ভারতে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গ ধসে নিহত ৭, নিখোঁজ ১

ভারতে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গ ধসে নিহত ৭, নিখোঁজ ১
সিজেডএন ডেস্ক

ভারতের উত্তরাখণ্ডে নির্মাণাধীন জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গে হঠাৎ ধসে পড়ে ৭ জন শ্রমিক নিহত হয়েছেন। এছাড়া আশঙ্কাজনক অবস্থায় আরও ১৪ জন বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এবং এখনও একজন নিখোঁজ রয়েছেন।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম পিটিআই সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সন্ধ্যায় চামোলি জেলার মায়াপুর তহসিলের পিপালকোটি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিয়মমাফিকভাবে সুড়ঙ্গ খননের কাজ চলাকালীন সন্ধ্যা পৌনে সাতটা নাগাদ হঠাৎ পাহাড়ি ধস নেমে আসে। পানি ও কাদার তীব্র স্রোতে মুহূর্তের মধ্যে অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে সুড়ঙ্গের মূল প্রবেশপথ, যার ভেতরে আটকা পড়েন ২২ জন শ্রমিক। খবর পেয়েই রাতে উদ্ধারকাজে ঝাঁপিয়ে পড়েন উত্তরাখণ্ড পুলিশ, রাজ্য দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনী (এসডিআরএফ), সিআইএসএফ এবং স্থানীয় বাসিন্দারা।
রাতভর টানা অভিযানের পর শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সকাল নাগাদ ২২ জনের মধ্যে ২১ জনকে বাইরে বের করে আনা সম্ভব হয়। তবে চিকিৎসকেরা সাতজনকে মৃত ঘোষণা করেন এবং বাকি ১৪ জনকে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। নিখোঁজ শেষ শ্রমিকটির সন্ধানে শুক্রবার ভোর থেকেই ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে জাতীয় দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনীর (এনডিআরএফ) একটি দল। ভারী সরঞ্জাম দিয়ে ধসের পাথর ও কাদা সরিয়ে সুড়ঙ্গের গভীরে পৌঁছানোর আপ্রাণ চেষ্টা চালানো হচ্ছে। পুরো অভিযান সরজমিনে তদারকি করছেন চামোলির জেলাশাসক গৌরব কুমার এবং পরিস্থিতির ওপর সতর্ক নজর রাখছেন মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিংহ ধামী।
উল্লেখ্য, তেহরি হাইড্রো ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশনের (টিএইচডিসি) একটি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের জন্য সুড়ঙ্গটি খোঁড়া হচ্ছিল, যার নির্মাণের দায়িত্বে রয়েছে হিন্দুস্তান কনস্ট্রাকশন কোম্পানি (এইচসিসি)। উত্তরাখণ্ডে সুড়ঙ্গ ধসের এ অভিজ্ঞতা অবশ্য নতুন নয়। ২০২৩ সালের নভেম্বরে উত্তরকাশীর সিল্কিয়ারা সুড়ঙ্গে ৪১ জন শ্রমিক আটকে পড়েছিলেন, যাদের ১৭ দিনের দীর্ঘ প্রচেষ্টায় ‘র্যাট-হোল মাইনিং’ পদ্ধতিতে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। এমনকি ২০২৫ সালের আগস্টেও পিথোরাগড়ে ধৌলিগঙ্গা বিদ্যুৎ কেন্দ্রেরই সুড়ঙ্গমুখে ধস নেমে আটকে পড়েছিলেন ১৯ জন কর্মী। যাদের পরবর্তীতে নিরাপদে বের করে আনা সম্ভব হয়েছিল।
সূত্র: পিটিআই

