গাজায় ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার ১০০ ফিলিস্তিনির জানাজা অনুষ্ঠিত

গাজায় ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার ১০০ ফিলিস্তিনির জানাজা অনুষ্ঠিত
সিজেডএন ডেস্ক

গাজায় ইসরায়েলি হামলায় ধ্বংস হওয়া বাড়িঘরের ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে উদ্ধার হওয়া ১০০ ফিলিস্তিনির মরদেহ ও দেহাবশেষের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) গাজা শহরের জয়তুন মহল্লায় এ জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। নিহতদের স্বজনদের পাশাপাশি সামাজিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরাও এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
একসময়ের মাথা গোঁজার ঠাঁই থাকা বাড়িগুলোর ধ্বংসাবশেষের পাশেই আয়োজন করা হয় এই জানাজার। সেখানে উদ্ধার অভিযানে অংশ নেওয়া বেসামরিক প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্য, নিহতদের পরিবারের প্রতিনিধি ও স্থানীয় বিশিষ্টজনেরা আবেগঘন বক্তব্য দেন। চোখের জলে প্রিয়জনদের বিদায় জানানোর পর দেহাবশেষগুলো দাফনের জন্য জয়তুনের আল-আহলি কবরস্থানে নিয়ে যাওয়া হয়।
সংবাদ সংস্থা আনাদোলু এজেন্সির হিসাব অনুযায়ী, দাফন করা মরদেহের সংখ্যার বিচারে এটি ফিলিস্তিনের ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ জানাজা। ইসরায়েলি বিমান হামলায় ধসে পড়া ভবনের নিচে চাপা পড়া ফিলিস্তিনিদের উদ্ধারে ১৯ জুলাই একটি উদ্ধার প্রকল্প শুরু হয়েছিল। এর দ্বিতীয় পর্যায়ের অংশ হিসেবে সম্প্রতি এসব মরদেহ উদ্ধার করা হয়। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিরা মূলত রহিম, বালাউই, মালাকা, কানবুর ও সালমি পরিবারের সদস্য। প্রায় আড়াই বছর আগে আবাসিক ভবনে ইসরায়েলি বোমাবর্ষণে তারা প্রাণ হারিয়েছিলেন।
গাজায় ভারী যন্ত্রপাতি কিংবা আধুনিক উদ্ধার সরঞ্জাম ঢোকার ওপর ইসরায়েলের কঠোর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। ফলে বাধ্য হয়েই গাজার বেসামরিক প্রতিরক্ষা কর্মীরা সামান্য কিছু জরাজীর্ণ সরঞ্জাম নিয়ে এই উদ্ধারকাজ চালাচ্ছেন। এ প্রকল্পের দ্বিতীয় ধাপে গাজা শহর এবং ছিটমহলটির উত্তর ও মধ্যাঞ্চলের ১৪৭টি ধ্বংসপ্রাপ্ত স্থাপনায় ৮০০ ঘণ্টা কাজ করার পরিকল্পনা রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, এসব ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনো অন্তত ১ হাজার ৭২টি মরদেহ চাপা পড়ে আছে।
এর আগে ২০২৫ সালের নভেম্বরের শেষ দিকে শুরু হওয়া প্রথম ধাপে ৫০০ ঘণ্টা অনুসন্ধান চালিয়ে ৫৪টি বিধ্বস্ত ভবনের নিচ থেকে প্রায় ৩৩৩ জনের দেহাবশেষ উদ্ধার করা হয়েছিল। এছাড়া চলতি বছরের আগস্টের শুরুতে সাবরা এলাকা থেকে উদ্ধার হওয়া ১১২ জনের জন্যও একই ধরনের বড় জানাজার আয়োজন করা হয়।
ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের দাবি, ২০২৫ সালের ১০ অক্টোবর কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তির প্রথম ধাপ অনুযায়ী উদ্ধারকাজের জন্য প্রয়োজনীয় ভারী যন্ত্রপাতি আনার অনুমতি দেওয়ার কথা ছিল ইসরায়েলের। কিন্তু সে প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেনি ইসরায়েল। প্রায় দুই বছরের হামলায় গাজায় ৭৩ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছেন এবং আহত হয়েছেন ১ লাখ ৭৪ হাজারের বেশি মানুষ।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

