ফ্লোটিলার শত শত অধিকারকর্মীকে ফেরত পাঠালো ইসরায়েল

ফ্লোটিলার শত শত অধিকারকর্মীকে ফেরত পাঠালো ইসরায়েল
সিটিজেন ডেস্ক

গাজামুখী গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা নৌবহরের আটক শত শত অধিকারকর্মীকে ফেরত পাঠিয়েছে ইসরায়েল। দেশটি গাজায় ত্রাণ পৌঁছে দিতে যাওয়া নৌবহরে হামলা চালিয়ে তাদের অপহরণ করে। এরপর তাদের সঙ্গে অমানবিক আচরণ করার কারণে বিশ্বব্যাপী ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়। এমন পরিস্থিতিতে এই সিদ্ধান্ত নিলো দেশটি।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার দিনভর ফ্লোটিলার বহু অধিকারকর্মী তুরস্কের ইস্তাম্বুল বিমানবন্দরে পৌঁছেছেন। এ সময় তাদের অনেকেই ফিলিস্তিনি কেফিয়াহ গলায় জড়িয়ে শান্তির প্রতীক হিসেবে আঙুল তুলে ধরেন। ফিলিস্তিনি পতাকা হাতে শত শত সমর্থক তাদের স্বাগত জানান।
একটি বিশেষ ফ্লাইটে ইসরায়েল থেকে মোট ৪২২ জনকে সরিয়ে নিয়েছে আঙ্কারা। তাদের মধ্যে ৮৫ জন তুরস্কের নাগরিক রয়েছেন। বর্তমানে তাদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
অন্যদিকে ফ্রান্সের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই দলে ৩৭ জন ফরাসি নাগরিক ছিলেন। কয়েকজন স্প্যানিশ অধিকারকর্মীও এদিন সন্ধ্যায় তুরস্ক হয়ে মাদ্রিদে পৌঁছান। জর্ডান জানিয়েছে, তাদের দুই নাগরিক ইসরায়েলের সঙ্গে দক্ষিণ সীমান্তপথ দিয়ে দেশে ফিরেছেন।
এর আগে ইসরায়েলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ওরেন মারমোরস্টেইন বলেছিলেন, প্রচারমূলক এই নৌবহরের সব বিদেশি কর্মীকে ফেরত পাঠানো হয়েছে। গাজার ওপর বৈধ নৌ অবরোধ ভঙ্গের কোনো সুযোগ ইসরায়েল দেবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এর আগে ইসরায়েলের কট্টর ডানপন্থী জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রী ইতামার বেন-গভির গাজাগামী ‘গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলার’ আটক কর্মীদের নিয়ে উপহাস করে একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন। ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘ইসরায়েলে স্বাগতম’।
ভিডিওতে আন্তর্জাতিক জলসীমা থেকে ইসরায়েলি বাহিনীর হাতে অপহৃত আন্দোলনকর্মীদেরকে জিপ-টাই দিয়ে বাঁধা অবস্থায় হাঁটু গেড়ে বসে থাকতে দেখা গেছে। সেই সময়ে লাউডস্পিকারে উচ্চস্বরে ইসরায়েলের জাতীয় সঙ্গীত বাজতে থাকে।
ফুটেজে আরও দেখা গেছে, আন্দোলনকর্মীদের হাত বেঁধে সশস্ত্র ইসরায়েলি প্রহরীরা তাদের কপাল মাটিতে ঠেকিয়ে রাখতে বাধ্য করছে।
এ ঘটনায় বিশ্বব্যাপী তীব্র সমালোচনার সৃষ্টি হয়। বিশ্বের একাধিক সরকার মানবাধিকার কর্মীদের প্রতি ইসরায়েলের আচরণের নিন্দা জানিয়েছে। পাশাপাশি এটাকে মানবিক মর্যাদার লঙ্ঘন বলে আখ্যা দিয়েছে। এছাড়া আনুষ্ঠানিক তিরস্কারের জন্য ইসরায়েলি কূটনীতিকদের তলব করে।
