সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সরকারি খবর প্রচারে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার ইরানের

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সরকারি খবর প্রচারে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার ইরানের
সিজেডএন ডেস্ক

বিদেশি ও পশ্চিমা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে সরকারি তথ্য ও খবর প্রচারের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে ইরান। দেশটির সর্বোচ্চ নেতার সবুজ সংকেত পাওয়ার পর এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ফলে সরকারি সংস্থাগুলো এখন থেকে তথ্য ও খবর প্রকাশে এক্স, ইনস্টাগ্রাম ও টেলিগ্রামের মতো আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মগুলো ব্যবহার করতে পারবে। রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ইরানের প্রথম ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ রেজা আরেফের দপ্তরের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা আব্বাস পাজুকি জানান, কয়েক বছর আগে জারি করা এক নির্দেশনার কারণে সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো এসব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাপ থেকে দূরে ছিল। এর ফলে বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্মগুলোতে সরকারের উপস্থিতি না থাকায় প্রতিপক্ষ সহজেই মনস্তাত্ত্বিক প্রচার চালানোর সুযোগ পাচ্ছিল।
পুরোনো নীতি নিয়ে পাজুকি বলেন, ‘কয়েক বছর আগে একটি অদ্ভুত নির্দেশিকা জারি করা হয়েছিল, যেখানে বলা হয় কোনো সরকারি সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান বিদেশি মেসেজিং প্ল্যাটফর্মে তথ্য দিতে পারবে না।’ তিনি আরও বলেন, ‘এর ফল কী হয়েছিল? দেশের জনগণ, যুবসমাজ ও গণমাধ্যম আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে গুজব ও খবর পড়ছিল, কিন্তু যেখানে মানুষ উপস্থিত ছিল, সরকার সেখানে অনুপস্থিত থেকে অন্য প্ল্যাটফর্মে উত্তর দিচ্ছিল।’
তবে সরকারের প্রচারকৌশলে এ ছাড় দেওয়া হলেও সাধারণ ইরানিদের কপাল খুলছে না। দেশের সাধারণ নাগরিকদের জন্য এসব প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারের ওপর থাকা নিষেধাজ্ঞা আগের মতোই বহাল থাকছে। অর্থাৎ, অ্যাপগুলোতে ঢুকতে সাধারণ মানুষকে এখনো ভিপিএনের ওপরই ভরসা করতে হবে। মূলত মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতি ও যুদ্ধকালীন তথ্যযুদ্ধে নিজেদের বক্তব্য সরাসরি বিশ্বমঞ্চে পৌঁছে দিতেই তেহরান এ পদক্ষেপ নিয়েছে।
সূত্র: আল জাজিরা

বিদেশি ও পশ্চিমা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে সরকারি তথ্য ও খবর প্রচারের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে ইরান। দেশটির সর্বোচ্চ নেতার সবুজ সংকেত পাওয়ার পর এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ফলে সরকারি সংস্থাগুলো এখন থেকে তথ্য ও খবর প্রকাশে এক্স, ইনস্টাগ্রাম ও টেলিগ্রামের মতো আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মগুলো ব্যবহার করতে পারবে। রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ইরানের প্রথম ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ রেজা আরেফের দপ্তরের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা আব্বাস পাজুকি জানান, কয়েক বছর আগে জারি করা এক নির্দেশনার কারণে সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো এসব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাপ থেকে দূরে ছিল। এর ফলে বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্মগুলোতে সরকারের উপস্থিতি না থাকায় প্রতিপক্ষ সহজেই মনস্তাত্ত্বিক প্রচার চালানোর সুযোগ পাচ্ছিল।
পুরোনো নীতি নিয়ে পাজুকি বলেন, ‘কয়েক বছর আগে একটি অদ্ভুত নির্দেশিকা জারি করা হয়েছিল, যেখানে বলা হয় কোনো সরকারি সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান বিদেশি মেসেজিং প্ল্যাটফর্মে তথ্য দিতে পারবে না।’ তিনি আরও বলেন, ‘এর ফল কী হয়েছিল? দেশের জনগণ, যুবসমাজ ও গণমাধ্যম আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে গুজব ও খবর পড়ছিল, কিন্তু যেখানে মানুষ উপস্থিত ছিল, সরকার সেখানে অনুপস্থিত থেকে অন্য প্ল্যাটফর্মে উত্তর দিচ্ছিল।’
তবে সরকারের প্রচারকৌশলে এ ছাড় দেওয়া হলেও সাধারণ ইরানিদের কপাল খুলছে না। দেশের সাধারণ নাগরিকদের জন্য এসব প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারের ওপর থাকা নিষেধাজ্ঞা আগের মতোই বহাল থাকছে। অর্থাৎ, অ্যাপগুলোতে ঢুকতে সাধারণ মানুষকে এখনো ভিপিএনের ওপরই ভরসা করতে হবে। মূলত মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতি ও যুদ্ধকালীন তথ্যযুদ্ধে নিজেদের বক্তব্য সরাসরি বিশ্বমঞ্চে পৌঁছে দিতেই তেহরান এ পদক্ষেপ নিয়েছে।
সূত্র: আল জাজিরা

