রাইড শেয়ার বাইকে মিলবে ৫ লিটার তেল

রাইড শেয়ার বাইকে মিলবে ৫ লিটার তেল
নিজস্ব প্রতিবেদক

মোটরসাইকেল রাইড শেয়ার করা চালকদের জন্য স্বস্তির খবর দিয়েছে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ। এখন থেকে মহানগরীতে তারা দৈনিক সর্বোচ্চ ৫ লিটার জ্বালানি তেল সংগ্রহ করতে পারবেন।
সোমবার (১০ মার্চ) বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের (বিপিসি) সচিব শাহিনা সুলতানা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছেন।
মধ্যপ্রাচ্যে ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের কারণে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি তেলের বাজারে অস্তিরতা বিরাজ করছে। এ অবস্থায় রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় জ্বালানি তেলের জন্য পাম্পগুলোতে দীর্ঘ লাইনের কারণে বিপাকে পড়েন রাইড শেয়ারিং চালকরা। তেলের জন্য পাম্পে দীর্ঘ লাইন শেষে তারা ২ লিটারের একটু বেশি তেল পেয়েছেন।
দেশের জনগণের ভয় বা আতঙ্ক কমানোর লক্ষ্যে বিপিসি জানিয়েছে, দেশে জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে বিদেশ থেকে আমদানি কার্যক্রম নির্ধারিত রয়েছে এবং নিয়মিতভাবে তা দেশে আনা হচ্ছে। পাশাপাশি বিপিসির প্রধান স্থাপনা থেকে সারাদেশের সব ডিপোতে রেল ও সড়কপথে ডিলারদের কাছে পাঠানো হচ্ছে।
জ্বালানি তেল সরবরাহ বা গ্রহণের ক্ষেত্রে যেসব শর্ত মানতে হবে–
- ফিলিং স্টেশন থেকে জ্বালানি তেল নেওয়ার সময় মোটরসাইকেল রাইড শেয়ার চালককে অবশ্যই তেলের ধরণ, পরিমাণ ও মূল্য উল্লেখ করে ক্রয় রশিদ দিতে হবে।
- ফিলিং স্টেশন থেকে প্রতিবার জ্বালানি তেল নেওয়ার সময় আগের ক্রয় রশিদ বা বিলের মূল কপি জমা দিতে হবে।
- মোটর সাইকেলের রেজিস্ট্রেশন নম্বর এবং চালকের সব তথ্য রাইড শেয়ারিং অ্যাপসের সঙ্গে যাচাই করে জ্বালানি তেল সরবরাহ করতে হবে।
বিপিসি আরও জানায়, দেশে সরকার নির্ধারিত মূল্যে জ্বালানি তেল বেচাকেনার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সংকটের অজুহাতে অতিরিক্ত মূল্য আদায় আইনগত অপরাধ। তা ছাড়া, দেশে জ্বালানি তেলের মূল্যে প্রতি মাসের শুরুতে সরকার নির্ধারণ করে দেয়। বর্তমান সংকটময় পরিস্থিতিতে দেশে জ্বালানি তেলের মূল্য বাড়ানোর বিষয়ে সরকার এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি।