প্রথমবারের মতো গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলায় অংশ নিয়েছিলেন ৫৭ বছর বয়সী বেলজিয়ান নাগরিক জুলিয়েন কাবরাল। তিনি যখন ইস্তাম্বুলে পৌঁছান, তখন তার শরীরে আঘাতের চিহ্ন দেখা যায়। তার চোখের নিচে কালশিটে দাগ ও বাঁ কপালে ক্ষত রয়েছে। সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন, তাদের নৌকায় হানা দেওয়ার সময় এক ইসরায়েলি নৌসেনা তাকে ঘুষি মারে।
তিনি অভিযোগ করেন, অধিকারকর্মীদের ওপর অমানবিক অত্যাচার করা হয়েছে। তাদের চড় মেরেছে, গালাগালি করেছে, এমনকি খাবার, পানি ও প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসামগ্রী পাওয়ার জন্য অনুরোধ করতে বাধ্য করেছে। আহতদের চিকিৎসকের কাছে যেতে দেওয়া হয়নি বলেও জানান তিনি।
অধিকারকর্মীদের সঙ্গে আটক হওয়া ইতালীয় সাংবাদিক আলেসান্দ্রো মানতোভানি বলেন, হাতকড়া ও পায়ে শিকল পরিয়ে তাদেরকে বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরে নেওয়া হয়। তারা আমাদের লাথি, ঘুষি মেরেছে। এভাবে অত্যাচার করে বলেছে ‘ইসরায়েলে স্বাগতম’।
সূত্র: আল জাজিরা

গাজামুখী গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা নৌবহরের আটক শত শত অধিকারকর্মীকে ফেরত পাঠিয়েছে ইসরায়েল। দেশটি গাজায় ত্রাণ পৌঁছে দিতে যাওয়া নৌবহরে হামলা চালিয়ে তাদের অপহরণ করে। এরপর তাদের সঙ্গে অমানবিক আচরণ করার কারণে বিশ্বব্যাপী ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়। এমন পরিস্থিতিতে এই সিদ্ধান্ত নিলো দেশটি।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার দিনভর ফ্লোটিলার বহু অধিকারকর্মী তুরস্কের ইস্তাম্বুল বিমানবন্দরে পৌঁছেছেন। এ সময় তাদের অনেকেই ফিলিস্তিনি কেফিয়াহ গলায় জড়িয়ে শান্তির প্রতীক হিসেবে আঙুল তুলে ধরেন। ফিলিস্তিনি পতাকা হাতে শত শত সমর্থক তাদের স্বাগত জানান।
একটি বিশেষ ফ্লাইটে ইসরায়েল থেকে মোট ৪২২ জনকে সরিয়ে নিয়েছে আঙ্কারা। তাদের মধ্যে ৮৫ জন তুরস্কের নাগরিক রয়েছেন। বর্তমানে তাদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
অন্যদিকে ফ্রান্সের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই দলে ৩৭ জন ফরাসি নাগরিক ছিলেন। কয়েকজন স্প্যানিশ অধিকারকর্মীও এদিন সন্ধ্যায় তুরস্ক হয়ে মাদ্রিদে পৌঁছান। জর্ডান জানিয়েছে, তাদের দুই নাগরিক ইসরায়েলের সঙ্গে দক্ষিণ সীমান্তপথ দিয়ে দেশে ফিরেছেন।
এর আগে ইসরায়েলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ওরেন মারমোরস্টেইন বলেছিলেন, প্রচারমূলক এই নৌবহরের সব বিদেশি কর্মীকে ফেরত পাঠানো হয়েছে। গাজার ওপর বৈধ নৌ অবরোধ ভঙ্গের কোনো সুযোগ ইসরায়েল দেবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এর আগে ইসরায়েলের কট্টর ডানপন্থী জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রী ইতামার বেন-গভির গাজাগামী ‘গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলার’ আটক কর্মীদের নিয়ে উপহাস করে একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন। ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘ইসরায়েলে স্বাগতম’।
