‘নেতানিয়াহু নিহত বা আহত’ জানিয়ে ৫ ইঙ্গিত ইরানি গণমাধ্যমের

‘নেতানিয়াহু নিহত বা আহত’ জানিয়ে ৫ ইঙ্গিত ইরানি গণমাধ্যমের
সিটিজেন ডেস্ক

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু নিহত বা আহত হয়েছেন– এমন গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে। ইরানের তাসনিম নিউজ এজেন্সির এক প্রতিবেদনে এমন দাবি করা হয়েছে। এ বিষয়ে হিব্রু ভাষার সূত্রগুলিতে জল্পনা বাড়ছে।
এই জল্পনার পেছনে কয়েকটি কারণ উল্লেখ করা হচ্ছে–
নেতানিয়াহুর ব্যক্তিগত চ্যানেলে সর্বশেষ ভিডিও প্রকাশের পর প্রায় তিন দিন কেটে গেছে এবং তার নতুন কোনো ছবি প্রকাশেরও প্রায় চার দিন হয়ে গেছে। এরপর তার নামে যেসব বিবৃতি প্রকাশিত হয়েছে, সেগুলো কেবল লিখিত আকারে এসেছে।
এর আগে প্রায় প্রতিদিনই নেতানিয়াহুর অন্তত একটি ভিডিও, কখনো কখনো তিনটি পর্যন্ত ভিডিও প্রকাশিত হতো। কিন্তু গত তিন দিনে একটি ভিডিওও প্রকাশ না হওয়ায় জল্পনা আরও বেড়েছে।
কয়েকটি হিব্রু সূত্র জানিয়েছে, ৮ মার্চ নেতানিয়াহুর বাসভবনের নিরাপত্তা বেষ্টনী আরও জোরদার করা হয়েছে, বিশেষ করে সম্ভাব্য আত্মঘাতী ড্রোন হামলার আশঙ্কায়।
যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার এবং বিশেষ প্রতিনিধি স্টিভ উইটকফের আজ মঙ্গলবার (১০ মার্চ) ইসরায়েল সফরের পরিকল্পনা বাতিল করা হয়েছে। এটিও এই পরিস্থিতির সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁর সঙ্গে নেতানিয়াহুর কথিত টেলিফোন আলাপের বিষয়ে এলিসি প্যালেস নির্দিষ্ট তারিখ উল্লেখ করেনি; শুধু ওই কথোপকথনের লিখিত বিবরণ প্রকাশ করা হয়েছে।
তাসনিম নিউজ তাদের প্রতিবেদনে সাবেক মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা স্কট রিটারের একটি দাবির উদ্ধৃতি দিয়েছে। তার বরাত দিয়ে রুশ গণমাধ্যমে দাবি করা হয়, ইরান নেতানিয়াহুর গোপন আস্তানায় বোমা হামলা চালিয়েছে এবং এতে তার ভাই নিহত হয়েছেন।
ইসরায়েলি কর্মকর্তারা অবশ্য সরাসরি এই প্রতিবেদনের প্রতিক্রিয়া দেননি। তবে ঘনিষ্ঠ সূত্রের বরাত দিয়ে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম জেরুজালেম পোস্টের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী তাঁর দাপ্তরিক কাজকর্ম চালিয়ে যাচ্ছেন এবং নিরাপত্তাজনিত কারণেই তার গতিবিধি কিছুটা গোপনীয় রাখা হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইরান ও ইসরায়েলের এই সরাসরি যুদ্ধের সময় এ ধরনের গুজব ছড়িয়ে দেওয়া একধরনের মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধ।
সূত্র: তাসনিম নিউজ