গাজায় ইসরায়েলি হামলায় ধ্বংস হওয়া বাড়িঘরের ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে উদ্ধার হওয়া ১০০ ফিলিস্তিনির মরদেহ ও দেহাবশেষের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) গাজা শহরের জয়তুন মহল্লায় এ জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। নিহতদের স্বজনদের পাশাপাশি সামাজিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরাও এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
একসময়ের মাথা গোঁজার ঠাঁই থাকা বাড়িগুলোর ধ্বংসাবশেষের পাশেই আয়োজন করা হয় এই জানাজার। সেখানে উদ্ধার অভিযানে অংশ নেওয়া বেসামরিক প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্য, নিহতদের পরিবারের প্রতিনিধি ও স্থানীয় বিশিষ্টজনেরা আবেগঘন বক্তব্য দেন। চোখের জলে প্রিয়জনদের বিদায় জানানোর পর দেহাবশেষগুলো দাফনের জন্য জয়তুনের আল-আহলি কবরস্থানে নিয়ে যাওয়া হয়।
সংবাদ সংস্থা আনাদোলু এজেন্সির হিসাব অনুযায়ী, দাফন করা মরদেহের সংখ্যার বিচারে এটি ফিলিস্তিনের ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ জানাজা। ইসরায়েলি বিমান হামলায় ধসে পড়া ভবনের নিচে চাপা পড়া ফিলিস্তিনিদের উদ্ধারে ১৯ জুলাই একটি উদ্ধার প্রকল্প শুরু হয়েছিল। এর দ্বিতীয় পর্যায়ের অংশ হিসেবে সম্প্রতি এসব মরদেহ উদ্ধার করা হয়। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিরা মূলত রহিম, বালাউই, মালাকা, কানবুর ও সালমি পরিবারের সদস্য। প্রায় আড়াই বছর আগে আবাসিক ভবনে ইসরায়েলি বোমাবর্ষণে তারা প্রাণ হারিয়েছিলেন।
গাজায় ভারী যন্ত্রপাতি কিংবা আধুনিক উদ্ধার সরঞ্জাম ঢোকার ওপর ইসরায়েলের কঠোর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। ফলে বাধ্য হয়েই গাজার বেসামরিক প্রতিরক্ষা কর্মীরা সামান্য কিছু জরাজীর্ণ সরঞ্জাম নিয়ে এই উদ্ধারকাজ চালাচ্ছেন। এ প্রকল্পের দ্বিতীয় ধাপে গাজা শহর এবং ছিটমহলটির উত্তর ও মধ্যাঞ্চলের ১৪৭টি ধ্বংসপ্রাপ্ত স্থাপনায় ৮০০ ঘণ্টা কাজ করার পরিকল্পনা রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, এসব ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনো অন্তত ১ হাজার ৭২টি মরদেহ চাপা পড়ে আছে।
এর আগে ২০২৫ সালের নভেম্বরের শেষ দিকে শুরু হওয়া প্রথম ধাপে ৫০০ ঘণ্টা অনুসন্ধান চালিয়ে ৫৪টি বিধ্বস্ত ভবনের নিচ থেকে প্রায় ৩৩৩ জনের দেহাবশেষ উদ্ধার করা হয়েছিল। এছাড়া চলতি বছরের আগস্টের শুরুতে সাবরা এলাকা থেকে উদ্ধার হওয়া ১১২ জনের জন্যও একই ধরনের বড় জানাজার আয়োজন করা হয়।
ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের দাবি, ২০২৫ সালের ১০ অক্টোবর কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তির প্রথম ধাপ অনুযায়ী উদ্ধারকাজের জন্য প্রয়োজনীয় ভারী যন্ত্রপাতি আনার অনুমতি দেওয়ার কথা ছিল ইসরায়েলের। কিন্তু সে প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেনি ইসরায়েল। প্রায় দুই বছরের হামলায় গাজায় ৭৩ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছেন এবং আহত হয়েছেন ১ লাখ ৭৪ হাজারের বেশি মানুষ।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

গাজায় ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার ১০০ ফিলিস্তিনির জানাজা অনুষ্ঠিত
সিজেডএন ডেস্ক