ভিডিওতে আন্তর্জাতিক জলসীমা থেকে ইসরায়েলি বাহিনীর হাতে অপহৃত আন্দোলনকর্মীদেরকে জিপ-টাই দিয়ে বাঁধা অবস্থায় হাঁটু গেড়ে বসে থাকতে দেখা গেছে। সেই সময়ে লাউডস্পিকারে উচ্চস্বরে ইসরায়েলের জাতীয় সঙ্গীত বাজতে থাকে।
ফুটেজে আরও দেখা গেছে, আন্দোলনকর্মীদের হাত বেঁধে সশস্ত্র ইসরায়েলি প্রহরীরা তাদের কপাল মাটিতে ঠেকিয়ে রাখতে বাধ্য করছে।
এ ঘটনায় বিশ্বব্যাপী তীব্র সমালোচনার সৃষ্টি হয়। বিশ্বের একাধিক সরকার মানবাধিকার কর্মীদের প্রতি ইসরায়েলের আচরণের নিন্দা জানিয়েছে। পাশাপাশি এটাকে মানবিক মর্যাদার লঙ্ঘন বলে আখ্যা দিয়েছে। এছাড়া আনুষ্ঠানিক তিরস্কারের জন্য ইসরায়েলি কূটনীতিকদের তলব করে।
প্রথমবারের মতো গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলায় অংশ নিয়েছিলেন ৫৭ বছর বয়সী বেলজিয়ান নাগরিক জুলিয়েন কাবরাল। তিনি যখন ইস্তাম্বুলে পৌঁছান, তখন তার শরীরে আঘাতের চিহ্ন দেখা যায়। তার চোখের নিচে কালশিটে দাগ ও বাঁ কপালে ক্ষত রয়েছে। সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন, তাদের নৌকায় হানা দেওয়ার সময় এক ইসরায়েলি নৌসেনা তাকে ঘুষি মারে।
তিনি অভিযোগ করেন, অধিকারকর্মীদের ওপর অমানবিক অত্যাচার করা হয়েছে। তাদের চড় মেরেছে, গালাগালি করেছে, এমনকি খাবার, পানি ও প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসামগ্রী পাওয়ার জন্য অনুরোধ করতে বাধ্য করেছে। আহতদের চিকিৎসকের কাছে যেতে দেওয়া হয়নি বলেও জানান তিনি।
অধিকারকর্মীদের সঙ্গে আটক হওয়া ইতালীয় সাংবাদিক আলেসান্দ্রো মানতোভানি বলেন, হাতকড়া ও পায়ে শিকল পরিয়ে তাদেরকে বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরে নেওয়া হয়। তারা আমাদের লাথি, ঘুষি মেরেছে। এভাবে অত্যাচার করে বলেছে ‘ইসরায়েলে স্বাগতম’।
সূত্র: আল জাজিরা

ফ্লোটিলার শত শত অধিকারকর্মীকে ফেরত পাঠালো ইসরায়েল
সিটিজেন ডেস্ক

গাজামুখী গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা নৌবহরের আটক শত শত অধিকারকর্মীকে ফেরত পাঠিয়েছে ইসরায়েল। দেশটি গাজায় ত্রাণ পৌঁছে দিতে যাওয়া নৌবহরে হামলা চালিয়ে তাদের অপহরণ করে। এরপর তাদের সঙ্গে অমানবিক আচরণ করার কারণে বিশ্বব্যাপী ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়। এমন পরিস্থিতিতে এই সিদ্ধান্ত নিলো দেশটি।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার দিনভর ফ্লোটিলার বহু অধিকারকর্মী তুরস্কের ইস্তাম্বুল বিমানবন্দরে পৌঁছেছেন। এ সময় তাদের অনেকেই ফিলিস্তিনি কেফিয়াহ গলায় জড়িয়ে শান্তির প্রতীক হিসেবে আঙুল তুলে ধরেন। ফিলিস্তিনি পতাকা হাতে শত শত সমর্থক তাদের স্বাগত জানান।
একটি বিশেষ ফ্লাইটে ইসরায়েল থেকে মোট ৪২২ জনকে সরিয়ে নিয়েছে আঙ্কারা। তাদের মধ্যে ৮৫ জন তুরস্কের নাগরিক রয়েছেন। বর্তমানে তাদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