মোটরসাইকেল রাইড শেয়ার করা চালকদের জন্য স্বস্তির খবর দিয়েছে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ। এখন থেকে মহানগরীতে তারা দৈনিক সর্বোচ্চ ৫ লিটার জ্বালানি তেল সংগ্রহ করতে পারবেন।
সোমবার (১০ মার্চ) বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের (বিপিসি) সচিব শাহিনা সুলতানা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছেন।
মধ্যপ্রাচ্যে ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের কারণে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি তেলের বাজারে অস্তিরতা বিরাজ করছে। এ অবস্থায় রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় জ্বালানি তেলের জন্য পাম্পগুলোতে দীর্ঘ লাইনের কারণে বিপাকে পড়েন রাইড শেয়ারিং চালকরা। তেলের জন্য পাম্পে দীর্ঘ লাইন শেষে তারা ২ লিটারের একটু বেশি তেল পেয়েছেন।
দেশের জনগণের ভয় বা আতঙ্ক কমানোর লক্ষ্যে বিপিসি জানিয়েছে, দেশে জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে বিদেশ থেকে আমদানি কার্যক্রম নির্ধারিত রয়েছে এবং নিয়মিতভাবে তা দেশে আনা হচ্ছে। পাশাপাশি বিপিসির প্রধান স্থাপনা থেকে সারাদেশের সব ডিপোতে রেল ও সড়কপথে ডিলারদের কাছে পাঠানো হচ্ছে।
জ্বালানি তেল সরবরাহ বা গ্রহণের ক্ষেত্রে যেসব শর্ত মানতে হবে–
- ফিলিং স্টেশন থেকে জ্বালানি তেল নেওয়ার সময় মোটরসাইকেল রাইড শেয়ার চালককে অবশ্যই তেলের ধরণ, পরিমাণ ও মূল্য উল্লেখ করে ক্রয় রশিদ দিতে হবে।
- ফিলিং স্টেশন থেকে প্রতিবার জ্বালানি তেল নেওয়ার সময় আগের ক্রয় রশিদ বা বিলের মূল কপি জমা দিতে হবে।
- মোটর সাইকেলের রেজিস্ট্রেশন নম্বর এবং চালকের সব তথ্য রাইড শেয়ারিং অ্যাপসের সঙ্গে যাচাই করে জ্বালানি তেল সরবরাহ করতে হবে।
বিপিসি আরও জানায়, দেশে সরকার নির্ধারিত মূল্যে জ্বালানি তেল বেচাকেনার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সংকটের অজুহাতে অতিরিক্ত মূল্য আদায় আইনগত অপরাধ। তা ছাড়া, দেশে জ্বালানি তেলের মূল্যে প্রতি মাসের শুরুতে সরকার নির্ধারণ করে দেয়। বর্তমান সংকটময় পরিস্থিতিতে দেশে জ্বালানি তেলের মূল্য বাড়ানোর বিষয়ে সরকার এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি।

রাইড শেয়ার বাইকে মিলবে ৫ লিটার তেল
নিজস্ব প্রতিবেদক

মোটরসাইকেল রাইড শেয়ার করা চালকদের জন্য স্বস্তির খবর দিয়েছে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ। এখন থেকে মহানগরীতে তারা দৈনিক সর্বোচ্চ ৫ লিটার জ্বালানি তেল সংগ্রহ করতে পারবেন।
সোমবার (১০ মার্চ) বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের (বিপিসি) সচিব শাহিনা সুলতানা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছেন।
মধ্যপ্রাচ্যে ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের কারণে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি তেলের বাজারে অস্তিরতা বিরাজ করছে। এ অবস্থায় রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় জ্বালানি তেলের জন্য পাম্পগুলোতে দীর্ঘ লাইনের কারণে বিপাকে পড়েন রাইড শেয়ারিং চালকরা। তেলের জন্য পাম্পে দীর্ঘ লাইন শেষে তারা ২ লিটারের একটু বেশি তেল পেয়েছেন।
দেশের জনগণের ভয় বা আতঙ্ক কমানোর লক্ষ্যে বিপিসি জানিয়েছে, দেশে জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে বিদেশ থেকে আমদানি কার্যক্রম নির্ধারিত রয়েছে এবং নিয়মিতভাবে তা দেশে আনা হচ্ছে। পাশাপাশি বিপিসির প্রধান স্থাপনা থেকে সারাদেশের সব ডিপোতে রেল ও সড়কপথে ডিলারদের কাছে পাঠানো হচ্ছে।
জ্বালানি তেল সরবরাহ বা গ্রহণের ক্ষেত্রে যেসব শর্ত মানতে হবে–
- ফিলিং স্টেশন থেকে জ্বালানি তেল নেওয়ার সময় মোটরসাইকেল রাইড শেয়ার চালককে অবশ্যই তেলের ধরণ, পরিমাণ ও মূল্য উল্লেখ করে ক্রয় রশিদ দিতে হবে।
- ফিলিং স্টেশন থেকে প্রতিবার জ্বালানি তেল নেওয়ার সময় আগের ক্রয় রশিদ বা বিলের মূল কপি জমা দিতে হবে।
- মোটর সাইকেলের রেজিস্ট্রেশন নম্বর এবং চালকের সব তথ্য রাইড শেয়ারিং অ্যাপসের সঙ্গে যাচাই করে জ্বালানি তেল সরবরাহ করতে হবে।
বিপিসি আরও জানায়, দেশে সরকার নির্ধারিত মূল্যে জ্বালানি তেল বেচাকেনার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সংকটের অজুহাতে অতিরিক্ত মূল্য আদায় আইনগত অপরাধ। তা ছাড়া, দেশে জ্বালানি তেলের মূল্যে প্রতি মাসের শুরুতে সরকার নির্ধারণ করে দেয়। বর্তমান সংকটময় পরিস্থিতিতে দেশে জ্বালানি তেলের মূল্য বাড়ানোর বিষয়ে সরকার এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি।




