ইইউ’র নিষেধাজ্ঞা মানছে না ইসরায়েলি দখলদারেরা

ইইউ’র নিষেধাজ্ঞা মানছে না ইসরায়েলি দখলদারেরা
সিটিজেন ডেস্ক

অধিকৃত পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের ওপর সহিংসতা ও অবৈধ বসতি সম্প্রসারণ রোধে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সাম্প্রতিক নিষেধাজ্ঞা কোনো প্রভাব ফেলতে পারেনি। এটিকে সম্মানের ব্যাজ হিসেবে দেখছেন কট্টরপন্থী ইসরায়েলি নেতারা। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের এ পদক্ষেপকে সংশ্লিষ্ট বসতি স্থাপনকারী গোষ্ঠীগুলো সম্পূর্ণ গুরুত্বহীন বলে উড়িয়ে দেওয়ায় ওই অঞ্চলে ফিলিস্তিনিদের নিরাপত্তা ও ভূখণ্ড রক্ষা নিয়ে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। মানবাধিকারকর্মীদের মতে, ইইউর এ নিষেধাজ্ঞাগুলো পশ্চিম তীরে চলমান সহিংসতার প্রকৃত ভয়াবহতা কিংবা এর পেছনে ইসরায়েলি রাষ্ট্রের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সম্পৃক্ততাকে সঠিকভাবে ফুটিয়ে তুলতে ব্যর্থ হয়েছে। মূলত ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে এ ভূখণ্ডে ফিলিস্তিনিদের ওপর হামলা, অগ্নিসংযোগ, জমি দখল ও উচ্ছেদের ঘটনা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। বিভিন্ন অধিকার সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, এসব হামলায় বিপুল সংখ্যক ফিলিস্তিনি হতাহত হওয়ার পাশাপাশি হাজার হাজার মানুষ নিজেদের ঘরবাড়ি হারিয়ে বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।
সমালোচকেরা অভিযোগ করেছেন, ইসরায়েলি সরকারের নীতি এবং নিরাপত্তা বাহিনীর নীরব সমর্থনের কারণেই এ বসতি স্থাপনকারীরা কোনো শাস্তির তোয়াক্কা না করে পার পেয়ে যাচ্ছে, যা সেখানে এক চরম দায়মুক্তির সংস্কৃতি তৈরি করেছে। এমন পরিস্থিতিতে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বর্তমান আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞাগুলো কেবলই প্রতীকী রাজনৈতিক অবস্থান। পশ্চিম তীরে এ সহিংসতা ও অবৈধ দখলদারিত্ব থামাতে হলে কেবল কাগুজে নিষেধাজ্ঞা নয়, বরং ইসরায়েলের ওপর আরও কঠোর ও কার্যকর আন্তর্জাতিক চাপ প্রয়োগ করা জরুরি।
সূত্র: আল জাজিরা

