ইসরায়েলি হামলায় লেবাননে শিশুসহ নিহত ১০

ইসরায়েলি হামলায় লেবাননে শিশুসহ নিহত ১০
সিটিজেন ডেস্ক

মার্কিন মধ্যস্থতায় হওয়া ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতিকে চরম হুমকির মুখে ফেলে গত ২৪ ঘণ্টায় লেবাননের বিভিন্ন স্থানে ভয়াবহ বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। এ হামলায় ৬ জন স্বাস্থ্যকর্মী ও এক শিশুসহ অন্তত ১০ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। আন্তর্জাতিক আইনের প্রকাশ্য লঙ্ঘন উল্লেখ করে এ প্রাণঘাতী ও ধ্বংসাত্মক হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর টায়ারের কাছে একটি ভবনে এবং শহরের ভেতরে আরও একটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনার কথা জানিয়েছেন এএফপির এক সংবাদদাতা। এর আগে লাউডস্পিকার ব্যবহার করে ওই এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদে সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ। মূলত টায়ারের দুটি এলাকা এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় গ্রাম বুর্জ রাহালে হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে অভিযানের কথা বলে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী আগেই এই উচ্ছেদের সতর্কতা জারি করেছিল। এছাড়া শুক্রবার (২২ মে) মধ্যরাতে ব্রিটালের কাছে নাবি স্রিজ পাহাড়ি এলাকায় ৫টি ইসরায়েলি বিমান হামলার খবর জানিয়েছে রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ন্যাশনাল নিউজ এজেন্সি। হিজবুল্লাহর সাথে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে এ এলাকাটি এতদিন হামলার আওতামুক্ত ছিল।
লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাতে দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর হানাওয়েতে ইসরায়েলি হামলায় ইসলামিক হেলথ অ্যাসোসিয়েশনের ৪জন প্যারামেডিক নিহত হন। এরপর শুক্রবার সকালে উপকূলীয় টায়ার প্রদেশের দেইর কানুন এন-নাহরে হামলায় আরও দুজন চিকিৎসা কর্মী এবং এক সিরীয় শিশুসহ মোট ছয়জনের মৃত্যু হয়। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর দাবি, তারা হানাওয়েতে হিজবুল্লাহর অবকাঠামো এবং দেইর কানুন এন-নাহরে মোটরসাইকেল আরোহী দুই হিজবুল্লাহ যোদ্ধাকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। তবে হামলায় লক্ষ্যবস্তুর বাইরে থাকা সাধারণ মানুষ হতাহত হওয়ার বিষয়টি তারা খতিয়ে দেখছে বলে জানিয়েছে। তারা দাবি করেছে, বেসামরিক প্রাণহানি এড়াতে তারা আগেই ওই এলাকার বাসিন্দাদের সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল।
লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২ মার্চ হিজবুল্লাহর সাথে নতুন সংঘাত শুরুর পর থেকে লেবাননে এ পর্যন্ত ৩ হাজার ১০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে ১২৩ জন চিকিৎসা কর্মী, ২১০ জন শিশু এবং প্রায় ৩০০ নারী রয়েছেন। আন্তর্জাতিক মানবিক আইনে চিকিৎসা কর্মী এবং স্বাস্থ্যকেন্দ্রসহ বেসামরিক অবকাঠামো সুরক্ষার কথা বলা হলেও, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে ইসরায়েলি হামলায় দক্ষিণ লেবাননের বেশ কয়েকটি হাসপাতাল ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত অথবা সম্পূর্ণ অকেজো হয়ে পড়েছে।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

