ইরান চুক্তি ‘চূড়ান্ত’ করতে যাদেরকে পাঠালেন ট্রাম্প

ইরান চুক্তি ‘চূড়ান্ত’ করতে যাদেরকে পাঠালেন ট্রাম্প
সিটিজেন ডেস্ক

ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য চুক্তি চূড়ান্ত করতে তার প্রশাসনের সবচেয়ে প্রভাবশালীদের একজন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সকে পাঠিয়েছেন।
এতে স্পষ্ট হয়ে উঠছে যে, আলোচনার গুরুত্ব অনেক বেশি। তার পাশে জ্যারেড কুশনার এবং স্টিভ উইটকফও থাকবেন। তবে ভ্যান্সকে পাঠানোই ইঙ্গিত দেয় যুক্তরাষ্ট্র এই চুক্তি দ্রুত সম্পন্ন করতে চায়।
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে মার্কিনীদের সমর্থন নেই বললেই চলে। এক-তৃতীয়াংশেরও কম আমেরিকান এতে সমর্থন জানাচ্ছেন। ফলে ট্রাম্প প্রশাসন দ্রুত এই সংঘাত থেকে বেরিয়ে আসতে চাচ্ছে।
পাকিস্তানে ভ্যান্সকে পাঠানোর মাধ্যমে ট্রাম্প মূলত ‘চুক্তি সম্পন্নকারী’ হিসেবে তাকে দায়িত্ব দিয়েছেন। আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে– ইরানকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ থেকে বিরত রাখা, হরমুজ প্রণালি খোলা রাখা এবং একটি সমঝোতায় পৌঁছানো।
সবমিলিয়ে এই উদ্যোগের মাধ্যমে ট্রাম্প যুদ্ধের ইতি টেনে একটি কূটনৈতিক সাফল্য অর্জন করতে চান, যার জন্য হরমুজ প্রণালি খোলা রাখা তার কাছে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে।
সূত্র: আল জাজিরা

ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য চুক্তি চূড়ান্ত করতে তার প্রশাসনের সবচেয়ে প্রভাবশালীদের একজন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সকে পাঠিয়েছেন।
এতে স্পষ্ট হয়ে উঠছে যে, আলোচনার গুরুত্ব অনেক বেশি। তার পাশে জ্যারেড কুশনার এবং স্টিভ উইটকফও থাকবেন। তবে ভ্যান্সকে পাঠানোই ইঙ্গিত দেয় যুক্তরাষ্ট্র এই চুক্তি দ্রুত সম্পন্ন করতে চায়।
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে মার্কিনীদের সমর্থন নেই বললেই চলে। এক-তৃতীয়াংশেরও কম আমেরিকান এতে সমর্থন জানাচ্ছেন। ফলে ট্রাম্প প্রশাসন দ্রুত এই সংঘাত থেকে বেরিয়ে আসতে চাচ্ছে।
পাকিস্তানে ভ্যান্সকে পাঠানোর মাধ্যমে ট্রাম্প মূলত ‘চুক্তি সম্পন্নকারী’ হিসেবে তাকে দায়িত্ব দিয়েছেন। আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে– ইরানকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ থেকে বিরত রাখা, হরমুজ প্রণালি খোলা রাখা এবং একটি সমঝোতায় পৌঁছানো।
সবমিলিয়ে এই উদ্যোগের মাধ্যমে ট্রাম্প যুদ্ধের ইতি টেনে একটি কূটনৈতিক সাফল্য অর্জন করতে চান, যার জন্য হরমুজ প্রণালি খোলা রাখা তার কাছে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে।
সূত্র: আল জাজিরা

ইরান চুক্তি ‘চূড়ান্ত’ করতে যাদেরকে পাঠালেন ট্রাম্প
সিটিজেন ডেস্ক

ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য চুক্তি চূড়ান্ত করতে তার প্রশাসনের সবচেয়ে প্রভাবশালীদের একজন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সকে পাঠিয়েছেন।
এতে স্পষ্ট হয়ে উঠছে যে, আলোচনার গুরুত্ব অনেক বেশি। তার পাশে জ্যারেড কুশনার এবং স্টিভ উইটকফও থাকবেন। তবে ভ্যান্সকে পাঠানোই ইঙ্গিত দেয় যুক্তরাষ্ট্র এই চুক্তি দ্রুত সম্পন্ন করতে চায়।
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে মার্কিনীদের সমর্থন নেই বললেই চলে। এক-তৃতীয়াংশেরও কম আমেরিকান এতে সমর্থন জানাচ্ছেন। ফলে ট্রাম্প প্রশাসন দ্রুত এই সংঘাত থেকে বেরিয়ে আসতে চাচ্ছে।
পাকিস্তানে ভ্যান্সকে পাঠানোর মাধ্যমে ট্রাম্প মূলত ‘চুক্তি সম্পন্নকারী’ হিসেবে তাকে দায়িত্ব দিয়েছেন। আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে– ইরানকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ থেকে বিরত রাখা, হরমুজ প্রণালি খোলা রাখা এবং একটি সমঝোতায় পৌঁছানো।
সবমিলিয়ে এই উদ্যোগের মাধ্যমে ট্রাম্প যুদ্ধের ইতি টেনে একটি কূটনৈতিক সাফল্য অর্জন করতে চান, যার জন্য হরমুজ প্রণালি খোলা রাখা তার কাছে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে।
সূত্র: আল জাজিরা




