নতুন তেল পাইপলাইন বানাচ্ছে আমিরাত

নতুন তেল পাইপলাইন বানাচ্ছে আমিরাত
সিটিজেন ডেস্ক

ফুজাইরা বন্দরের মাধ্যমে তেল রপ্তানি ক্ষমতা দ্বিগুণ করতে একটি নতুন পাইপলাইনের নির্মাণকাজ দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই)। এর মাধ্যমে হরমুজ প্রণালির ওপর নির্ভরতা অনেকটাই কমবে। ২০২৭ সালে এটি চালু হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
শুক্রবার (১৫ মে) বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, আবুধাবির ক্রাউন প্রিন্স শেখ খালেদ বিন মোহাম্মদ বিন জায়েদ এক বৈঠকে আবুধাবি ন্যাশনাল অয়েল কোম্পানিকে (এডনক) ওয়েস্ট-ইস্ট পাইপলাইন প্রকল্পের কাজ দ্রুত শেষ করার নির্দেশ দিয়েছেন। বর্তমানে পাইপলাইনটির নির্মাণকাজ চলছে।
বর্তমানে আমিরাতে চলমান আবুধাবি ক্রুড অয়েল পাইপলাইন (এডিসিওপি) প্রতিদিন সর্বোচ্চ ১৮ লাখ ব্যারেল তেল পরিবহন করতে পারে। ওমান উপসাগরীয় উপকূল দিয়ে সরাসরি তেল রপ্তানির ক্ষেত্রে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
উপসাগরীয় অঞ্চলে সৌদি আরব ও আরব আমিরাত এই দুটি দেশ হরমুজ প্রণালির বাইরে পাইপলাইনের মাধ্যমে অপরিশোধিত তেল রপ্তানি করতে পারে।
ইরান ও ওমানের মধ্যবর্তী হরমুজ প্রণালি বিশ্ব জ্বালানি পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ। বিশ্ব জ্বালানি পরিবহনের ২০ শতাংশ এই প্রণালি দিয়ে পরিবহন করা হয়। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানে হামলা চালালে কার্যত প্রণালিটি বন্ধ করে দেয় তেহরান। এর ফলে সরবরাহ কমে বিশ্বব্যাপী জ্বালানির দাম ব্যাপকহারে বৃদ্ধি পায়।
সূত্র: রয়টার্স

ফুজাইরা বন্দরের মাধ্যমে তেল রপ্তানি ক্ষমতা দ্বিগুণ করতে একটি নতুন পাইপলাইনের নির্মাণকাজ দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই)। এর মাধ্যমে হরমুজ প্রণালির ওপর নির্ভরতা অনেকটাই কমবে। ২০২৭ সালে এটি চালু হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
শুক্রবার (১৫ মে) বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, আবুধাবির ক্রাউন প্রিন্স শেখ খালেদ বিন মোহাম্মদ বিন জায়েদ এক বৈঠকে আবুধাবি ন্যাশনাল অয়েল কোম্পানিকে (এডনক) ওয়েস্ট-ইস্ট পাইপলাইন প্রকল্পের কাজ দ্রুত শেষ করার নির্দেশ দিয়েছেন। বর্তমানে পাইপলাইনটির নির্মাণকাজ চলছে।
বর্তমানে আমিরাতে চলমান আবুধাবি ক্রুড অয়েল পাইপলাইন (এডিসিওপি) প্রতিদিন সর্বোচ্চ ১৮ লাখ ব্যারেল তেল পরিবহন করতে পারে। ওমান উপসাগরীয় উপকূল দিয়ে সরাসরি তেল রপ্তানির ক্ষেত্রে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
উপসাগরীয় অঞ্চলে সৌদি আরব ও আরব আমিরাত এই দুটি দেশ হরমুজ প্রণালির বাইরে পাইপলাইনের মাধ্যমে অপরিশোধিত তেল রপ্তানি করতে পারে।
ইরান ও ওমানের মধ্যবর্তী হরমুজ প্রণালি বিশ্ব জ্বালানি পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ। বিশ্ব জ্বালানি পরিবহনের ২০ শতাংশ এই প্রণালি দিয়ে পরিবহন করা হয়। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানে হামলা চালালে কার্যত প্রণালিটি বন্ধ করে দেয় তেহরান। এর ফলে সরবরাহ কমে বিশ্বব্যাপী জ্বালানির দাম ব্যাপকহারে বৃদ্ধি পায়।
সূত্র: রয়টার্স

নতুন তেল পাইপলাইন বানাচ্ছে আমিরাত
সিটিজেন ডেস্ক

ফুজাইরা বন্দরের মাধ্যমে তেল রপ্তানি ক্ষমতা দ্বিগুণ করতে একটি নতুন পাইপলাইনের নির্মাণকাজ দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই)। এর মাধ্যমে হরমুজ প্রণালির ওপর নির্ভরতা অনেকটাই কমবে। ২০২৭ সালে এটি চালু হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
শুক্রবার (১৫ মে) বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, আবুধাবির ক্রাউন প্রিন্স শেখ খালেদ বিন মোহাম্মদ বিন জায়েদ এক বৈঠকে আবুধাবি ন্যাশনাল অয়েল কোম্পানিকে (এডনক) ওয়েস্ট-ইস্ট পাইপলাইন প্রকল্পের কাজ দ্রুত শেষ করার নির্দেশ দিয়েছেন। বর্তমানে পাইপলাইনটির নির্মাণকাজ চলছে।
বর্তমানে আমিরাতে চলমান আবুধাবি ক্রুড অয়েল পাইপলাইন (এডিসিওপি) প্রতিদিন সর্বোচ্চ ১৮ লাখ ব্যারেল তেল পরিবহন করতে পারে। ওমান উপসাগরীয় উপকূল দিয়ে সরাসরি তেল রপ্তানির ক্ষেত্রে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
উপসাগরীয় অঞ্চলে সৌদি আরব ও আরব আমিরাত এই দুটি দেশ হরমুজ প্রণালির বাইরে পাইপলাইনের মাধ্যমে অপরিশোধিত তেল রপ্তানি করতে পারে।
ইরান ও ওমানের মধ্যবর্তী হরমুজ প্রণালি বিশ্ব জ্বালানি পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ। বিশ্ব জ্বালানি পরিবহনের ২০ শতাংশ এই প্রণালি দিয়ে পরিবহন করা হয়। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানে হামলা চালালে কার্যত প্রণালিটি বন্ধ করে দেয় তেহরান। এর ফলে সরবরাহ কমে বিশ্বব্যাপী জ্বালানির দাম ব্যাপকহারে বৃদ্ধি পায়।
সূত্র: রয়টার্স

ইসরায়েলের ওপর ক্ষুব্ধ আমিরাত