অন্যদিকে ফ্রান্সের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই দলে ৩৭ জন ফরাসি নাগরিক ছিলেন। কয়েকজন স্প্যানিশ অধিকারকর্মীও এদিন সন্ধ্যায় তুরস্ক হয়ে মাদ্রিদে পৌঁছান। জর্ডান জানিয়েছে, তাদের দুই নাগরিক ইসরায়েলের সঙ্গে দক্ষিণ সীমান্তপথ দিয়ে দেশে ফিরেছেন।
এর আগে ইসরায়েলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ওরেন মারমোরস্টেইন বলেছিলেন, প্রচারমূলক এই নৌবহরের সব বিদেশি কর্মীকে ফেরত পাঠানো হয়েছে। গাজার ওপর বৈধ নৌ অবরোধ ভঙ্গের কোনো সুযোগ ইসরায়েল দেবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এর আগে ইসরায়েলের কট্টর ডানপন্থী জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রী ইতামার বেন-গভির গাজাগামী ‘গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলার’ আটক কর্মীদের নিয়ে উপহাস করে একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন। ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘ইসরায়েলে স্বাগতম’।
ভিডিওতে আন্তর্জাতিক জলসীমা থেকে ইসরায়েলি বাহিনীর হাতে অপহৃত আন্দোলনকর্মীদেরকে জিপ-টাই দিয়ে বাঁধা অবস্থায় হাঁটু গেড়ে বসে থাকতে দেখা গেছে। সেই সময়ে লাউডস্পিকারে উচ্চস্বরে ইসরায়েলের জাতীয় সঙ্গীত বাজতে থাকে।
ফুটেজে আরও দেখা গেছে, আন্দোলনকর্মীদের হাত বেঁধে সশস্ত্র ইসরায়েলি প্রহরীরা তাদের কপাল মাটিতে ঠেকিয়ে রাখতে বাধ্য করছে।
এ ঘটনায় বিশ্বব্যাপী তীব্র সমালোচনার সৃষ্টি হয়। বিশ্বের একাধিক সরকার মানবাধিকার কর্মীদের প্রতি ইসরায়েলের আচরণের নিন্দা জানিয়েছে। পাশাপাশি এটাকে মানবিক মর্যাদার লঙ্ঘন বলে আখ্যা দিয়েছে। এছাড়া আনুষ্ঠানিক তিরস্কারের জন্য ইসরায়েলি কূটনীতিকদের তলব করে।
প্রথমবারের মতো গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলায় অংশ নিয়েছিলেন ৫৭ বছর বয়সী বেলজিয়ান নাগরিক জুলিয়েন কাবরাল। তিনি যখন ইস্তাম্বুলে পৌঁছান, তখন তার শরীরে আঘাতের চিহ্ন দেখা যায়। তার চোখের নিচে কালশিটে দাগ ও বাঁ কপালে ক্ষত রয়েছে। সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন, তাদের নৌকায় হানা দেওয়ার সময় এক ইসরায়েলি নৌসেনা তাকে ঘুষি মারে।
তিনি অভিযোগ করেন, অধিকারকর্মীদের ওপর অমানবিক অত্যাচার করা হয়েছে। তাদের চড় মেরেছে, গালাগালি করেছে, এমনকি খাবার, পানি ও প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসামগ্রী পাওয়ার জন্য অনুরোধ করতে বাধ্য করেছে। আহতদের চিকিৎসকের কাছে যেতে দেওয়া হয়নি বলেও জানান তিনি।
অধিকারকর্মীদের সঙ্গে আটক হওয়া ইতালীয় সাংবাদিক আলেসান্দ্রো মানতোভানি বলেন, হাতকড়া ও পায়ে শিকল পরিয়ে তাদেরকে বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরে নেওয়া হয়। তারা আমাদের লাথি, ঘুষি মেরেছে। এভাবে অত্যাচার করে বলেছে ‘ইসরায়েলে স্বাগতম’।
সূত্র: আল জাজিরা

গাজামুখী ফ্লোটিলার সব নৌকা জব্দ করেছে ইসরায়েল
দেশে দেশে ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূতদের তলব, নেপথ্যে কী
ইসরায়েলের ‘অমানবিক’ আচরণ, মার্কিন সিনেটরের নিন্দা


