ইইউ সেনাবাহিনীকে ‘সন্ত্রাসী গোষ্ঠী’ ঘোষণা করলো ইরান

ইইউ সেনাবাহিনীকে ‘সন্ত্রাসী গোষ্ঠী’ ঘোষণা করলো ইরান

ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সদস্য দেশগুলোর সেনাবাহিনীকে ‘সন্ত্রাসী গোষ্ঠী’ হিসেবে ঘোষণা করেছে ইরান। দেশটির ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডস কর্পসকে (আইআরজিসি) ‘সন্ত্রাসী গোষ্ঠী’ আখ্যা দেওয়ার পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে তেহরান।
রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাগের গালিবাফ এ ঘোষণা দেন। তিনি সতর্ক করে বলেন, আইআরজিসির বিরুদ্ধে নেওয়া যেকোনো পদক্ষেপের ফলে উদ্ভূত পরিস্থিতির সম্পূর্ণ দায় ইউরোপীয় ইউনিয়নকেই বহন করতে হবে।
এদিন সংহতি প্রকাশের অংশ হিসেবে স্পিকার গালিবাফ বিপ্লবী গার্ডদের পোশাক পরে সংসদ অধিবেশনে বক্তব্য দেন। তিনি জানান, আইআরজিসিকে সন্ত্রাসী সংগঠন ঘোষণার পাল্টা আইনে নির্ধারিত ব্যবস্থার ৭ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ইউরোপীয় দেশগুলোর সেনাবাহিনীকে ‘সন্ত্রাসী গোষ্ঠী’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ইরানি জাতি ও স্বাধীন দেশগুলোকে ভয় দেখাতে জায়নবাদীরা গণমাধ্যম ব্যবহার করে একটি মানসিক যুদ্ধক্ষেত্র তৈরি করার চেষ্টা করছে। তবে ইরানিরা আইআরজিসিকে নিজেদেরই অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে দেখে।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) ইরানের বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর দমন-পীড়নের প্রতিক্রিয়ায় ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডস কর্পসকে (আইআরজিসি) ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। ইউরোপীয় জোটের এ সিদ্ধান্তে যুক্তরাজ্যের ওপরও চাপ বাড়ছে, কারণ দেশটি এখনো আইআরজিসিকে আনুষ্ঠানিকভাবে নিষিদ্ধ করেনি। তবে ভবিষ্যতে এমন পদক্ষেপ নেওয়ার সম্ভাবনা খোলা রেখেছে লন্ডন।
এদিকে ইউরোপের এই সিদ্ধান্তকে ‘বড় কৌশলগত ভুল’ বলে অভিহিত করেছে তেহরান। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লেখেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যে একটি সর্বাত্মক যুদ্ধপরিস্থিতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। সম্ভাব্য বিপর্যয় এড়াতে যখন অনেক দেশ কাজ করছে, সেই সময় ইউরোপ সেই বিপর্যয়ের আগুনে হাওয়া দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বৃহস্পতিবারের বৈঠকে যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তা আন্তর্জাতিক কূটনীতির বর্তমান পরিস্থিতিতে একটি গুরুতর ভুল সিদ্ধান্ত।’
১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর প্রতিষ্ঠিত ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডস কর্পস (আইআরজিসি) ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির প্রতি আনুগত্যশীল একটি অভিজাত প্যারামিলিটারি বাহিনী। স্থলবাহিনীর পাশাপাশি এ বাহিনীর পৃথক নৌ ও বিমান শাখা রয়েছে। আইআরজিসির সদস্যসংখ্যা আনুমানিক ১ লাখ ৫০ হাজার। যুক্তরাষ্ট্র ২০১৯ সালে, কানাডা ২০২৪ সালে এবং অস্ট্রেলিয়া ২০২৫ সালে আইআরজিসিকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে তালিকাভুক্ত করে।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি, ফার্স নিউজ

ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সদস্য দেশগুলোর সেনাবাহিনীকে ‘সন্ত্রাসী গোষ্ঠী’ হিসেবে ঘোষণা করেছে ইরান। দেশটির ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডস কর্পসকে (আইআরজিসি) ‘সন্ত্রাসী গোষ্ঠী’ আখ্যা দেওয়ার পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে তেহরান।
রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাগের গালিবাফ এ ঘোষণা দেন। তিনি সতর্ক করে বলেন, আইআরজিসির বিরুদ্ধে নেওয়া যেকোনো পদক্ষেপের ফলে উদ্ভূত পরিস্থিতির সম্পূর্ণ দায় ইউরোপীয় ইউনিয়নকেই বহন করতে হবে।
এদিন সংহতি প্রকাশের অংশ হিসেবে স্পিকার গালিবাফ বিপ্লবী গার্ডদের পোশাক পরে সংসদ অধিবেশনে বক্তব্য দেন। তিনি জানান, আইআরজিসিকে সন্ত্রাসী সংগঠন ঘোষণার পাল্টা আইনে নির্ধারিত ব্যবস্থার ৭ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ইউরোপীয় দেশগুলোর সেনাবাহিনীকে ‘সন্ত্রাসী গোষ্ঠী’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ইরানি জাতি ও স্বাধীন দেশগুলোকে ভয় দেখাতে জায়নবাদীরা গণমাধ্যম ব্যবহার করে একটি মানসিক যুদ্ধক্ষেত্র তৈরি করার চেষ্টা করছে। তবে ইরানিরা আইআরজিসিকে নিজেদেরই অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে দেখে।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) ইরানের বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর দমন-পীড়নের প্রতিক্রিয়ায় ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডস কর্পসকে (আইআরজিসি) ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। ইউরোপীয় জোটের এ সিদ্ধান্তে যুক্তরাজ্যের ওপরও চাপ বাড়ছে, কারণ দেশটি এখনো আইআরজিসিকে আনুষ্ঠানিকভাবে নিষিদ্ধ করেনি। তবে ভবিষ্যতে এমন পদক্ষেপ নেওয়ার সম্ভাবনা খোলা রেখেছে লন্ডন।
এদিকে ইউরোপের এই সিদ্ধান্তকে ‘বড় কৌশলগত ভুল’ বলে অভিহিত করেছে তেহরান। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লেখেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যে একটি সর্বাত্মক যুদ্ধপরিস্থিতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। সম্ভাব্য বিপর্যয় এড়াতে যখন অনেক দেশ কাজ করছে, সেই সময় ইউরোপ সেই বিপর্যয়ের আগুনে হাওয়া দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বৃহস্পতিবারের বৈঠকে যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তা আন্তর্জাতিক কূটনীতির বর্তমান পরিস্থিতিতে একটি গুরুতর ভুল সিদ্ধান্ত।’
১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর প্রতিষ্ঠিত ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডস কর্পস (আইআরজিসি) ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির প্রতি আনুগত্যশীল একটি অভিজাত প্যারামিলিটারি বাহিনী। স্থলবাহিনীর পাশাপাশি এ বাহিনীর পৃথক নৌ ও বিমান শাখা রয়েছে। আইআরজিসির সদস্যসংখ্যা আনুমানিক ১ লাখ ৫০ হাজার। যুক্তরাষ্ট্র ২০১৯ সালে, কানাডা ২০২৪ সালে এবং অস্ট্রেলিয়া ২০২৫ সালে আইআরজিসিকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে তালিকাভুক্ত করে।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি, ফার্স নিউজ

ইইউ সেনাবাহিনীকে ‘সন্ত্রাসী গোষ্ঠী’ ঘোষণা করলো ইরান

ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সদস্য দেশগুলোর সেনাবাহিনীকে ‘সন্ত্রাসী গোষ্ঠী’ হিসেবে ঘোষণা করেছে ইরান। দেশটির ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডস কর্পসকে (আইআরজিসি) ‘সন্ত্রাসী গোষ্ঠী’ আখ্যা দেওয়ার পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে তেহরান।
রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাগের গালিবাফ এ ঘোষণা দেন। তিনি সতর্ক করে বলেন, আইআরজিসির বিরুদ্ধে নেওয়া যেকোনো পদক্ষেপের ফলে উদ্ভূত পরিস্থিতির সম্পূর্ণ দায় ইউরোপীয় ইউনিয়নকেই বহন করতে হবে।
এদিন সংহতি প্রকাশের অংশ হিসেবে স্পিকার গালিবাফ বিপ্লবী গার্ডদের পোশাক পরে সংসদ অধিবেশনে বক্তব্য দেন। তিনি জানান, আইআরজিসিকে সন্ত্রাসী সংগঠন ঘোষণার পাল্টা আইনে নির্ধারিত ব্যবস্থার ৭ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ইউরোপীয় দেশগুলোর সেনাবাহিনীকে ‘সন্ত্রাসী গোষ্ঠী’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ইরানি জাতি ও স্বাধীন দেশগুলোকে ভয় দেখাতে জায়নবাদীরা গণমাধ্যম ব্যবহার করে একটি মানসিক যুদ্ধক্ষেত্র তৈরি করার চেষ্টা করছে। তবে ইরানিরা আইআরজিসিকে নিজেদেরই অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে দেখে।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) ইরানের বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর দমন-পীড়নের প্রতিক্রিয়ায় ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডস কর্পসকে (আইআরজিসি) ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। ইউরোপীয় জোটের এ সিদ্ধান্তে যুক্তরাজ্যের ওপরও চাপ বাড়ছে, কারণ দেশটি এখনো আইআরজিসিকে আনুষ্ঠানিকভাবে নিষিদ্ধ করেনি। তবে ভবিষ্যতে এমন পদক্ষেপ নেওয়ার সম্ভাবনা খোলা রেখেছে লন্ডন।
এদিকে ইউরোপের এই সিদ্ধান্তকে ‘বড় কৌশলগত ভুল’ বলে অভিহিত করেছে তেহরান। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লেখেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যে একটি সর্বাত্মক যুদ্ধপরিস্থিতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। সম্ভাব্য বিপর্যয় এড়াতে যখন অনেক দেশ কাজ করছে, সেই সময় ইউরোপ সেই বিপর্যয়ের আগুনে হাওয়া দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বৃহস্পতিবারের বৈঠকে যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তা আন্তর্জাতিক কূটনীতির বর্তমান পরিস্থিতিতে একটি গুরুতর ভুল সিদ্ধান্ত।’
১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর প্রতিষ্ঠিত ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডস কর্পস (আইআরজিসি) ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির প্রতি আনুগত্যশীল একটি অভিজাত প্যারামিলিটারি বাহিনী। স্থলবাহিনীর পাশাপাশি এ বাহিনীর পৃথক নৌ ও বিমান শাখা রয়েছে। আইআরজিসির সদস্যসংখ্যা আনুমানিক ১ লাখ ৫০ হাজার। যুক্তরাষ্ট্র ২০১৯ সালে, কানাডা ২০২৪ সালে এবং অস্ট্রেলিয়া ২০২৫ সালে আইআরজিসিকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে তালিকাভুক্ত করে।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি, ফার্স নিউজ