ভারতের উত্তরাখণ্ডে নির্মাণাধীন জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গে হঠাৎ ধসে পড়ে ৭ জন শ্রমিক নিহত হয়েছেন। এছাড়া আশঙ্কাজনক অবস্থায় আরও ১৪ জন বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এবং এখনও একজন নিখোঁজ রয়েছেন।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম পিটিআই সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সন্ধ্যায় চামোলি জেলার মায়াপুর তহসিলের পিপালকোটি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিয়মমাফিকভাবে সুড়ঙ্গ খননের কাজ চলাকালীন সন্ধ্যা পৌনে সাতটা নাগাদ হঠাৎ পাহাড়ি ধস নেমে আসে। পানি ও কাদার তীব্র স্রোতে মুহূর্তের মধ্যে অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে সুড়ঙ্গের মূল প্রবেশপথ, যার ভেতরে আটকা পড়েন ২২ জন শ্রমিক। খবর পেয়েই রাতে উদ্ধারকাজে ঝাঁপিয়ে পড়েন উত্তরাখণ্ড পুলিশ, রাজ্য দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনী (এসডিআরএফ), সিআইএসএফ এবং স্থানীয় বাসিন্দারা।
রাতভর টানা অভিযানের পর শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সকাল নাগাদ ২২ জনের মধ্যে ২১ জনকে বাইরে বের করে আনা সম্ভব হয়। তবে চিকিৎসকেরা সাতজনকে মৃত ঘোষণা করেন এবং বাকি ১৪ জনকে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। নিখোঁজ শেষ শ্রমিকটির সন্ধানে শুক্রবার ভোর থেকেই ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে জাতীয় দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনীর (এনডিআরএফ) একটি দল। ভারী সরঞ্জাম দিয়ে ধসের পাথর ও কাদা সরিয়ে সুড়ঙ্গের গভীরে পৌঁছানোর আপ্রাণ চেষ্টা চালানো হচ্ছে। পুরো অভিযান সরজমিনে তদারকি করছেন চামোলির জেলাশাসক গৌরব কুমার এবং পরিস্থিতির ওপর সতর্ক নজর রাখছেন মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিংহ ধামী।
উল্লেখ্য, তেহরি হাইড্রো ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশনের (টিএইচডিসি) একটি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের জন্য সুড়ঙ্গটি খোঁড়া হচ্ছিল, যার নির্মাণের দায়িত্বে রয়েছে হিন্দুস্তান কনস্ট্রাকশন কোম্পানি (এইচসিসি)। উত্তরাখণ্ডে সুড়ঙ্গ ধসের এ অভিজ্ঞতা অবশ্য নতুন নয়। ২০২৩ সালের নভেম্বরে উত্তরকাশীর সিল্কিয়ারা সুড়ঙ্গে ৪১ জন শ্রমিক আটকে পড়েছিলেন, যাদের ১৭ দিনের দীর্ঘ প্রচেষ্টায় ‘র্যাট-হোল মাইনিং’ পদ্ধতিতে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। এমনকি ২০২৫ সালের আগস্টেও পিথোরাগড়ে ধৌলিগঙ্গা বিদ্যুৎ কেন্দ্রেরই সুড়ঙ্গমুখে ধস নেমে আটকে পড়েছিলেন ১৯ জন কর্মী। যাদের পরবর্তীতে নিরাপদে বের করে আনা সম্ভব হয়েছিল।
সূত্র: পিটিআই

ভারতে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গ ধসে নিহত ৭, নিখোঁজ ১
সিজেডএন ডেস্ক

ভারতের উত্তরাখণ্ডে নির্মাণাধীন জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গে হঠাৎ ধসে পড়ে ৭ জন শ্রমিক নিহত হয়েছেন। এছাড়া আশঙ্কাজনক অবস্থায় আরও ১৪ জন বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এবং এখনও একজন নিখোঁজ রয়েছেন।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম পিটিআই সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সন্ধ্যায় চামোলি জেলার মায়াপুর তহসিলের পিপালকোটি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিয়মমাফিকভাবে সুড়ঙ্গ খননের কাজ চলাকালীন সন্ধ্যা পৌনে সাতটা নাগাদ হঠাৎ পাহাড়ি ধস নেমে আসে। পানি ও কাদার তীব্র স্রোতে মুহূর্তের মধ্যে অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে সুড়ঙ্গের মূল প্রবেশপথ, যার ভেতরে আটকা পড়েন ২২ জন শ্রমিক। খবর পেয়েই রাতে উদ্ধারকাজে ঝাঁপিয়ে পড়েন উত্তরাখণ্ড পুলিশ, রাজ্য দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনী (এসডিআরএফ), সিআইএসএফ এবং স্থানীয় বাসিন্দারা।
রাতভর টানা অভিযানের পর শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সকাল নাগাদ ২২ জনের মধ্যে ২১ জনকে বাইরে বের করে আনা সম্ভব হয়। তবে চিকিৎসকেরা সাতজনকে মৃত ঘোষণা করেন এবং বাকি ১৪ জনকে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। নিখোঁজ শেষ শ্রমিকটির সন্ধানে শুক্রবার ভোর থেকেই ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে জাতীয় দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনীর (এনডিআরএফ) একটি দল। ভারী সরঞ্জাম দিয়ে ধসের পাথর ও কাদা সরিয়ে সুড়ঙ্গের গভীরে পৌঁছানোর আপ্রাণ চেষ্টা চালানো হচ্ছে। পুরো অভিযান সরজমিনে তদারকি করছেন চামোলির জেলাশাসক গৌরব কুমার এবং পরিস্থিতির ওপর সতর্ক নজর রাখছেন মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিংহ ধামী।
উল্লেখ্য, তেহরি হাইড্রো ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশনের (টিএইচডিসি) একটি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের জন্য সুড়ঙ্গটি খোঁড়া হচ্ছিল, যার নির্মাণের দায়িত্বে রয়েছে হিন্দুস্তান কনস্ট্রাকশন কোম্পানি (এইচসিসি)। উত্তরাখণ্ডে সুড়ঙ্গ ধসের এ অভিজ্ঞতা অবশ্য নতুন নয়। ২০২৩ সালের নভেম্বরে উত্তরকাশীর সিল্কিয়ারা সুড়ঙ্গে ৪১ জন শ্রমিক আটকে পড়েছিলেন, যাদের ১৭ দিনের দীর্ঘ প্রচেষ্টায় ‘র্যাট-হোল মাইনিং’ পদ্ধতিতে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। এমনকি ২০২৫ সালের আগস্টেও পিথোরাগড়ে ধৌলিগঙ্গা বিদ্যুৎ কেন্দ্রেরই সুড়ঙ্গমুখে ধস নেমে আটকে পড়েছিলেন ১৯ জন কর্মী। যাদের পরবর্তীতে নিরাপদে বের করে আনা সম্ভব হয়েছিল।
সূত্র: পিটিআই

ভারতকে কড়া হুঁশিয়ারি শেহবাজের