অধিকৃত পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের ওপর সহিংসতা ও অবৈধ বসতি সম্প্রসারণ রোধে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সাম্প্রতিক নিষেধাজ্ঞা কোনো প্রভাব ফেলতে পারেনি। এটিকে সম্মানের ব্যাজ হিসেবে দেখছেন কট্টরপন্থী ইসরায়েলি নেতারা। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের এ পদক্ষেপকে সংশ্লিষ্ট বসতি স্থাপনকারী গোষ্ঠীগুলো সম্পূর্ণ গুরুত্বহীন বলে উড়িয়ে দেওয়ায় ওই অঞ্চলে ফিলিস্তিনিদের নিরাপত্তা ও ভূখণ্ড রক্ষা নিয়ে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। মানবাধিকারকর্মীদের মতে, ইইউর এ নিষেধাজ্ঞাগুলো পশ্চিম তীরে চলমান সহিংসতার প্রকৃত ভয়াবহতা কিংবা এর পেছনে ইসরায়েলি রাষ্ট্রের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সম্পৃক্ততাকে সঠিকভাবে ফুটিয়ে তুলতে ব্যর্থ হয়েছে। মূলত ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে এ ভূখণ্ডে ফিলিস্তিনিদের ওপর হামলা, অগ্নিসংযোগ, জমি দখল ও উচ্ছেদের ঘটনা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। বিভিন্ন অধিকার সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, এসব হামলায় বিপুল সংখ্যক ফিলিস্তিনি হতাহত হওয়ার পাশাপাশি হাজার হাজার মানুষ নিজেদের ঘরবাড়ি হারিয়ে বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।
সমালোচকেরা অভিযোগ করেছেন, ইসরায়েলি সরকারের নীতি এবং নিরাপত্তা বাহিনীর নীরব সমর্থনের কারণেই এ বসতি স্থাপনকারীরা কোনো শাস্তির তোয়াক্কা না করে পার পেয়ে যাচ্ছে, যা সেখানে এক চরম দায়মুক্তির সংস্কৃতি তৈরি করেছে। এমন পরিস্থিতিতে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বর্তমান আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞাগুলো কেবলই প্রতীকী রাজনৈতিক অবস্থান। পশ্চিম তীরে এ সহিংসতা ও অবৈধ দখলদারিত্ব থামাতে হলে কেবল কাগুজে নিষেধাজ্ঞা নয়, বরং ইসরায়েলের ওপর আরও কঠোর ও কার্যকর আন্তর্জাতিক চাপ প্রয়োগ করা জরুরি।
সূত্র: আল জাজিরা

ইইউ’র নিষেধাজ্ঞা মানছে না ইসরায়েলি দখলদারেরা
সিটিজেন ডেস্ক

অধিকৃত পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের ওপর সহিংসতা ও অবৈধ বসতি সম্প্রসারণ রোধে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সাম্প্রতিক নিষেধাজ্ঞা কোনো প্রভাব ফেলতে পারেনি। এটিকে সম্মানের ব্যাজ হিসেবে দেখছেন কট্টরপন্থী ইসরায়েলি নেতারা। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের এ পদক্ষেপকে সংশ্লিষ্ট বসতি স্থাপনকারী গোষ্ঠীগুলো সম্পূর্ণ গুরুত্বহীন বলে উড়িয়ে দেওয়ায় ওই অঞ্চলে ফিলিস্তিনিদের নিরাপত্তা ও ভূখণ্ড রক্ষা নিয়ে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। মানবাধিকারকর্মীদের মতে, ইইউর এ নিষেধাজ্ঞাগুলো পশ্চিম তীরে চলমান সহিংসতার প্রকৃত ভয়াবহতা কিংবা এর পেছনে ইসরায়েলি রাষ্ট্রের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সম্পৃক্ততাকে সঠিকভাবে ফুটিয়ে তুলতে ব্যর্থ হয়েছে। মূলত ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে এ ভূখণ্ডে ফিলিস্তিনিদের ওপর হামলা, অগ্নিসংযোগ, জমি দখল ও উচ্ছেদের ঘটনা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। বিভিন্ন অধিকার সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, এসব হামলায় বিপুল সংখ্যক ফিলিস্তিনি হতাহত হওয়ার পাশাপাশি হাজার হাজার মানুষ নিজেদের ঘরবাড়ি হারিয়ে বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।
সমালোচকেরা অভিযোগ করেছেন, ইসরায়েলি সরকারের নীতি এবং নিরাপত্তা বাহিনীর নীরব সমর্থনের কারণেই এ বসতি স্থাপনকারীরা কোনো শাস্তির তোয়াক্কা না করে পার পেয়ে যাচ্ছে, যা সেখানে এক চরম দায়মুক্তির সংস্কৃতি তৈরি করেছে। এমন পরিস্থিতিতে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বর্তমান আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞাগুলো কেবলই প্রতীকী রাজনৈতিক অবস্থান। পশ্চিম তীরে এ সহিংসতা ও অবৈধ দখলদারিত্ব থামাতে হলে কেবল কাগুজে নিষেধাজ্ঞা নয়, বরং ইসরায়েলের ওপর আরও কঠোর ও কার্যকর আন্তর্জাতিক চাপ প্রয়োগ করা জরুরি।
সূত্র: আল জাজিরা

গাজায় ইসরায়েলের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নারী-শিশুসহ নিহত ৫