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সরকারি খবর প্রচারে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার ইরানের
সিজেডএন ডেস্ক

বিদেশি ও পশ্চিমা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে সরকারি তথ্য ও খবর প্রচারের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে ইরান। দেশটির সর্বোচ্চ নেতার সবুজ সংকেত পাওয়ার পর এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ফলে সরকারি সংস্থাগুলো এখন থেকে তথ্য ও খবর প্রকাশে এক্স, ইনস্টাগ্রাম ও টেলিগ্রামের মতো আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মগুলো ব্যবহার করতে পারবে। রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ইরানের প্রথম ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ রেজা আরেফের দপ্তরের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা আব্বাস পাজুকি জানান, কয়েক বছর আগে জারি করা এক নির্দেশনার কারণে সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো এসব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাপ থেকে দূরে ছিল। এর ফলে বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্মগুলোতে সরকারের উপস্থিতি না থাকায় প্রতিপক্ষ সহজেই মনস্তাত্ত্বিক প্রচার চালানোর সুযোগ পাচ্ছিল।
পুরোনো নীতি নিয়ে পাজুকি বলেন, ‘কয়েক বছর আগে একটি অদ্ভুত নির্দেশিকা জারি করা হয়েছিল, যেখানে বলা হয় কোনো সরকারি সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান বিদেশি মেসেজিং প্ল্যাটফর্মে তথ্য দিতে পারবে না।’ তিনি আরও বলেন, ‘এর ফল কী হয়েছিল? দেশের জনগণ, যুবসমাজ ও গণমাধ্যম আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে গুজব ও খবর পড়ছিল, কিন্তু যেখানে মানুষ উপস্থিত ছিল, সরকার সেখানে অনুপস্থিত থেকে অন্য প্ল্যাটফর্মে উত্তর দিচ্ছিল।’
তবে সরকারের প্রচারকৌশলে এ ছাড় দেওয়া হলেও সাধারণ ইরানিদের কপাল খুলছে না। দেশের সাধারণ নাগরিকদের জন্য এসব প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারের ওপর থাকা নিষেধাজ্ঞা আগের মতোই বহাল থাকছে। অর্থাৎ, অ্যাপগুলোতে ঢুকতে সাধারণ মানুষকে এখনো ভিপিএনের ওপরই ভরসা করতে হবে। মূলত মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতি ও যুদ্ধকালীন তথ্যযুদ্ধে নিজেদের বক্তব্য সরাসরি বিশ্বমঞ্চে পৌঁছে দিতেই তেহরান এ পদক্ষেপ নিয়েছে।
সূত্র: আল জাজিরা

গাজায় ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার ১০০ ফিলিস্তিনির জানাজা অনুষ্ঠিত