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু নিহত বা আহত হয়েছেন– এমন গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে। ইরানের তাসনিম নিউজ এজেন্সির এক প্রতিবেদনে এমন দাবি করা হয়েছে। এ বিষয়ে হিব্রু ভাষার সূত্রগুলিতে জল্পনা বাড়ছে।
এই জল্পনার পেছনে কয়েকটি কারণ উল্লেখ করা হচ্ছে–
নেতানিয়াহুর ব্যক্তিগত চ্যানেলে সর্বশেষ ভিডিও প্রকাশের পর প্রায় তিন দিন কেটে গেছে এবং তার নতুন কোনো ছবি প্রকাশেরও প্রায় চার দিন হয়ে গেছে। এরপর তার নামে যেসব বিবৃতি প্রকাশিত হয়েছে, সেগুলো কেবল লিখিত আকারে এসেছে।
এর আগে প্রায় প্রতিদিনই নেতানিয়াহুর অন্তত একটি ভিডিও, কখনো কখনো তিনটি পর্যন্ত ভিডিও প্রকাশিত হতো। কিন্তু গত তিন দিনে একটি ভিডিওও প্রকাশ না হওয়ায় জল্পনা আরও বেড়েছে।
কয়েকটি হিব্রু সূত্র জানিয়েছে, ৮ মার্চ নেতানিয়াহুর বাসভবনের নিরাপত্তা বেষ্টনী আরও জোরদার করা হয়েছে, বিশেষ করে সম্ভাব্য আত্মঘাতী ড্রোন হামলার আশঙ্কায়।
যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার এবং বিশেষ প্রতিনিধি স্টিভ উইটকফের আজ মঙ্গলবার (১০ মার্চ) ইসরায়েল সফরের পরিকল্পনা বাতিল করা হয়েছে। এটিও এই পরিস্থিতির সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁর সঙ্গে নেতানিয়াহুর কথিত টেলিফোন আলাপের বিষয়ে এলিসি প্যালেস নির্দিষ্ট তারিখ উল্লেখ করেনি; শুধু ওই কথোপকথনের লিখিত বিবরণ প্রকাশ করা হয়েছে।
তাসনিম নিউজ তাদের প্রতিবেদনে সাবেক মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা স্কট রিটারের একটি দাবির উদ্ধৃতি দিয়েছে। তার বরাত দিয়ে রুশ গণমাধ্যমে দাবি করা হয়, ইরান নেতানিয়াহুর গোপন আস্তানায় বোমা হামলা চালিয়েছে এবং এতে তার ভাই নিহত হয়েছেন।
ইসরায়েলি কর্মকর্তারা অবশ্য সরাসরি এই প্রতিবেদনের প্রতিক্রিয়া দেননি। তবে ঘনিষ্ঠ সূত্রের বরাত দিয়ে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম জেরুজালেম পোস্টের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী তাঁর দাপ্তরিক কাজকর্ম চালিয়ে যাচ্ছেন এবং নিরাপত্তাজনিত কারণেই তার গতিবিধি কিছুটা গোপনীয় রাখা হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইরান ও ইসরায়েলের এই সরাসরি যুদ্ধের সময় এ ধরনের গুজব ছড়িয়ে দেওয়া একধরনের মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধ।
সূত্র: তাসনিম নিউজ

‘নেতানিয়াহু নিহত বা আহত’ জানিয়ে ৫ ইঙ্গিত ইরানি গণমাধ্যমের
সিটিজেন ডেস্ক

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু নিহত বা আহত হয়েছেন– এমন গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে। ইরানের তাসনিম নিউজ এজেন্সির এক প্রতিবেদনে এমন দাবি করা হয়েছে। এ বিষয়ে হিব্রু ভাষার সূত্রগুলিতে জল্পনা বাড়ছে।
এই জল্পনার পেছনে কয়েকটি কারণ উল্লেখ করা হচ্ছে–
নেতানিয়াহুর ব্যক্তিগত চ্যানেলে সর্বশেষ ভিডিও প্রকাশের পর প্রায় তিন দিন কেটে গেছে এবং তার নতুন কোনো ছবি প্রকাশেরও প্রায় চার দিন হয়ে গেছে। এরপর তার নামে যেসব বিবৃতি প্রকাশিত হয়েছে, সেগুলো কেবল লিখিত আকারে এসেছে।
এর আগে প্রায় প্রতিদিনই নেতানিয়াহুর অন্তত একটি ভিডিও, কখনো কখনো তিনটি পর্যন্ত ভিডিও প্রকাশিত হতো। কিন্তু গত তিন দিনে একটি ভিডিওও প্রকাশ না হওয়ায় জল্পনা আরও বেড়েছে।
কয়েকটি হিব্রু সূত্র জানিয়েছে, ৮ মার্চ নেতানিয়াহুর বাসভবনের নিরাপত্তা বেষ্টনী আরও জোরদার করা হয়েছে, বিশেষ করে সম্ভাব্য আত্মঘাতী ড্রোন হামলার আশঙ্কায়।
যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার এবং বিশেষ প্রতিনিধি স্টিভ উইটকফের আজ মঙ্গলবার (১০ মার্চ) ইসরায়েল সফরের পরিকল্পনা বাতিল করা হয়েছে। এটিও এই পরিস্থিতির সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁর সঙ্গে নেতানিয়াহুর কথিত টেলিফোন আলাপের বিষয়ে এলিসি প্যালেস নির্দিষ্ট তারিখ উল্লেখ করেনি; শুধু ওই কথোপকথনের লিখিত বিবরণ প্রকাশ করা হয়েছে।
তাসনিম নিউজ তাদের প্রতিবেদনে সাবেক মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা স্কট রিটারের একটি দাবির উদ্ধৃতি দিয়েছে। তার বরাত দিয়ে রুশ গণমাধ্যমে দাবি করা হয়, ইরান নেতানিয়াহুর গোপন আস্তানায় বোমা হামলা চালিয়েছে এবং এতে তার ভাই নিহত হয়েছেন।
ইসরায়েলি কর্মকর্তারা অবশ্য সরাসরি এই প্রতিবেদনের প্রতিক্রিয়া দেননি। তবে ঘনিষ্ঠ সূত্রের বরাত দিয়ে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম জেরুজালেম পোস্টের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী তাঁর দাপ্তরিক কাজকর্ম চালিয়ে যাচ্ছেন এবং নিরাপত্তাজনিত কারণেই তার গতিবিধি কিছুটা গোপনীয় রাখা হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইরান ও ইসরায়েলের এই সরাসরি যুদ্ধের সময় এ ধরনের গুজব ছড়িয়ে দেওয়া একধরনের মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধ।
সূত্র: তাসনিম নিউজ




