিয়ালের মান ইতিহাসের সর্বনিম্নে নেমে যায়। বর্তমানে খোলাবাজারে প্রতি মার্কিন ডলার কিনতে খরচ হচ্ছে ২২ লাখ ৫০ হাজার রিয়ালেরও বেশি।
সূত্র: ইউরো নিউজ

ইসরায়েলে যৌথ হামলার পরিকল্পনা করছে ইরান