গাজায় ইসরায়েলি হামলায় ধ্বংস হওয়া বাড়িঘরের ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে উদ্ধার হওয়া ১০০ ফিলিস্তিনির মরদেহ ও দেহাবশেষের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) গাজা শহরের জয়তুন মহল্লায় এ জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। নিহতদের স্বজনদের পাশাপাশি সামাজিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরাও এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
একসময়ের মাথা গোঁজার ঠাঁই থাকা বাড়িগুলোর ধ্বংসাবশেষের পাশেই আয়োজন করা হয় এই জানাজার। সেখানে উদ্ধার অভিযানে অংশ নেওয়া বেসামরিক প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্য, নিহতদের পরিবারের প্রতিনিধি ও স্থানীয় বিশিষ্টজনেরা আবেগঘন বক্তব্য দেন। চোখের জলে প্রিয়জনদের বিদায় জানানোর পর দেহাবশেষগুলো দাফনের জন্য জয়তুনের আল-আহলি কবরস্থানে নিয়ে যাওয়া হয়।
সংবাদ সংস্থা আনাদোলু এজেন্সির হিসাব অনুযায়ী, দাফন করা মরদেহের সংখ্যার বিচারে এটি ফিলিস্তিনের ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ জানাজা। ইসরায়েলি বিমান হামলায় ধসে পড়া ভবনের নিচে চাপা পড়া ফিলিস্তিনিদের উদ্ধারে ১৯ জুলাই একটি উদ্ধার প্রকল্প শুরু হয়েছিল। এর দ্বিতীয় পর্যায়ের অংশ হিসেবে সম্প্রতি এসব মরদেহ উদ্ধার করা হয়। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিরা মূলত রহিম, বালাউই, মালাকা, কানবুর ও সালমি পরিবারের সদস্য। প্রায় আড়াই বছর আগে আবাসিক ভবনে ইসরায়েলি বোমাবর্ষণে তারা প্রাণ হারিয়েছিলেন।
গাজায় ভারী যন্ত্রপাতি কিংবা আধুনিক উদ্ধার সরঞ্জাম ঢোকার ওপর ইসরায়েলের কঠোর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। ফলে বাধ্য হয়েই গাজার বেসামরিক প্রতিরক্ষা কর্মীরা সামান্য কিছু জরাজীর্ণ সরঞ্জাম নিয়ে এই উদ্ধারকাজ চালাচ্ছেন। এ প্রকল্পের দ্বিতীয় ধাপে গাজা শহর এবং ছিটমহলটির উত্তর ও মধ্যাঞ্চলের ১৪৭টি ধ্বংসপ্রাপ্ত স্থাপনায় ৮০০ ঘণ্টা কাজ করার পরিকল্পনা রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, এসব ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনো অন্তত ১ হাজার ৭২টি মরদেহ চাপা পড়ে আছে।
এর আগে ২০২৫ সালের নভেম্বরের শেষ দিকে শুরু হওয়া প্রথম ধাপে ৫০০ ঘণ্টা অনুসন্ধান চালিয়ে ৫৪টি বিধ্বস্ত ভবনের নিচ থেকে প্রায় ৩৩৩ জনের দেহাবশেষ উদ্ধার করা হয়েছিল। এছাড়া চলতি বছরের আগস্টের শুরুতে সাবরা এলাকা থেকে উদ্ধার হওয়া ১১২ জনের জন্যও একই ধরনের বড় জানাজার আয়োজন করা হয়।
ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের দাবি, ২০২৫ সালের ১০ অক্টোবর কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তির প্রথম ধাপ অনুযায়ী উদ্ধারকাজের জন্য প্রয়োজনীয় ভারী যন্ত্রপাতি আনার অনুমতি দেওয়ার কথা ছিল ইসরায়েলের। কিন্তু সে প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেনি ইসরায়েল। প্রায় দুই বছরের হামলায় গাজায় ৭৩ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছেন এবং আহত হয়েছেন ১ লাখ ৭৪ হাজারের বেশি মানুষ।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

গাজায় ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে ৫৫ ফিলিস্তিনির দেহাবশেষ উদ্ধার