মার্কিন মধ্যস্থতায় হওয়া ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতিকে চরম হুমকির মুখে ফেলে গত ২৪ ঘণ্টায় লেবাননের বিভিন্ন স্থানে ভয়াবহ বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। এ হামলায় ৬ জন স্বাস্থ্যকর্মী ও এক শিশুসহ অন্তত ১০ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। আন্তর্জাতিক আইনের প্রকাশ্য লঙ্ঘন উল্লেখ করে এ প্রাণঘাতী ও ধ্বংসাত্মক হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর টায়ারের কাছে একটি ভবনে এবং শহরের ভেতরে আরও একটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনার কথা জানিয়েছেন এএফপির এক সংবাদদাতা। এর আগে লাউডস্পিকার ব্যবহার করে ওই এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদে সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ। মূলত টায়ারের দুটি এলাকা এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় গ্রাম বুর্জ রাহালে হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে অভিযানের কথা বলে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী আগেই এই উচ্ছেদের সতর্কতা জারি করেছিল। এছাড়া শুক্রবার (২২ মে) মধ্যরাতে ব্রিটালের কাছে নাবি স্রিজ পাহাড়ি এলাকায় ৫টি ইসরায়েলি বিমান হামলার খবর জানিয়েছে রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ন্যাশনাল নিউজ এজেন্সি। হিজবুল্লাহর সাথে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে এ এলাকাটি এতদিন হামলার আওতামুক্ত ছিল।
লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাতে দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর হানাওয়েতে ইসরায়েলি হামলায় ইসলামিক হেলথ অ্যাসোসিয়েশনের ৪জন প্যারামেডিক নিহত হন। এরপর শুক্রবার সকালে উপকূলীয় টায়ার প্রদেশের দেইর কানুন এন-নাহরে হামলায় আরও দুজন চিকিৎসা কর্মী এবং এক সিরীয় শিশুসহ মোট ছয়জনের মৃত্যু হয়। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর দাবি, তারা হানাওয়েতে হিজবুল্লাহর অবকাঠামো এবং দেইর কানুন এন-নাহরে মোটরসাইকেল আরোহী দুই হিজবুল্লাহ যোদ্ধাকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। তবে হামলায় লক্ষ্যবস্তুর বাইরে থাকা সাধারণ মানুষ হতাহত হওয়ার বিষয়টি তারা খতিয়ে দেখছে বলে জানিয়েছে। তারা দাবি করেছে, বেসামরিক প্রাণহানি এড়াতে তারা আগেই ওই এলাকার বাসিন্দাদের সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল।
লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২ মার্চ হিজবুল্লাহর সাথে নতুন সংঘাত শুরুর পর থেকে লেবাননে এ পর্যন্ত ৩ হাজার ১০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে ১২৩ জন চিকিৎসা কর্মী, ২১০ জন শিশু এবং প্রায় ৩০০ নারী রয়েছেন। আন্তর্জাতিক মানবিক আইনে চিকিৎসা কর্মী এবং স্বাস্থ্যকেন্দ্রসহ বেসামরিক অবকাঠামো সুরক্ষার কথা বলা হলেও, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে ইসরায়েলি হামলায় দক্ষিণ লেবাননের বেশ কয়েকটি হাসপাতাল ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত অথবা সম্পূর্ণ অকেজো হয়ে পড়েছে।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

ইসরায়েলি হামলায় লেবাননে শিশুসহ নিহত ১০
সিটিজেন ডেস্ক

মার্কিন মধ্যস্থতায় হওয়া ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতিকে চরম হুমকির মুখে ফেলে গত ২৪ ঘণ্টায় লেবাননের বিভিন্ন স্থানে ভয়াবহ বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। এ হামলায় ৬ জন স্বাস্থ্যকর্মী ও এক শিশুসহ অন্তত ১০ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। আন্তর্জাতিক আইনের প্রকাশ্য লঙ্ঘন উল্লেখ করে এ প্রাণঘাতী ও ধ্বংসাত্মক হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর টায়ারের কাছে একটি ভবনে এবং শহরের ভেতরে আরও একটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনার কথা জানিয়েছেন এএফপির এক সংবাদদাতা। এর আগে লাউডস্পিকার ব্যবহার করে ওই এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদে সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ। মূলত টায়ারের দুটি এলাকা এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় গ্রাম বুর্জ রাহালে হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে অভিযানের কথা বলে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী আগেই এই উচ্ছেদের সতর্কতা জারি করেছিল। এছাড়া শুক্রবার (২২ মে) মধ্যরাতে ব্রিটালের কাছে নাবি স্রিজ পাহাড়ি এলাকায় ৫টি ইসরায়েলি বিমান হামলার খবর জানিয়েছে রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ন্যাশনাল নিউজ এজেন্সি। হিজবুল্লাহর সাথে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে এ এলাকাটি এতদিন হামলার আওতামুক্ত ছিল।
লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাতে দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর হানাওয়েতে ইসরায়েলি হামলায় ইসলামিক হেলথ অ্যাসোসিয়েশনের ৪জন প্যারামেডিক নিহত হন। এরপর শুক্রবার সকালে উপকূলীয় টায়ার প্রদেশের দেইর কানুন এন-নাহরে হামলায় আরও দুজন চিকিৎসা কর্মী এবং এক সিরীয় শিশুসহ মোট ছয়জনের মৃত্যু হয়। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর দাবি, তারা হানাওয়েতে হিজবুল্লাহর অবকাঠামো এবং দেইর কানুন এন-নাহরে মোটরসাইকেল আরোহী দুই হিজবুল্লাহ যোদ্ধাকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। তবে হামলায় লক্ষ্যবস্তুর বাইরে থাকা সাধারণ মানুষ হতাহত হওয়ার বিষয়টি তারা খতিয়ে দেখছে বলে জানিয়েছে। তারা দাবি করেছে, বেসামরিক প্রাণহানি এড়াতে তারা আগেই ওই এলাকার বাসিন্দাদের সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল।
লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২ মার্চ হিজবুল্লাহর সাথে নতুন সংঘাত শুরুর পর থেকে লেবাননে এ পর্যন্ত ৩ হাজার ১০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে ১২৩ জন চিকিৎসা কর্মী, ২১০ জন শিশু এবং প্রায় ৩০০ নারী রয়েছেন। আন্তর্জাতিক মানবিক আইনে চিকিৎসা কর্মী এবং স্বাস্থ্যকেন্দ্রসহ বেসামরিক অবকাঠামো সুরক্ষার কথা বলা হলেও, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে ইসরায়েলি হামলায় দক্ষিণ লেবাননের বেশ কয়েকটি হাসপাতাল ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত অথবা সম্পূর্ণ অকেজো হয়ে পড়েছে।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় নিহত ১৫


